ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরানের জনগণকে বিদ্রোহ করার ডাক দিলেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জুন, ২০২৫ ১৫:১৭
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের জনগণকে বিদ্রোহ করার ডাক দিলেন নেতানিয়াহু

ইরানে ক্ষমতাসীন কট্টর ইসলামপন্থি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেশটির সাধারণ জনগণকে বিদ্রোহ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে যে অশুভ ও নিপীড়ক শাসকগোষ্ঠী আপনাদের ঘাড়ে চেপে বসে আছে, তাদেরকে নামানোর সময় এসেছে। আপনারা আপনাদের পতাকা এবং ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের ছায়াতলে আসুন। নিপীড়নবাদী শাসন থেকে মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন, আওয়াজ তুলুন। যে সুযোগ আপনাদের সামনে এসেছে, তাকে গ্রহণ করুন।”

তিনি আরও বলেন, “ইরানে আমরা যে সামরিক অভিযান শুরু করেছি, তা সেখানকার জনগণের বিরুদ্ধে নয়। আমাদের সামরিক অভিযান ইরানের পরমাণু হুমকি ও ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির বিরুদ্ধে।”

গত ১৩ জুন শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ৮টি শহরে বড় ধরনের বিমান হামলা করে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী (আইএএফ)। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৭৮ জন এবং আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩০০ জন। এছাড়া ইরানের সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাঘেরিসহ সামরিক বাহিনীর বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও সামরিক বাহিনীর স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এ হামালা চালানো হয়েছিল। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় ইরানের অন্তত ১০০টি স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এ সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘দ্য রাইজিং লায়ন’।

অতর্কিত হামলার পর শুক্রবার রাতে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ থ্রি’ সেনা অভিযান শুরু করে ইরান। এতে একজন নিহত এবং ৪১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সূত্র : আরটি

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানে ইসরাইলের হামলায় বিশ্বের কোন দেশ কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে?

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুন, ২০২৫ ১৪:৩৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানে ইসরাইলের হামলায় বিশ্বের কোন দেশ কি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে?

    ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে ইসরাইল শুক্রবার ব্যাপক হামলা চালানোর পর বিশ্ব নেতারা শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। রুশ বার্তা সংস্থা ও রয়টার্স জানিয়েছে, এই হামলায় বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ অন্তত ২০ জন শীর্ষ ইরানি কমান্ডার নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (১৩ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই অপরাধের জবাবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বৈধ ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া ইসরাইলকে অনুতপ্ত করবে। ইরানি জাতি ও নেতৃত্ব চুপ থাকবে না।’

    বিশ্বজুড়ে এই সংঘাতের নানা প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হলো—

    যুক্তরাষ্ট্র

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এখনো সময় আছে এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার। ইসরাইলের কাছে অনেক অস্ত্র আছে এবং তারা জানে কীভাবে তা ব্যবহার করতে হয়।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইরান পারমাণবিক বোমা পেতে পারে না। আমরা আবার আলোচনার টেবিলে ফিরতে চাই।’

    জাতিসংঘ

    মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস দুই পক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই সংঘাত আরও গভীর হলে তা গোটা অঞ্চলের জন্য মারাত্মক হবে।’ বিশেষ করে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    রাশিয়া

    ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘ইসরাইলের এই আগ্রাসন অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক।’

    রাশিয়ার তেল আবিব দূতাবাস দেশটিতে অবস্থানরত রুশ নাগরিকদের ইসরাইল ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

    চীন

    চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, ‘এই ধরনের পদক্ষেপ ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানাই যেন তারা উত্তেজনা না বাড়িয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভূমিকা রাখে’।

    ইউরোপীয় ইউনিয়ন

    পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কাল্লাস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। উত্তেজনা না বাড়িয়ে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি’।

    ফ্রান্স

    প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘সর্বোচ্চ সংযম বজায় রাখতে হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন করা যাবে না’।

    জার্মানি

    জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আমরা কূটনৈতিক সব উপায় ব্যবহার করে এই সংঘাতে জড়িত পক্ষদের প্রভাবিত করতে প্রস্তুত। আমাদের লক্ষ্য, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে।’

    হামাস

    ‘এই হামলা অঞ্চলজুড়ে অস্থিতিশীলতা বাড়াবে’, বলে মন্তব্য করেছে হামাস।

    হিজবুল্লাহ

    লেবাননের হিজবুল্লাহ বলেছে, ‘ইসরাইল কোনো যুক্তি বা আইন মানে না, তারা কেবল আগ্রাসনের ভাষা বোঝে। এই হামলা গোটা অঞ্চলকে আগুনে ঝলসে দিতে পারে’।

    ইরাক

    ইরাক বলেছে, ‘এই হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সম্পূর্ণ লঙ্ঘন এবং বৈশ্বিক শান্তির প্রতি সরাসরি হুমকি’।

    জর্ডান

    জর্ডান জানায়, ‘তারা কখনোই তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন মেনে নেবে না এবং দেশটিকে কোনো সংঘাতের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করতে দেবে না’।

    ওমান

    পারমাণবিক আলোচনার মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান বলেছে, ‘এই বিপজ্জনক পরিস্থিতি বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত স্পষ্ট ও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা’।

    কাতার

    কাতার ইসরাইলের হামলার ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ’ জানিয়েছে এবং বলেছে, এই উত্তেজনা কূটনৈতিক সমাধানের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে।

    তুরস্ক

    প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেন, ‘ইসরাইলের এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা করে, যা স্পষ্ট উসকানি। বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত এই দস্যুতার অবসান ঘটানো’।

    যুক্তরাজ্য

    প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ‘সব পক্ষের উচিত উত্তেজনা থেকে সরে আসা। সংঘাত কারওই মঙ্গল বয়ে আনবে না’।

    ইয়েমেনের হুথি

    তেহরানঘনিষ্ঠ হুথি বিদ্রোহীরা বলেছে, ‘ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার বৈধ অধিকার রয়েছে এবং ইসরাইলের নৃশংস হামলার প্রতিক্রিয়া জানানোর পূর্ণ অধিকারও আছে।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইসরাইল-ইরান সংঘাত,

      রুশ জেনারেলের ঘোষণা ’তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু’

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ জুন, ২০২৫ ১৪:২৫
      অনলাইন ডেস্ক
      রুশ জেনারেলের ঘোষণা ’তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু’

      ভোররাতে এক ধ্বংসাত্মক সামরিক অভিযানে ইরানের বিভিন্ন পরমাণু ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামে এই অভিযানে ২০০টি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে তেহরানসহ অন্তত আটটি শহরে একযোগে হামলা চালানো হয়। শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে ইসরাইল ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সৃষ্টি করে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

      তেহরানসহ ৮ শহরে ইসরাইলের টার্গেটেড স্ট্রাইক

      হামলার প্রথম ঢেউ বৃহস্পতিবার ভোররাতে শুরু হয়। লক্ষ্য করা হয় পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র, সামরিক ঘাঁটি, ও বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট। ইরান দাবি করেছে, হামলায় তাদের বেশ কিছু সেনা নিহত ও বহু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

      বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া, ইরানের পাশে মুসলিম দেশগুলো

      এই হামলার জবাবে বিশ্বের বহু মুসলিম দেশ ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, ইউরোপ, এশিয়া এবং ল্যাটিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ থেকেও তেহরানের প্রতি সমর্থন এসেছে।

      রাশিয়ার উচ্চপদস্থ জেনারেলের সতর্কবার্তা: যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে

      এই পরিস্থিতির মধ্যে রাশিয়ার মেজর জেনারেল আপ্তি আলাদিন এক টেলিগ্রাম পোস্টে দাবি করেন,

      “তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।”

      ৫১ বছর বয়সী এই জেনারেল বর্তমানে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর সামরিক রাজনৈতিক বিভাগের উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন,

      “ইসরাইলের হামলা শুধু একটি আঞ্চলিক উত্তেজনা নয়, বরং এটি বৈশ্বিক যুদ্ধের সূত্রপাত। এখনই ক্রেমলিনকে অন্তত ১০ লাখ নতুন সেনা প্রস্তুত রাখতে হবে।”

      ১০ লাখ সেনা প্রস্তুতির আহ্বান

      জেনারেল আলাদিন তার বার্তায় আরও বলেন,

      “যুদ্ধ একটি নতুন মোড় নিয়েছে। এটি শুধু সময়ের ব্যাপার কখন এটি ইউরোপ কিংবা এশিয়ার আরও অংশে ছড়িয়ে পড়বে। তাই এখনই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।”

      বিশ্ব রাজনীতিতে অস্থিরতা

      ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Mirror বলছে, এই পরিস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিকে এক নতুন দিশায় নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে পরাশক্তিরা সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধের এই মাত্রা এবং ভাষ্য ১৯৩৯ সালের পর সর্বপ্রথম এতটা উদ্বেগজনক।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জানাল বিপ্লবী গার্ড

        ইরানের হামলায় ইসরায়েলের যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৪ জুন, ২০২৫ ১২:৫৩
        অনলাইন ডেস্ক
        ইরানের হামলায় ইসরায়েলের যেসব ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে

        দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে শনিবার মধ্যরাতে মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দখলদারদের মিলিটারি সেন্টার এবং বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

        এ ব্যাপারে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, “নির্ভুল এবং স্মার্ট প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করা ইসরায়েলের মিলিটারি সেন্টার এবং বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।”

        আইআরজিসি জানিয়েছে, দখলদার ইসরায়েলের মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেন্টার লক্ষ্য করেও মিসাইল ছোড়া হয়েছে। এখানে মিসাইল ও অন্যান্য সামরিক উপকরণ তৈরি করে দখলদাররা। তারা বলেছে, ঘটনাস্থলের রিপোর্ট, স্যাটেলাইটের ছবি এবং গোয়েন্দা তথ্য থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছে লক্ষ্যবস্তুগুলোতে মিসাইল আঘাত হেনেছে।

        আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, এই অভিযানটি চালানো হয়েছে শক্তিশালী এবং আক্রমণাত্মক উপায়ে। যেটিতে সমন্বয় করেছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সব শাখা। আর এই অভিযানের বার্তা হলো— ইরানের নিরাপত্তা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য রেডলাইন।

        সূত্র: সিএনএন

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইরান-ইসরায়েল সংঘাত : ফোনে কী কথা হলো নেতানিয়াহু-মোদির?

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৪ জুন, ২০২৫ ১২:৪২
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরান-ইসরায়েল সংঘাত : ফোনে কী কথা হলো নেতানিয়াহু-মোদির?

          ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার খবরে তিনি ‘উদ্বিগ্ন’।

          তিনি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে তিনি একটি ফোন পেয়েছেন।

          তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আমাকে ফোনে সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমি এই ইস্যুতে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি এবং জোর দিয়েছি যে এই অঞ্চলে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা জরুরি।

          ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক পোস্টে জানায়, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গত রাত থেকে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট বিশ্ব নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের অবহিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। শিগগিরই তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। 

          শুক্রবার ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ইসরাইল বলেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে।

          জবাবে ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র চালিয়েছে ইরান।  

          সূত্র : এনডিটিভি

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত