ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত : ফোনে কী কথা হলো নেতানিয়াহু-মোদির?

অনলাইন ডেস্ক
১৪ জুন, ২০২৫ ১২:৪২
অনলাইন ডেস্ক
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত : ফোনে কী কথা হলো নেতানিয়াহু-মোদির?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার খবরে তিনি ‘উদ্বিগ্ন’।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কাছ থেকে তিনি একটি ফোন পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আমাকে ফোনে সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেছেন। আমি এই ইস্যুতে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি এবং জোর দিয়েছি যে এই অঞ্চলে দ্রুত শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা জরুরি।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক পোস্টে জানায়, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গত রাত থেকে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট বিশ্ব নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের অবহিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। শিগগিরই তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। 

শুক্রবার ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে ইসরাইল বলেছে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে রয়েছে।

জবাবে ইসরায়েলেও ক্ষেপণাস্ত্র চালিয়েছে ইরান।  

সূত্র : এনডিটিভি

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইরানি হামলার ভয়ে এক রাতে ৫ বার বাঙ্কারে ঢোকেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৪ জুন, ২০২৫ ১২:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    ইরানি হামলার ভয়ে এক রাতে ৫ বার বাঙ্কারে ঢোকেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার জেরে ইসরায়েলে শতশত মিসাইল ছুড়েছে ইরান। হামলা শুরু হলে বেসামরিক ইসরায়েলিরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। এসময় ইরানি হামলার ভয়ে ৫ বার বাঙ্কারে লুকানোর কথা স্বীকার করলেন তেলআবিবে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।

    শনিবার (১৪ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

    পোস্টে রাষ্ট্রদূত বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে ‘কঠিন’ একটি রাত কেটেছে। আমাকে পাঁচবার আশ্রয়কেন্দ্রে (বাংকারে) যেতে হয়েছে।

    তিনি বলেন, আজ এখানে শাবাত (ইসরায়েলিদের বিশেষ দিন)। সবকিছু শান্ত থাকা উচিত। কিন্তু মনে হয় না থাকবে। সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ের কাছাকাছি থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

    এর আগে, আজ সকালে রাজধানী তেলআবিব ও জেরুজালেমে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

    ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়ে আহ্বান জানিয়েছে। এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকার কথা জানিয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইরানের হামলার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন নেতানিয়াহু

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৪ জুন, ২০২৫ ১:৫২
      অনলাইন ডেস্ক
      ইরানের হামলার ভয়ে দেশ ছেড়েছেন নেতানিয়াহু

      ইরানে ভয়াবহ হামলা করেছে ইসরাইল। এতে বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছে তেহরান। এবার সেই ভয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে একটি অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে গ্রিসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। খবর ইরনা নিউজের। 

      ইসরাইলের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম নেতানিয়াহুর বিমানের একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে দেখা যায়, দুটি যুদ্ধবিমান তার বিমানের সঙ্গে ছায়াসঙ্গীর মতো রয়েছে এবং সেটি ইসরাইল অধিকৃত অঞ্চল ছেড়ে অজ্ঞাত গন্তব্যে যাচ্ছে।

      পরবর্তীতে চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, সেই বিমানটি গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে অবতরণ করেছে।

      ইসরাইলি মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি ছবিতে দাবি করা হয়েছে যে এটি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিমান, যা অজানা স্থানে যাত্রা করছে।

      শুক্রবার ইসরাইল রাজধানী তেহরানসহ ইরানের একাধিক শহরে ব্যাপক সামরিক হামলা চালায়। এসব হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

      নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর চিফ কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি, খাতাম আল-আনবিয়া সদর দফতরের কমান্ডার মেজর জেনারেল গোলামআলি রাশিদ।

      এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানের সামরিক বাহিনী প্রতিশোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।

      ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ‘লক্ষ্যভিত্তিক হত্যা’ ও আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

      এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের হামলাকে ‘চমৎকার’ হিসেবে প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এখনো একটা চুক্তির সুযোগ আছে, না হলে দেশের অস্তিত্বই শেষ হয়ে যাবে। 

      এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরাইলকে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও ছয়জন পারমাণবিক বিজ্ঞানী হত্যার ‘অপরাধের’ জবাবে ইসরাইলকে ‘কঠোর শাস্তি’ ভোগ করতে হবে।

      দুইজন মার্কিন সরকারি কর্মকর্তা এপি নিউজকে জানিয়েছেন, ইরানের ওপর ইসরাইলের হামলার পর এবং তেহরানের সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সম্পদ, বিশেষ করে যুদ্ধজাহাজ স্থানান্তর করছে। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        দুঃসময়ে ইরানের পাশে রাশিয়া, ইসরায়েলকে কড়া বার্তা

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৩ জুন, ২০২৫ ২৩:১৪
        অনলাইন ডেস্ক
        দুঃসময়ে ইরানের পাশে রাশিয়া, ইসরায়েলকে কড়া বার্তা

        ইরানে হামলা অগ্রহণযোগ্য ও উসকানিমূলক- এ কথা জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো বলেছে, ইসরায়েলের এই হামলা বিনাদোষে হয়েছে এবং এটা জাতিসংঘের সনদ লঙ্ঘন করেছে। সে সাথে পশ্চিমা দেশগুলোকেও দোষারোপ করেছে যে, তারা ইরানে বিদ্বেষ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। খবর রয়টার্স।

        রাশিয়া বলেছে, ইরানে হামলা চালিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা ও উত্তেজনা আরও বাড়াচ্ছে ইসরায়েল। অপর দিকে, ইরানে পরমাণু কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও সমাধানে ওয়াশিংটন ও মস্কো যে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে, তা ব্যাহত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে ক্রেমলিন।

        এদিকে ইসরায়েল শুক্রবার (১৩ জুন) দাবি করেছে যে, তারা ইরানে পারমাণিবিক স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা ও সামরিক কমান্ড কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে- যা তাদের ভাষায়, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে নিবৃত্ত রাখার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

        রাশিয়ার ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকব জানিয়েছেন যে, রাশিয়া এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও নিন্দা জানাচ্ছে। পুতিনও রাশিয়ার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার (এসভার) সাথে ঘন ঘন কথা বলছেন ও বাস্তব তথ্য সংগ্রহ করছেন।

        রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগে ইরানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হ্রাস ও তা বেসামরিক পরমাণু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগও নিয়েছে, যা ওয়াশিংটন ও তেহরানে আস্থা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে।

        উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইরান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। জানুয়ারিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ২০ বছর মেয়াদে কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। তবে মস্কো চাইছে না যে, মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িত হোক এবং সেই চুক্তিতে পারস্পরিক আত্মরক্ষার অঙ্গীকারও অন্তর্ভুক্ত নেই।

        প্রেসিডেন্ট পুতিনের উদ্যোগে প্রকাশিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিস্তারিত বিবৃতিতে ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলোর আচরণের নিন্দা জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের সনদ ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যে বলপ্রয়োগ হয়েছে- তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। নির্দোষ মানুষ, শান্তির শহর ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা মানবতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, বলেছে রাশিয়া।

        মস্কো বিশ্বাস করে যে, ইরানে পরমাণু কর্মসূচিতে পশ্চিমা সন্দেহ ও আতঙ্ক নিরসন করার একমাত্র পথ হলো কূটনীতি ও আলোচনা। আমরা সবাইকে আত্মসংযম প্রদর্শন করার ও মধ্যপ্রাচ্যকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে এগোতে না দেওয়ার আহ্বান জানাই, বলেছে রাশিয়া।

        একই সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্মরণ করিয়েছে যে, রোববার (১৫ জুন) ওমানে ওয়াশিংটন ও ইরানে অপর পরমাণু আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

        এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ জুন) ভোররাতে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালায়। ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামের এই অভিযানে ইরানের পরমাণু স্থাপনা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক কমান্ড কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু ছিল।

        এদিকে, ইরানে ইসরায়েলি হামলার পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। শুক্রবার ভোরে তেহরানে হামলার ঘটনায় এরই মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সৌদি আরব, তুরস্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

        জানা গেছে, ইরানে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েল বছরের পর বছর ধরে কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানে একটা ড্রোন ঘাঁটি তৈরি ও নির্ভুল অস্ত্র ব্যবস্থা ও কমান্ডো পাচার।

        ইসরায়েলের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা টাইমস অফ ইসরায়েলকে বলেন, মোসাদ এজেন্টরা তেহরানের কাছে সেই ঘাঁটি স্থাপন করেছিলেন।

        ড্রোনগুলো রাতারাতি সক্রিয় করা হয়, এর পর পরই ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ভূমিতে স্থাপন করা ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলোতে আঘাত হানে। এর ফলেই ইরান তাৎক্ষণিক পাল্টা হামলা চালাতে পারবে না এবং তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই ধ্বংস হয়ে যায়।

        ইরানে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭৮ জন নিহত ও আহত হয়েছেন ৩২৯ জন। দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড পরিচালিত নিউজ এজেন্সি ফার্সের বরাতে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে হামলায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরও বেশি।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ইরান-ইসরাইল সংঘাত: কোন দেশ কার পক্ষে?

          অনলাইন ডেস্ক
          ১৩ জুন, ২০২৫ ১৯:৪৬
          অনলাইন ডেস্ক
          ইরান-ইসরাইল সংঘাত: কোন দেশ কার পক্ষে?

          আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ইসরাইলকে সমর্থন জানিয়েছে। রাশিয়া, লেবাননসহ বেশ কয়েকটি দেশ ইরানের পক্ষ নিয়েছে। 

          এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে এগুলো বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

          ইরানের হামলায় ক্ষুব্ধ হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। ইরানকে ‘কঠিন পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পেন্টাগন। তেহরানকে মোকাবিলায় তেল আবিবকে পূর্ণ সমর্থনের পাশাপাশি ইসরাইলের প্রতিরক্ষা নিশ্চিতে প্রত্যক্ষ সহায়তার কথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। 

          ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। একইসঙ্গে, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।

          তিনি বলেন, 

          ইরানের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে আমরা উদ্বিগ্ন, যে কারণে নিন্দা জানাচ্ছি। এটা ভালো খবর যে, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে গঠিত ইসরাইলের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কারণে বেসামরকি নাগরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

          এছাড়া ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কঠোর সমালোচনা করেছে যুক্তরাজ্য, স্পেন, ইউরোপীয় কমিশনও। 

          এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও ইসরাইলকে সমর্থন জানিয়ে ইরানের হামলার সমালোচনা করেছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন জাপানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট শিগেরু ইশিবা। 

          এদিকে, ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলায় সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। তেহরানের এ হামলা নেতানিয়াহু সরকারের ক্রমাগত অপরাধ ও ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার প্রতিক্রিয়া ছিল বলে উল্লেখ করেছে মস্কো। একইসঙ্গে, মধ্যপ্রাচ্যে বাইডেন প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে বলেও সমালোচনা করেছে রাশিয়া।

          এছাড়াও, লেবানন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসসহ বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ও গাজাবাসী তেহরানকে সমর্থন জানিয়েছে। তবে, বরাবরের মতোই চুপ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বাকি মুসলিম দেশগুলো। 

          উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে অনেকদিন ধরেই ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে সবর বিশ্ব রাজনীতি। তেহরান-মস্কো সত্যিই কি ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে?- এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মঙ্গলবার রাতে ইসরাইলি ভুখণ্ড লক্ষ্য করে প্রায় ২০০ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে ইরান। এ ঘটনা টনক নাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ব নেতাদের। 

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত