ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ভারতে বিমান বিধ্বস্তে মেডিকেল ছাত্রাবাসের ৫ শিক্ষার্থী নিহত

অনলাইন ডেস্ক
১২ জুন, ২০২৫ ১৮:৩২
অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিমান বিধ্বস্তে মেডিকেল ছাত্রাবাসের ৫ শিক্ষার্থী নিহত

ভারতের গুজরাট রাজ্যের আহমেদাবাদ থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনগামী উড়োজাহাজটি একটি আবাসিক এলাকায় মেডিকেলের হোস্টেলের ওপর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হোস্টেলের পাঁচজন মেডিকেল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আরও অনেকেই আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

নিহতদের মধ্যে চারজন মেডিকেলের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং একজন পোস্টগ্রাজুয়েট (রেসিডেন্ট) ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

পাশাপাশি এ দুর্ঘটনার পর স্থানীয় রাজনীতিবিদ দর্শনা ভাগেলা সাংবাদিকদের জানান, বিধ্বস্ত বিমান চিকিৎসকদের আবাসনে আঘাত হানে। অনেক চিকিৎসকের ফ্ল্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেক ডাক্তারকে তাদের ফ্ল্যাট থেকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি কাছেই আমার অফিসে ছিলাম, তখনই বিকট শব্দে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। আমরা অনেক ডাক্তারকে তাদের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করেছি।’

উল্লেখ্য, উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমান। বিমানে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ছিল বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করছিল। এখনো পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

এয়ার ইন্ডিয়ার বিধ্বস্ত বিমানে ১৬৯ জন ভারতীয় যাত্রী ছিলেন। এর বাইরে ৫৩ জন ব্রিটিশ, একজন কানাডিয়ান ও সাতজন পর্তুগিজ নাগরিকও ছিলেন। এয়ার ইন্ডিয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

 

মেডিকেল হোস্টেলে বিমান পড়ে ৫ শিক্ষার্থী নিহত

দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকাজ চলছে। এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে। দুর্ঘটনার বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও এরইমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ভারতে বিধ্বস্ত বিমানের পাইলট ও যাত্রীদের তথ্য প্রকাশ

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ জুন, ২০২৫ ১৮:১৯
    অনলাইন ডেস্ক
    ভারতে বিধ্বস্ত বিমানের পাইলট ও যাত্রীদের তথ্য প্রকাশ

    ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রার কিছু সময় পরই বিধ্বস্ত হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দেশটির বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ওই বিমানে অন্তত ২৪২ যাত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় বিমানের বহু যাত্রীর প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, বিধ্বস্ত বিমানটিতে যাত্রীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে এয়ার ইন্ডিয়া। বিমানটিতে ১৬৯ ভারতীয় নাগরিক, ৫৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক, একজন কানাডার নাগরিক ও সাত জন পর্তুগালের নাগরিক ছিলেন বলে জানিয়েছে বিমান পরিবহন সংস্থাটি।

    অন্যদিকে বিমানটির পাইলটদের তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক ডিরেক্টর জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)।

    ডিজিসিএকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিমানটির পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল একজন এলটিসি ছিলেন। তার ৮ হাজার ২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল। কো-পাইলটের ১ হাজার ১০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল।

    বিধ্বস্ত বিমান আরোহীদের তথ্য প্রকাশ

    বিধ্বস্ত বিমান আরোহীদের তথ্য প্রকাশএলটিসির অর্থ হলো—লাইন ট্রেনিং ক্যাপ্টেন, অর্থাৎ তিনি অন্য পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতেন।

    আহমেদাবাদ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল জানিয়েছে, বিমানটি আহমেদাবাদ থেকে স্থানীয় সময় একটা ৩৯ মিনিটে আকাশে ওড়ে।

    দুর্ঘটনার আগে বিপৎসংকেত পাঠিয়েছিলেন বিধ্বস্ত বিমানটির পাইলট। বিমানটির পাইলট ক্যাপ্টেন সুমিত সাভারওয়াল বিমান থেকে বিপদ বার্তা দিয়েছিলেন, কিন্তু তারপর এটিসির ডাকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

    এদিকে এ ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং। বিবৃতিতে তারা বলছে, যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সেটি একটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার। আমরা প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলো সম্পর্কে অবগত এবং আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য কাজ করছি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিধ্বস্তের আগে যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাইলট

      অনলাইন ডেস্ক
      ১২ জুন, ২০২৫ ১৮:১
      অনলাইন ডেস্ক
      বিধ্বস্তের আগে যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাইলট

      ভারতের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান (এআই১৭১) আজ দুপুরে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন—যার মধ্যে ছিলেন দুজন পাইলট, ১০ জন কেবিন ক্রু ও ২৩০ জন যাত্রী।

      বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটরা ‘মেডে কল’ নামে একটি জরুরি সংকেত পাঠান, যা সাধারণত বিপদের সময় পাঠানো হয়। কিন্তু এরপর আর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

      বিমানটি আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়েছিল দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে। কিছুক্ষণ পরই এটি একটি আবাসিক এলাকায় ভেঙে পড়ে। ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমান থেকে কালো ধোঁয়া আকাশে উঠছে।

      দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকাজ চলছে।

      এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        যে কারণে বিমান বিধ্বস্ত হতে পারে, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

        অনলাইন ডেস্ক
        ১২ জুন, ২০২৫ ১৭:৫৯
        অনলাইন ডেস্ক
        যে কারণে বিমান বিধ্বস্ত হতে পারে, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা

        ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রার কিছু সময় পরই বিধ্বস্ত হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দেশটির বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ওই বিমানে অন্তত ২৪২ যাত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় বিমানের বহু যাত্রীর প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

        তবে ভারতের এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, পাখির ধাক্কায় আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে বিধ্বস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড্ডয়নের জন্য সর্বোত্তম গতি অর্জন করতে না পেরে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।

        প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্থানীয় সময় বেলা দেড়টা নাগাদ আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১ বিধ্বস্ত হয়। বিমানে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ১০ জন ক্রু সদস্য এবং দুজন পাইলট।

        সাবেক সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন সৌরভ ভাটনাগর বলেন, ‌‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, একাধিক পাখির ধাক্কায় উভয় ইঞ্জিনের শক্তি হারিয়ে গেছে। বিমানের উড্ডয়ন নিখুঁত ছিল এবং আমার বিশ্বাস, গিয়ার ওপরে তুলতে না পারায় বিমানটি নামতে শুরু করে। তখনই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যখন ইঞ্জিন শক্তি হারিয়ে ফেলে অথবা বিমান লিফট তৈরি বন্ধ করে দেয়।’

        তিনি আরও বলেন, ‘ফুটেজ দেখে মনে হচ্ছে, উড্ডয়নটি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই হয়েছিল। কিন্তু বিমানটি নিয়ন্ত্রিতভাবে বিধ্বস্ত হয়। পাইলট মে ডে কল দিয়েছিলেন, যার অর্থ এটি একটি সংকটময় পরিস্থিতি ছিল।’

        তবে স্পষ্টতই তদন্তে সঠিক কারণটি প্রকাশ পাবে বলে মনে করছেন ক্যাপ্টেন সৌরভ ভাটনাগর।

        স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া আকাশে উঠতে দেখা যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে অন্তত দুই ডজন অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে এবং আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

        এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে যাত্রীসংখ্যা ও দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বিচার করে গুরুতর হতাহতের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

        ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, এয়ার ইন্ডিয়ার বিধ্বস্ত বিমানটি লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে আহমেদাবাদের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ভারতে বিমান বিধ্বস্তে অন্তত ১৩৩ জন নিহত

          অনলাইন ডেস্ক
          ১২ জুন, ২০২৫ ১৭:৪৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ভারতে বিমান বিধ্বস্তে অন্তত ১৩৩ জন নিহত

          ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ১৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ জানিয়েছে, বিমানটিতে ২৩২ জন সাধারণ যাত্রী এবং ১০ জন ক্রু ছিলেন।

          বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে বিমানটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। এর কিছুক্ষণ পরই এটি আছড়ে পড়ে।

          বিমানটিতে ছিলেন ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান।

          বিমানটি আছড়ে পড়ার মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখা যায়।

          জানা গেছে বিমানটি আছড়ে পড়েছে একটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। যেখানে এমবিবিএস শিক্ষার্থীরা থাকতেন। বিমান সরাসরি ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ায় অনেক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শঙ্কা করা হচ্ছে।

          প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, বিমান কলেজের ছাত্রাবাসে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেখানে হৃদয়বিদারক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। ইতিমধ্যেই একাধিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।

          তবে স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় অনেক তরুণের প্রাণ গেছে। মূলত তিনি ওই ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আহমেদাবাদের ইতিহাসে এটি অন্যতম একটি কালো দিন। আমরা এত তরুণের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি।”

          সূত্র: নিউজ-১৮

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত