শিরোনাম
বিধ্বস্তের আগে যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন পাইলট
ভারতের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান (এআই১৭১) আজ দুপুরে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন—যার মধ্যে ছিলেন দুজন পাইলট, ১০ জন কেবিন ক্রু ও ২৩০ জন যাত্রী।
বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটরা ‘মেডে কল’ নামে একটি জরুরি সংকেত পাঠান, যা সাধারণত বিপদের সময় পাঠানো হয়। কিন্তু এরপর আর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিমানটি আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়েছিল দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে। কিছুক্ষণ পরই এটি একটি আবাসিক এলাকায় ভেঙে পড়ে। ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিমান থেকে কালো ধোঁয়া আকাশে উঠছে।
দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়। উদ্ধারকাজ চলছে।
এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
যে কারণে বিমান বিধ্বস্ত হতে পারে, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রার কিছু সময় পরই বিধ্বস্ত হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দেশটির বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার ওই বিমানে অন্তত ২৪২ যাত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় বিমানের বহু যাত্রীর প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে ভারতের এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, পাখির ধাক্কায় আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে বিধ্বস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড্ডয়নের জন্য সর্বোত্তম গতি অর্জন করতে না পেরে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (১২ জুন) স্থানীয় সময় বেলা দেড়টা নাগাদ আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট ১৭১ বিধ্বস্ত হয়। বিমানে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। এর মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ১০ জন ক্রু সদস্য এবং দুজন পাইলট।
সাবেক সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন সৌরভ ভাটনাগর বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, একাধিক পাখির ধাক্কায় উভয় ইঞ্জিনের শক্তি হারিয়ে গেছে। বিমানের উড্ডয়ন নিখুঁত ছিল এবং আমার বিশ্বাস, গিয়ার ওপরে তুলতে না পারায় বিমানটি নামতে শুরু করে। তখনই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যখন ইঞ্জিন শক্তি হারিয়ে ফেলে অথবা বিমান লিফট তৈরি বন্ধ করে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফুটেজ দেখে মনে হচ্ছে, উড্ডয়নটি কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই হয়েছিল। কিন্তু বিমানটি নিয়ন্ত্রিতভাবে বিধ্বস্ত হয়। পাইলট মে ডে কল দিয়েছিলেন, যার অর্থ এটি একটি সংকটময় পরিস্থিতি ছিল।’
তবে স্পষ্টতই তদন্তে সঠিক কারণটি প্রকাশ পাবে বলে মনে করছেন ক্যাপ্টেন সৌরভ ভাটনাগর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া আকাশে উঠতে দেখা যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে অন্তত দুই ডজন অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে এবং আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে যাত্রীসংখ্যা ও দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বিচার করে গুরুতর হতাহতের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক একটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছে, এয়ার ইন্ডিয়ার বিধ্বস্ত বিমানটি লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার পথে আহমেদাবাদের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই এয়ার ইন্ডিয়ার ওই বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।
ভারতে বিমান বিধ্বস্তে অন্তত ১৩৩ জন নিহত
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ১৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ জানিয়েছে, বিমানটিতে ২৩২ জন সাধারণ যাত্রী এবং ১০ জন ক্রু ছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে বিমানটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। এর কিছুক্ষণ পরই এটি আছড়ে পড়ে।
বিমানটিতে ছিলেন ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান।
বিমানটি আছড়ে পড়ার মুহূর্তটি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। এতে দেখা যাচ্ছে, বিধ্বস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এরপর সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখা যায়।
জানা গেছে বিমানটি আছড়ে পড়েছে একটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। যেখানে এমবিবিএস শিক্ষার্থীরা থাকতেন। বিমান সরাসরি ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ায় অনেক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, বিমান কলেজের ছাত্রাবাসে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সেখানে হৃদয়বিদারক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। ইতিমধ্যেই একাধিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
তবে স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় অনেক তরুণের প্রাণ গেছে। মূলত তিনি ওই ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আহমেদাবাদের ইতিহাসে এটি অন্যতম একটি কালো দিন। আমরা এত তরুণের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি।”
সূত্র: নিউজ-১৮
ভারতে বিধ্বস্ত বিমানে ছিলেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানে ছিলেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুরে আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি উড্ডয়ন করে। এর কিছুক্ষণ পরই এটি আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় বিমানটিতে ২৪২ জন আরোহী ছিলেন। যারমধ্যে ২৩০ জন যাত্রী। আর বাকি ১২ জন ক্রু। বিমানটি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি বিমানটির বিজনেস ক্লাসের জন্য নিজের চেক-ইন সম্পন্ন করেন।
বিস্তারিত তথ্য থেকে জানা গেছে, জোন ওয়ান থেকে বিমানে তার বোর্ডিংয়ের সময় ছিল দুপুর ১২ টা ১০ মিনিট। তার আসন নাম্বার ছিল ২ডি। তবে দুর্ঘটনায় তিনি মারা গেছেন নাকি বেঁচে আছেন সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিমানটি বিমানবন্দরের কাছাকাছি জায়গাতেই আছড়ে পড়ে। বিধ্বস্তের পরপরই সেখানে বিশালাকৃতির আগুনের কুণ্ডলি দেখা যায়। এরপর সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৭ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে। এর কয়েক মিনিট পর এটি আছড়ে পড়ে।
বলা হচ্ছে বিমানটি ৮২৫ ফুট উঁচু থেকে মাটিতে পড়েছে। দুর্ঘটনার পরপর বিমানবন্দরের দিকে যাওয়া একাধিক সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন ঝুঁকি বুঝতে পেরে বিমানটির সহ-পাইলট মে ডে কল করে সহায়তা করেছিলেন। বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও আর কোনো জবাব আসেনি।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়েছে বিমান, বহু শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শঙ্কা
ভারতের গুজরাটে ২৪২ আরোহী নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বিধ্বস্ত হয়েছে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। গুজরাট থেকে লন্ডনগামী বিমানটির বহু যাত্রী হতাহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরমধ্যে জানা গেছে বিমানটি আছড়ে পড়েছে একটি মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসে। যেখানে এমবিবিএস শিক্ষার্থীরা থাকতেন। বিমান সরাসরি ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ায় অনেক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর শঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, বিমানটি কলেজের ছাত্রাবাসে আছড়ে পড়ার পর সেখানে হৃদয়বিদারক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃস্টি হয়। ইতিমধ্যেই একাধিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে স্থানীয় সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।
তবে স্থানীয় এক কর্মকর্তা জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় অনেক তরুণের প্রাণ গেছে। মূলত তিনি ওই ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “আহমেদাবাদের ইতিহাসে এটি অন্যতম একটি কালো দিন। আমরা এত তরুণের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি।”
বিমানটি বিধ্বস্তের পরপরই সেখানে বিশালাকৃতির আগুনের কুণ্ডলি দেখা যায়। এরপর সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। বলা হচ্ছে বিমানটি ৮২৫ ফুট উঁচু থেকে মাটিতে পড়েছে। দুর্ঘটনার পরপর বিমানবন্দরের দিকে যাওয়া একাধিক সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: আলবাওবা
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য