ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত : ‘জরুরি সংকেত’ পাঠিয়েছিলেন পাইলট

অনলাইন ডেস্ক
১২ জুন, ২০২৫ ১৭:২৯
অনলাইন ডেস্ক
ভারতে বিমান বিধ্বস্ত : ‘জরুরি সংকেত’ পাঠিয়েছিলেন পাইলট

গুজরাটের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছু মুহূর্ত পরই বিধ্বস্ত হয় এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডনগামী ফ্লাইট এআই১৭১। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটরা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহৃত জরুরি সংকেত বা বিপদ সংকেত ‘মেডে’ পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল (এসিটি) থেকে সেই সংকেতের কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)।

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর জানিয়েছে, বিমানবন্দরটি বর্তমানে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে, আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের রানওয়ে ২৩ থেকে উড্ডয়ন করে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার বিমানটি। বিমানে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন — এর মধ্যে ২ জন পাইলট, ১০ জন কেবিন ক্রু এবং ২৩০ জন যাত্রী। এ ছাড়া যাত্রীদের মধ্যে ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ এবং একজন কানাডিয়ান নাগরিক ছিলেন বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ডিজিসিএ জানিয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই পাইলটরা জীবন ঝুঁকির সংকেত ‘মেডে’ পাঠান, যা জরুরি পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি সংকেত।

তবে সেই সংকেতে এটিসি কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শী

একটি ১৭ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হচ্ছে। বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই আকাশে ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলটি আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছেই অবস্থিত বলে জানা গেছে।

এয়ার ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফ্লাইট এআই১৭১, যা আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক যাচ্ছিল, আজ ১২ জুন দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়েছে। আমরা বিস্তারিত তথ্য যাচাই করছি এবং যথাসম্ভব দ্রুত পরবর্তী আপডেট দেবো।’

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হতাহতের কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির শঙ্কা প্রবল। দমকল বাহিনী ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

উদ্ধার অভিযান চলছে এবং ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার ও বিমান দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। 

সূত্র : এনডিটিভি

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ভারতে ২৪২ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ জুন, ২০২৫ ১৭:২৫
    অনলাইন ডেস্ক
    ভারতে ২৪২ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

    ভারতের আহমেদাবাদ বিমানবন্দরের কাছে একটি যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠছে।

    টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি এয়ারইন্ডিয়ার।

    এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বিমানে ২৫০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিল বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার দিল্লি সময় দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিমানটি লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করছিল।

    এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    এদিকে আগুনের ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় নিরাপত্তার কারণে আশপাশের সড়কগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      দলটির কেউ এখনো দুঃখ প্রকাশ করেনি, আ. লীগ প্রসঙ্গে ড. ইউনূস

      অনলাইন ডেস্ক
      ১২ জুন, ২০২৫ ১২:৩৭
      অনলাইন ডেস্ক
      দলটির কেউ এখনো দুঃখ প্রকাশ করেনি, আ. লীগ প্রসঙ্গে ড. ইউনূস

      অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল বলা যায় কি না’— সেই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ১০ মাস হয়ে গেলেও জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের জন্য দলটির কেউ দুঃখ প্রকাশ করেনি। উল্টো ভারতে বসে সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উসকানি দিচ্ছেন।

      প্রফেসর ইউনূস আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা তার।

      বুধবার (১১ জুন) যুক্তরাজ্যের নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউজের রয়্যাল ইন্সটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত সংলাপে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রফেসর ইউনূস।

      এতে তিনি আরও জানান, আগামী জুলাইয়ে বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিতে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করা হবে এবং এটির ভিত্তিতেই আগামী নির্বাচন হবে।

      অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্রের জন্য দলগুলোকে এক করার বদলে ভোটারদের ওপর আস্থা রাখা হচ্ছে না কেন কিংবা জনগণকে সুযোগ না দিয়ে যে ঐকমত্যের কথা বলা হচ্ছে, সেটি কর্তৃত্ববাদী পদক্ষেপ কি-না, এমন প্রশ্নও করা হয়েছিল অধ্যাপক ইউনূসকে।

      সম্মেলনে তাকে একজন প্রশ্ন করেন, "এপ্রিলের শুরুতে নির্বাচন ঘোষণা করেছেন আপনি। এ নিয়ে অনেক বিতর্ক। সেনাবাহিনী ও কিছু রাজনীতিকরা এ বছরের মধ্যে নির্বাচন চান। আওয়ামী লীগ দল ও শেখ হাসিনা নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে নিষিদ্ধ- যেটা অন্যতম বড় দল। সব মিলিয়ে অনেকেই বলছেন, নির্বাচনটি সুষ্ঠু হবে না"

      জবাবে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “আমার মতে এটি হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর নির্বাচন। এটির সময় সঠিক ও জনগণ প্রস্তুত। যখন আপনি বহু বছর পর একটি নির্বাচন করছেন, ১৭ বছর পর আপনি একটি সত্যিকার নির্বাচন পাচ্ছেন। দেশে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে যে ভোটাররা সত্যিই ভোট দিতে যাচ্ছেন"

      তিনি আরও বলেন, “গত ১৭ বছরে ভোট দেওয়ার বয়স যাদের হয়েছে, তারা তাদের প্রথম ভোটটি দিতে পারেনি। তারা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছে ভোট দেওয়ার জন্য। তাদের কণ্ঠকে কখনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। সেই উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, যেটাকে আমরা বলছি যে নতুন বাংলাদেশ"।

      প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আগামী নির্বাচনটি শুধুমাত্র নতুন সরকার নির্বাচনের জন্য সাধারণ ভোট নয়, এটি নতুন বাংলাদেশের জন্য ভোট।”

      "আমরা এই অঙ্গীকারই করেছি, যেসব তরুণরা জীবন দিয়েছে তাদের স্বপ্নকে সম্মান করব। তাদের স্বপ্ন অনুযায়ী আমরা পুরোনো বাংলাদেশকে বিদায় বলে নতুন বাংলাদেশ তৈরি করতে চাই"— যোগ করেন ড. ইউনূস।

      প্রধান উপদেষ্টা জানান, নতুন বাংলাদেশের জন্য তারা তিনটি বিষয় চিহ্নিত করেছেন। এর একটি হলো সংস্কার। আর তাদের লক্ষ্য হলে সবদিকে সংস্কার করা।

      তিনি বলেন, “আমরা সব প্রতিষ্ঠানে সংস্কার করতে চাই। সেজন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কমিশন করেছি। যাতে মৌলিক পরিবর্তন করা যায়। অনেক সুপারিশ এসেছে। নির্বাচন, সংসদ, সংবিধান, সিভিল সার্ভিসসহ সবকিছু। আমাদের কাজ হলো সব দলের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা"

      অধ্যাপক ইউনূস বলেন, "কখনো শুনেছেন এমন কমিশনের কথা? তারা সবার সাথে আলোচনা করে ঠিক করবে সব দল কোন সুপারিশগুলো গ্রহণ করবে। এটা কঠিন কাজ যে, বাংলাদেশের রাজনীতিক ও দলগুলোর একমত হওয়া"।

      প্রশ্নকারী এ সময় বলেন, আমি বলবো রাজনীতিকদের জন্য একমত হওয়া কঠিন। দলগুলো তো বলতে পারে যে এটার মধ্যে গণতান্ত্রিক উপাদান নেই। আপনি ভোটারদের ওপর আস্থা রাখছেন না কেন। সংস্কার কমিশন বা রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের বদলে ভোটারদের ভোটের মাধ্যমে সংস্কার গুলো করা হচ্ছে না কেন।

      জবাবে তিনি বলেন, “এমনটা যদি আমরা পারতাম তাহলে ভালো হতো, কিন্তু অনেক জটিল বিষয় রয়েছে। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সব দলের সম্মতিতে পাওয়া সুপারিশগুলো আলাদা করা এবং এরপর সব দলের সাক্ষরের মাধ্যমে এটি উপস্থাপন করা। জুলাই ঘোষণাপত্র জাতির কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং তার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে,"

      অধ্যাপক ইউনূস বলেন, সংস্কার, সব অপরাধীর বিচার এবং তৃতীয়টি হলো নির্বাচন- এই তিনটি হলো তাদের দায়িত্ব।

      'আওয়ামী লীগ কি একটি রাজনৈতিক দল?'

      অপর এক প্রশ্নকারী তাকে প্রশ্ন করেন "সমালোচকরা বলতে পারে যে কোনো দল ঘোষণাপত্রের সাথে একমত নাও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ আওয়ামী লীগ। সুতরাং আপনি সত্যিকারভাবে জনগণ তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর কোন সুযোগ দিচ্ছেন না। এটা তো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটা ঐকমত্য নয়, এটা আজকের বাংলাদেশে এটা কর্তৃত্ববাদী পদক্ষেপ”

      জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "সেই বিতর্কও আছে। বিতর্ক হলো আওয়ামী লীগ কি একটি রাজনৈতিক দল? তারা কী এভাবে তরুণদের রাস্তায় খুন করতে পারে? এভাবে গুম করতে পারে? এভাবে টাকা চুরি করতে পারে? এখনো কী তাদের রাজনৈতিক দল বলবেন আপনি? এটা কোন জাজমেন্ট নয়, এটা বিতর্ক।”

      তিনি বলেন, “ইস্যুটি হলো ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালালো। জনগণ উৎসব করলো যে তারা এখন মুক্ত। প্রধানমন্ত্রীর বিদায়ের পর ভেবেছিলাম যে ওই পর্ব শেষ। কিন্তু যারা পালিয়ে গেছে তারা সেটি অব্যাহত রেখেছে। অন্য দেশ থেকে জনগণকে উস্কানি দেওয়া, রাস্তায় নামা... দশ মাস হয়ে গেলো দলটির কেউ এখনো দুঃখ প্রকাশ করেনি। বলেনি যে না, আমি এর জন্য দায়ী নই। কারও আদেশে কেউ মারা গেছে। আমি খারাপ বোধ করছি যে আমি এর অংশ ছিলাম, কেউ বলেনি।”

      তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের মিছিল ও অভ্যুত্থানের নেতাসহ অন্যদের হুমকি-ধামকি দেওয়ার কারণে আমরা নিরাপদ বোধ করছি না। আওয়ামী লীগ অভ্যুত্থানের নেতাদের হুমকি দিচ্ছে। তাই জাতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে দেশ ও রাজনীতির নিরাপত্তার জন্য একটি সময়ের জন্য আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে, বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত। তাদের নিষিদ্ধ করা হয়নি"।

      কিন্তু বিচারের বিষয়টি কেন পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাতে দেওয়া হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকার কেন এটি করছে-এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, "যারা আমাদের সরকারে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, তারা আমাদের বিচারের দায়িত্ব দিয়েছে। তারা তিনটি দায়িত্ব দিয়েছে। আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। সেজন্যই আমরা এগুলো করছি।"

      সংলাপে ভারত ও চীনের সাথে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন আসলে তিনি জানান, সব সরকারের কাছ থেকেই তিনি সমর্থন পেয়েছেন।

      ভারত  শেখ মুজিবের বাড়ির প্রসঙ্গ

      প্রধান উপদেষ্টা জানান, মাসের পর মাস নিষ্ঠুর ঘটনার পর ৫ই অগাস্ট এসেছে। সব ক্ষোভ এখন চলে গেছে ভারতে। কারণ শেখ হাসিনা সেখানে অবস্থান করছেন।

      "আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলেছি, আপনি তাকে রাখতে চাইলে রাখেন। কিন্তু আমাদের সহায়তা করুন। তিনি যেন বাংলাদেশী জনগণকে উদ্দেশ্য করে কিছু না বলেন। কারণ তিনি কথা বলছেন আর পুরো বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। মোদি বলেছেন, এটা সামাজিক মাধ্যম, আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। সেটা এখনো চলেছে"।- বলেন ড. ইউনূস।

      সম্মেলনে একজন প্রশ্নকারী প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে বলেন, "৮ই আগস্ট আপনি বলেছিলেন যে, সবাইকে এক করা আপনার চ্যালেঞ্জ। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ধ্বংস হলো ছয় ঘন্টায় সিটি কর্পোরেশনের বুলডোজার দিয়ে। প্রশাসন নিরব ছিলো। এর ভিত্তিতে আপনি বিভাজন করছেন বা তাদের বাদ দিয়ে আপনি ঐক্য কীভাবে করবেন"?

      জবাবে তিনি বলেন, “তখন অনেক প্রশ্ন ও ইস্যু সব একসাথে এসেছিলো এবং তখন শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই বড় চ্যালেঞ্জ ছিলো। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা সব সামাল দিতে পারিনি। আমরা এমন একটা খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “এখন পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। শৃঙ্খলা আনাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ। কারণ, আমরা যে পুলিশ পেয়েছিলাম, যারা  শিশুদের গুলি করেছিল, তারা হঠাৎ করে রাস্তা ফাঁকা করতে বললে, চলে যেতে বললে মানুষ প্রশ্ন করে, 'আপনি কে?' তারা আপনাকে (পুলিশকে) পেটাবে। তারা পুলিশকে বলবে, তুমি আমার ছেলেকে মেরেছ, তুমি আমার ভাইকে মেরেছ, আমার বোনকে মেরেছ। এখন তুমি আমাকে বলছ আমি কী করব?"

      প্রধান উপদেষ্টা জানান পুলিশ তখন রাস্তায় নামতে ভয় পেয়েছে। তিনি বলেন "আমরা তখন একটা রুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম। আমরা জানতাম না কীভাবে এটাকে সামাল দেব। এখন আস্তে আস্তে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে আসছে। যারা অপরাধের সাথে জড়িত ছিলো তাদের চিহ্নিত করে বাহিনী থেকে সরানো হয়েছে। এখন পুলিশ দেশে আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছে।”

      সূত্র: বিবিসি বাংলা

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        লস অ্যাঞ্জেলসে এবার শত শত মেরিন ও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন

        অনলাইন ডেস্ক
        ১০ জুন, ২০২৫ ১১:২২
        অনলাইন ডেস্ক
        লস অ্যাঞ্জেলসে এবার শত শত মেরিন ও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন

        যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে লস অ্যাঞ্জেলেসে চলমান বিক্ষোভে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় ৭০০ মেরিন সেনা ও চার হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।

        সোমবার (০৯ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে অস্থায়ীভাবে প্রায় ৭০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করা হবে।অতিরিক্ত ন্যাশনাল গার্ড সদস্যরা সেখানে না পৌঁছানো পর্যন্ত তারা সেখানে থাকবেন।

        প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা চতুর্থ দিনের মতো লস অ্যাঞ্জেলেসে বিক্ষোভ চলছে। শত শত মানুষ একটি ফেডারেল ডিটেনশন সেন্টারের সামনে জড়ো হয়েছে, যেখানে অভিবাসীদের আটকে রাখা হয়েছে।

        লস অ্যাঞ্জেলসে এবার শত শত মেরিন ও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন
        রাবার বুলেট আর কাঁদানে গ্যাসে রণক্ষেত্র লস অ্যাঞ্জেলস
        মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত ইনস্যারেকশন অ্যাক্ট (Insurrection Act) প্রয়োগ করা হচ্ছে না। এর আওতায় সেনাবাহিনী বেসামরিক আইন প্রয়োগে সরাসরি অংশ নিতে পারে।

        এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকার এই সেনা মোতায়েনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফেডারেল সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। গভর্নর গ্যাভিন নিউসোম বলেছেন, এটি ফেডারেল আইন এবং রাজ্যের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন।

        তিনি আরও জানান, ট্রাম্প আরও দুহাজার ন্যাশনাল গার্ড সদস্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে শনিবার প্রথম ধাপে ২,০০০ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।

        লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশের প্রধান জিম ম্যাকডনেল জানান, মেরিন সেনা মোতায়েন সম্পর্কে তার বিভাগ আনুষ্ঠানিক কোনো নোটিশ পায়নি। তিনি বলেন, এটি একটি বড় ধরনের কৌশলগত এবং অপারেশনাল চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।

        ট্রাম্প বলেন, আমি আর কোনো উপায় দেখছি না। সহিংসতা যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে আমাকে পদক্ষেপ নিতেই হবে।

        ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে ‘বলপূর্বক ক্ষমতা প্রয়োগ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। গভর্নর নিউসোমের অফিস থেকে বলা হয়েছে, এই মাত্রার সামরিক হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়, অযৌক্তিক এবং নজিরবিহীন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বিয়েতে কনেকে ১০০ খাটাশ উপহার

          অনলাইন ডেস্ক
          ১০ জুন, ২০২৫ ১১:১৪
          অনলাইন ডেস্ক
          বিয়েতে কনেকে ১০০ খাটাশ উপহার

          বিয়েতে বর-কনেকে বিভিন্ন ধরনের উপহার দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। তবে এবার সামনে এসেছে বিচিত্র ঘটনা। বিয়েতে উপহার দেওয়া হয়েছে ১০০ খাটাশ। উপহার পাওয়া এ প্রাণীর দাম প্রায় ৮৫ লাখ টাকা।

          সোমবার (০৯ জুন) সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাতে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

          প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিয়েতনামের এক কনে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে ভিন্নধর্মী উপহার পেয়েছেন। তাকে উপহার হিসেবে ১০০টি খাটাশ দেওয়া হয়েছে। এর বাজারমূল্য ৭০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫ লাখ টাকা। এই প্রাণীগুলো বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফি কোপি লুয়াক উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে মূল্যবান।

          সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, উপহারের মধ্যে আরও ছিল ২৫টি সোনার বার, ২০ হাজার ডলার নগদ, ৩০০ মিলিয়ন ডং মূল্যের কোম্পানির শেয়ার এবং একাধিক উচ্চমূল্যের সম্পত্তি। ২২ বছর বয়সী এই কনে যিনি ভিয়েতনামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাসিন্দা। গত মে মাসে তার বিয়ের সময় তিনি এসব উপহার পেয়েছেন। বরের পরিবারও এ বিয়েতে বিভিন্ন উপহার দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ তায়েল সোনা, ২০০ মিলিয়ন ডং নগদ এবং হীরার গহনা।

          কনের বাবা হং চি তাম বলেন, তার সন্তানরা সকলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং তারা পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি তার মেয়েকে এমন সম্পদ উপহার দিয়েছেন যা আয়ের উৎস হতে পারে। এ ছাড়া খাটাশগুলো পালন বা বিক্রি করার বিষয়ে তার স্বাধীনতা রয়েছে।

          তিনি বলেন, আমার মেয়ে বিজনেস স্কুলের স্নাতক। তিনি এই সম্পদগুলো পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ সক্ষম। যে পদ্ধতিই হোক না কেন, এটি তার আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে।

          ভিয়েতনামে খাটাশ অত্যন্ত মূল্যবান। একটি সন্তান জন্ম দেওয়া মা খাটাশের মূল্য প্রায় ৭০০ মার্কিন ডলার, আর গর্ভবতী একটির মূল্য ১,০৫০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এদের মূল্যের একটি বড় কারণ হলো কোপি লুয়াক কফি উৎপাদনে তাদের ভূমিকা। এই বিশেষ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় খাটাশ পাকা কফি চেরি খায়, এবং তাদের পরিপাকতন্ত্র থেকে সংগ্রহ করা কফি বিন পরিষ্কার, প্রক্রিয়াজাত এবং রোস্ট করা হয়। এ ছাড়া চীন ও ভিয়েতনামে খাটাশের মাংস বিলাসবহুল খাবার হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধে ব্যবহৃত হয়, যা এই প্রাণীর মূল্য আরও বাড়িয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত