ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

চীনের অবিবাহিতরা বাংলাদেশি মেয়েদের বিয়ে করার পেছনে রয়েছে ভয়াবহ গল্প

অনলাইন ডেস্ক
২৮ মে, ২০২৫ ১৪:৪৬
অনলাইন ডেস্ক
চীনের অবিবাহিতরা বাংলাদেশি মেয়েদের বিয়ে করার পেছনে রয়েছে ভয়াবহ গল্প

বাংলাদেশে অবস্থিত চীনের দূতাবাস গত রোববার (২৫ মে) বাংলাদেশি নারীদের বিয়ে না করতে চীনা নাগরিকদের আহ্বান জানায়। তারা সতর্কতা দেয় এমনটি করলে তারা প্রতারণার শিকার হতে পারেন। এই বিয়েকে চীনা দূতাবাস ‘বিদেশি বউ কেনা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিষয়টি প্রথমে যে কেউ হাস্যরস হিসেবে নেবেন। তবে এর পেছনে লুকিয়ে আছে ভয়াবহ গল্প।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে মঙ্গলবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে জানিয়ছে, চীনের অবিবাহিত পুরুষরা বাংলাদেশিদের পাশাপাশি মিয়ানমার, নেপালসহ আরও কয়েকটি দেশের নারীদের বিয়ে করছে। বিশেষ করে চীনের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের অবিবাহিত পুরুষরা এটি করছে। এর কারণ পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা কম।

১৯৮০ সালের দিকে চীনে যখন ভ্রুণ হত্যা চূড়ান্তমাত্রায় পৌঁছেছিল তখন মেয়েদের ভ্রুণ নষ্ট করে ফেলা হতো। এতে করে গ্রামীন এলাকাগুলোতে মেয়েদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেড়ে যায়। ওই সময় যারা জন্ম নিয়েছিল তারা এখন বিয়ের পরিপূর্ণ উপযোগী হয়ে ওঠেছে। কিন্তু মেয়ের সংখ্যা কম থাকায় তাদের অনেকে বিয়ে করতে পারছে না। আর এই সংকট দূর করতে বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে ‘বউ কিনছে’ তারা। 

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সাল থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত চীনের ৫ কোটি মানুষ কখনো হয়ত বিয়ে করবে না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে চীনে এখন মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানোর দাবি ওঠেছে। যেন বিবাহযোগ্যদের সংখ্যা বাড়ানো যায়।

লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মিং গাও বলেছেন, “প্রত্যন্ত ও গ্রামীণ এসব অঞ্চলে বিয়ের চাহিদা বাড়ায় অবৈধ বিয়ের সংখ্যা বেড়ে গেছে। যারমধ্যে রয়েছে চীনের প্রতিবেশী দেশগুলো— বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে শিশু ও মেয়েদের পাচার করে নিয়ে এসে বিয়ে করা।”

এরমধ্যে বাংলাদেশ ও নেপাল এই পাচারকারীদের অন্যতম মূল আখড়ায় পরিণত হয়েছে। পাচারকারীরা এ দুটি দেশের তরুণীদের টার্গেট করছে। বাংলাদেশের অনেক মেয়ে দারিদ্রতা ও গ্রামাঞ্চলে বাস করায় পাচারকারীরা সুযোগ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

চীনে লিঙ্গ সমতার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটিতে ২০০০ সালের শুরুর দিকে প্রতি ১২১ ছেলে শিশুর বদলে ১০০ মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে।

যেহেতু পুরুষের সংখ্যায় মেয়ে কম তাই এ বিষয়টিকে দালালরা সুযোগ হিসেবে নিয়েছে। তারা বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীদের চীনে ভালো কাজ ও উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু চীনে গিয়ে তারা বাস্তবতা টের পায়। সেখানে পৌঁছানো মাত্র তাদের কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

এই নারীদের চীনের অনেক অবিবাহিতের কাছে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার ডলারেও বিক্রি করা হয়। মূল্যটি নির্ধারণ করা হয় মেয়েদের বয়স ও সৌন্দর্য্যের বিষয়টি বিবেচনা করে।

তবে এই বিক্রির প্রক্রিয়াকে ‘বিয়ে’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব বিয়েতে মেয়েদের সম্মতি থাকে না। যখন পাচার করা নারীকে পাচারকারীরা ‘বিক্রি’ করে দিতে সমর্থ হয় তখন তাদের চীনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে আটকে রাখা হয়। এমনকি দ্রুত সময়ে সন্তান নিতেও তাদের চাপ দেওয়া হয়।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২০১৯ সালে জানিয়েছিল, মিয়ানমারের নারীরা এসব পাচারের শিকার হচ্ছেন। তবে এখন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ ও নেপালেও পৌঁছে গেছে এই পাচারকারীদের সিন্ডিকেট।

তারা মেয়েদের চীনে পাচার করে নিয়ে যাওয়ার পর প্রত্যন্ত অঞ্চলের চীনা কৃষক ও শ্রমিকদের কমমূল্যে ‘ভিনদেশি বউ’ পাওয়ার লোভ দেখায়। ফলে তারা অর্থ খরচ করে বিয়ে করেন। কেউ যদি এইসব থেকে বাঁচতে চায় তখন অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হয়ে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হয়।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

মন্তব্য

জাপানে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
২৮ মে, ২০২৫ ১২:২৬
অনলাইন ডেস্ক
জাপানে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২৮ মে) বাংলাদেশ সময় সোয়া ১১টায় এবং জাপান সময় দুপুর সোয়া ২টায় তিনি পৌঁছান।

এরআগে, মঙ্গলবার (২৭ মে) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে প্রধান উপদেষ্টাকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

এই সফরে টোকিওতে অনুষ্ঠিত নিক্কেই ফোরামের ‘ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সফরে বাংলাদেশের ১ লক্ষ দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে পাঠানো এবং মাতাড়বাড়ি-মহেশখালীর প্রকল্পসহ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি গুরুত্ব পাবে। এছাড়া, জাপানি প্রতিষ্ঠান জাইকার সাথে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা।

অন্যদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সফরে দুই দেশের মধ্যে ৭‌টি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। ঢাকা-টোকিও সম্পর্কের অমীমাংসিত সব ইস‍্যুতেও আলোচনা হবে। তবে সেখানে সামরিক খাত অগ্রাধিকারে থাকবে না। এয়ারক্রাফট সংকটে বন্ধ হওয়া জাপানের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর ব‍্যাপারে কথা হবে। এছাড়া জাপানের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তার প্রস্তাব করবেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশের ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ২০:১৪
    অনলাইন ডেস্ক
    বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশের ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা

    বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) সন্ধ্যায় দেশটি জানায়, তাদের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসেবে আগামী ৬ জুন শুক্রবার উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা।

    মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের তারিখ ঘোষণা করেছে। দেশটিতে কাল বুধবার ২৮ মে হবে জিলহজ মাসের প্রথমদিন। আর ঈদ হবে ৬ জুন।

    এদিকে আজ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দেশগুলো ঈদের তারিখ ঘোষণা করবে।

    এদিকে আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান গত সপ্তাহে জানান, আমিরাতের আকাশে ২৭ মে সন্ধ্যার পর চাঁদ দিগন্ত রেখার ওপর থাকবে এবং এটি আকাশে ৩৮ মিনিট অবস্থান করবে। এতে চাঁদটি সহজেই দেখা যাবে।

    আরবি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজের ১০ তারিখ উদযাপিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা। তার এ বিশ্লেষণ ঠিক হলে, আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগামী ৬ জুন ঈদ হবে।

    ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেন আরবি ভাষার সংবাদমাধ্যম ইমারত আল ইয়ুমকে বলেছেন, “আমিরাতের সময় অনুযায়ী, মঙ্গলবার ২৭ মে সকাল ৭টা ২ মিনিটে জিলহজের নতুন চাঁদের জন্ম হবে। সূর্যাস্তের সময় চাঁদ দিগন্ত রেখার ওপরে থাকবে এবং ৩৮ মিনিট অবস্থান করবে— এতে চাঁদটি দেখা যাবে।”

    তবে আমিরাতে যেহেতু এখনো চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আরবি মাস শুরু ও শেষ গণনা করা হয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ইসলামিক গাইডলাইন অনুসারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।

    সূত্র: গালফ নিউজ

    মন্তব্য

    এনডিটিভির প্রতিবেদন

    লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেবে ভারত

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৭ মে, ২০২৫ ১৯:১৩
    অনলাইন ডেস্ক
    লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেবে ভারত

    বাংলাদেশ লালমনিরহাট বিমানবন্দর চালু করলে ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ হিসেবে ভারত তাদের ত্রিপুরা রাজ্যের কৈলাশহরের তিন দশক পুরোনো বিমানঘাঁটি চালু করবে । মঙ্গলবার (২৭ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

    গণমাধ্যমটির বিশেষ প্রতিনিধি রত্নদ্বীপ চৌধুরীর এই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চীনের সহযোগিতায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার লালমনিরহাট বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।

    যদিও গতকাল সোমবার সেনাসদরে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশন্স অধিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা জানান, দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকা লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে সচল করা হচ্ছে। তিনি সঙ্গে এও জানান চীনা কোনো সংস্থা বিমানবন্দরটি ব্যবহার করবে কি না এ ব্যাপারে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। তবে ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হচ্ছে, চীনের সহযোগিতায় এটি সচলের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    এনডিটিভি বলেছে, রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি সচল করার বিষয়টি ভারতীয় প্রশাসনে সতর্কতা তৈরি করেছে। কারণ তাদের আশঙ্কা, এখানে চীনের সামরিক বাহিনীর অবকাঠামো থাকবে। যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তারা আরও বেশি উদ্বিগ্ন কারণ ভারতের কথিত ‘চিকেন নেক’ লালমনিরহাট থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে। এই চিকেন নেক দিয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় সেভেন সিস্টার্স রাজ্যে পণ্য আনা নেওয়ার কাজ করা হয়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি চীনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিমানবন্দরটি পুনরায় সচল করে তাহলে সেখানে চীন তাদের সামরিক সরঞ্জাম— যুদ্ধবিমান, রাডার ও নজরদারির সরঞ্জামসহ বিভিন্ন কিছু রাখতে পারে বলে ভারত ধারণা করছে।

    আর চীনের এই সম্ভাব্য উপস্থিতির কারণে ভারত ত্রিপুরার তিন দশক পুরোনো ওই ঘাঁটি পুনরায় চালু করবে। যদিও এটি বেসামরিক কাজের জন্য চালু করা হবে। তবে এটিতে থাকা অবকাঠামো উন্নত করা হবে যেন যুদ্ধবিমান ও সাধারণ বিমান ওঠানামা করতে পারে এবং যুদ্ধ বাধলে এটির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ করা যায়।

    এনডিটিভির এ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন ভারতের একজন ‘মূল্যবান মিত্র’। যিনি ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে চীনের ঘেঁষার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে ছিলেন। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনে তার পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় যেটি ভারতের প্রতি ‘কম বন্ধুত্বপূর্ণ’। এছাড়া ড. ইউনূস চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের পক্ষে সেটিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্বে বাংলাদেশের বিমানবন্দর পুনরায় চালুর বিষয়টি ভারতের জন্য বেশ উদ্বেগের।

    লালমনিরহাটে বিমানবন্দর পুনরায় চালু হওয়ার আলোচনা চলার মধ্যেই গত ২৬ মে কৈলাশহর বিমানঘাঁটিতে একটি ভারতীয় প্রতিনিধি দল গিয়েছিল বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। সেখানে তারা বিমানবন্দরটির বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। পরবর্তীতে ওই দলটি সাংবাদিকদের জানান, বিমানবন্দর নিয়ে ‘রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পরিকল্পনা ঠিক করা হবে।’

    সূত্র: এনডিটিভি

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঈদুল আজহা

      সৌদি-আমিরাতে কবে ঈদ, জানা যাবে আজ

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৭ মে, ২০২৫ ১৬:৪৯
      অনলাইন ডেস্ক
      সৌদি-আমিরাতে কবে ঈদ, জানা যাবে আজ

      মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে— তা আজ জানা যাবে। আজ মঙ্গলবার (২৭ মে) দেশ দুটিতে ১৪৪৬ হিজরি সনের (আরবি বছরের) এগারোতম মাস জিলকদের ২৯তম দিন।

      আর এদিন যদি বছরের শেষ মাস জিলহজের চাঁদ ওঠে, তাহলে আগামী ৬ জুন দেশ দুটিতে ঈদ পালন করা হবে। আর পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরাফাতের দিন পড়বে ৫ জুন।

      মঙ্গলবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস, মিডলইস্ট ইকোনমি এবং আল আরাবিয়া।

      সংবাদমাধ্যম বলছে, সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট দেশটির মুসলিম নাগরিকদের আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। চাঁদ দেখা গেলে তা ইসলামি চান্দ্র মাস জিলহজের সূচনা হিসেবে গণ্য হবে। মূলত এই মাসেই পবিত্র হজ ও ঈদুল আযহার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি ইবাদত ও উৎসব পালিত হয়।

      সৌদি প্রেস এজেন্সির বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেউ চাঁদ দেখতে পেলে তাকে নিকটস্থ আদালতে গিয়ে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে। চাঁদ দেখা যাওয়ার ওপর ভিত্তি করে পবিত্র হজের সময়সূচী নির্ধারিত হবে। আজ সন্ধ্যায় সৌদির আকাশে চাঁদ দেখা গেলে এ বছর দেশটিতে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে আগামী ৬ জুন। আর হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আরাফাতের দিন পড়বে ৫ জুন। এদিন লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত থাকবে আরাফাতের ময়দান।

      সৌদির সুপ্রিম কোর্ট গত রোববার সাধারণ মানুষকে ২৭ মে সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার অনুরোধ জানিয়ে বলেছে, “কেউ খালি চোখে অথবা দূরবীনের মাধ্যমে চাঁদ দেখেন তাহলে নিকটস্থ কোর্টে অবহিত করুন”। কেউ সরাসরি কোর্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে চাঁদ দেখার তথ্য জানানোর আহ্বানও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

      এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে দেশটির সব নাগরিক ও প্রবাসীদের প্রতি। আমিরাতের ফাতওয়া কাউন্সিল আজ সন্ধ্যায় আবুধাবির শেখ জায়েদ গ্র্যান্ড মসজিদে বৈঠকে বসছে, যেখানে ধর্মীয় ও জ্যোতির্বিদ বিশেষজ্ঞরা জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার উপযোগিতা নিয়ে বিশ্লেষণ করবেন।

      এই বৈঠকে চাঁদের জন্ম, মহাকাশীয় সংযোজন এবং বাস্তবে চাঁদ দেখা সম্ভব কি না—এই বিষয়গুলো যাচাই করা হবে। চাঁদ দেখার জন্য উন্নত প্রযুক্তির জাতীয় পর্যবেক্ষণ যন্ত্রও ব্যবহার করা হবে।

      সাধারণত সৌদি আরবে উদযাপনের পরদিন বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়। তবে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা কবে অনুষ্ঠিত হবে তা আগামীকাল বুধবার জানা যাবে।

      মূলত পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান একটি উৎসব। মুসলমানরা নামাজ আদায়, পশু কোরবানি এবং দান-খয়রাতের মাধ্যমে দিনটি পালন করে থাকেন। এটি হজের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং মুসলিম উম্মাহর আত্মত্যাগ, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের প্রতীক।

      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত