ঢাকা, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ২৭ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

গাজার ৯২ শতাংশ বাড়ি ধ্বংস হয়েছে: জাতিসংঘ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ১৩:১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজার ৯২ শতাংশ বাড়ি ধ্বংস হয়েছে: জাতিসংঘ

দীর্ঘ ১৫ মাস যুদ্ধের পর গাজায় গতকাল রোববার থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। অনেক ফিলিস্তিনি এরইমধ্যে বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। এনিয়ে অনেকে উল্লাস করছেন। তবে অনেকের মধ্যেই বিষাদের সুর। কেননা তাদের সাজানো বাড়ি আর বাড়ি নেই, ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গাজার ৯২ শতাংশ বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসংঘের ত্রাণ এবং মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত সংস্থা (ওসিএইচএ) জানিয়েছে, গাজার চার লাখ ১৬ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি গাজার মোট বাড়ির ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার বাড়ি ধ্বংস হয়েছে, এবং দুই লাখ ৭৬ হাজার বাড়ি ব্যাপকভাবে বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ওসিএইচএ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে গাজায় ১৮ লাখের বেশি মানুষের জরুরিভাবে আশ্রয় এবং থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস দরকার। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, গাজার আনুমানিক ৯০ শতাংশ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। তাদের অনেককে জোর করে বারবার বাড়ি ছাড়া হতে হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরায়েল অভিমুখে হামলা চালায় হামাসের যোদ্ধারা। সেইসঙ্গে ইসরায়েলি ভূখণ্ড ভেদ করে তারা দেশটিতে তাণ্ডব চালায়। এতে সেইদিন ইসরায়েলে অন্তত ১২শ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ২৫০ জনকে জিম্মি করে হামাস।

এর জেরে সেইদিনেই গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর এই যুদ্ধ গতকাল পর্যন্ত চলে টানা ১৫ মাস। এতে গাজায় নিহত হয়েছে অন্তত ৪৫ হাজার ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি। সেইসঙ্গে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি ঘরছাড়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    অপেক্ষার প্রহর শেষ, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজই শপথ নিচ্ছেন ট্রাম্প

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ১২:৪১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    অপেক্ষার প্রহর শেষ, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজই শপথ নিচ্ছেন ট্রাম্প

    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুরে (বাংলাদেশ সময় রাতে) তিনি নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন।

    এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হতে চলেছে ট্রাম্প যুগ। শপথ অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রায় সব দেশ থেকেই প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। সোমবার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি, আল জাজিরা ও ডয়চে ভেলে।

    এর আগে গত বছরের ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও বিজয়ী হন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এর মাধ্যমে দেশটির প্রায় আড়াইশো বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এক মেয়াদের বিরতিতে দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে ফিরতে চলেছেন সাবেক এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

    অবশ্য গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জিতলেও ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ২০ জানুয়ারি। আর এর আগেই নিজের প্রশাসন অনেকটাই সাজিয়ে নিয়েছেন তিনি।

    মূলত আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ ছিল আগাগোড়া বিতর্কে পূর্ণ। ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে তার নেতৃত্বে আগামী চার বছর যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কোন পথে চলবে, তা জানতে উৎসুক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও।

    এছাড়া আমেরিকার ইতিহাসে তিনিই প্রথম কোনও সাবেক প্রেসিডেন্ট, যাকে ৩৪ দফা ফৌজদারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছিল নিউইয়র্কের আদালত। অবশ্য রোববার থেকেই ওয়াশিংটনে শুরু হয়েছে শপথগ্রহণ সংক্রান্ত নানা অনুষ্ঠান। আর তার আগেই রাজধানী ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ করেছেন বহু মানুষ।

    এদিকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ট্রাম্প বেশ কয়েকটি বড় বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবেন। গত বছর ভোটের আগে নির্বাচনী প্রচাণায় দেশবাসীকে নানা প্রতিশ্রুতি দিতেও দেখা গেছে তাকে। তবে ওভাল অফিসের দায়িত্ব হাতে পাওয়ার পরে সেগুলো কতটা তিনি বাস্তবায়িত করতে পারেন, সে দিকেই এখন থাকবে সবার নজর।

    কঠোর অভিবাসী নীতি থেকে শুরু করে গর্ভপাত-বিরোধী কঠোর আইনের পক্ষেই এতোদিন নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় ফিরলে রেকর্ড সংখ্যক অবৈধ অভিবাসীকে তিনি তাদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠাবেন বলেও নির্বাচনী প্রচারণায় দেশের মানুষকে আশ্বাস দিয়েছেন।

    আর তাই ক্ষমতায় ফিরে অভিবাসী নীতি নিয়ে ট্রাম্প নতুন কী করেন, সেদিকে নজর থাকবে সবার। একইসঙ্গে ট্রাম্পের গর্ভপাত-বিরোধী নীতি নিয়েও আশঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের একটা বড় অংশ।

    অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার আগে ট্রাম্প রোববার ওয়াশিংটনে সমর্থকদের নিয়ে বিজয়োৎসব পালন করেছেন। সেখানেই তিনি বলেছেন, প্রথম দিন থেকেই তিনি ঐতিহাসিক গতি ও শক্তি নিয়ে কাজ করবেন।

    ট্রাম্প তার সমর্থকদের বলেন, তিনি সীমান্তে অভিবাসীদের অনুপ্রবেশ পুরোপুরি থামিয়ে দেবেন। ভেনেজুয়েলা থেকে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার অপরাধী গ্যাংয়ের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করে দেবেন।

    বাংলাদেশের সময় সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেবেন ট্রাম্প।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ভারতের কুম্ভমেলায় বিস্ফো-রণ, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আ-গুন

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ১৭:৪১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ভারতের কুম্ভমেলায় বিস্ফো-রণ, দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে আ-গুন

      ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে কুম্ভমেলায় আগুন লেগেছে। জানা গেছে, একটি তাবুতে সিলিন্ডার থেকে বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হলে দ্রুত ২০-২৫টি তাঁবু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

      রোববার (১৯ জানুয়ারি) আগুন লাগার এ খবর জানিয়েছে ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

      এ ঘটনার পর পুরো মেলা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে লোকজন নিরাপদ স্থানে ছোটাছুটি করছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

      নিউজ নাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকলের ৬টি ট্রাক নামানো হয়েছে। তবে আগুনের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ও তীব্রতা বাড়ছে।

      আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও এনডিআরএফ দল আশপাশের এলাকা খালি করছে। ঘটনাটি ঘটেছে কুম্ভমেলার মাঠের মধ্যে শাস্ত্রী ব্রিজ ও রেল ব্রিজের মাঝখানে।

      নিউজ নাইন জানিয়েছে, মেলার ৫ নম্বর সেক্টর থেকে শুরু হওয়া আগুন ধীরে ধীরে ১৯ ও ২০ নম্বর সেক্টরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত আশেপাশের তাঁবুগুলিতেও ছড়িয়ে পড়ে।

      প্রসঙ্গত, গত ১৩ জানুয়ারি থেকে মহাকুম্ভ মেলা শুরু হয়েছে। মেলা চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এটি প্রতি ১২ বছর পর পর আয়োজিত হয়। এ বছর যমুনা নদীর তীরে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভারতের শিল্পোন্নয়ন মন্ত্রী নন্দগোপাল গুপ্ত নন্দী।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        পদত্যাগ করলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ১৫:৪০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        পদত্যাগ করলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী

        ডেস্ক রিপোর্ট: ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গাভীর পদত্যাগ করেছেন।

        রোববার (১৯ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভায় পদত্যাগপত্র জমান দেন তিনি।

        নেতানিয়াহুর জোট সরকার থেকেও সরে যাচ্ছে বেন গাভীরের কট্টর ডানপন্থি দল- জিউইশ পাওয়ার পার্টি। একইসাথে, পদত্যাগ করবেন দলটির আরও কয়েকজন মন্ত্রী। রোববার, সরকারের কাছে এ সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দেয়ার কথা তাদের।

        হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তির জেরে এ সিদ্ধান্ত নেন উগ্র ডানপন্থি নেতা বেন গাভীর। বৃহস্পতিবার যুদ্ধবিরতি চুক্তির অনুমোদন না দিতে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেটকে হুমকি দেন তিনি।

        তবে বেন গাভীর এবং তার দল জোট থেকে সরে গেলে খুব একটা বিপাকে পড়বে না নেতানিয়াহু সরকার। কারণ জেপিপি’র অধীনে ছিল মাত্র ৬টি আসন। নেতানিয়াহুর জোট সরকারের আসন সংখ্যা ৬৮ থেকে কমে দাঁড়াবে ৬২-তে। যা পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যথেষ্ট।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          শপথের আগে ওয়াশিংটনে হাজারো মানুষের ট্রাম্প বিরোধী র‍্যালী

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ১৪:১৬
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          শপথের আগে ওয়াশিংটনে হাজারো মানুষের ট্রাম্প বিরোধী র‍্যালী

          আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার দুুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন হাজার হাজার মানুষ। যাদের বেশির ভাগই নারী। এই কর্মসূচির নাম দ্য মার্চ  পিপলস। যা আগে  উইমেন’স মার্চ  নামে পরিচিত ছিল।

          এটা ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত হয়ে আসছে। কয়েকটি গ্রুপের একটি জোট এর আয়োজক। তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, তারা ‘ট্রাম্পিজম’ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে।

          এছাড়া নিউইয়র্ক ও সিয়াটলেও ট্রাম্প বিরোধী ছোটখাটো প্রতিবাদ হয়েছে বলে জানা গেছে। এসব প্রতিবাদ র‍্যালী এমন সময় হলো যখন ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য শপথ গ্রহণ করতে দেশটির রাজধানীতে এসে পৌঁছেছেন।

          শপথের আগেও বেশ কয়েকটি ইভেন্টে যোগ দেওয়ার কথা আছে তার। তবে ওয়াশিংটন ডিসিতে শনিবারের এই পিপল’স মার্চের অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আগের চেয়ে কম। আয়োজকরা ৫০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণ আশা করলেও জমায়েত হয় পাঁচ হাজারের মতো।

          লিঙ্কন মেমোরিয়ালের দিকে যাত্রা শুরুর আগে প্রতিবাদকারীরা তিনটি পার্কে জমায়েত হয়। যারা এই কর্মসূচির আয়োজন করে, তারা বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক বিষয়ে কাজ করে। এর মধ্যে আছে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন ও নারী অধিকার।

          এদিকে শনিবার ওয়াশিংটন মনুমেন্টের সাথে জমায়েত হয়েছিল একদল ট্রাম্প সমর্থকও। সেখানে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ লেখা হ্যাট পরিহিত একজনকে উদ্দেশ্যে করে পিপলস মার্চের একজন নেতা বলেছেন “নো ট্রাম্প, নো কেকেকে”।

          এদিকে ট্রাম্প শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে এসেছেন। তার শপথ গ্রহণ উপলক্ষ্যে ভার্জিনিয়ায় তার গলফ ক্লাবে আতশবাজিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। ওয়াশিংটনে পিপলস মার্চে যোগ দিতে যেসব নারী সমবেত হয়েছেন তাদের অনেকে বিবিসিকে বলেছেন, তাদের বিভিন্ন ধরনের লক্ষ্য আছে।

          ব্রুক নামের একজন প্রতিবাদকারী বলছেন, তিনি গর্ভপাতের সুযোগের বিষয়ে তার সমর্থন জানাতে এসেছেন। তিনি বলেন, “যেভাবে দেশে ভোট হয়েছে তাতে আমি খুশী নই। আমি অত্যন্ত দু:খিত যে আমাদের দেশ এমন একজনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়েছে যিনি ইতোমধ্যেই একবার ব্যর্থ হয়েছেন এবং আমরা একজন নারী প্রার্থীকে মনোনীত করিনি”।

          কায়লা নামে আরেকজন নারী বলছিলেন, কিছু আবেগ তাকে রাজধানীর রাস্তায় নিয়ে এসেছে। তার মতে, “সত্যি বলতে আমি পাগল হয়ে গেছি, আমি দু:খিত আবার আমি আনন্দিত।”

          সুশি এসেছেন সান ফ্রান্সিসকো থেকে। সাথে এসেছেন তার বোন আন্নে, যিনি কাছেই বসবাস করেন। তারা দু’জনেই ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের শপথ গ্রহণের পর প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিলেন। সে সময়কার ব্যাপক জনসমাগমের কথা মনে করেছেন তিনি। তিনি আশা করেছিলেন ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে মানুষ এখনও রাস্তায় নামবে।

          সুশি বলছিলেন, “এবার অংশীদার বেড়েছে। ট্রাম্প আরও সাহসী। তিনি বিলিয়নিয়ার শ্রেণীতে এসেছেন এবং প্রযুক্তি শ্রেণি মাথা নত করেছে।”

          আন্নে বলছেন, তিনি বোঝেন যে প্রতিবাদকারীরা আমেরিকার অনেক বিষয় থেকে বাইরে আছেন। ট্রাম্প গত নভেম্বরে দোদুল্যমান সবকয়টি রাজ্যে জয় পেয়েছেন। তিনি বলেন, এরপরেও আমরা এখানে আছি এবং আমরা প্রতিরোধ করবো।

          ট্রাম্প ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে প্রথমবারের মতো পিপলস মার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। নারীরা তখন ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পরদিন প্রতিবাদ কর্মসূচি দিয়েছিল যাতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়। পরে এই আন্দোলন রাজধানী থেকে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। পরের কয়েক বছরে ট্রাম্পের এজেন্ডার বিরুদ্ধে নারীদের এই ‘মার্চ’ প্রতিবাদ হিসেবে অব্যাহত থাকে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত