শিরোনাম
হৃদয় ভাঙার বীমা: প্রেমিকা ছেড়ে যাওয়ায় মিলল ২৫ হাজার টাকা
হার্টব্রেক ইন্সুরেন্স ফান্ড বা হৃদয় ভাঙার জন্য বীমা! শুনে অবাক হচ্ছেন? এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মারফতে জানা গেল এমনটি। ব্রেকআপের ফলে প্রতিক আরিয়ান নামের এক প্রেমিক হার্টব্রেক ইন্সুরেন্স ফান্ড বা হৃদয় ভাঙার বীমার কল্যাণে পেয়েছেন ২৫,০০০ টাকা।
এখন প্রশ্ন হল, এমনটা কেমন করে সম্ভব?
গোটা বিষয়টি টুইটারে খোলাসা করেছেন বীমার অর্থ পাওয়া ওই যুবক নিজেই।
প্রতীক ও তার প্রেমিকা একটি ব্যাংকে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খোলেন। ঠিক করেন, দু’জনেই প্রতি মাসে ওই অ্যাকাউন্টে ৫০০ টাকা করে জমা রাখবেন। অর্থাৎ মাস প্রতি অর্থের পরিমান হবে ১০০০ টাকা। এইসঙ্গে উভয়ের সম্মতিতেই ঠিক হয়, প্রেমিকা ভালবাসায় ধোকা দিলে প্রেমিক ওই টাকা পাবেন, একইভাবে প্রেমিক ধোকা দিলে যাবতীয় অর্থ পাবেন প্রেমিকা। ওই তহবিলের নামকরণ করা হয় ‘হার্টব্রেক ইন্সুরেন্স ফান্ড’।
টুইটার পোস্ট প্রতীক জানিয়েছেন, আমি সম্প্রতি ২৫ হাজার টাকা পেয়েছি। কারণ প্রেমিকা আমাকে ঠকিয়েছে। আমরা ‘হার্টব্রেক ইন্সুরেন্স ফান্ডে’ ৫০০ টাকা করে জমিয়েছিলাম। চুক্তি মতো সেই টাকাই পেয়েছি।
বিয়ের কনে পেলেন ৮১ লাখ নগদ, ৩ কোটি টাকারও বেশি উপহার!
বিয়ের অনুষ্ঠানে কনেকে আত্মীয় স্বজনেরা উপহার দেয় এই প্রচলন বেশ পুরোনো। সবাই তাদের সাধ্যের মধ্যে উপহারসামগ্রী নিয়ে বিয়েবাড়ি হাজির হন। তাই বলে কনেকে নগদ অর্থসহ কোটি টাকার উপহার দিবেন তার আত্মীয়রা।
অবাক করার মত বিষয় হলেও, এমটি ঘটেছে ভারতের রাজস্থানে এমনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। ঘেবরি দেবী এবং ভানওয়ারলাল পোতালিয়ার কন্যা অনুষ্কা বুধবার সাত পাকে বাঁধা পড়েন। সেখানে ৮১ লাখ নগদসহ ৩ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের উপহার দিয়েছেন কনের মামারা।
এ বিয়ে ঘিরে রীতিমত হইচই পড়ে গিয়েছে, উঠে এসেছে খবরের শিরোনামেও। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এই বিয়ে নিয়েই সরগরম।
জানা গেছে, বিয়েতে পাত্রীর দাদা এবং মামা নগদ ৮০ লাখ টাকা নিয়ে আসেন। পাশাপাশি ২৩ লাখ টাকা মূল্যের গয়না ও জামাকাপড় এবং অন্যান্য সামগ্রী একটি ট্র্যাক্টর-ট্রলিতে করে নিয়ে আসেন তারা। এই দৃশ্য দেখে রীতিমত অবাক হয়ে যান আমন্ত্রিত অতিথিরা।
পাত্রীর দাদা হলেন বুরডি গ্রামের বাসিন্দা ভানওয়ারলাল গরওয়া। তিনি এবং তার তিন ছেলে হরেন্দ্র, রামেশ্বর এবং রাজেন্দ্র অনুষ্কাকে একাধিক উপহার দেন। এই বিয়েতে ৮১ লাখ টাকার পাশাপাশি সাড়ে ১৬ বিঘা চাষযোগ্য জমি, নগৌর রিং রোডের কাছে ৩০ লাখ টাকা মূল্যের একটি জমি, ৪১ তোলা সোনা এবং ৩ কিলো রুপার গয়নাও দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তিনি অনুষ্কাকে একটি নতুন খাদ্যসামগ্রীর বস্তা ভর্তি ট্রাক্টর-ট্রলি এবং একটি স্কুটি উপহার দিয়েছেন। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে গিয়েছেন। একই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই ঘটনা ব্যাপক ভাইরাল হচ্ছে।
‘আই অ্যাম ব্যাক’ লিখে ফেসবুকে ফিরলেন ট্রাম্প
২০২১ সালে ক্যাপিটল দাঙ্গার পর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়াতে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রথমবারের মতো ফেসবুকে পোস্ট করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই পোস্টে তিনি লিখেছেন- আই এম ব্যাক, আমি ফিরেছি।
২০২১ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফেসবুকে নিষিদ্ধ করার সময় ফেসবুকের বক্তব্য ছিল, ট্রাম্পের আচরণ ছিল সংস্থাটির নিয়মকানুনের চরম লঙ্ঘন।
নতুন পোস্টের সাথে ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও জুড়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ভিডিওর সঙ্গে সব বড় অক্ষরে তিনি লিখেছেন ‘আই অ্যাম ব্যাক।’
ইউটিউবও জানিয়েছে তারা ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টের ওপর থেকে রেসট্রিকশন তুলে নিচ্ছে।
ফেসবুকের বাইরে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটার, ইউটিউব, স্ন্যাপচ্যাট, টুইচ এবং আরও কয়েকটি সামাজিক মাধ্যমেও নিষিদ্ধ হন। এসব মাধ্যমে নিষিদ্ধ হওয়ার পর নিজের প্ল্যাটফরম ট্রুথ সোশ্যালে সক্রিয় হন তিনি।
তবে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ফেসবুকের এই পদক্ষেপ সেই কোটি কোটি মানুষকে অপমান করা, যারা তাকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে ৪৮ বছর পর সন্তানকে ফিরে পেলেন মা!
১৯৭৫ সালের কথা। স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গের এডিনবার্গ রয়্যাল হাসপাতালে জন্ম নেয় এক ছেলে শিশু। কিন্তু জন্মের এক সপ্তাহ পর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই সময় শিশুটির মরদেহ বুঝিয়ে না দিয়ে ‘মায়ের অজান্তে’ সেটি গবেষণার জন্য রেখে দেওয়া হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে অবশেষে দীর্ঘ ৪৮ বছর পর নিজের সন্তানের দেহ বুঝে পেয়েছেন লায়দিয়া রিড নামের এক মা।
বিষয়টি নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি শুক্রবার (১৭ মার্চ) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে উঠে এসেছে কীভাবে অবৈধভাবে স্কটল্যান্ডের হাসপাতালগুলো পরিবারকে না জানিয়ে গবেষণার জন্য শিশুদের মরদেহ সংরক্ষণ এবং অঙ্গ-প্রতঙ্গ কেটে রেখে দিত। যা সম্ভব হয়েছে মা লায়দিয়া রিডের কারনে।
বিবিসি জানিয়েছে, লায়দিয়া রিডের সন্তান গ্যারি জন্মের এক সপ্তাহ পর মারা যায়। লায়দিয়া দাবি করেন, গ্যারির মৃত্যুর কয়েকদিন পর যখন তিনি তার মরদেহ দেখতে চান, তখন তাকে অন্য একটি শিশুর দেহ দেখানো হয়। এমনকি তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গ্যারির ময়না তদন্ত করা হয়। এরপরই মা লায়দিয়ার সন্দেহ হয়, ময়না তদন্তের নামে তার ছেলের অঙ্গ-প্রতঙ্গ রেখে দেওয়া হয়েছে এবং তার সন্দেহ সত্যিও হয়।
এরপর কয়েক বছর পর তিনি বুঝতে পারেন তার ছেলের অঙ্গ-প্রতঙ্গই শুধুমাত্র রেখে দেওয়া হয়নি। পুরো শরীরটিই রেখে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত হতে আদালতের দারস্থ হন তিনি। এরপর আদালতের নির্দেশে ২০১৭ সালে গ্যারির কবর খোঁড়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিশেষজ্ঞরা জানান, ওই কবরের ভেতর কোনো মানব দেহ কখনোই ছিল না। এরপরই হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য রাখা গ্যারির দেহাবশেষ ফিরে পেতে লড়াই শুরু করেন তিনি।
অবশেষ ২০২৩ সালের মার্চ মাসে এসে তার ছেলের অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং শরীরের বাকি অংশ ফেরত দিতে সম্মত হয়েছে এডিনবার্গ রয়্যাল হাসপাতাল।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের হাসপাতালগুলো ৬ হাজার অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং টিস্যু সংরক্ষণ করেছিল।
ইংল্যান্ডের লিভারপুলের একটি হাসপাতালে অবৈধভাবে অঙ্গ-প্রতঙ্গ রেখে দেওয়ার বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পরই স্কটল্যান্ডও স্বীকার করে তারাও এ কাজ করেছে।
সূত্র: বিবিসি/
এবার দেউলিয়া সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক কিনতে চান ইলন মাস্ক!
যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম বৃহৎ আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক। ক্যালিফোর্নিয়া এবং ম্যাসাচুসেটসে তাদের ১৭টি শাখা ছিল। ৯ মার্চ লেনদেন শেষে ব্যাংকটির নেগেটিভ ক্যাশ ব্যালেন্সের পরিমাণ ছিল ৯৫৮ মিলিয়ন ডলার। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) ব্যাংটি বন্ধ হয়ে যায়।
ব্যাংকটি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আটকে যায় ব্যাংকে থাকা গ্রাহকদের কয়েক বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে ব্যাংটির নিয়ন্ত্রন নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ডিপোজিট ইনসুরেন্স কর্পোরেশন (এফডিআইসি)।
এমন বিশৃঙ্খলার মধ্যে আমেরিকান-সিঙ্গাপুরিয়ান প্রযুক্তিবিষয়ক বহুজাতিক কোম্পানি রেজারের সিইও মিন-লিয়াং তান একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘টুইটারের উচিত সিলিকন ভ্যালি ব্যাংক কিনে নেওয়া এবং এটিকে একটি ডিজিটাল ব্যাংকে রুপান্তরিত করা।’
রেজারের সিইওর এমন টুইটে সাড়া দেন টুইটার-টেসলার সিইও ও বিশ্বের তৃতীয় ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্ক। তিনি ওই টুইটের জবাবে লিখেছেন, ‘আমি এই ধারণায় আগ্রহী।’ তবে এরপর আর বিষয়ে ইলন মাস্কের কাছ থেকে কোনো কিছু শোনা যায়নি।
সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের প্রধান গ্রেগ বেকার এক ভিডিও বার্তায় ব্যাংকের কর্মীদের বলেছেন, ‘আমি ব্যাংকের একজন সহযোগী খুঁজে পেতে ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রকদের সঙ্গে কাজ করছি।’ তবে নতুন সহযোগী পাওয়াই যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না বলে জানান তিনি।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য