শিরোনাম
সীমান্তে কঠোর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে নিউজিল্যান্ড
দীর্ঘ দুই বছর কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে থাকার পর এবার সব কিছু উন্মুক্ত করতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। এমনটি ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডান। এজন্য তিনি পাঁচটি পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি এ কথা জানান।
বিশ্বে নিউজিল্যান্ডই সবেচেয়ে বেশি সীমান্তে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য আর্ডানের ওপর চাপ তৈরি করা হয়।
জেসিন্ডা আর্ডান বলেন, পরিবার পরিজন ও বন্ধুদের একত্রিত হওয়া প্রয়োজন। আমাদের ব্যবসা বাড়াতে দক্ষতা প্রয়োজন। নতুন যোগাযোগের জন্য রপ্তানিকারকদের অন্যান্য দেশে ভ্রমণ করা দরকার।
আর্ডান আরও বলেন, নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশ টিকার দুটি ডোজ এবং অনেকেই বুস্টার ডোজ পাওয়ার কারণে এখন পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এদিকে, কোয়ারেন্টাইন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনলেও তা পুরোপুরি তুলে দেওয়া হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: সিএনএন
বিশ্বে ফের বেড়েছে করোনার সংক্রমণ
বিশ্বে এখনো কমেনি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে বাড়ছে শঙ্কা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৭ জন। গত দিন যা ছিল ৩০ লাখ ১১ হাজার ৪৪৪ জন। করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১১ হাজার ২৫২ জন। যা গত দিন ছিল ১১ হাজার ৬৮৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। শনাক্তের সংখ্যা ২ লাখ ৮৬ হাজার ৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯২৩ জনের। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ৯৯ হাজার ৭৩৫ জনের এবং মারা গেছে ৬ লাখ ৩০ হাজার ১ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৩৪২ জনের। শনাক্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১।
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৯ জনের। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৫৯৮ জন। এ পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়েছে ৩০ কোটি ৭৭ লাখ ১৫ হাজার ১৫১ জন।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।
চীনা প্রকৌশলী হত্যা: ‘সম্পর্ক বাঁচাতে’ ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে পাকিস্তান
পাকিস্তানে গত বছর সন্ত্রাসী হামলায় চীনের কয়েক ডজন প্রকৌশলী হতাহত হওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে ১ কোটি ১৬ লাখ ডলার (১০০ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইমরান খানের সরকার। পাকিস্তানে নিহত বিদেশিদের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার এমন ঘটনা নজিরবিহীন। মূলত আগামী মাসে বেইজিং সফর সামনে রেখে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী চীনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতে এ উদ্যোগ নিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর নিক্কেই এশিয়ার।
পাকিস্তানি মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক সমন্বয় কমিটি (ইসিসি) গত সপ্তাহে ভুক্তভোগী চীনা পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক বিবৃতিতে দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, দীর্ঘ আলোচনা ও চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের গভীরতা বিবেচনায় শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে ১ কোটি ১৬ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে ইসিসি।
গত বছরের জুলাইয়ে পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় কোহিস্তান প্রদেশে দাসু বাঁধ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত চীনা প্রকৌশলীদের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এত চীনের ১০ প্রকৌশলী নিহত ও ২৬ জন আহত হন। এসময় পাকিস্তানেরও চারজন নিহত ও অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছিলেন। এ ঘটনার পর প্রকল্পটির কাজ স্থগিত করে বাস্তবায়নকারী সংস্থা চায়না গেঝৌবা গ্রুপ।
হতাহত প্রকৌশলীদের জন্য ইসলামাবাদের কাছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার (৩২৮ কোটি টাকা প্রায়) দাবি করে চীনা কর্তৃপক্ষ। শেষপর্যন্ত এ ধরনের ঘটনায় চীন যে পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেয়, তার দ্বিগুণ দিতে রাজি হয় পাকিস্তান।
আগামী মাসে বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিক ২০২২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সফরে একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পাকিস্তান দাসু বাঁধে হামলাকে দুর্ঘটনা হিসেবে দেখিয়ে বেইজিংকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। পোল্যান্ডের ওয়ার স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির এশিয়া রিসার্চ সেন্টারের প্রধান ক্রজিস্টফ ইওয়ানেক বলেন, এটি স্পষ্ট যে, ইসলামাবাদ বেইজিংকে শান্ত করতে প্রাণান্ত চেষ্টা করছে, এতে ইস্যুটিতে চীনের গভীর ক্ষোভ প্রতিফলিত হয়।
তিনি বলেন, আইনি, নৈতিক বা আর্থিক কোনো বাধ্যবাধকতার কারণে নয়, এই ক্ষতিপূরণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বার্থে।
পাকিস্তানের সারগোদা ইউনিভার্সিটির পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব চায়না স্টাডিজের পরিচালক ফজল রেহমানের মতে, ইসলামাবাদের লক্ষ্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার মাধ্যমে ইমরান খানের বৈঠকের পরিবেশ সহজ করা এবং কর্মরত চীনাদের জন্য পাকিস্তান মাথা ঘামায়, তা দেখানো।
পাকিস্তানে চীনা প্রকল্পে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে বেইজিং। গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ১০ম যৌথ সহায়তা কমিটির বৈঠকেও মূল আলোচ্য বিষয় ছিল এটি।
ক্রজিস্টফ ইওয়ানেক মনে করেন, শঙ্কিত চীনা কর্মীরা স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানে কাজ করতে খুব একটা আগ্রহ দেখাবেন না, বিশেষ করে পশতু ও বালোচ বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সীমান্ত এলাকাগুলোতে।
ফজল রেহমান বলেন, বিদেশে চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ও বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
তবে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, ক্ষতিপূরণ দেওয়া পাকিস্তানের জন্য খারাপ নজির তৈরি করতে পারে। এতে সন্ত্রাসীরা আরও হামলা চালাতে উৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইওয়ানেক বলেন, সন্ত্রাস অনেক সময় চাঁদাবাজির রূপ নেয়। এতে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে আর আক্রমণ না করার জন্য অর্থ দেওয়া হয়। তার মতে, পাকিস্তান যদি হামলার পর চীনকে ক্ষতিপূরণ দেয়, তাহলে সহিংস গোষ্ঠীগুলো পরবর্তী হামলা এড়াতে ইসলামাবাদের কাছে সরাসরি অর্থ দাবি করতে পারে।
ইউরোপে অমিক্রনই হতে পারে মহামারির শেষ পর্ব: ডব্লিউএইচও
অমিক্রনের সংক্রমণ করোনাভাইরাস মহামারির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এর মধ্য দিয়ে ইউরোপে মহামারি শেষ হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপবিষয়ক পরিচালক হ্যানস ক্লাগ এএফপিকে এক সাক্ষাৎকারে এমন আশার কথা শুনিয়েছেন।
হ্যানস ক্লাগ বলেন, আসছে মার্চ মাসের মধ্যে ৬০ ভাগ ইউরোপীয় অমিক্রনে আক্রান্ত হতে পারে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, ইউরোপ মহামারির শেষ পর্বের দিকে যাচ্ছে। ইউরোপে অমিক্রনের সংক্রমণ কমে গেলে বেশ কয়েক সপ্তাহ ও বেশ কয়েক মাস ধরে বিশ্বব্যাপী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা থাকবে। টিকা ও সংক্রমিত হওয়ার কারণে মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে।
ক্লাগ আরও বলেন, এ বছরের শেষ দিকে আবার করোনার সংক্রমণ হতে পারে। তবে তার আগে করোনার প্রভাব খুব বেশি থাকবে না। আবার মহামারি যে আবার ফিরে আসবেই, এমনটাও বলা যায় না।
ফাউসি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর–পূর্বে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার কমার এই প্রবণতা থাকলে মহামারির পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে।আফ্রিকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক কার্যালয় বলছে, অমিক্রনের চতুর্থ ঢেউ শুরুর পরে গত সপ্তাহে করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুহার প্রথমবারের মতো কমেছে।
গবেষণা বলছে, ডেলটার তুলনায় অমিক্রনে সংক্রমণ বেশি। তবে ডেলটার তুলনায় অমিক্রনে গুরুতর অসুস্থতা কম। বিশেষ করে যাঁরা টিকা নিয়েছেন, তাঁদের অসুস্থতা কম থাকে। এই পরিস্থিতিতে আশা করা হচ্ছে, করোনাভাইরাস মহামারি থেকে সাধারণ মৌসুমি জ্বরে রূপ নিতে পারে।
তবে ক্লাগ এ–ও বলেছেন, করোনাভাইরাস স্থানীয় বা মৌসুমি রোগ কি না, তা বলার সময় এখনো আসেনি। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের গতিপ্রকৃতি বারবার আমাদের বিস্মিত করেছে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, অমিক্রনের সংক্রমণ যেভাবে দ্রুত ছড়াচ্ছে, তাতে আরও নতুন নতুন ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। দ্য ইউরোপীয় কমিশনার ফর ইন্টারনাল মার্কেটসের থিয়েরি ব্রিটন গতকাল ফ্রান্সের টেলিভিশন চ্যানেল এলসিএলকে বলেন, যেসব টিকা আছে সেগুলোকে করোনার যেকোনো নতুন ধরনের বিরুদ্ধে কার্যকর করা সম্ভব।
থিয়েরি ব্রিটন আরও বলেন, ‘আমরা টিকাগুলো বিশেষ করে এমআরএনএকে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর উপযোগী করে বানাতে প্রস্তুত।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপ অঞ্চলে ৫৩টি দেশ রয়েছে। এর মধ্যে মধ্য এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশও রয়েছে। ১৮ জানুয়ারি সংক্রমণের ১৫ শতাংশ হয়েছে অমিক্রনের কারণে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা ও ইউরোপীয় ইকোনমিক এরিয়ায় অমিক্রনের দাপট রয়েছে।
ইউরোপে অমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে ক্লাগ বলেন, যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ, তাঁদের সুরক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যদি ভালো বোধ না করেন, তাহলে বাসায় থাকেন। বিশ্রাম নেন। যদি করোনায় সংক্রমিত হন, তাহলে আইসোলেশনে থাকেন।
করোনা মহামারি অবসানের জন্য টিকার চতুর্থ ডোজ নেওয়া প্রয়োজন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্লাগ বলেন, ‘আমরা জানি প্রতি ডোজ টিকা নেওয়ার পরে রোগপ্রতিরোধক্ষমতা বেড়ে যায়।’
পাকিস্তান টিকা ছাড়া যাওয়া যাবে না মসজিদে
করোনার টিকা ছাড়া মসজিদে যাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান ন্যাশনাল কমান্ড অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার (এনসিওসির)। শনিবার (২২ জানুয়ারি) এমন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু মসজিদে নয় টিকা ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে।
এসসিওসির আরও জানায়, সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে শুধুমাত্র টিকা দেওয়া থাকলেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দেশটির সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রবেশের জন্য মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ও অন্তত ছয় ফুট সামাজিক দূরত্ব বজায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
জানা গেছে, পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ করোনা টিকা নেওয়ার পরও দেশটিতে সংক্রমণে হাজার বেড়ে গেছে। ফলে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে এনসিওসি। এনসিওসি দেশটির করোনভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতির একটি বিশদ পর্যালোচনা করে এর বিস্তার রোধে একাধিক স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়ন করেছে।
করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। অন্য যেকোনো ধরনের তুলনায় ওমিক্রন খুব দ্রুত ছড়ায়।
বাংলাদেশেও করোনার প্রকোপ অনকে বেড়েছে। বর্তমানে দেশটিতে সংক্রমণের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। করোনার প্রকোপ বাড়ায় বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যেই ১১টি বিধিনিষেধ জারি করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণাও দিয়েছে। জনসমাগমে উপস্থিতির সংখ্যা নির্দিষ্ট করে টিকা সনদ দেখাতে বলেছে।
যদিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা বলছেন, বাণিজ্য মেলা, বিপিএল চললে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু রাখতে বাধা কোথায়। তবে শুরুতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পক্ষে ছিলো না সরকারও। পরে সংক্রমণ বাড়ায় এবং বেশ কিছু শিক্ষার্থী করোনায় আক্রান্তের খবরে অনেকটা বাধ্য হয়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য