শিরোনাম
ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
এবার চারটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিটগুলো হচ্ছে ‘কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘বিজ্ঞান ইউনিট’, ‘ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট’ এবং ‘চারুকলা ইউনিট’।
আগামী ২৯ এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তি যুদ্ধ। এছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট এবং ১৩ মে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সব ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ‘চারুকলা ইউনিট’ ব্যতীত অন্য তিনটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা গতবারের মতো ঢাকাসহ আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এ’ ও ‘ডি’ ইউনিটে শীর্ষ পজিশন দখলে করণীয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের A ও D ইউনিটে শীর্ষ পজিশন দখল করতে বিষয় ভিত্তিক প্রিপারেশন নিয়ে বিস্তারিত
পদার্থ - জাবিতে পদার্থ প্রশ্নগুলো, গনিত ও রসায়ন থেকে একটু কঠিন হয়। পদার্থ অংশ থেকে ২২ টি প্রশ্ন থাকে। ৮/২২ টি প্রশ্ন একটু কনসেপ্ট বেজড হয়। ম্যাক্সিমাম শিক্ষার্থী ২২ টি থেকে ১২ কিংবা ১৪ মার্ক সহজে পেয়ে যায়। কিন্তু চান্স পেতে আরো বেশি মার্ক তুলার চেষ্টা তো করতেই হবে।
প্রথমত প্রতিটা অধ্যায়ের মূল কনসেপ্ট ও প্রতিটি টপিক ক্লিয়ার থাকা লাগবে। সেট ভিত্তিক প্রশ্ন হওয়ায় মূল বই এর যেকোনো জায়গা থেকেই প্রশ্ন আসতে পারে। পদার্থের থিওরি না বুঝলে পদার্থ পড়ে মজা পাবে না। আনন্দ নিয়ে পড়তে হবে। বুঝে গেলেই আলাদা একটা কনফিডেন্স কাজ করে। সকল সূত্র গুলো আলাদা পেজে নোট করে চর্চা করতে হবে। ভেঙে ভেঙে সূত্র গুলো অন্য সূত্রে কনভার্ট করা জানতে হবে। যেমন F= ma F= dv × (v-u/t) ইত্যাদি
একক ও মাত্রা গুলো নাগালে রাখতে হবে। মূল বই এর অনুশীলনীর MCQ গুলো অনেক সময় পরীক্ষায় হুবহু উঠিয়ে দেয়। বিগত প্রশ্ন গুলো বারংবার হাতে কলমে লিখে লিখে চর্চা করলে মূল ভর্তি পরীক্ষায় সহজে প্রয়োগ করতে পারবে। জাবির পাশাপাশি ঢাবি, চবি, রাবি ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নও সল্ভ করে রাখা উচিত।
রসায়ন- জাবির A ও D উভয় ইউনিটেই রসায়ন থাকে। A ইউনিটের রসায়ন মোটামুটি সহজ হলেও জাবির D ইউনিট এর রসায়ন এর কিছু প্রশ্ন একটু ডিপ হয়। D ইউনিটে ম্যাথমেটিকেল টার্ম কম থাকে। ২ - ৪ টা ম্যাথ টার্ম থাকে।
A ইউনিটে ২২ টি D ইউনিটে ২৪ টি প্রশ্ন থাকে "রসায়ন" অংশ থেকে।
D ইউনিটে রসায়ন এর ২৪ টি থেকে ১৩-১৪ টি প্রশ্ন সহজে পারা যায়। বাকি গুলো পারতে গেলে মূল বই এর প্রতিটি লাইন বুঝে বুঝে পড়তে হবে। ছোট ছোট ইনফো গুলো মুখস্থ রাখতে হবে। যেমন : ডি ইউনিটে কর্মমুখী রসায়ন অধ্যায় থেকে দুই থেকে তিনটি প্রশ্ন থাকে সেগুলো মূল বই এর তথ্য থেকে তুলে দেয়। যেমন মাখনে কত % পানি থাকে? ইত্যাদি। A ইউনিটের রসায়ন অংশে ম্যাথমেটিকেল ও থিওরেটিকেল উভয় ধরনের প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই উভয় কনসেপ্ট ই ক্লিয়ার রাখা লাগবে।
মূল বই এর অনুশীলনীর বিভিন্ন প্রশ্ন জাবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রায়ই আসতে দেখা যায়। জৈব রসায়ন স্কিপ না করাই ভালো। কারণ জাবিতে ১-২ মার্ক এর জন্য পজিশন অনেক আগে পিছে চলে যায়। মেকানিজম বুঝে বুঝে পড়তে চেষ্টা করবে। বিজ্ঞানীর নামীয় সকল বিক্রিয়া মনে রাখতে হবে। এছাড়া বিগত বছরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা প্রশ্ন গুলো বারংবার চর্চা করবে। সেই টপিক গুলো ডিটেইলস এ পড়ে নিতে হবে। জৈব রসায়নের জন্য হাজারী স্যার এর মূল বই রিডিং পড়বে আর বোর্ড MCQ + বিগত প্রশ্ন (মাস্ট)
গনিত- জাবির A ইউনিটে উচ্চতর গনিত থাকে। প্রশ্ন সহজ হয় কিন্তু সময় কম থাকে। ৫৫ মিনিট সময় থাকে ৮০ টি MCQ এর জন্য।
ম্যাথ থেকে ২২ টি প্রশ্ন থাকবে। অনেকে ম্যাথ এর কনসেপ্ট অনেক ভালো বুঝে কিন্তু সলভিং স্পিড কম থাকায় চান্স মিস করে। সুতরাং এতো বেশি চর্চা করতে হবে যেন প্রশ্ন দেখার সাথে সাথেই সল্ভ করে সঠিক উত্তর দাগানো সম্ভব হয়। কারণ জাবিতে সময় এর বিপরীতে বেশি প্রশ্ন দাগাতে হয়।
মূল বই এর বড় ম্যাথ করার একদমই প্রয়োজন নাই। ছোট ম্যাথ গুলো করলে কাজে দিবে। বিগত প্রশ্ন গুলো এত বেশি সল্ভ করতে হবে যেন উত্তর মুখস্থ হয়ে যায়। মেইন এক্সামে প্রশ্ন দেখার সাথে সাথেই সলভিংয়ে যাওয়ার ক্যাপাবিলিটি গ্রো করতে হবে।
দীর্ঘদিন ম্যাথ প্রাক্টিস এ রাখো। তাহলে মূল এক্সামে দেখবে সব সহজ লাগবে। এক্সাম দিয়ে নিজেকে যাচাই করবে বেশি বেশি। ভুল গুলো শুধরে নিতে হবে।
ম্যাট্রিক্স ও নির্ণায়ক, সরলরেখা, যোগজিকরণ, অন্তরিকরণ, বহুপদী, জটিল সংখ্যা, কনিক, ত্রিকোণমিতি এসব অধ্যায় থেকে বিভিন্ন টপিক প্রতিবছর রিপিট পাওয়া যায়। ম্যাথ গুলোর শর্ট কাট ফলো করবে। গতিবিদ্যা, স্থিতিবিদ্যা থেকে মাঝে মাঝে প্রশ্ন হয়।
বায়োলজি- জাবির "ডি" ইউনিটে ৮০ টির মধ্যে ৪৪ টি প্রশ্ন ই আসে জীববিজ্ঞান থেকে। প্রাণীবিজ্ঞান" অংশ থেকে ২২ এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান" থেকে ২২ টি প্রশ্ন থাকবে। এই ইউনিটে বায়োলজি রিলেটেড কিছু স্বনামধন্য বিষয় রয়েছে।
জাবিতে প্রতিবছর সেট আকারে প্রশ্ন হওয়ায় ঘুরে ফিরে কিছু টপিক রিপিট আসতে দেখা যায়। তাই বিগত প্রশ্ন অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে সল্ভ করতে হবে। একটি সেট এ যদি প্রশ্ন হয়, মাইটোকন্ড্রিয়ার আবিষ্কারক কে? তাহলে অন্য সেট এ থাকবে ক্রোমোজোম এর আবিষ্কারক কে? স্যার রা এভাবে প্রশ্নের মান সমান রাখার চেষ্টা করেন। তবুও কিছু বৈষম্য এসে যায়। তবে সেটা নিয়ে ভাবা যাবে না। যেখান থেকেই প্রশ্ন হোক, তোমাকে সঠিক দাগাতে হবে।
বায়োলজি অংশের জন্য মূল বই এর বিকল্প নেই। আবুল হাসান স্যার ও গাজী আজমল স্যার এর বই পড়লেই এনাফ। বারংবার অধ্যায়গুলো রিডিং পড়তে হবে। বিভিন্ন ছন্দ দিয়ে নিজের মত করে তথ্য গুলো মনে রাখতে হবে। বোর্ড এর MCQ গুলো আয়ত্তে রাখবে। অধ্যায় গুলোর উপর বারবার এক্সাম দিয়ে নিজেকে যাচাই করে নিতে পারো।
IQ_আইকিউ- D ইউনিটে ৪ টি প্রশ্ন থাকে IQ অংশ থেকে।
বিগত আইকিউ প্রশ্ন গুলো হাতে কলমে সল্ভ করবে। রিসেন্ট বিসিএস এর আইকিউ প্রশ্ন দেখা যেতে পারে। বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার IQ প্রশ্ন জাবি ভর্তি পরীক্ষায় আসতে দেখা যায়।
ICT_আইসিটি- A ইউনিটে ৮ টি প্রশ্ন থাকে ICT থেকে।
বোর্ড MCQ অর্থাৎ মূল বই এর অনুশীলনীর MCQ পড়লেই হবে। আর বিগত BCS ICT প্রশ্ন গুলো দেখা যেতে পারে। ব্যাসিক ঠিক থাকলে এমনিতেই ৪-৫ টা পারবে।
বাংলা_ইংরেজি- A ইউনিটে বাংলা থেকে ৩ এবং ইংরেজি থেকে ৩ টি প্রশ্ন হয়। D ইউনিটে বাংলা ৪ এবং ইংরেজি ৪ মার্ক এর প্রশ্ন হয়ে থাকে।
বাংলা ও ইংরেজির জন্য বিগত ১০ বছরের প্রশ্নগুলো পড়লেই হবে। পাশাপাশি চাকরির পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন গুলোও দেখা যেতে পারে। মূলত প্রশ্নব্যাংক এর শেষের সিলেক্টেড টপিক গুলো পড়লে মোটামুটি কভার হয়ে যায়।
দেশের অন্যতম মায়াবী ক্যাম্পাস "জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে" চান্স পেতে চাইলে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে গ্রুপে না ঘুরে, টেবিলে নিজেকে সময় দেও। তীব্র প্রতিযোগীতা পেরিয়ে জাবিয়ান" হতে হবে। আল্লাহ ভরসা।
লিখেছেন: মো. সানজিদুর রহমান নবেল, রসায়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
গুচ্ছে ভর্তির ফি কমানো সহ জবি শিক্ষক সমিতির ৯ দাবি
জবি প্রতিনিধি: ফি কমানোসহ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভোগান্তি লাঘবে ৯টি দাবি জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (জবিশিস)।
বুধবার (১৯ এপ্রিল) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. লুৎফর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে অনলাইনে এক জরুরী সাধারণ সভায় সর্বসম্মতভাবে এসব দাবি জানানো হয়। জরুরী এই সভায় ১১৮ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত চলা এ সভায় প্রায় ২০ জন শিক্ষক তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হলো:
১. ভর্তির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ৫০০.০০ (পাঁচ শত) টাকা নির্ধারণ করতে হবে। পরীক্ষা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ভর্তুকি দিতে পারে।
২. পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত স্কোর ও মেধাক্রম অবশ্যই প্রকাশ করতে হবে।
৩. ভর্তির আবেদন ফি ব্যতীত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, মাইগ্রেশন, ভর্তি বাতিল বা অন্য কোনো কারণে অর্থ প্রদান করবে না।
৪. পরীক্ষা পরিচালনা, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকান্ড এবং সুস্পষ্ট আর্থিক নীতিমালা অনতিবিলম্বে প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে জানাতে হবে।
৫. ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আয়-ব্যয়ের হিসাব দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিস্তারিত আকারে প্রকাশ করতে হবে।
৬. আসন সংখ্যার ভিত্তিতে নয় বরং গুচ্ছভূক্ত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনকৃত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনুযায়ী কেন্দ্র ও অন্যান্য ফি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদান করতে হবে।
৭. ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী বাবদ উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্টার সহ অন্যান্য কর্মকর্তা, শিক্ষকগণ কোন কাজের জন্য, কে কি পরিমাণ সম্মানী গ্রহণ করেছেন তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করতে হবে।
৮. ভর্তির সকল প্রক্রিয়া শেষ করে ১ জুলাই ২০২৩ থেকে ক্লাশ শুরু করতে হবে।
৯. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এবং ভিসি মহোদয়ের কাজের সুবিধার্থে অন্ততঃ ৬ মাসের জন্য হলেও একটি নির্দেশনা জারি করার দাবী জানাচ্ছি যে, ভিসি মহোদয়ের কক্ষে কোনো শিক্ষক যেন অপ্রয়োজনে আনাগোনা করতে না পারেন। সাক্ষাতের জন্য অনুমতি নিয়ে ঢুকবেন এবং কাজ শেষে অকারণে বসে না থেকে বের হয়ে যাবেন।
এর আগে সোমবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৬-তম একাডেমিক কাউন্সিলে (বিশেষ) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছের আওতায় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র সংগ্রহ শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চারুকলা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষর্থীরা। পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করা যাবে।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
আগামী ২৯ এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি যুদ্ধ শুরু হবে। এছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট এবং ১৩ মে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হচ্ছে আজ
গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২২-২৩ বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল)। আজ দুপুর ১২টা থেকে আগামী ৩০ এপ্রিল রাত ১১.৫৯ মিনিট চলবে। নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
আগামী ২০ মে ‘বি’ ইউনিট, ২৭ মে ‘এ’ ইউনিট ও ৩ জুন ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবছরও ওয়েবসাইটে প্রদত্ত পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা থেকে শিক্ষার্থীরা একটি কেন্দ্র পছন্দ করতে পারবেন।
২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালের এসএসসি/সমমান এবং ২০২১ ও ২০২২ সালের এইচএসসি/সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), এ লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ সাপেক্ষে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে যথাক্রমে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটে আবেদন করতে পারবেন।
ইউনিট এঃ বিজ্ঞান শাখা থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখাসহ মাদ্রাসা বোর্ড (বিজ্ঞান) এবং ভোকেশনাল (এইচএসসি) বিজ্ঞান শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউনিট বিঃ মানবিক শাখা থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখাসহ মিউজিক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা বোর্ড (সাধারণ, মুজাব্বিদ) মানবিক শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউনিট সিঃ বাণিজ্য শাখা থেকে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান উভয় পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখাসহ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (এইচএসসি) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্য শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়া জিসিই-এর ক্ষেত্রে আইজিসিএসই (ও লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ পাঁচটি বিষয়ে পাস এবং আইএএল (এ লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে দুটি বিষয়ে ‘বি’ গ্রেডসহ তিনটি বিষয়ে পাস থাকতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে সংশ্লিষ্ট নম্বরপত্র আপলোডসহ আবেদনের পর সমমান ও যোগ্যতা নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে আবেদন করতে হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীকে ন্যূনতম ৩০ নম্বর পেতে হবে। এর কম নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এছাড়া পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য