ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আগামী নির্বাচনে বিএনপি ৩৯%, জামায়াত ২১%, এনসিপি ১৬% ভোট পাবে: সানেম জরিপ

অনলাইন ডেস্ক
৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:১৯
অনলাইন ডেস্ক
আগামী নির্বাচনে বিএনপি ৩৯%, জামায়াত ২১%, এনসিপি ১৬% ভোট পাবে: সানেম জরিপ
ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও নির্ধারণ না হলেও তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, আসন্ন এই নির্বাচনে দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি সবচেয়ে বেশি ভোট পাবে। সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) পরিচালিত এক জরিপে এমন চিত্র প্রকাশ পেয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া তরুণদের ৩৮ দশমিক ৭৬ শতাংশের মত অনুযায়ী, আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার দৌড়ে বিএনপি শীর্ষে থাকবে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, দলটির পক্ষে মত দিয়েছেন ২১ দশমিক ৪৫ শতাংশ তরুণ। এছাড়া নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাবে ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট—এমনটাই মনে করছেন উত্তরদাতারা।

জরিপ অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারলে ১৫ শতাংশের কিছু বেশি ভোট পেতে পারে। আর অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলো সম্মিলিতভাবে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ ভোট পেতে পারে। জাতীয় পার্টি পাবে ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং অন্যান্য ছোট দলগুলোর প্রাপ্ত ভোট হবে মাত্র ০ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য, জরিপের ফল রবিবার (৬ জুলাই) প্রকাশ করেছে সানেম, যা তরুণদের রাজনৈতিক ঝোঁক ও আগ্রহের একটি সময়োপযোগী প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সানেম জানিয়েছে, তাদের এই জরিপ পরিচালিত হয় দেশের সবক’টি বিভাগের ওপর ভিত্তি করে। প্রতিটি বিভাগ থেকে দুটি জেলা এবং প্রতি জেলা থেকে দুটি উপজেলা বেছে নেওয়া হয়। মোট ২ হাজার তরুণ এই জরিপে অংশ নেন; যাদের বয়সসীমা ১৫ থেকে ৩৫ বছর ।

অংশগ্রহণকারীদের ৪০ শতাংশের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে, ৬০ শতাংশ এসএসসি বা তার ওপরে শিক্ষিত।

জরিপের লিঙ্গভিত্তিক ফলাফল তুলে ধরে সানেম সানেম বলছে, জরিপে অংশ নেওয়া তরুণদের লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণেও গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা গেছে। অংশগ্রহণকারী ছেলেদের মধ্যে ৪০ শতাংশ বিএনপি, ২২ দশমিক ২১ শতাংশ জামায়াত এবং ১৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ এনসিপিকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন।

আর মেয়েদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ০৩ শতাংশ বিএনপি, ২০ দশমিক ৫৭ শতাংশ জামায়াত এবং ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এনসিপির পক্ষে মত দিয়েছেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শহর ও গ্রামের সমান প্রতিনিধি ছিল বলে জানিয়েছে সানেম। জরিপের ফল বলছে, জরিপে অংশ নেওয়া গ্রামীণ তরুণদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ৭২ শতাংশ বিএনপি, ২১ দশমিক ২৫ শতাংশ জামায়াত এবং ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ এনসিপিকে সমর্থন করেছেন।

শহুরে তরুণদের বিএনপি ৩৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ, জামায়াত ২১ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং এনসিপি ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ সমর্থন পেয়েছে।

অপরদিকে, জরিপে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের প্রতি এখনও গ্রামীণ তরুণদের ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশের সমর্থন রয়েছে, আর শহুরে তরুণদের এই হার ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

মন্তব্য

‘এনসিপির কর্মসূচিতে বাধা দিলে আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হবে’

অনলাইন ডেস্ক
৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:১০
অনলাইন ডেস্ক
‘এনসিপির কর্মসূচিতে বাধা দিলে আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হবে’
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

‘দেশ গড়াতে জুলাই পদযাত্রা’ সহ এনসিপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে ব্যানার ছিড়ে কিংবা অন্য কোনোভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হলে আওয়ামী লীগের মতো পরিণতি হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

সোমবার (৭ জুলাই) নাটোরে এক বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

এসময় নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা শুনেছি, নাটোরে আমাদের কর্মসূচিতে ব্যানার ছিড়ে বাধা দিতে চেয়েছিল। আমি তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, মাত্র এক বছর আগে যারা এভাবে কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে তারা আজ নিজেরাই বাংলাদেশে নাই। ঐ পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা না নিলে সামনের দিনে যারা বাধা দিবে তাদের পরিণতিও সেদিকেই যাবে।

এছাড়া তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নাটোরের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধের কারণেই আমরা পতন ঘটাতে পেরেছি। এবার আমাদের যাত্রা দেশ গঠনের। নতুন বাংলাদেশ গঠন করবো আমরা। যেখানে গণতন্ত্র থাকবে, সমতা থাকবে,ইনসাফ থাকবে। দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা আমাদের।

দেশ গড়তে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা তরুণদের সহযোগিতা করুন, ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা এই বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে পারবো।

এছাড়া, জুলাই ঘোষণা, জুলাই সনদ নিয়ে কোনো টালবাহানা এনসিপি সহ্য করবে না বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কুমিল্লায় তিন মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৯:১
    অনলাইন ডেস্ক
    কুমিল্লায় তিন মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়া

    ২০১৫ সালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পেট্রলবোমা হামলা ও কাভার্ডভ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধেও মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. কাইমুল হক রিংকু।

    তিনি জানান, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে একটি যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আটজন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্রে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনকে আসামি করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন তৎকালীন চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ কর্মকর্তা নুরুজ্জামান হাওলাদার।

    পরে বিচারিক প্রক্রিয়ায় দেখা যায়, ঘটনার সময় খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় অবরুদ্ধ ছিলেন, ফলে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলেনি। এ প্রেক্ষিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক সফিকুল ইসলাম তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

    এ ছাড়া ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুর এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের হওয়া নাশকতার মামলায়ও খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় প্রাথমিকভাবে ৩২ জনের নাম থাকলেও পরে আরও ১০ জনকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই মামলারও বাদী ছিলেন এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার। তদন্তে খালেদা জিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আফরোজা শিউলি তাকে অব্যাহতি দেন।

    জেলা পিপি আরও জানান, মামলাগুলো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে দায়ের হয়েছিল—এমন যুক্তিতে আইন মন্ত্রণালয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়। মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন করায় মামলাগুলো এখন সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    ফলে বর্তমানে চৌদ্দগ্রাম থানায় বেগম খালেদা জিয়া বা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই।

    মন্তব্য

    সানেম জরিপ

    আগামী নির্বাচনে বিএনপি ৩৯%, জামায়াত ২১%, এনসিপি ১৬% ভোট পাবে

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৪৯
    অনলাইন ডেস্ক
    আগামী নির্বাচনে বিএনপি ৩৯%, জামায়াত ২১%, এনসিপি ১৬% ভোট পাবে
    গ্রাফিক্স: রাইজিং ক্যাম্পাস

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলে বিএনপি ৩৮.৭৬ শতাংশ ভোট পাবে বলে মনে করেন তরুণরা। এর পরের অবস্থানে ২১.৪৫ শতাংশ ভোট পেয়ে থাকবে জামায়াত।

    গতকাল সোমবার (৬ জুলাই) সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) প্রকাশিত এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

    এছাড়া জরিপে অংশ নেয়া তরুণরা মনে করেন, অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলো পাবে ৪.৫৯ শতাংশ ভোট। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাবে ১৫.৮৪ শতাংশ, জাতীয় পার্টি পাবে ৩.৭৭ শতংশ এবং অন্যান্য দল পাবে শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট।

    বিএনপি

    সানেমের জরিপে আরও উঠে এসেছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি পেলে আওয়ামী লীগ পাবে ১৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট।

    দেশের সবকটি বিভাগের ওপর চালানো এ জরিপে অংশ নেন ১৫-৩৫ বছর বয়সি ২ হাজার মানুষ। প্রথমে ৮ বিভাগ থেকে ২টি করে জেলা বাছাই করা হয়। এরপর সেখান থেকে আবার দুইটি করে উপজেলা নির্বাচন করা হয়।

    জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে ৪০ শতাংশ, এসএসসি বা এর ওপরে ৬০ শতাংশ। এর মধ্যে শহরের ছিল ৫০ শতাংশ এবং গ্রামের ৫০ শতাংশ।

    লাদেশ জামায়াতে ইসলামী

    উল্লেখ্য, জরিপে অংশগ্রহণকারী পুরুষদের মধ্যে ৪০ শতাংশ বিএনপিকে, ২২.২১ শতাংশ জামায়াতে ইসলামিকে এবং ১৪.৪৪ শতাংশ এনসিপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অপরদিকে, নারী অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩৭.০৩ শতাংশ বিএনপি, ২০.৫৭ শতাংশ জামায়াত এবং ১৭.৪৭ শতাংশ এনসিপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    অর্থাৎ জরিপ অনুযায়ী, এনসিপির প্রতি নারী ভোটারদের সমর্থন পুরুষ ভোটারদের তুলনায় কিছুটা বেশি।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)

    জরিপে আরও দেখা গেছে, বিএনপিকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে গ্রামীণ অঞ্চলের ৩৭.৭২ শতাংশ এবং শহর অঞ্চলের ৩৯.৭৭ শতাংশ উত্তরদাতা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। জামায়াতের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন গ্রামে ২১.২৫ শতাংশ এবং শহরে ২১.৬৬ শতাংশ। এনসিপির ক্ষেত্রে এ হার গ্রামে ১৫.৩৮ শতাংশ এবং শহরে ১৬.২৮ শতাংশ।

    অন্যদিকে, আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন গ্রামীণ অঞ্চলের ১৬.৬২ শতাংশ এবং শহর অঞ্চলের ১৩.৪৬ শতাংশ ভোটার। অর্থাৎ জরিপ অনুযায়ী, দলটির প্রতি গ্রামীণ ভোটারদের সমর্থন শহরের তুলনায় কিছুটা বেশি।

    মন্তব্য

    নির্বাচনে যত দেরি হবে, দেশ তত পিছিয়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক
    ৭ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১২
    অনলাইন ডেস্ক
    নির্বাচনে যত দেরি হবে, দেশ তত পিছিয়ে যাবে : মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে যত দেরি হবে, দেশ তত পিছিয়ে যাবে। বিনিয়োগ আসবে না, নারীরা নিরাপত্তা হারাবে, জুডিশিয়াল ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে, আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। সে জন্য দরকার একটা নির্বাচিত সরকার। যেই সরকারের পেছনে রয়েছে জনগণ।

    সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট নগরীর পাঠানটুলাস্থ সানরাইজ কমিউনিটি সেন্টারে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এমএ মালিকের আমন্ত্রণে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনায় দোয় মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এমনি এমনি হঠাৎ করে হাসিনা পালায় নাই, বহু মানুষের সংগ্রাম, রক্ত, ত্যাগ মিলিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত হলাম। আমরা তো লড়াই করেছি গণতন্ত্রের জন্য।

    তিনি বলেন, আমরা একটা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই যেখানে মানুষ কথা বলতে পারবে, বাকস্বাধীনতা থাকবে, নারীরা নিরাপত্তা পাবে, তরুণরা কাজের সুযোগ পাবে, মানুষ চিকিৎসার সুযোগ পাবে—এমন একটা দেশ আমরা চাই। সেই দেশ তৈরির জন্য নতুন করে লড়াই শুরু করেছি। আর আমাদের এই সংগ্রামের নেতা হচ্ছেন তারেক রহমান। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনো অসুস্থ অবস্থায় আমাদের পরমার্শ দিয়ে যাচ্ছেন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, হাসিনা গণতন্ত্র, ভোট, পত্রিকা বন্ধ করেছিল। মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করেছিল। সেই অবস্থায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র এনে নতুন সযোগ তৈরি করে দিয়েছিলেন। আমরা সেই দল সেই যে দল স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। আমরা একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই, কর্মস্থান সৃষ্টি করতে চাই এবং বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র করতে চাই। সেজন্য বিএনপি ৩১ দফা দিয়েছি। আর এই ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

    তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনুসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের সময় ঠিক করেছেন, এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।

    তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, কেউ যাতে আঙ্গুল তুলে কথা না বলতে পারে—আমরা জমি দখল করেছি, চাঁদাবাজি করেছি, জায়গা দখল করেছি। জয় আমাদের সুনিশ্চিত, ইনশাআল্লাহ। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেন। মানুষের কাছে যান। মানুষ যাতে বুঝতে পারে বিএনপি ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।

    এ সময় তিনি বলেন, সিলেটের যেখানে বেগম জিয়া সমাবেশ করেছিলেন সেখানে এবার তারেক রহমানকে নিয়ে দেখা হবে।

    বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা যখন সুযোগ পাই সিলেট আসি। কারণ হচ্ছে, শত শত বছর পূর্বে এখানে ইসলামের আলো ছড়িয়েছেন। সত্য, সুন্দর ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.) দরগায় আমরা আসি। শুধু আমরা না সারা দেশ-বিদেশের হাজাররো মানুষ এখানে আসে।

    তিনি বলেন, এটা আমাদের পূণ্যভূমি। সিলেট আমাদের কাছে আরও প্রিয় হওয়ার আরেকটা কারণ হচ্ছে আমাদের নেতা তারেকে রহমান সাহেবের শ্বশুর বাড়ি। সেজন্য আমরা এখানে আসতে আনন্দ পাই, শান্তি পাই। এ সময় তিনি ইলিয়াস আলীসহ সব গুম হওয়া নেতাদের কথা স্মরণ করেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত