শিরোনাম
শ্রীমঙ্গলে আনারসের ফলন আসানুরূপ, সংরক্ষণে শঙ্কা
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আনারসের ফলন ভালো হলেও সংরক্ষণে শঙ্কা
চা অধ্যুষিত, পর্যটন নগরী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চায়ের পাশাপাশি আনারসের খ্যাতিও রয়েছে দেশজুড়ে সুনামের সাথে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সারা বছরই কমবেশি এই আনারস পৌঁছে যায়। দেশজোড়ে খ্যাতির সাথে এই আনারসের এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু চাষিরা হিমাগার না থাকায় সংরক্ষণের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চাষি ও কৃষি বিভাগ অধিদপ্তর।
জানা যায়, দেশে মূলত সিলেট, মৌলভীবাজার, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যাপক আকারে আনারস চাষ হয়। শ্রীমঙ্গলে উৎপাদিত আনারস দেশখ্যাত। রসে টইটুম্বুর সুস্বাদু এ কারণে দেশের দূর দূরান্তে আনারসের চাহিদা রয়েছে ব্যাপক আকারে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, ষাটের দশক থেকে শ্রীমঙ্গলের পাহাড়ি উঁচু-নিচু টিলায় আনারস চাষ শুরু হয়। এখানকার উষ্ণ ও আদ্র জলবায়ু আনারস চাষের জন্য খুবই উপযোগী। উপজেলার মোহাজেরাবাদ, বিষামণি, হোসেনাবাদ, বালিশিরা, ডলুছড়া, সাতগাঁও, নন্দরানী ও মাইজদীসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকার প্রায় ৩শত ১০ হেক্টর জমিতে এবার আনারসের চাষ হয়েছে।
আনারস চাষিরা অভিযোগ করে জানান, আনারস সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় পঁচনশীল এ ফল যখন একসঙ্গে পাকতে শুরু করে তখন কৃষকদের নাম মাত্র মূল্যে অনেক সময় এ ফল বিক্রি করে দিতে হয়। চাষিরা আরও জানান, নানা প্রতিকূলতার কারণে এমনিতেই দিন দিন আনারস চাষ কমে যাচ্ছে। আনারসের পরিবর্তে চাষিরা এখন লেবু চাষের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ছেন। এছাড়াও অনেক আনারস সংরক্ষণের অভাবে পঁচে নষ্ট হয়। আনারস সংরক্ষণের জন্য শ্রীমঙ্গলে একটি হিমাগার স্থাপন জরুরি। জমির উব্রতা হ্রাস, সার ও চারার দাম বৃদ্ধি, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধিসহ সব মিলিয়ে আনারসের উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি বলে বলছেন। তবুও চাষিরা শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী আনারসের আবাদ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। উপজেলার বিষামণি এলাকার আনারস বাগান মালিক বিল্লাল মিয়া বলেন, এবার আমার বাগানে আনারসের ফলন ভালো হওয়ায় একটু আগেই আনারসগুলো উত্তোলন করে বিক্রি করা শুরু করেছি। কিন্তু যখন আনারস একসঙ্গে পাকতে শুরু করে তখন সংরক্ষণের অভাবে অনেক আনারস পঁচে নষ্ট হয়ে যায়।
বেগুনবাড়ী এলাকার আনারস বাগান মালিক ইরেশ পাল জানান, আগাম বৃষ্টি হওয়াতে এবার আনারসের ফলন খুব ভালো হয়েছে। বৃষ্টির পানি পাওযায় আনারসের ফলন ভালো হওয়াতে আমরা চাষিরা অনেক খুশি। তবে আনারস সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগারের জরুরি ভাবে প্রয়োজন।
এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা উজ্জল সূত্রধর বলেন, অনেক কৃষক আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন যে, আনারস পঁচে নষ্ট হয়ে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। আনারস সংরক্ষণের জন্য শ্রীমঙ্গলে একটি হিমাগার স্থাপন জরুরি। কৃষকদের আমরা বলেছি, শ্রীমঙ্গল উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর থেকে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি শ্রীমঙ্গলে একটি হিমাগার স্থাপনের জন্য। শ্রীমঙ্গলে এবার ৩ শত ১০ হেক্টর জমিতে হানি কুইন ও জায়ান্ট কিউ দুই ধরনের আনারসের চাষ বেশি হয়েছে। আনারসের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য চাষিদের বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ কৃষি অফিস থেকে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
হাকালুকিতে ধান কাটা উৎসবে পরিবেশমন্ত্রী
তিমির বনিক,মৌলভীবাজারঃ রীতিমত উৎসবমুখর পরিবেশে বেশ কয়েকদিন ধরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরসহ বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান কাটা চলছে।
গত সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বড়লেখা উপজেলার হাকালুকি হাওরে কৃষকদের উৎসাহ দিতে বোরো ধান কাটা উৎসবের আয়োজন করেছে কৃষি বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার (২০এপ্রিল) বিকেলে কৃষকদের উৎসাহ দিতে উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের হাকালুকি হাওর এলাকার পাবিজুরি ও সুজানগরের তেড়াকুড়ি এলাকায় এই উৎসবে যোগ দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি।
এসময় বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুনজিত কুমার চন্দ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন স্বপন, তালিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সুরমান আলী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যুৎ কান্তি দাস, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পলাশ দত্ত, কৃষক হারিছ আলীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী।
রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের রাশিয়ান ঋণ চীনা মুদ্রায় পরিশোধ করবে বাংলাদেশ
রাশিয়ার ঋণ সহায়তায় পাবনায় রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলছে। চীনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করে রাশিয়ান পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণকারীকে ৩১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থ পরিশোধের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ। কারণ রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় মার্কিন ডলারে এই ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। আর তাই রাশিয়ার এই পারমাণবিক কেন্দ্রের ঋণ চীনা মুদ্রায় পরিশোধ করবে বাংলাদেশ।
আজ সোমবার (১৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমনকি চীনা মুদ্রা ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদনও দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশি একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য সামনে এনেছে সংবাদমাধ্যমটি।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অর্থ পরিশোধের জন্য মার্কিন ডলারকে বাইপাস করে চীনা মুদ্রা ব্যবহার করা দেশগুলোর মধ্যে এটিই সর্বশেষ ঘটনা বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এক সভায় ঋণ পরিশোধের জন্য চীনা মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের ইউরোপীয় বিষয়ক শাখার প্রধান উত্তম কুমার কর্মকার ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন।
উত্তম কুমার কর্মকার বলেছেন, ঋণ পরিশোধের জন্য চীনা মুদ্রা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও লেনদেন এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। কারণ অর্থপ্রদানের বিবরণ আরও স্পষ্ট ও সমাধান করা দরকার।
এদিকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অর্থ পরিশোধের বিষয়ে যে অচলাবস্থা চলছে, ঢাকার এই সিদ্ধান্তের তার সমাধান হবে বলে মনে হচ্ছে। ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনা করার কারণে গত বছর বিশ্বের অন্যতম পেমেন্ট সিস্টেম সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশনস বা সুইফট থেকে রাশিয়াকে বাদ দেয় পশ্চিমা দেশগুলো।
ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য রাশিয়ার কাছ থেকে প্রাপ্ত ১২ বিলিয়ন ডলারের ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে বাংলাদেশ এখন ক্রস-বর্ডার ইন্টারব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেম (সিআইপিএস)-এর মাধ্যমে ইউয়ান ব্যবহার করবে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের আধিপত্য রুখতে ২০১৫ সালে চীন এই সিস্টেমটি তৈরি করেছিল।
অন্যদিকে চীনা অনলাইন নিউজ আউটলেট সিনা গত সোমবার জানিয়েছে, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্থ পরিশোধের জন্য চীনা মুদ্রা ইউয়ান সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প হবে বলে একজন বাংলাদেশি কর্মকর্তা বলেছেন।
বাংলাদেশ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর বলেন, বাংলাদেশকে ‘বাস্তববাদী’ হতে হবে এবং প্রকল্পটি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এমনকি যদি ডলারকে পাশ কাটিয়ে অন্য মুদ্রা ব্যবহার করে হলেও।
তাপদাহে তরমুজের বাজার তুঙ্গে
তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ দিনের পর দিন মৌলভীবাজারে দাবদাহ বাড়ছে। প্রচণ্ড গরমে তরমজু-ডাবসহ রসালো ফল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলাই দুষ্কর হয়ে যাচ্ছে। এখানে প্রতিকেজি তরমুজ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শহরের চৌমোহনা, পশ্চিম বাজার, কোর্ট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা থরে থরে তরমুজ সাজিয়ে রেখেছেন। তরমুজের মৌসুম হলেও বিক্রেতারা বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন। পবিত্র রমজান ও গরমের কারণে ৪-৫ কেজি ওজনের একটি তরমুজ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৩-৪ কেজি ওজনের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা। শহরের পশ্চিমবাজার ফল বিক্রেতা পটল বাবু জানান, হঠাৎ গরম পড়ছে। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। এতে খুচরা বাজারে প্রভাব পড়ছে। প্রতিদিন ৭০-৮০টি তরমুজ বিক্রি করে থাকি।
চৌমহনার ফল ব্যবসায়ী গোবিন্দ্র দেব বলেন, শ্রীমঙ্গলের পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে ক্রয় করতে হয়। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি।
তরমুজ বিক্রেতা লেচু মিয়া বলেন, আমি ৭ বছর ধরে মৌসুমি ফলের ব্যবসা করে আসছি। রমজানে মানুষের খাবার চাহিদা বেশি থাকে। গরম ও রমজান এক সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এটি বেশি দামে বেচাকেনা হচ্ছে। আমরাও ভালো ব্যবসা করছি।
রাজনগর থেকে আসা নিজাম উদ্দিন নামের এক ক্রেতা জানান, পরিবারের ছোট সোনামনিদের আবদার রক্ষার জন্য বেশিমূল্য দিয়ে তরমুজ কিনতে হচ্ছে। তরমুজ রসালো ফল ইফতারে পানি শূন্যতা দূর হওয়ার জন্য একটি ভালো খাদ্য।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজারে মৌসুমি রসালো ফল তরমুজ এসেছে। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বলে আমি জেনেছি। মৌলভীবাজার শহরের কোথাও দাম বৃদ্ধি করা হয় না। দর উঠানামার বিষয়টি শ্রীমঙ্গল থেকে কন্ট্রোল করা হয়।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মুজিবুর রহমান বলেন, মৌলভীবাজারের ওপর দিয়ে মৃদু দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় নারী ডেপুটি গভর্নর হচ্ছেন নুরুন নাহার
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নুরুন নাহার ডেপুটি গভর্নর (ডিজি) হতে যাচ্ছেন। আগামী তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন তিনি। কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তাকে ডিজি হিসেবে মন্ত্রণালয় বেছে নিতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এরইমধ্যে তাকে ডিজি পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শিগগিরই তার নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জুলাই মেয়াদ পূর্ণ হবে ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামালের। ওই পদটিতে ৩ বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়ার জন্য বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুন নাহারের নাম প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে সুপারিশ করা হয়েছে। এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তার নিয়োগের বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন।
নুরুন নাহার দ্বিতীয় কোনো নারী যিনি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হচ্ছেন। এর আগে প্রথম নারী ডেপুটি গভর্নর ছিলেন নাজনীন সুলতানা।
নূরুন নাহার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ডিগ্রি এবং এশিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ২০০১ সালে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯ সালে সহকারী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, ক্রেডিট গ্যারান্টি ডিপার্টমেন্ট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
নুরুন নাহার ১৯৬৫ সালে কিশোরগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য