ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিসিবির নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
২১ আগস্ট, ২০২৪ ১২:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিসিবির নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ।

গত কয়েকদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনে গুঞ্জন, বিসিবি সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন নাজমুল হাসান পাপন। আর পাপনের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক ফারুক আহমেদ। আজ বুধবার পাপনের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগের মধ্য দিয়ে, সেই গুঞ্জনই সত্যি হল।

দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। এবার দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিসিবির শীর্ষ পদেও পরিবর্তন এল।

সূত্র বলছে, বিসিবি পুনর্গঠনের জন্য ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কার্যালয় থেকে কয়েকজন ক্রিকেট ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ফারুক আহমেদ।

বিসিবি সভাপতি হওয়ার দৌড়ে আলোচনায় ছিলেন দুই সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম ও খালেদ মাসুদ এবং ক্রিকেট কোচ ও বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। আলোচনায় ছিলেন বিসিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এসিসির সাবেক প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আশরাফুল হকের নামও। তবে শেষ পর্যন্ত ফারুক আহমেদের কাঁধেই উঠলো ক্রিকেট বোর্ডের শীর্ষ প্রধানের দায়িত্ব।

উল্লেখ্য, এর আগে দুই মেয়াদে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ফারুক আহমেদ। প্রথম মেয়াদে ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত, আর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে কলহের জের ধরে পদত্যাগ করেন তিনি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    এক যুগ পর বিসিবি সভাপতির পদ ছাড়লেন পাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২১ আগস্ট, ২০২৪ ১১:৫৯
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    এক যুগ পর বিসিবি সভাপতির পদ ছাড়লেন পাপন

    অবশেষে গুঞ্জন হলো সত্যি। দীর্ঘ একযুগ পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারটা ফাঁকা হলো বুধবার। পাকিস্তানে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যখন মাঠের খেলায় নামার অপেক্ষায়, ঠিক সেই সময়েই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের জরুরি সভা।

    আর সেখানেই এলো সিদ্ধান্ত। আগেই জানা গিয়েছিল এই সভা থেকেই পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন নাজমুল হাসান পাপন। বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণ পরেই এলো সেই খবর। ২০১২ সালে সভাপতি মনোনয়ন এবং ২০১৩ সালের নির্বাচনের পর এই আসনে বসেন তিনি। এখন অপেক্ষা নতুন এক সভাপতির জন্য।

    বুধবারের বৈঠকের পর থেকেই কার্যকর হবে নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগ গুঞ্জন রয়েছে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদই হচ্ছেন ক্রিকেট বোর্ডের পরবর্তী সভাপতি।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অবিচ্ছেদ্য এক অংশই হয়ে উঠেছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। ২০১২ সালে নিয়োগের পর থেকে টানা দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের উল্লেখযোগ্য অর্জনটাও ছিল তার সময়ে। যদিও নিজের মেয়াদের শেষদিকে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের দ্বিতীয়বারের নিয়োগ, ক্রিকেটার এবং বোর্ডের একাধিক ব্যক্তির মধ্যে অন্তঃকলহ পরিবেশ কিছুটা হলেও বিষাক্ত হয়েছিল।

    ২০১৩ সালের পর ২০১৭ ও ২১ সালে টানা তিনবার নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন পাপন। ২০১৩ সালে নাজমুল হাসান পাপন এনএসসি কোটায় পরিচালক হয়েছিলেন। পরবর্তীতে পরিচালকরা তাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। গত দুই নির্বাচনে তিনি ঢাকা আবাহনীর কাউন্সিলর হিসেবে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। পরবর্তীতে একই প্রক্রিয়ায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পাপন।

    রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই নাজমুল হাসান পাপনের সরে যাওয়া নিয়ে ছিল ব্যাপক আকারের গুঞ্জন। বিগত সরকারের সময়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন টানা তিন মেয়াদে। শেষবার হয়েছিলেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী। ক্রিকেট বোর্ডেও ছিল একক আধিপত্য। বোর্ডের গঠনতন্ত্রে দুই সহ-সভাপতির কথা উল্লেখ থাকলেও সেসব পদ শুন্যই ছিল তার মেয়াদে।

    নাজমুল হাসান পাপনের বর্তমান অবস্থান অজানা। ক্রিকেট বোর্ডে সরকারি হস্তক্ষেপে তাকে সভাপতি পদ থেকে নামানো হলে ছিল আইসিসির নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা। তবে পাপন নিজেই এই পদ থেকে পদত্যাগ করায় সেই শঙ্কাই আপাতত দূর হলো।

    এদিকে বিসিবির আজকের জরুরী সভায় যোগ দিয়েছেন ফারুক আহমেদ। একইসঙ্গে দেখা গিয়েছে নাজমুল আবেদিন ফাহিমকেও। এ ছাড়া কাজী ইনাম, মাহবুব আনামকেও দেখা গেছে। আম্পায়ার্স কমিটির সদস্য ইফতেখার আহমেদ মিঠুও যোগ দিয়েছেন বৈঠকে। ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে পরিচালকদের মাঝে আরও উপস্থিত আছেন আকরাম খান, সাইফুল আলম স্বপন, ফাহিম সিনহা, খালেদ মাহমুদ সুজন ও সালাউদ্দিন চৌধুরি।

    বিসিবির গঠনতন্ত্র মোতাবেক পরিচালক বোর্ডের সদস্যদের অন্তত ৯ জনের উপস্থিতি দরকার। তবে পরিচালক না হলেও এতে উপস্থিত হয়েছেন ফারুক আহমেদ এবং নাজমুল আবেদীন ফাহিম। অন্যদিকে পরিচালকদের মধ্যে সাজ্জাদুল আলম ববি আমন্ত্রণ পাননি বৈঠকের।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিসিবি চাইলে পদত্যাগ করবেন হাথুরু

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ১৯ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:৪০
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      বিসিবি চাইলে পদত্যাগ করবেন হাথুরু

      সরকার পতনের কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও আসতে শুরু করেছে পরিবর্তন। ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন জালাল ইউনুস, পদত্যাগ করবেন নাজমুল হাসান পাপনও। এমন অবস্থাতে বাংলাদেশ দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে মুখ খুললেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

      দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন পাকিস্তানে অবস্থান করছে। সিরিজের প্রথম টেস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ আগস্ট। এই ম্যাচের আগে আজ সোমবার সংবাদ সম্মেলনে আসেন টাইগারদের প্রধান কোচ।

      তিনি বলছিলেন, 'আমার কোনো ধারণা নেই বাংলাদেশে (ক্রিকেট বোর্ডে) কী চলছে। আমার ভবিষ্যতের কথা বললে, যত দিন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ আছে, আমি দায়িত্ব পালনের দিকে তাকিয়ে আছি। বোর্ড যদি বদলে যায় এবং তারা যদি পরিবর্তন চায়, আমার তাতে সমস্যা নেই। তারা যদি আমাকে চালিয়ে নিতে বলে, আমাকে নিয়ে খুশি থাকে, আমিও খুশি মনে দায়িত্ব পালন করব।'

      এদিকে ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের প্রতি দোয়া ও ভালোবাসা প্রকাশ করে হাথুরু বলেন, '(বাংলাদেশের গণ আন্দোলনে) যাদের কাছের মানুষজন মারা গেছে, তাদের পরিবারের জন্য আমার দোয়া ও ভালোবাসা। খুবই কঠিন ছিল এটি। আমি আশা করি, শিক্ষার্থীদের প্রশ্নগুলোর উত্তর আসবে। এটি অভূতপর্ব ঘটনা। আশা করি, দেশ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে। এটি খুবই কঠিন ছিল। হ্যাঁ (আমার জন্য ইমোশনাল ছিল)।'

      ক্রিকেটের মাধ্যমে দেশের মানুষকে আনন্দের জোয়ারে ভাসাতে চান হাথুরু, 'অবশ্যই (জাতীয় দলের সামনে সুযোগ দেশের মানুষের মন-মানসিকতা ভালো করার)। আমরা সবাই জানি, মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার ও আশা দেওয়ার ক্ষমতা আছে খেলা-ধূলার। এই ম্যাচটি ভালো খেলতে পারলে অবশ্যই বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের খুব সাহায্য হবে।'

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জীবনে অনেক কিছুই হবে তবে এই কষ্টটা রয়ে যাবে : মাশরাফি

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ১৪ আগস্ট, ২০২৪ ২২:৫৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        জীবনে অনেক কিছুই হবে তবে এই কষ্টটা রয়ে যাবে : মাশরাফি

        বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য না করায় প্রচুর সমালোচনা শুনতে হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। সেই সমালোচনা এখনো চলছে।

        গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর তাই নড়াইল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়িতে আগুন দেয় দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এত কিছু হওয়ার পরেও অবশ্য এত দিন মুখ খোলেননি মাশরাফি।

        তবে এবার আর চুপ থাকতে পারলেন না তিনি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন নিয়ে এবার কথা বলেছেন নড়াইল এক্সপ্রেস। দেশের ক্রান্তিকালে মানুষের পাশে থাকতে না পারায় দায় মাথা পেতে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক।

        একটি অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি বলেছেন, ‘এই কষ্ট থাকবেই।হয়তো আজীবন থাকবে।

        তিনি বলেন, দেশের একটা ক্রাইসিস মুহূর্তে পাশে থাকতে পারিনি, কিছু করতে পারিনি, এটা আমাকে সব সময়ই ভোগাবে, পোড়াবে। সব সময়ই থেকে যাবে। সব সময় সব কথা বলা যায় না।

        কিছু জিনিস হয়তো বলার ব্যাপারও নয়। এত দিন চুপ ছিলাম। আজকে কিছু বলছি। কিছু হয়তো সামনে বলব। জীবনে অনেক কিছু হবে। তবে এই কষ্টটা রয়ে যাবে। যত কিছুই হোক, এটা কখনো যাবে না। নিজের ওপর সেই হতাশা সব সময়ই থাকবে।’

        ক্রিকেটার হিসেবে মাশরাফির কাছে মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল তা পূরণ করতে না পারার দায় নিজের মাথায় নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘বিশেষ করে, মানুষের যে আবেগ-ভালোবাসার জায়গা ছিল, ক্রিকেটার মাশরাফির প্রতি যে দাবি ছিল, সেটা পূরণ করতে পারিনি এবং সেই দায় মাথা পেতেই নিচ্ছি।

        তিনি বলেন, আমি ব্যর্থ হয়েছি এবং সেটা আমাকে সেই শুরু থেকেই পোড়াচ্ছে। রাজনীতিবিদ হিসেবে, আমি কিছু করার চেষ্টা করেছি। পারিনি।’

        বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যৌক্তিক ছিল বলেও স্বীকার করেছন মাশরাফি। সাবেক পেসার বলেছেন, ‘কোটা সংস্কারের আন্দোলন অবশ্যই যৌক্তিক ছিল। আমার নিজের কাছেও মনে হচ্ছিল, এটা হয়ে যাবে। তবে সবাই যখন চাচ্ছিল যে আমি কিছু একটা বলি বা স্ট্যাটাস দিই (ফেসবুকে)…ততক্ষণে আসলে সব কিছু এত দ্রুত হচ্ছিল…ভাবছিলাম যে আমি যদি কিছু লিখি বা মন্তব্য করি, সেটার সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে…অনেক কিছু ভাবছিলাম আর কী…সব মিলিয়ে কিছু লেখা হয়নি।’

        বাড়িতে আগুন লাগানোয় কষ্ট পেলেও কারো প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই বলে জানিয়েছেন মাশরাফি। সঙ্গে এমনটিও জানিয়েছেন তার প্রতি কারো ক্ষোভ থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী।

        তিনি বলেছেন, ‘নড়াইলের বাড়িটা করেছিলাম মায়ের জন্য। এখন শেষ। অনেকেই বলেছেন মামলা করতে, ব্যবস্থা নিতে। ছবি-ভিডিও সবই আছে অনেকের কাছে। তবে আমি বলেছি, এসব করব না। আমার বাবাকেও বলে দিয়েছি। এখনকার সরকার বা ভবিষ্যতে নির্বাচন করেও যে সরকার আসুক, কারো কাছেই বিচাই চাইব না। কোনো অভিযোগ নেই। খুলনা-যশোর থেকে বা ঢাকা থেকে গিয়ে কেউ এই বাড়ি ভাঙেনি। নড়াইলের কোনো না কোনো জায়গা থেকে উঠে আসা মানুষই পুড়িয়েছে। নড়াইলের মানুষের বিরুদ্ধে বিচার আমি চাইব না। নিজের ভাগ্য মেনে নিয়েছি। হয়তো কোনো ভুল করেছি, সেটার ফল পেয়েছি। কষ্ট আছে অবশ্যই, তবে রাগ-ক্ষোভ নেই কারো প্রতি। আমার প্রতি এখনো কারো ক্ষোভ থাকলে, আমি ক্ষমাপ্রার্থী।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে বিনা পারিশ্রমিকেও কাজ করতে প্রস্তুত রফিক

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ১৪ আগস্ট, ২০২৪ ১১:১৭
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে বিনা পারিশ্রমিকেও কাজ করতে প্রস্তুত রফিক

          বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুদিনের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন রফিকদেরমতো ক্রিকেটাররা। অথচ খেলোয়াড়ি জীবন শেষে পাপন আমলে তারা কখনোই সুযোগ পাননি দেশের ক্রিকেটের জন্য কাজ করতে। এবার পরিবর্তন হয়েছে দেশ। ডাক আসলে ক্রিকেটের স্বার্থে বিনা পারিশ্রমিকেও কাজ করতে প্রস্তুত তারা।

          দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে বিনা পারিশ্রমিকেও কাজ করতে প্রস্তুত মোহাম্মদ রফিক। তরুণ ক্রীড়া উপদেষ্টাকে নিয়েও বেশ আশাবাদী তিনি। এছাড়া এই মুহূর্তে দেশের ক্রিকেট বাঁচাতে সেনা কর্মকর্তাদের বিসিবিতে অন্তর্ভুক্তি জরুরি, নারী বিশ্বকাপ হাতছাড়া হলে অনেক পিছিয়ে যাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট এমনটাই মনে করেন সাবেক এই ক্রিকেটার। আর বোর্ড থেকে শুধু সভাপতি নয় বিতর্কিত পুরো প্যানেলটাই পরিবর্তন করা উচিৎ বলে মন্তব্য করেন রফিক।

          ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা নাকি অর্থের লোভ। অনেকের মতেই ক্রিকেটকে পুঁজি করে কাড়ি কাড়ি অর্থ কামানোই বোর্ড পরিচালকদের লক্ষ্য। আর তাদের কারণেই বঞ্চিত হয়েছেন প্রকৃতি ক্রিকেট প্রেমীরা। এই বঞ্চিতদের একজন মোহাম্মদ রফিক।

          বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ রফিক বলেন, 'ঐ সময় ছিলাম, এখন বাংলাদেশের ক্রিকেটের অবস্থা খারাপ তবে আমরা এখনও আছি। তারা যদি বলে আসেন আমাদের সাহায্য লাগবে তাহলে কিন্তু আমরা সাহায্যের জন্য বসে আছি। আমরা বলি না যে আমাদের টাকা-পয়সা দেন। আমরা ক্রিকেটের খারাপ সময়েও আছি।'

          ছাত্রদের হাত দিয়ে ঘটা ঐতিহাসিক বিপ্লবের পর রদবদল হচ্ছে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে। বাদ যাচ্ছে না ক্রীড়াঙ্গনও। দীর্ঘদিন চেয়ার আঁকড়ে ধরে রাখা ফেডারেশন কর্তারাও আছেন আত্মগোপনে। অভিভাবকহীন বিসিবিও। কিছুদিন বাদেই আবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এমন অবস্থায় দেশের ক্রিকেটকে বাঁচাতে সেনা কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসার আহবান রফিকের।

          মোহাম্মদ রফিক বলেন, 'সামনে কিন্তু নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আমরা চাচ্ছি এই টুর্নামেন্টটা যেন বাংলাদেশেই হয়। তাই আমি মনে করি সেনা কর্মকর্তারা যত তাড়াতাড়ি এইখানে আসবে দেশের ক্রিকেটের জন্য তত ভালো হবে। এবং আইসিসি এই টুর্নামেন্টটা এইখানেই আয়োজন করার অনুমতি দেবে।'

          রফিক বলেন, 'কত বড় একটা ঝামেলা হল। তবে বিসিবি'তে তো একটাও ঢিল মারেনি। আমরা সকলেই ক্রিকেটটা পছন্দ করি। তাই কিন্তু বিসিবি'র কোন ক্ষতি হয়নি। তবে আমি মনে করি, একজন পরিবর্তন হলে হবে না। পুরোটাই তার দল। ফলে পুরোটাই পরিবর্তন করা উচিত। তারা তো ছিল, দেখেন তারা কী করেছে ক্রিকেটের জন্য!'

          পাপনের জায়গায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। সময় দিলে তরুণ এই উপদেষ্টাও দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস মোহাম্মদ রফিকের।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত