ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শ্রাবণ-জুয়েলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চবি ছাত্রদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ নভেম্বর, ২০২২ ১৭:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক
শ্রাবণ-জুয়েলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চবি ছাত্রদল

সাইফুল মিয়া, চবিঃ ঢাকা ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ও সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি দলীয় কার্যালয় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। মিছিলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মামুন উর রশিদ মামুন।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মামুন উর রশিদ মামুন বলেন, ছাত্রলীগ আগামীতে এমন কাপুরুষিচিত হামলা করলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল রাজপথে সমুচিত জবাব দিবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নকিব হোসাইন চৌধুরী, মুহাম্মদ হিসাম উদ্দিন, মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দিন, মুহাম্মদ মিছবাহ উদ্দিন নাছিম, সাইফুল ইসলাম সায়েম, সৈয়দ আল হাসান, ওহিদুর রহমান, মো. সালামত উল্লাহ সালাম, আবু শাহাদাত মো. আদিল, মো. জহির উদ্দীন, জয়নাল আবেদীন ছোটন, মো. জামাল উদ্দিন, মিজানুর রহমান, মেহেদী হাসান, জহির মো. রফিকুল, মোহাম্মদ তানভীরুল ইসলাম, মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ, শাহরিয়ার লিমন সহ বিভিন্ন হল ও ফ্যাকাল্টির নেতকর্মীরা।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ইডেনের ১৪ নেতা-কর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৪ নভেম্বর, ২০২২ ৯:৫৬
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ইডেনের ১৪ নেতা-কর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ

    ইডেন মহিলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কমিটির কার্যক্রমের ওপর দেওয়া ২৫ সেপ্টেম্বর দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর এবার কলেজ শাখা কমিটির স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত ১৬ নেতা-কর্মীর মধ্যে ১৪ জনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

    এতে বলা হয়েছে, তাদের আবেদনের  প্রেক্ষিতে ইডেন কলেজের ওই ১৪ নেতা-কর্মীর বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি  আফরোজা রশ্মি,সোনালি আক্তার,  মারজানা ঊর্মি, জেবুন্নাহার শিলা, সুস্মিতা বাড়ে, কল্পনা বেগম, সাদিয়া জাহান, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম এবং কর্মী নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা, রাফিয়া নীলা, ও সূচনা আক্তার। তবে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়নি এক সময় সহসভাপতির পদে থাকা জান্নাতুল ফেরদৌস ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তারের।

    বিগত ২৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত একটার দিকে কলেজ শাখা কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছিলো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে শৃঙ্খলাপরিপন্থী কাজে জড়িত থাকার অপরাধে প্রাথমিকভাবে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে ইডেন কলেজ শাখার সভাপতি তামান্না জেসমিন ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরোধীপক্ষের ১৬ জন নেতা-কর্মীকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়। গত ৯ নভেম্বর রাতে ইডেন শাখা কমিটির ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। সর্বশেষ গতকাল বুধবার বহিষ্কৃতদের মধ্যে ১৪ জনের বহিষ্কারাদেশও তুলে নেওয়া হলো।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পবিপ্রবি ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৩ নভেম্বর, ২০২২ ১১:২১
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পবিপ্রবি ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

      পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর ) বিকাল ৪ টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।

      এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পবিপ্রবি শাখার সভাপতি আরাফাত ইসলাম খান সাগর এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক। এছাড়াও কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগষ্ট শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

      এবিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পবিপ্রবি শাখার সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান তারেক বলেন, "শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে আমাদের কার্যক্রম শুরু করেছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারন করে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে এবং সামনের দিনগুলোতে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।"

      বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পবিপ্রবি শাখার সভাপতি আরাফাত ইসলাম খান সাগর বলেন, "জাতির পিতার সমাধীসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আমাদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করলাম। আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলিগ কে জয়ী করতে পবিপ্রবি ছাত্রলীগ সদা প্রস্তুত থাকবে বলে জানান তিনি।"

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩ কমিটির পরিবর্তন, দেখা মেলেনি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ নভেম্বর, ২০২২ ১২:৪২
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ৩ কমিটির পরিবর্তন, দেখা মেলেনি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির

        বাংলা কলেজ প্রতিনিধি: বাঙলা কলেজে সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৮ অক্টোবর কমিটি হয়েছিল। তখন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও সিদ্দিকী নাজমুল আলম ১ বছরের জন্য মুজিবুর রহমান অনিককে সভাপতি ও সোলায়মান মিয়া জীবনকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি অনুমোদন দেন। তারপর ২০১৬ সালে সাইফুর রহমান সোহাগ ও এসএম জাকির হোসেন বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করেন।

        ২০১৯ সালের ২১ মার্চ মাস তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। এরপর বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগ আর নতুন নেতৃত্ব পায়নি। এ হিসাবে প্রায় ৮ বছর আগে ১ বছর মেয়াদে হয়েছিল বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি।

        একে একে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়েছে ৩ বার। আগামী ৮ ও ৯ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে চতুর্থবারের মতো পরিবর্তন হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

        বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের ‘স্বাক্ষর ক্ষমতা বন্ধ’ হয়ে যাওয়ায় তারা আর নতুন করে কোন কমিটি অনুমোদন দিতে পারবেন না। এ কারণে এবারও ভাগ্য খুলছে না বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগ কর্মীদের।

        জানতে চাইলে বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান অনিক বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ ২ বছর আর জেলা ও জেলা সমমনা ইউনিটের মেয়াদ ১ বছর। সাধারণত ২ বছরের পরিবর্তে ৪ বছর থাকে আর বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটি তো আছে ৫ বছর ধরে। আমাদের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমি একটা অনুরাধ করব, নেত্রী যেন ৩০তম সম্মেলনে নেতা নির্বাচন করার আগে তাদের একবার জিগ্যেস করেন যে, তাদের কত বছর দিলে তারা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সব ইউনিটের কমিটিগুলো দিতে পারবে।

        কমিটি না থাকলে সংগঠনের গতিশীলতা বন্ধ হয়ে যায় বলে মনে করেন বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন পলাশ।

        বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক উপ আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোহাগ খান বলেন, কমিটি ছাড়া তো কোন সংগঠন চলতে পারে না। সংগঠনের গতি মন্থর হয়ে যায়। কমিটি থাকলে রাজনীতির চর্চা হয়, নেতৃত্ব থাকে, যেকোন যায়গায় গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায়।

        ছাত্রনেতা মোঃ রায়হান উদ্দিন বলেন, ৮ বছর আগে বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি হয়েছিল। এরপর আরো ৮ টা ব্যাচ নেতৃত্ব দেয়ার মতো গড়ে উঠেছে। এখন নেতৃত্ব জটের কারণে তারা হতাশায় ভুগছে, রাজনৈতিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না, জীবনের সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। রাজনৈতিক সঠিক চর্চার জন্য ছাত্রলীগের কমিটি অত্যন্ত জরুরি।

        ছাত্রনেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম সাগর বলেন, এভাবে চলতে থাকলে জঙ্গিতে পরিণত হবে ক্যাম্পাস গুলো। তাই আমরা চাই দ্রুত সুন্দর ভাবে সঠিক মূল্যায়নের মাধ্যমে যেন কমিটি হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          বগুড়ার সব কলেজে তালা লাগানোর হুমকি: ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০ নভেম্বর, ২০২২ ১৪:২
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          বগুড়ার সব কলেজে তালা লাগানোর হুমকি: ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবি

          বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন জেলার পদবঞ্চিত ছাত্র নেতারা। অতিদ্রুত কমিটি বাতিল করে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি না করলে জেলার সবকটি সরকারি কলেজে তালা লাগানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। গতকাল শনিবার বগুড়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

          বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে এভাবে হুমকি দেন পদবঞ্চিত নেতা–কর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবাইদুল্লাহ সরকার।

          তিনি বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পেতে হলে নিজ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। অথচ অনৈতিকভাবে ঘোষিত কমিটিতে অন্য জেলার বাসিন্দারাও পদ পেয়েছেন। দুর্গাপূজার মণ্ডপে মদ্যপান করে মাতলামির কারণে গণপিটুনির শিকার ব্যক্তিকেও জেলা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ দেওয়া হয়েছে।

          তিনি আরো বলেন, সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া ব্যক্তি জেলা ছাত্রলীগে ‘অচেনা অতিথি’। কমিটি ঘোষণার আগে জেলা ছাত্রলীগের কোনো কর্মকাণ্ডে, আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো দিনই তাঁকে দেখা যায়নি। বগুড়ার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রও নন তিনি। কমিটিতে মাদকের কারবারি, মাদকসেবী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী, সমকামী, ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় ইন্ধনদাতাসহ বিতর্কিত অনেককেই পদ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

          ওবাইদুল্লাহ সরকার আরও বলেন, অর্থের বিনিময়ে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়ার কথা স্বীকার করে সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় এক নেতার আত্মস্বীকৃতিমূলক কথোপকথনের অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই কথোপকথনে স্পষ্ট হয়েছে, অর্থের বিনিময়ে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ইউনিট ঘোষণারও গোপন তোড়জোড় চলছে।

          এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সদর থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন, সরকারি আজিজুল হক কলেজ কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বুলবুল, গাবতলী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর বিপ্লব, দুপচাঁচিয়া উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম, কাহালু উপজেলার সভাপতি সৌগির আহম্মেদ রিতু, শাজাহানপুরের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত