শিরোনাম
দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই: জামায়াত আমির
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো বিকল্প নেই। ইসলামের ছায়াতলে এসে আমরা সবাই মিলে একটি নতুন, স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে মাগুরা জনসভায় যাওয়ার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালীতে আখচাষি কল্যাণ ভবনের সামনে একটি পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। পথসভাটি মধুখালী উপজেলা ও পৌর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত হয়।
জামায়াত আমির বলেন, 'বাংলাদেশ আমাদের সবার জন্মভূমি। এখানে আমরা জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে মিলেমিশে বসবাস করি। আমাদের লক্ষ্য হলো সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ, নতুন বাংলাদেশ গঠন। আল্লাহ আমাদের তৌফিক দিন।'
ছাদখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, 'আপনারা যে ভালোবাসার টানে এখানে এসেছেন, তা দেশের প্রতি, মানবতার প্রতি এবং সর্বোপরি মহান আল্লাহ তায়ালার জন্য। আমি প্রার্থনা করি, আল্লাহ আপনাদের এই ভালোবাসা কবুল করুন।' তিনি সবাইকে কোরআনের পতাকাতলে আসার আহ্বান জানান।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন মধুখালী উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান। আরও বক্তব্য দেন বোয়ালমারী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা নিয়ামুল হাসান, মাওলানা রেজাউল করিম এবং কামাল হোসেন।
জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে হস্তান্তর
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে মৌখিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সকলে ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবে বলে জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
বুধবার (১৫ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে ইউজিসি ও সেনা প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভার পর উপাচার্য এ কথা জানান।
উপাচার্য বলেন, আমাদের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রথম ফেইজের কাজ চলমান। এ কাজটি কীভাবে নেবেন সেটা তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবেন। সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা ক্যাম্পাস পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে একটি রোডম্যাপ তৈরি করবেন বলে জানান উপাচার্য। কোন কাজ কোন অবস্থায় তার তথ্য নিয়ে বিবেচনায় নিয়ে অ্যানোমালি চিহ্নিত কিরে রিভাইজড ডিপি প্রস্তুত করবেন।
তিনি বলেন, আমাদের বাণী ভবন ও শহীদ হাবিবুর রহমান হলের স্টিল স্ট্রাকচার ভবন নির্মাণের কাজের বিষয়েও আমরা তাদের অনুরোধ করেছিলাম। তারা এ কাজটি করার প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন। তারা এই সাইটটিও ভিজিট করবেন। এটাও আমাদের জন্য অনেক বড় একটি সাফল্য।
শিক্ষার্থীদের শাটডাউন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, এ বিষয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের পুরো কৃতিত্ব দিতে চাই। পাশাপাশি সরকার যেভাবে আমাদের সমস্যা সমাধানে নজর দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছে সে ব্যাপারেও আমরা কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের শাট ডাউন তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এটা তুলে নিলে সবাই উপকৃত হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো সন্দেহ নেই যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই হবে।
বিক্ষোভে উত্তাল রুয়েট, প্রশাসনিক ভবন তালা
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন। তারা প্রশাসনিক ভবন ও পুরকৌশল অনুষদের ডিন কামরুজ্জামান রিপনের রুমে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।
দাবীসমূহ :
কিছু স্বার্থান্বেষী শিক্ষক নামে দানবের থাবা থেকে রক্ষায়, বর্তমান এবং পরবর্তী রুয়েটিয়ান প্রজন্মের কল্য আমাদের উত্থাপিত দাবি সমূহ -
১। পরবর্তী সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার খাতায় কোডিং সিস্টেম চালু করতে হবে এবং এ বিষয়ক প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। যাতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়।
২। সেমিস্টারের রেজাল্ট ও গ্রেডশীট দ্রুত প্রকাশ করতে হবে এবং খাতা রিভিউ করার সুযোগ দিতে হবে।
৩। রুয়েটের যেসকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে বিভিন্ন অভিযোগ আছে তাদের অনতিবিলম্বে সাময়িক বহিষ্কার এবং অতি দ্রুত তদন্তের সাপেক্ষে স্থায়ী বহিষ্কার করে আইনত ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা সৌমিক, লতিফ সহ আরোও যারা ছিল এদের ছাত্রত্ব বাতিল করতে হবে।
৪। শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে; ৩-৪ দিনের ক্লাস নিয়ে পুরো সেমিস্টারের উপস্থিতি গণনা করা যাবে না। যদি শিক্ষকের ব্যস্ততা/অনুপস্থিতির কারণে কোনো ক্লাস মিস যায়, তবে সেক্ষেত্রে সকল শিক্ষার্থীকে ঐদিনের এটেন্ডেন্স দিতে হবে এবং কোনোদিন এক্সট্রা ক্লাস নিলে তা ১টা ক্লাসের এটেন্ডেন্স হিসাবে কাউন্ট করতে হবে।
৫। প্রতি মাসে প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা সেশন আয়োজন করতে হবে, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে। এছাড়াও প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষকদের নিয়ে প্রতি মাসে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার আয়োজন করতে হবে।
৬। হজোর মোড়ের ঘটনায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট প্রদান করার কথা থাকলেও চার্জশিট প্রদান করা হয়নি। অতি দ্রুত সেই মামলার বাকি কার্যক্রম শুরু করতে হবে এবং কয়েট ক্যাম্পাস ও আশেপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।
৭। ইচ্ছাকৃত ভাবে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য করার দায়ে মোঃ গোলাম মোস্তাকিম ও সিভিল ফ্যাকাল্টির ডিন মো: কামরুজ্জামান রিপন সহ অভিযুক্ত সকল শিক্ষকের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
৮। শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের প্রতি সদাচরণ করতে হবে এবং শিক্ষকদের কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৯। অনতিবিলম্বে জমাকৃত ১২ দফার বাস্তবায়ন করতে হবে।
‘নিজেদের স্বার্থে টিউলিপকে মন্ত্রী বানায় লেবার পার্টি’
‘ক্ষমতাসীনদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের জন্য টিউলিপ সিদ্দিককে যুক্তরাজ্যের দুর্নীতি দমনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ডাউনিং স্ট্রিটের ভেতরে এমন কিছু লোক আছে যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলে টিউলিপকে মন্ত্রী বানায়।’
এমনটি উঠে এসেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) টিউলিপের পদত্যাগের পর প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।
গার্ডিয়ান জানায়, টিউলিপকে লেবার পার্টি বা ক্ষমতাসীনদের ব্যানার হিসেবে ব্যবহারের একটি মনোভাব ছিল স্পষ্ট। কিন্তু বাংলাদেশে তার খালা শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ডাউনিং স্ট্রিটের সেই লোকেরা এখন হয়তো আফসোস করছেন, ইশ! টিউলিপকে সামনে আনার আগে তারা যদি দ্বিতীয়বার ভাবতেন। ক্ষমতাসীনদের এ মনোভাবের কারণ হচ্ছে, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সাথে তার যোগসূত্রের মাত্রা স্পষ্ট হওয়া।
যখন তাকে ব্রিটিশ সরকারের দুর্নীতি দমন মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়; তখন শেখ হাসিনার সরকার ছিল বেশ প্রতাপশালী। পারিবারিক গাম্ভীর্য টিউলিপকে সবার কাছে সমাদৃত করে। লেবার পার্টির নির্বাচনী প্রচারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সহযোগিতা করেন। টিউলিপ সিদ্দিকের পাশাপাশি কিয়ার স্টারমারের প্রচারে নেতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করেন।
কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশ পরিস্থিতি যদি তখন থাকত তবে ডাউনিং স্ট্রিটের ভেতরের লোকজন তাকে দায়িত্ব দেওয়ার আগে একটু চিন্তা করতেন।
শেখ হাসিনার সরকারের দুর্নীতির সঙ্গে টিউলিপের নাম উঠে এসেছে। তিনি যুক্তরাজ্যে দুটি ফ্ল্যাট আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠদের কাছ থেকে নিয়েছেন। এ ছাড়া রাজধানীর পূর্বাচল নিউ টাউনের প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির অভিযোগে পৃথক ৩টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা, রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এবং মেয়ে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রুপন্তীকে।
বাংলাদেশের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার মহাপরিচালক আখতার হোসেন বলেন, পূর্বাচল নতুন শহরে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রভাবিত করেছেন। এ বিষয়ে দুদকের কাছে যথেষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত পৃথক ৩টি মামলা করে দুদক।
খবরটি যুক্তরাজ্যেও প্রচার পায়। এ ছাড়া অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত অন্য ঘটনায় টিউলিপের সংশ্লিষ্টতা তদন্ত করছে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।
একজন লেবার এমপি নাম প্রকাশ না করার শর্তে গার্ডিয়ানকে বলেন, এটি ছিল (টিউলিপকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া) ক্ষমতাসীনদের নিজস্ব লক্ষ্য। সবাই জানত যে, তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক রাজবংশের একজন সদস্য। যার বিশাল ক্ষমতা এবং অর্থের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। পৃথিবীতে কে ভেবেছিল যে তাকে এই চাকরি দিয়ে সবার দৃষ্টিতে পড়তে হবে!
এদিকে, টিউলিপের পদত্যাগের পর প্রকাশিত প্রতিবেদনে গার্ডিয়ান জানায়, টিউলিপ মন্ত্রিত্বের নিয়ম ভঙ্গ করেছেন কি না তা শেষ পর্যন্ত লাউরি ম্যাগনাস বুঝতে পারেননি। ম্যাগনাস তাকে অভিযুক্তও করেননি বা তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কোনো কিছু করার প্রমাণ খুঁজে পাননি। তবে ম্যাগনাস টিউলিপকে সরাসরি নির্দোষ ঘোষণা না করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে এখনও অনেক প্রশ্ন রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এরপরই টিউলিপ সিদ্দিক স্বেচ্ছায় মন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
রাবিতে কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে ববিতে মানববন্ধন
ববি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলগুলোয় পবিত্র কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি দিবাগত রাতে রাবির শহীদ জিয়াউর রহমান হল, সৈয়দ আমীর আলী হল, মাদার বখশ হল, শাহ মাখদুম হল, শেরেবাংলা হল, শহীদ হবিবুর রহমান হল ও মতিহার হলে রাতের আঁধারে পবিত্র কোরআন পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে এবং জিয়াউর রহমান হলের দেয়ালে বিজেপির লোগো আঁকা হয়েছে৷
মানববন্ধনে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী সোহরাওয়ার্দী পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতে মাধ্যমে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় ইসলামিক সংগীত পরিবেশন করেন
অ্যাকাউন্টিং বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুরুল আমিন। মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মাসুম বিল্লাহর উপস্থাপনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ টি এম রফিকুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ, রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুল হোসেন ও রফিকুল ইসলাম, লোক প্রশাসন বিভাগের মোকাব্বেল শেখসহ প্রমুখ৷
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য