The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪

ইবির প্রধান ফটক আটকিয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক আটকিয়ে বিক্ষোভ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার (২৯ মে) বিকেল ৪টার দিকে তারা বিক্ষিপ্ত কিছু দাবী নিয়ে প্রধান ফটকে তালা দিয়ে অবরোধ করেন। এতে কুষ্টিয়া, শৈলকূপা ও ঝিনাইদহ রুটে ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাওয়ার সময় প্রধান ফটকে আটকে পড়ে।

এতে দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ফটক টপকে বাইরের পরিবহণে শহরে যেতে দেখা যায়। হুটহাট করে ফটক আটকিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করেন পরিবহন প্রশাসক।

এদিকে ঠিক কি দাবিতে আন্দোলন চলছে এ ব্যাপারে জানেন না আন্দোলনকারীরা। একাধিক আন্দোলনকারী একেকরকম দাবির কথা জানিয়েছেন। শুরুতে ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে দেওয়া ছাত্রলীগের ৩৩ দফার বিষয়টি জানালেও পরে তারা ৭ দফা দাবির কথা জানান। অন্যদিকে কয়েকজন নেতাকর্মী আন্দোলনকারীদের দাবি, গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল, বিদ্যুত বিভ্রাট নিরসন, সুপেয় পানি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট সমস্যা ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা। তবে পরে আবার তারা ৪ দফা দাবির কথা জানিয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, গেট আটকিয়ে আন্দোলন করে শুধু আমাদের ভোগান্তিই বাড়ে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের আন্দোলনে যদি শিক্ষার্থীরাই ভোগান্তিতে পড়ে তাহলে এ আন্দোলন কাদের জন্য?

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিক আরাফাত বলেন, ছুটি, নেট ও সুপেয় পানি সহ শিক্ষার্থীদের কিছু যৌক্তিক দাবী নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে শুনেছি। আমরা সকল যৌক্তিক দাবীকে সমর্থন করি। প্রশাসনের উচিত দ্রুত বিষয়টির সমাধান করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কথা বলুক। পরিবহন সংক্রান্ত সমস্যা হলে ভিন্ন কথা ছিল। শুধু শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ানোর কোনো মানে হয় না। এভাবে কথায় কথায় এভাবে গেইট আটকানো উচিত না। এটা এক প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমি মনে করি এটা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. রাজনীতি
  3. ইবির প্রধান ফটক আটকিয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

ইবির প্রধান ফটক আটকিয়ে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটক আটকিয়ে বিক্ষোভ করছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সোমবার (২৯ মে) বিকেল ৪টার দিকে তারা বিক্ষিপ্ত কিছু দাবী নিয়ে প্রধান ফটকে তালা দিয়ে অবরোধ করেন। এতে কুষ্টিয়া, শৈলকূপা ও ঝিনাইদহ রুটে ক্যাম্পাস থেকে ছেড়ে যাওয়ার সময় প্রধান ফটকে আটকে পড়ে।

এতে দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের ফটক টপকে বাইরের পরিবহণে শহরে যেতে দেখা যায়। হুটহাট করে ফটক আটকিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করেন পরিবহন প্রশাসক।

এদিকে ঠিক কি দাবিতে আন্দোলন চলছে এ ব্যাপারে জানেন না আন্দোলনকারীরা। একাধিক আন্দোলনকারী একেকরকম দাবির কথা জানিয়েছেন। শুরুতে ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে দেওয়া ছাত্রলীগের ৩৩ দফার বিষয়টি জানালেও পরে তারা ৭ দফা দাবির কথা জানান। অন্যদিকে কয়েকজন নেতাকর্মী আন্দোলনকারীদের দাবি, গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল, বিদ্যুত বিভ্রাট নিরসন, সুপেয় পানি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট সমস্যা ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা। তবে পরে আবার তারা ৪ দফা দাবির কথা জানিয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, গেট আটকিয়ে আন্দোলন করে শুধু আমাদের ভোগান্তিই বাড়ে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের আন্দোলনে যদি শিক্ষার্থীরাই ভোগান্তিতে পড়ে তাহলে এ আন্দোলন কাদের জন্য?

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিক আরাফাত বলেন, ছুটি, নেট ও সুপেয় পানি সহ শিক্ষার্থীদের কিছু যৌক্তিক দাবী নিয়ে আন্দোলন হচ্ছে শুনেছি। আমরা সকল যৌক্তিক দাবীকে সমর্থন করি। প্রশাসনের উচিত দ্রুত বিষয়টির সমাধান করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে কথা বলুক। পরিবহন সংক্রান্ত সমস্যা হলে ভিন্ন কথা ছিল। শুধু শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ানোর কোনো মানে হয় না। এভাবে কথায় কথায় এভাবে গেইট আটকানো উচিত না। এটা এক প্রকার মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমি মনে করি এটা সরকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন