The Rising Campus
Education, Scholarship, Job, Campus and Youth
বৃহস্পতিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪

রাবি শিক্ষার্থী সাকিবকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

খোঁজ মিলছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী সাকিব শাহরিয়ারের।

শুক্রবার (২১ এপ্রিল) রাত ১০টা ২০ মিনিটে সাকিব শাহরিয়ার বিনোদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বের হন, এরপর আর ফিরে আসেননি। বের হওয়ার সময় ঝিনাইদহ জেলা সমিতির একটি টি-শার্ট পরেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনটিও বাসায় রেখে যান বলে জানান সাকিব শাহরিয়ারের বাবা মোখলেছুর রহমান।

সাকিবের নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে তার বাবা মোখলেছুর রহমান বলেন, গতকাল রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমার ছেলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সাধারণত সে ফুল হাতা শার্ট পরিহিত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়, কিন্তু গতকাল হাফ-হাতা একটি টি-শার্ট পরেই বেরিয়ে যায়। এরপর থেকেই আর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।

মোখলেছুর রহমান আরও বলেন, গতকাল রাতেই আমরা মতিহার থানায় গিয়েছিলাম। তবে সেখান থেকে জানানো হয়েছে, তারা ৪৮ ঘণ্টা পর এই ব্যাপারে অভিযোগ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তো ছুটি চলছে। আমরাও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না কী করবো। কেউ যদি আমার ছেলেটাকে খুঁজে পায় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

সাকিব শাহরিয়ারের সহপাঠী ফারিয়া ইয়াসমিন মীম জানান, ওর ক্লোজ একজন ফ্রেন্ড আমাকে বলেছিল যে সাকিব রেগে বাসা থেকে চলে এসেছে। তার কাছ থেকে ওর মায়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে যোগাযোগ করি। কারণ ওর ফোন সুইচড অফ। আন্টির কাছে শুনি যে ও বেশ অসুস্থ। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কারও সঙ্গে কথাও বলছে না। আজ সকালে আন্টিকে কল করে ওর খবর নিতে গিয়েই জানতে পারলাম গতকাল রাত থেকে ওকে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব শাহরিয়ারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে জানিয়েছি। প্রক্টর অফিস থেকে মতিহার থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। এখন দেখা যাক, পুলিশ প্রশাসন কি পদক্ষেপ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, আমি ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। তবে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি সম্পর্কে মতিহার থানা পুলিশের ওসিকে জানিয়েছি। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. জাকির হোসেন ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি তাকেও বলে দিয়েছি। আমার মনে হয়, পরিবার থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জানালে এ ঘটনার ব্যাপারে আরেকটু তথ্য পাওয়া যাবে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.

  1. প্রচ্ছদ
  2. ক্যাম্পাস
  3. রাবি শিক্ষার্থী সাকিবকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

রাবি শিক্ষার্থী সাকিবকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

খোঁজ মিলছে না রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী সাকিব শাহরিয়ারের।

শুক্রবার (২১ এপ্রিল) রাত ১০টা ২০ মিনিটে সাকিব শাহরিয়ার বিনোদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বের হন, এরপর আর ফিরে আসেননি। বের হওয়ার সময় ঝিনাইদহ জেলা সমিতির একটি টি-শার্ট পরেছিলেন এবং তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনটিও বাসায় রেখে যান বলে জানান সাকিব শাহরিয়ারের বাবা মোখলেছুর রহমান।

সাকিবের নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে তার বাবা মোখলেছুর রহমান বলেন, গতকাল রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমার ছেলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। সাধারণত সে ফুল হাতা শার্ট পরিহিত অবস্থায় বাসা থেকে বের হয়, কিন্তু গতকাল হাফ-হাতা একটি টি-শার্ট পরেই বেরিয়ে যায়। এরপর থেকেই আর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।

মোখলেছুর রহমান আরও বলেন, গতকাল রাতেই আমরা মতিহার থানায় গিয়েছিলাম। তবে সেখান থেকে জানানো হয়েছে, তারা ৪৮ ঘণ্টা পর এই ব্যাপারে অভিযোগ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তো ছুটি চলছে। আমরাও ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না কী করবো। কেউ যদি আমার ছেলেটাকে খুঁজে পায় আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

সাকিব শাহরিয়ারের সহপাঠী ফারিয়া ইয়াসমিন মীম জানান, ওর ক্লোজ একজন ফ্রেন্ড আমাকে বলেছিল যে সাকিব রেগে বাসা থেকে চলে এসেছে। তার কাছ থেকে ওর মায়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে যোগাযোগ করি। কারণ ওর ফোন সুইচড অফ। আন্টির কাছে শুনি যে ও বেশ অসুস্থ। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। কারও সঙ্গে কথাও বলছে না। আজ সকালে আন্টিকে কল করে ওর খবর নিতে গিয়েই জানতে পারলাম গতকাল রাত থেকে ওকে পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব শাহরিয়ারের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে জানিয়েছি। প্রক্টর অফিস থেকে মতিহার থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। এখন দেখা যাক, পুলিশ প্রশাসন কি পদক্ষেপ নেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, আমি ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। তবে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি সম্পর্কে মতিহার থানা পুলিশের ওসিকে জানিয়েছি। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. জাকির হোসেন ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমি তাকেও বলে দিয়েছি। আমার মনে হয়, পরিবার থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জানালে এ ঘটনার ব্যাপারে আরেকটু তথ্য পাওয়া যাবে।

পাঠকের পছন্দ

মন্তব্য করুন