শিরোনাম
২০২৬ বিশ্বকাপই আমার শেষ : নেইমার
ডেস্ক রিপোর্ট: ক্যারিয়ারের একটা বড় অংশ মাঠের বাইরে অপেক্ষা করেই পার করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের পোস্টার বয় নেইমার জুনিয়র। ফুটবল নিয়ে এবার নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি। ২০২৬ সালের আসরেই নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামবেন নেইমার।
সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, ‘এটাই (২০২৬ বিশ্বকাপ) হতে যাচ্ছে আমার শেষ বিশ্বকাপ। বলতে পারেন শেষ সুযোগ। এই আসরে খেলার জন্য সব রকমের চেষ্টাই করবো।’
এবারের বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ধুঁকছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ১২ রাউন্ড শেষে ১০ দলের গ্রুপে পাঁচে অবস্থান করছে সেলেসাওরা। যেখানে শীর্ষ ৬ দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে। কিন্তু সাতে থাকা বলিভিয়ার চেয়ে মাত্র ৫ পয়েন্টে এগিয়ে আছে ব্রাজিল।
তবুও নিজের দলকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নেইমার। তিনি বলেন, ‘আমার দলের ওপর অনেক আস্থা আছে। যেসব ছেলে উঠে আসছে তাদের ওপরও। অবশ্য যেখানে দল রয়েছে, আমরা সেখানে থাকার মতো না।’
সবাই মিলে কাজ করলে বড় কিছু অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন নেইমার। তিনি বলেন, ‘সবাই মিলে কাজ করলে আমার মনে হয় বড় কিছু পাওয়া সম্ভব। আমাদের দেড় বছরের মতো সময় আছে। বিশ্বকাপে যেতে সঠিক কিছু করতে এই সময়েই কাজ করতে হবে।’
১০ রান করলেও লিটনকেই দলে চাই, আমি তার ভক্ত : সুজন
ডেস্ক রিপোর্ট: ব্যাট হাতে ছন্দে নেই লিটন দাস। জাতীয় দলের পর বিপিএলেও রানের দেখা পাচ্ছেন না এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। রান না পেলেও লিটনকেই দলে চান বলে জানিয়েছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে ঢাকা। এই নিয়ে চার ম্যাচের সবকটিতেই হারলো রাজধানীর দলটি। ম্যাচ শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন ঢাকার কোচ সুজন।
লিটনের রান খরা প্রসঙ্গে সুজন বলেন, 'আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্রিকেটারদের একজন সে (লিটন), বাংলাদেশের ক্রিকেটে। যদিও সবাই বারবার আমাকে বলে, তবে আমি বারবারই বলব, লিটন ১০ রান করলেও দলে রাখতে চাই। কারণ, লিটনের এত বড় ভক্ত আমি।'
লিটনের একটা বড় ইনিংস দরকার উল্লেখ করে ঢাকার কোচ বলেন, 'তার একটা ব্যাডপ্যাচ যাচ্ছে। সবারই যায় এটা। একটা ভালো ইনিংস দরকার। ভালো শুরু করেছিল প্রথম ম্যাচে। টি-টোয়েন্টির বিচারে স্ট্রাইক রেটের দিক থেকে খুব বড় ইনিংস নয়, তার পরও… ওর ব্যাটিং দেখলে ওই ৩০ রান দেখতেও ভালো লাগে।'
বিপিএলে আসছেন আইসিসি এলিট আম্পায়ার সৈকত
ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা পর্ব শেষে বিপিএল এখন সিলেটের মাটিতে গড়িয়েছে, যেখানে ইতোমধ্যে ব্যাটারদের দাপট দেখা গেছে। বিশেষ করে ইংলিশ তারকা অ্যালেক্স হেলসের সেঞ্চুরি নজর কাড়ে। বিসিবির পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম আগেই বলেছিলেন, ঢাকার ফিরতি পর্বসহ সিলেট ও চট্টগ্রামে দর্শকদের জন্য আরও চমক অপেক্ষা করছে। সেই চমকের অংশ হিসেবেই এবার বিপিএলের আম্পায়ারিং প্যানেলে যুক্ত হচ্ছেন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত।
আইসিসির এলিট প্যানেলের এই আম্পায়ার গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দারুণ সুনাম কুড়িয়েছেন। সবশেষ ভারতের বিপক্ষে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে যশস্বী জয়সওয়ালকে আউট দেওয়ার সময় তার সাহসী সিদ্ধান্ত ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এবার সেই অভিজ্ঞ আম্পায়ার বিপিএলে নাম লেখাচ্ছেন, যা দেশীয় ক্রিকেটের জন্যও বড় এক অর্জন।
বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সৈকত আগামী ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন। বিশ্রামের পর ১৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে মাঠে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এবারের বিপিএলে ১২ জন আম্পায়ার আছেন, যার মধ্যে ১০ জন দেশীয় এবং ২ জন বিদেশি। এছাড়া, পাঁচজন ম্যাচ রেফারি নিয়োজিত রয়েছেন।
বিপিএল ২০২৫-এ দর্শকদের জন্য বেশ কিছু নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উন্নতমানের ডিআরএস থাকলেও এখনো স্পাই ক্যামেরা ও ব্যাগি ক্যামেরার ব্যবহার দেখা যায়নি। তবে দর্শকদের জন্য গ্যালারিতে বিনামূল্যে পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, পরিবেশবান্ধব ‘জিরো ওয়েস্ট জোন’ তৈরি করা হয়েছে এবং ই-টিকিটিং চালু করা হয়েছে, যা মাঠে প্রবেশকে আরও সহজ করেছে।
সৈকতের মতো একজন অভিজ্ঞ আম্পায়ারের অন্তর্ভুক্তি বিপিএলের মান আরও উন্নত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিপিএল যখন চট্টগ্রাম ও ঢাকার ফিরতি পর্বে প্রবেশ করবে, তখন আরও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ এবং নতুন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য।
বিশ্বের অন্যতম সেরা আম্পায়ার যখন দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় মঞ্চে থাকবেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশাও আরও বেড়ে যাবে।
অনুশীলন না করায় খেলানো হয়নি সাব্বিরকে
স্পোর্টস ডেস্ক: বিপিএলের গত আসরে অবিক্রিত ছিলে সাব্বির রহমান। তবে এবারের আসরে তাকে দলে ভেড়ায় শাকিব খানের মালিকানাধীন ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে শুরুর তিন ম্যাচের তাকে দেখা যায়নি তাকে। সাব্বিরের না খেলা নিয়ে তাই প্রশ্ন উঠে ভক্ত-সমর্থকদের মনে।
অবশেষ সাব্বিরের না খেলার বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। ডিসিপ্লিন ইস্যুর কারণেই ঢাকা পর্বের কোনো ম্যাচে সাব্বিরকে খেলানো হয়নি। তবে সিলেট পর্বে দেখা যাবে হার্ড হিটার এই ব্যাটারকে।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) দলীয় অনুশীলন শেষে সিলেটে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুজন বলেন, 'সাব্বির অনুপস্থিত ছিল ফার্স্ট দুইটা ম্যাচে। ফার্স্ট ম্যাচ না সেকেন্ড এবং থার্ড ম্যাচের আগে দলের অনুশীলনে আসে নাই। যার জন্য এটা একটা টিম ডিসিশনের কারণও বলতে পারেন। এই কারণে তাকে খেলানো হয়নি তৃতীয় ম্যাচে বিশেষ করে। দুই তারিখের আগে এক তারিখের অনুশীলনে আসে নাই এজন্য এটা একটা ডিসিপ্লিন ইস্যু টোটালি।'
সিলেট পর্বে সাব্বিরকে দেখা যাবে জানিয়ে ঢাকার কোচ আরও বলেন, 'সাব্বির অবশ্যই ভালো খেলোয়াড়। আমি বিশ্বাস করি যে কালকে ম্যাচ থেকে ওকে খেলাতে পারব। তার অভিজ্ঞতাটা কাজে দিবে, আমি বিশ্বাস করি। সাব্বিরের দলে থাকাটা আমাদের জন্য ভালো হবে, অনেকে বলছে কেন আমি তাকে খেলাচ্ছি না কারণটা আমি জানিয়ে দিলাম।'
সভাপতির সঙ্গে দ্বন্দ্বে বোর্ড ছাড়ার ইঙ্গিত নাজমুল আবেদিন ফাহিমের
ডেস্ক রিপোর্ট: মাঠে রানের উৎসব মন ভরাচ্ছে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের। কিন্তু খেলার আগে পর্যন্ত বাকি সব ইস্যুতেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। টিকিট না পেয়ে গেইট ভেঙেছেন দর্শকরা। হয়েছে ভাংচুর এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা। আবার প্রেসিডেন্সিয়াল বক্সে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দুর্ব্যবহার– সবই দেখা গিয়েছে বিপিএলের প্রথম পর্বে।
বিপিএল সিলেটে চলে গেলেও বিতর্কটা যেন রেখে গেছে ঢাকাতেই। এবারে অভিযোগের তির বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের দিকে। বোর্ডের আরেক পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিমের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ এসেছে তার প্রতি। দেশের এক বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সঙ্গে আলাপকালে পরিচালক ফাহিম স্বীকার করেছেন বিষয়টি।
ঠিক কী বলেছিলেন বোর্ড সভাপতি, সেটা অবশ্য ক্যামেরার সামনে প্রকাশ করেননি দেশের এই বর্ষীয়ান কোচ ও ক্রিকেট সংগঠক। ‘ওরকম একটা মন্তব্য… আমি স্পেসেফিক বলতে চাই না মন্তব্যটা কী ছিল, তবে সেটা আমাকে খুবই হতাশ করেছে। সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে এই মুহূর্তে ক্রিকেট বোর্ড বা প্রেসিডেন্ট হয়ত আমাকে তার আত্মবিশ্বাসের জায়গায় নিচ্ছেন না।’
নাজমুল ফাহিমের ভাষ্য, ‘আমি জানিনা কেন প্রেসিডেন্ট আমার ব্যাপারে কমেন্ট করেছে। তবে আমি খুব অবাকও হয়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই আমি মোটেই আশা করিনি ওরকম একটা মন্তব্য। আর সেটা অনেকগুলো মানুষের সামনে। সেখানে মন্ত্রণালয়ের মানুষ ছিল।’
এমনকি বোর্ড থেকে সরে যাওয়ার কথাও সেই টিভি চ্যানেলের সামনে বলেছেন নাজমুল আবেদিন ফাহিম, ‘আমার মাঝেমাঝে মনে হয় বোর্ডে না থাকলেই বুঝি ভালো হয়। কারণ বোর্ডের বাইরে থেকে আমি যে ভূমিকা রাখতে পারি বা কথা বলতে পারি, তা বোর্ডে থেকে সম্ভব না। আমি যদি বোর্ডে থাকি, আমাকে কাজ করতে হবে। যদি কাজ করতে না পারি, তারচে ভালো বাইরে থাকা।’
আলাপের এক পর্যায়ে বোর্ডে কাজ করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পাওয়া না পাওয়ার কথাও তুলেছেন তামিম-সাকিবদের গুরু ফাহিম।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য