শিরোনাম
পূজার ছুটি শেষে ক্যাম্পাসে ফিরছে শিক্ষার্থীরা; নিরাপত্তা নিশ্চিতে কন্ট্রোল রুম চালু
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্গাপূজা, বিজয়া দশমী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহাম ও লক্ষীপূজার ছুটি শেষে আগামী ০৭ অক্টোবর থেকে ক্লাস কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আজ ০৫ অক্টোবর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে ক্যাম্পাসে ফিরে আসার সার্বিক সহযোগিতা করার লক্ষ্যে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে ও প্রধান গেইটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।
আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত)মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, পিএইচডি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিদিন রাত ১০ থেকে সকাল ৬ টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেইটে ওভারব্রীজ এলাকায় ২ জন, প্রধান গেইটের ওভারব্রীজ এলাকায় ২ জন এবং মীর মশাররফ হোসেন হল গেট এলাকায় ২ জন করে অতিরিক্ত আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে নিম্নলিখিত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, +৮৮০ ১৭৭৫ ২৩৪৩৯৮ (প্রধান গেইট), +৮৮০ ১৭৬৫ ৩৩৩৯৫৭ (প্রান্তিক গেইট), +৮৮০ ১৩৪৫ ৭২৮৬৬৫ (মীর মশাররফ হোসেন হল গেইট), +৮৮০ ১৭৬৫ ৩৩৩৯৫৮ (কন্ট্রোল রুম)।
শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’ হয়ে গেল ‘ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’
জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদদের সংগঠন এগ্রিকালচারিষ্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) ৬ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ড. কামরুজ্জামান কায়সার এবং সদস্য সচিব হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শাহাদত হোসেন বিপ্লব মনোনীত হয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে জানানো হয়।
তবে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাকৃবির নাম 'ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়' এবং শেকৃবির নামের বানান ভুল করে 'শের ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়' লেখা হয়েছে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের ভুল দেখে অনেক সাবেক শিক্ষার্থী মর্মাহত হয়েছে।
এই বিষয়ে বাকৃবি স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী মেজবাউল হক (মিজু) বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ।এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি যারা দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে দুঃখের বিষয় 'ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়' নামে তো কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই। যারা দায়িত্বশীল জায়গায় আছেন আশা করি তারা সংশোধন করে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় 'বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়' লিখবেন।
এছাড়াও আহ্বায়ক কমিটিতে আরও বাকৃবি থেকে যুগ্ম আহবায়ক-১ পদে শাহাদত হোসেন চঞ্চল, যুগ্ম আহবায়ক-৩ পদে ড. শফিকুল ইসলাম শফিক এবং শেকৃবি থেকে যুগ্ম আহবায়ক-২ পদে অধ্যাপক আবুল বাশার ও সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে) পদে অধ্যাপক জমশেদ আলম মনোনীত হয়েছে।
উল্লেখ্য উক্ত আংশিক কমিটিকে আগামী ২ (দুই) সপ্তাহের মধ্যে ৫১ (একান্ন) সদস্যে উন্নীত করে নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
ইউজিসি'র সদস্য হলেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর খন্ডকালীন সদস্য মনোনীত হয়েছেন।
ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম গত ৩০ সেপ্টম্বর ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে উপাচার্যকে বিষয়টি অবহিত করেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (President's Order No. 10 of 1973) এর (৪)(১)(সি) ও (৪)(৪) ধারার বিধান অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃপক্ষের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ০৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ হতে পরবর্তী দুই বছরের জন্য এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
একই পত্রে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করে ইউজিসি পরিচালনায় মূল্যবান পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন কমিশন কর্তৃপক্ষ। এদিকে খন্ডকালীন সদস্য মনোনীত করায় ইউজিসি কর্তৃপক্ষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতার সাথে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইউজিসির খন্ডকালীন সদস্য মনোনীত হওয়ায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত। বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এই মনোনয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস
আজ সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হচ্ছে বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘শিক্ষকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি’, যা শিক্ষকদের সম্মান, পেশাগত মর্যাদা ও যৌথ দায়িত্বের গুরুত্বকে সামনে নিয়ে এসেছে।
জানা যায়, বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালনের সূচনা হয় ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর উদ্যোগে। তবে, এর আগে ১৯৯৩ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবরকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯৪ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে এই দিনটি উদযাপন করা হয়।
একজন শিক্ষক কেবলমাত্র পাঠদানই করেন না, বরং শিক্ষার্থীর চিন্তা-চেতনা, নৈতিকতা ও ভবিষ্যৎ গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষকরাই জাতিকে গড়েন, সেইসঙ্গে আলোকিত সমাজ নির্মাণে রাখেন নেতৃত্বের ভূমিকা।
শিক্ষকদের পেশাগত স্বাধীনতা, অধিকার এবং উন্নত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার প্রতি তরুণদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করা এই দিবসের অন্যতম তাৎপর্য।
দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে র্যালি, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সম্মাননা অনুষ্ঠান।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি শিক্ষকদের প্রতি জাতির সম্মান, তাদের অধিকার ও পেশাগত উন্নয়নের গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, কেন্দ্র শুধু ঢাকায়
দেশের সরকারি কলেজ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের আয়োজন করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ বিসিএসে ৬৮৩ জন শিক্ষা ক্যাডার নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী ১০ অক্টোবর (শুক্রবার) এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ) অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর পরীক্ষার কেন্দ্র হবে শুধুমাত্র ঢাকায়।
৪৯তম বিশেষ বিসিএসে অংশ নিতে আবেদন করেছেন তিন লাখ ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থী। সেই হিসাবে প্রতিটি ক্যাডার পদের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ৪৫৬ জন চাকরিপ্রার্থী। তবে যেহেতু এটি শিক্ষা ক্যাডারের বিশেষ বিসিএস, ফলে নির্দিষ্ট বিভাগের প্রার্থীরা ওই বিভাগের প্রার্থীদের সঙ্গেই লড়বেন। ফলে বিভাগ ভেদে প্রতি আসনের বিপরীতে প্রার্থী সংখ্যা ভিন্ন হবে।
বিশেষ বিসিএসে সাধারণ বিসিএসগুলোর মতো প্রথমে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয় না। সরাসরি লিখিত পরীক্ষা হয়। তবে সেটি এমসিকিউ টাইপের প্রশ্নপত্রে ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
৪৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি গত ২১ জুলাই প্রকাশ করে পিএসসি। এরপর ২২ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন শুরু হয়, যা চলে ২২ আগস্ট পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করাদের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অর্থাৎ, ২৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ফি পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়।
আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছিল সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ২০০ টাকা এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য ৫০ টাকা। বয়সসীমা রাখা হয় ২১ থেকে ৩২ বছর।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ৪৯তম বিসিএসের মাধ্যমে দেশের সরকারি সাধারণ কলেজে বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষক পদে ৬৫৩টি শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আর সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০টি শূন্যপদে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সবচেয়ে বেশি ৬১টি শূন্যপদ বাংলা বিভাগে। এছাড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৫৫টি, ইংরেজিতে ৫০টি, অর্থনীতিতে ৪০টি, দর্শনে ৩০টি, রসায়নে ৩০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৩২টিসহ বিভিন্ন বিভাগে প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য