শিরোনাম
ডাকসু নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী, এনডিসি বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিবার্চন ভন্ডুল করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সকালে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ডাকসু নিবার্চন-২০২৫ উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া সকল নির্দেশনা অনুযায়ী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য আমরা প্রস্তুত। যারা ডাকসু নির্বাচনকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকারের সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সকলে মিলে কাজ করে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবো।
সমন্বয় সভার শুরুতে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, পিপিএম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এরপর সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন।
সমন্বয় সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস্, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মোঃ শওকত আলী; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ মাসুদ করিম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম,পিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ জিললুর রহমান; যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ সহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ; ডাকসু নির্বাচন কমিশনের চিফ রিটার্নিং অফিসার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন; ডাকসু নির্বাচন কমিশনের সহযোগী রিটার্নিং অফিসারগণ, ছাত্র প্রতিনিধিগণ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, পুলিশের বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের প্রতিনিধিগণ, ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ।
সূত্র: ডিএমপি নিইজ/
চবিতে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত
গ্রামবাসীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় ২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ সোমবার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন তারিখ পরে জানানো হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির মাধ্যমে শতভাগ পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের চলমান পরীক্ষা নিতে পারবে বলেও উল্লেখ রয়েছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় এক ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগে গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। রাত দেড়টার দিকে ২ নম্বর গেট এলাকায় সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নেয় এবং এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হন। সংঘর্ষ থামে ভোররাত ৪টার দিকে।
পরদিন রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আন্দোলন শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চবির ২ নম্বর গেট এলাকায় সংঘর্ষ আবার ছড়িয়ে পড়ে।
এ সময় চবি উপ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ কয়েক শ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)।
রাকসু নির্বাচনের ফরম বিতরণের সময় আবারও বাড়লো
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের মনোনয়ন বিতরণের গতকাল শেষ দিন থাকলেও ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় রাকসুর ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আকন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, গতকালের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে আজ ও আগামীকাল (২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত রাকসু নির্বাচনের ফরম বিতরণের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী অন্যান্য সকল কার্যক্রম যথাসময়ে চলবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার প্রদানের বিষয়ে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছি। উপাচার্য মহোদয় প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শ করে আগামীকালের মধ্যেই আমাদের এ বিষয়ে জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে রাকসুর নির্বাচনের নির্ধারিত তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর অপরিবর্তিত রেখে সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, প্রথমে ১৭ আগস্ট মনোনয়ন বিতরণ শুরুর কথা থাকলেও এর সময় পরিবর্তন করে ২১ আগস্ট করা হয়। পরে ২০ আগস্ট রাতে মনোনয়ন বিতরণের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে প্রশাসন। পরবর্তী সময়ে মনোনয়ন বিতরণ শুরু হয় ২৪ আগস্ট। এছাড়া ২৬ আগস্ট জরুরি বৈঠকের পর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার জন্য ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এরপর ২৭ আগস্ট একই দিনে দুইবার তফসিল পরিবর্তন করা হয়। প্রথমে ১৩ দিন পিছিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়, কিন্তু শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে আবার পরিবর্তন করে ২৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়।
আইনজীবী শিশির মনির
হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে বাধা নেই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত।
সোমবার বিকেলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের পর হাতে লেখা একটি আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার আদালত তাৎক্ষণিক এ আদেশ দেন।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী শিশির মনির।
তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচনে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে চেম্বার আদালতে আবেদন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আদেশ দেন। ফলে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো বাধা রইল না।
এর আগে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে ডাকসু নির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করে আদেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদেশে রিটকারী ও ডাকসু নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলমকে জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ডাকসুর নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে দাখিল করতে বলা হয়।
গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট মনোনীত এবং ছাত্র শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন বামজোট মনোনীত প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক প্রার্থী বিএম ফাহমিদা আলম।
কম্বাইন্ড ডিগ্রির আন্দোলন
হল ছাড়ার নির্দেশনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছয় দফা দাবি বাকৃবি শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) পশুপালন ও ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থীদের চলমান কম্বাইন্ড ডিগ্রির আন্দোলনে গতকাল (রবিবার) আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে কতিপয় দুর্বৃত্ত।শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এ নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল নয়টা থেকে কর্মসূচি শুরু করেছেন তারা।
সকাল নয়টায় সবগুলো ছাত্র হল থেকে শিক্ষার্থীরা এসে মিছিল নিয়ে ছাত্রীহলগুলো প্রদক্ষিণ করেন। এসময় তারা নারী শিক্ষার্থীদের হল থেকে না বের হওয়ার জন্য আহ্বান জানান। এরপর তারা কে আর মার্কেট সংলগ্ন সড়কে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এসময় তারা 'কথায় কথায় হল ছাড়, হল কি তোর বাপ দাদার' ; 'প্রশাসনের চামড়া, তুলে নেব আমরা' ; 'ক্যাম্পাসে হামলা কেন, জবাব চাই জবাব চাই' ; 'আমার ভাইকে মারলো কেন, বিচার চাই চাই' সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন।
এরপর দুপুর সাড়ে এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এসে জমা হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। এসময় তারা প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করেন এবং প্রেফ ব্রিফিং চলাকালীন ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো- অবৈধভাবে হল ভেকেন্টের নির্দেশনা দুপুর ২ টার মধ্যে প্রত্যাহার করে আদেশ তুলে নিতে হবে, হলগুলোতে চলমান সব ধরনের সুবিধা (পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস) নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে, এই প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষকদের মদদে বহিরাগত দিয়ে হামলার দায়ে প্রক্টরিয়াল বডিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে, বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা ককটেল বিস্ফোরণ, লাইব্রেরি ও স্থাপনা ভাঙচুর এবং দেশীয় অস্ত্র দ্বারা শিক্ষার্থীদের উপর হামলা এবং নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্থার ঘটনার জন্য উপাচার্যকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে, হামলার সাথে জড়িত শিক্ষক এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে এবং গত ১ মাস ধরে চলমান যে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে একক কম্বাইন্ড ডিগ্রি অবিলম্বে প্রদান করতে হবে, তিনটি ভিন্ন ডিগ্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
পাশাপাশি আজ (সোমবার) দুপুর ২টার মধ্যে হল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা তুলে নেওয়ার আলটিমেটাম দেন তারা। ছয় দফা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্ল্যাকআউট ঘোষণা করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, 'আমরা আড়াই শতাধিক শিক্ষক আন্তরিকতার সাথে শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে নিয়েছি। শতভাগ দাবি মেনে নেওয়ার পরেও কেন তারা শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করলো, সেটি আমার প্রশ্ন। আট ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শিক্ষকেরা প্যানিকড ও ট্রমায় পড়ে যান। পরে কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা, নিরাপত্তারক্ষীরা তালা ভেঙ্গে শিক্ষকদের বের করতে সাহায্য করেন।'
বহিরাগতদের হামলার বিষয়ে বলেন, 'শিক্ষার্থীরা যে দাবি করছে শিক্ষকেরা বহিরাগতদের দিয়ে তাদের ওপর হামলা করেছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল কথা। আমরা বাইরের কাউকে বলিনি ক্যাম্পাসে আসতে, আমরা কেন বলবো? ছাত্রছাত্রীরা তো আমাদের ছেলে মেয়ের মতো।'
ক্যাম্পাস ও হল বন্ধের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, বিবিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধ করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব তুলে দেয়া হয়েছে। তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিবেন। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ভাংচুরের বিষয়ে আমি অবশ্যই কমিটি করবো।
উপাচার্যের ক্ষমা চাওয়ার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমি কেন ক্ষমা চাইব? আমি তো কোন অন্যায় করিনি।'
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য