ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ৭ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বললে জনগণের কোনো লাভ হবে না : তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫২
অনলাইন ডেস্ক
প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বললে জনগণের কোনো লাভ হবে না : তারেক রহমান

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বললে জনগণের কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আজ হয়তো আমাদের যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রয়েছে তাদের নিয়ে কথা বলতে পারতাম। কিন্তু তাতে জনগণের কোনো লাভ হবে না। জনগণের লাভ তখনই হবে যখন আমরা পরিকল্পিতভাবে খাল খনন, স্বাস্থ্যসেবা, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারব। জনগণের লাভ হবে যখন আমরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সঠিক রাখতে পারব।

দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, আমি দেশে এসে বলেছিলাম দেশের মানুষের জন্য কিছু পরিকল্পনা তৈরি করেছি। সেগুলো হলো, দেশের যে নারী সমাজ রয়েছে, যারা খেটে-খাওয়া মানুষ তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড করতে চাই। এ কার্ডের মাধ্যমে প্রতিমাসে একজন গৃহিণী অল্প হলেও কিছু সহযোগিতা পাবে। কেউ কেউ বলছেন, এই অল্প সহযোগিতা দিয়ে কি সংসার চলবে? আমরাও জানি চলবে না। এক মাসে চার সপ্তাহ, অন্তত এক সপ্তাহ যদি সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে পারি সেটিও অনেক মানুষের জন্য অনেক বড় সুবিধা। গৃহিণীদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে তেমনি কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা কৃষক কার্ড দিতে চাই। এর মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরাসরি পৌঁছে দিতে চাই।

ফেনীবাসীর চাহিদা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, আমরা মেডিকেল কলেজ করব, কিন্তু গ্রামের মানুষ যেন চিকিৎসা সুবিধা পায় সেজন্য সারা দেশে হেলথকেয়ার করতে চাই। যাদের কাজ হবে ঘরে ঘরে মা-বোনদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। তাদের কষ্ট করে বড় কোনো অসুখ-বিসুখ না হলে হাসপাতালে আসতে হবে না। ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর মানুষের এলাকার উন্নয়নে যেমন দাবি আছে, তেমনি বিএনপিরও আপনাদের কাছে একটি দাবি আছে। ধানের শীষকে জয়যুক্ত করাই সেই দাবি। আমরা রাজনীতি করি দেশের মানুষের জন্য। যা বলব চেষ্টা করব বাস্তবায়ন করার জন্য। জনগণই হচ্ছে বিএনপির সকল ক্ষমতার উৎস।

সারা দেশে খাল খনন করা হবে উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এক বছর আগে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি, ফসল, গবাদি পশুর ক্ষতি হয়েছে। আমরা সারা দেশে এজন্য খাল খনন করতে চাই। খাল খনন করলে এলাকার মানুষের উপকার হবে। ঠিক একইভাবে আরেকটি পরিকল্পনা হলো সমাজের বহু তরুণ ও যুবক আছে যাদের চাকরি-বাকরি বা কর্মসংস্থান নেই। আমরা তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই। শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে চট্টগ্রামে যেভাবে ইপিজেড হয়েছে, ফেনী অঞ্চলেও আমরা এমন নিয়ে আসতে চাই। তাহলে এই এলাকার মানুষ সেসব ফ্যাক্টরিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

তারেক রহমান বলেন, আমাদের এ এলাকার অনেক মানুষ বিদেশে যায়। তাদের যদি বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ এবং ভাষা শিক্ষা দেওয়া যায় তাহলে আরও ভালো বেতনের ব্যবস্থা করা যায়। এজন্য আমরা চাই তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিখিয়ে বিদেশে পাঠাতে। এতে তাদেরও লাভ হবে, দেশেরও লাভ হবে। কারণ সে তখন যেভাবে ভালো বেতন পাবে, একইভাবে দেশের জন্য বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে পারবে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা যাবে। এজন্য আপনাদের সাহায্য-সহযোগিতা ও ধানের শীষে সমর্থন লাগবে। আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ বিজয়ী হলেই যেসব পরিকল্পনার কথা বলেছি তা বাস্তবায়ন করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, সারা দেশের মানুষ সাক্ষী আছে, কীভাবে গত ১৫ বছর মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটের অধিকারকে দাবিয়ে রাখা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সেই স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আজ একটি পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।

জনসভায় বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ছাড়া, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনীতে অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আত্মার ও আবেগের সম্পর্ক : তারেক রহমান

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৮
    অনলাইন ডেস্ক
    চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আত্মার ও আবেগের সম্পর্ক : তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আবার এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন এমন একটি অর্থবহ পরিবর্তন চায়, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক উন্নত শিক্ষা ও সুচিকিৎসার সুনিশ্চিত সুযোগ পাবে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

    তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে। অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    তিনি আরও বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন। এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

    এদিকে, বিএনপির জনসমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে ভিড়ে চাপা পড়ে দুই কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুপুর ১টার দিকে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহতদের মধ্যে একজনের নাম রাকিব (২৫)। তিনি নগরের চান্দগাঁও থানার উত্তর মোহরা এলাকার করিমের ছেলে। আহত অন্যজনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    এর আগে রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকেই চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে জড়ো হতে শুরু করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ আবার মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন ও মহাসমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকা ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে যায়।

    দীর্ঘ দুই দশক পর দলের প্রধান হিসেবে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের মাটিতে পা রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৭ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি সরাসরি নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান এবং সেখানে রাত্রিযাপন করেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, রোববার সকালে তিনি তরুণদের সঙ্গে একটি পলিসি ডায়ালগে অংশ নেন। এরপর তিনি পলোগ্রাউন্ড মাঠের মহাসমাবেশে যোগ দেন। চট্টগ্রাম সফর শেষে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

    অন্যদিকে, মহাসমাবেশ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীকে রাখা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার আওতায়। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে—রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন।

    উল্লেখ্য, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন। সে সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে এক জনসভায় বক্তব্য দেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      যদি বলি এদের শিরকির জন্য আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়েছে: তারেক রহমান

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০
      অনলাইন ডেস্ক
      যদি বলি এদের শিরকির জন্য আল্লাহ ভূমিকম্প দিয়েছে: তারেক রহমান

      বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী শক্তির হাতেই মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। তিনি ধর্মীয় বিভাজন, মুনাফেকি ও ধোঁকাবাজির রাজনীতির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে নরসিংদীতে এক জনসমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

      নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান বলেন, সম্প্রতি দেশে কয়েক দফা ভূমিকম্প হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘এদের এই মিথ্যাচার, এদের এই মুনাফেকি, এদের এই শিরকির জন্য আল্লাহ এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যে তোরা এগুলা বন্ধ কর। আমরা যদি এটা বলি কোথায় যাবে তারা? কাজেই আসুন, এই শিরকিদের হাত থেকে, এই মুনাফেকদের হাত থেকে, এই ধোকাবাজদের হাত থেকে এই দেশকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে।’

      তিনি বলেন, দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যে তিনি বলেন, কেউ বিদেশে থাকেন, কেউ প্রয়োজনে অন্য দেশে চলে যান—কিন্তু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সবসময় বলেছেন, এই দেশের মাটিই তার ঠিকানা।

      তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা, নারী, শ্রমিক ও পেশাজীবীরা একসঙ্গে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করেছে। ১৯৭১ সালে অর্জিত স্বাধীনতার সঙ্গে মানুষের কথা বলার অধিকার ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা জীবন বাজি রেখেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

      তিনি বলেন, ভালোকে ভালো ও মন্দকে মন্দ বলতে হবে। মন্দ হলে প্রতিবাদ করতে হবে। গত ১৫ বছরে তথাকথিত নির্বাচনের নামে জনসভা ও ভোটাধিকার বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে গুম, খুন, মামলা এবং অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসবের প্রভাব পড়েছে অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে; বেড়েছে বেকারত্ব।

      বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘করবো কাজ গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ধানের শীষ বিজয়ী হলে দেশ এগিয়ে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

      বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

      নরসিংদীতে তার আগমন উপলক্ষে বিকেল থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা জনসভাস্থলে জড়ো হন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

      নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও নরসিংদী-১ আসনের প্রার্থী খায়রুল কবির খোকনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ আসনের প্রার্থী মনজুর এলাহীর সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানসহ নরসিংদীর বিভিন্ন আসনে দলের মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রেসসচিব

        ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই নির্বাচন, আজ রাত থেকে ব্যালট ছাপা শুরু

        অনলাইন ডেস্ক
        ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৭
        অনলাইন ডেস্ক
        ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই নির্বাচন, আজ রাত থেকে ব্যালট ছাপা শুরু

        আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

        নির্বাচন কমিশনের সচিবের বরাত দিয়ে প্রেসসচিব বলেন, ‘পাবনা-১ ও পাবনা-২ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দূর হয়েছে। তাই ৩০০ আসনেই নির্বাচন হবে।

        আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকেই ব্যালট পেপার ছাপা শুরু হবে।’

        তিনি আরো বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট গণনায় কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। একই সঙ্গে সংসদ নির্বাচনের ভোট ও গণভোটের ব্যালট গণনা করতে হওয়ায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে সময় বেশি লাগতে পারে।

        বডি অন ক্যামেরার ছবি পেয়ে কুইক রেপন্স করা হবে বলেও জানান তিনি। শফিকুল আলম বলেন, ‘২৫ হাজার ৫০০ বডি অন ক‍্যাম থাকবে পুলিশের কাছে। এর ফুটেজ সুরক্ষা অ‍্যাপে যুক্ত হবে, যা দেখে কুইক রেসপন্স নিশ্চিত করা হবে।’

        ভোটের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারেও তিনি তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান প্রেসসচিব।

        বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সরকারি কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতায় বড় সুখবর

          অনলাইন ডেস্ক
          ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৪
          অনলাইন ডেস্ক
          সরকারি কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতায় বড় সুখবর

          সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বৈশাখ উদযাপন আরও আনন্দমুখর করতে বড় ধরনের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর পথে হাঁটছে জাতীয় বেতন কমিশন। নবম পে স্কেলের আওতায় বৈশাখী ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর সুপারিশ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

          আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) এ বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হবে।

          নবম পে স্কেলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করতে যাচ্ছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন)।

          পে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। এই হার বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

          পে কমিশনের এক সদস্য সাংবাদিকদের জানান, বৈশাখী ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি কমিশনের সুপারিশে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। তবে ঈদ উপলক্ষে প্রদত্ত বোনাস আগের নিয়মেই বহাল থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত