ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬ ২০ চৈত্র ১৪৩৩
 
শিরোনাম

প্রধান উপদেষ্টার সৌদি সফর বাতিল

অনলাইন ডেস্ক
২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১০:৬
অনলাইন ডেস্ক
প্রধান উপদেষ্টার সৌদি সফর বাতিল

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আসন্ন সৌদি আরব সফর বাতিল করা হয়েছে। সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের আমন্ত্রণে রিয়াদে আয়োজিত ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই নাইন) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। আগামী ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

তবে ড. ইউনূসের পরিবর্তে সফরে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত ড. লুৎফে সিদ্দিকী। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততার কারণে প্রধান উপদেষ্টার সৌদি আরব সফরের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন। এরপর থেকেই তার রিয়াদ সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি চলছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে সফর-সংশ্লিষ্ট একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রাথমিক সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। তবে রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের কারণেই এ সফর আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।

ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই) সম্মেলনকে সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ফোরাম হিসেবে ধরা হয়, যেখানে প্রতিবছর বিশ্বের শীর্ষ বিনিয়োগকারী, রাষ্ট্রনেতা ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টার পরিবর্তে বিশেষ দূত ড. লুৎফে সিদ্দিকীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল এবারও এ সম্মেলনে অংশ নেবে এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা তুলে ধরবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩৩
    ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
    তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে বাকৃবিতে মানববন্ধন

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মানববন্ধন ও মশাল মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর রংপুর সমিতি।

    বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ও উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দাবি জানান। মশাল মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেআর মার্কেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই, তিস্তাপারের হিস্যা চায়’, ‘হিস্যা হিস্যা হিস্যা চায় তিস্তা পানির হিস্যা চায়’, ‘সফল হোক সফল হোক তিস্তা পাড়ের প্রকল্প’, ‘জাগো বাহে কোনঠে সবাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড আসাদুজ্জামান সরকার, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির বাকৃবি শাখার সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী।

    মানববন্ধনে শাখা  ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘তিস্তা সংকট বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জাতীয় সমস্যা। তিস্তা পাড়ের রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম এই পাঁচ জেলার মেহনতি মানুষ, কৃষক, শ্রমিক ও দিনমজুররা তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইনটেরিম সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হলেও এর বাস্তবায়ন শুরু হয়নি।’

    বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, ‘আমরা যারা উত্তরবঙ্গের মানুষ, আমাদের জীবন ও জীবিকা তিস্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র অন্যায়ভাবে তিস্তার পানি সরিয়ে নিয়ে তাদের কৃষিকাজসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যবহার করছে। ফলে তারা শুষ্ক মৌসুমে আমাদের শুকিয়ে মারছে, আর বর্ষা মৌসুমে ভাসিয়ে দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, এসব কারণে তিস্তা উপকূলের মানুষের জীবন ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা প্রমাণ করেছি, আমরা কখনো তাবেদার ছিলাম না, কাউকে তাবেদারি দিইনি। এখনো আমরা তাদের সঙ্গে সমানে চোখ রেখে কথা বলার সাহস রাখি।
     

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বিএনপির প্রস্তাব

      ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-ইবনে সিনার কাউকে নিয়োগ নয়

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:৩৭
      অনলাইন ডেস্ক
      ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-ইবনে সিনার কাউকে নিয়োগ নয়

      এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ব্যাংক ও সমমনা প্রতিষ্ঠানের কাউকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব না দিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

      বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ৩৬ দফার এক প্রস্তাবনা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে দিয়েছে দলটি।

      সেখানে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোনাল তথা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলের নিকট চিহ্নিত এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়া যাবে না। যেমন- ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি।

      উল্লেখযোগ্য যে, এরই মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সারা দেশে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নিয়োগ বাতিল করেছে এবং এসব শূন্যপদে তড়িঘড়ি করে দলীয় লোক নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে।’

      বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল সিইসির কাছে এই প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

      বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে মঈন খান বলেন, বিতর্কিত কাউকে যেন ভোটের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া না হয়। এ সময় তার হাতে ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে করণীয় প্রস্তাবসমূহ নির্বাচন কমিশনের সহিত সভার জন্য প্রস্তাবিত কার্যপত্র’ শীর্ষক একটি দলিল দেখা যায়।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে নির্দলীয়: রিজভী

        অনলাইন ডেস্ক
        ২২ অক্টোবর, ২০২৫ ২৩:২৭
        অনলাইন ডেস্ক
        তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে নির্দলীয়: রিজভী

        তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মূল ধারণাই হলো নির্দলীয়তা উল্লেখ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তাই প্রশাসনে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তি বা উপদেষ্টা থাকতে পারে না।

        বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

        রিজভী বলেন, গত ১৫ বছরে নানা ধরনের অপকর্মে যারা জড়িত এবং যারা ফ্যাসিস্টদের রক্ষা করতে গিয়ে বেআইনি কাজ করেছেন, তাদের প্রশাসনে রেখে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অনেকে প্রকাশ্যেই সহযোগিতা করেছিলেন। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপ নেবে, তখন তা নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ হওয়া উচিত; তাহলে বিগত ১৬ বছর যারা ভোটে বিশ্বাস হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে আস্থা ফিরবে।

        এক সাংবাদিকের প্রশ্নে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুটি মামলায় সাবেক ও বর্তমান ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘এসব বিষয় আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। যারা অপরাধী তাদের বিচার হওয়া উচিত, তবে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ যেন না থাকে। আদালতের কাছে প্রমাণিত হলে তাদের শাস্তি ভোগ করতে হবে—আইনের চোখে সবাই সমান।’

        তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ বা জুলাই মাসে গৃহীত জাতীয় অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দাবি এখন সর্বজনীন। দেশে চরম দলীয়করণের ফলে প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তাই বাধ্য হয়ে দেশ ছেড়ে গেছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করতেন ক্ষমতা চিরস্থায়ী, কিন্তু ৫ আগস্টের পর বাস্তবতা বদলেছে, যদিও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়।’

        পরিবেশ রক্ষায় বিএনপির উদ্যোগের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন— বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। দেশের পরিবেশ ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় আমরা কাজ করব।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ

          অনলাইন ডেস্ক
          ২২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:২৫
          অনলাইন ডেস্ক
          ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ

          সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স পদ্ধতিতে অমূল পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দেশব্যাপী দক্ষ চালক তৈরির লক্ষ্যে ন্যূনতম ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্সের কর্তৃত্ব আর বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হাতে থাকবে না।’

          বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান তিনি।

          সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন হবে। এর মূল কাজ হবে প্রশিক্ষণ এবং তার জন্য যেসব আনুসঙ্গিক কমিটি আছে সেগুলো বাদ দেওয়া হবে। আর লাইসেন্স নিতে হলে ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ নিতে হবে। পাশাপশি প্রশিক্ষণ ভাতাও দেওয়া হবে।’

          সড়ককে নিরাপদ ও যানজটমুক্ত করতে হলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালক লাগবে বলে জানান তিনি।

          উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছাড়াও সরকার মনোনীত বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর সেসব প্রতিষ্ঠান থেকেই দেওয়া হবে ড্রাইভিং লাইসেন্স। দুই ধরনের প্রশিক্ষণ হবে।’

          তিনি বলেন, ‘সড়কের সাইন যেন বুঝতে পারেন, গাড়িকে যেন ঠিকমত নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। শারীরিক সামর্থ্য, ডোপ টেস্ট করা হবে। সম্ভব হলে আগামী মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ শুরু করব।’

          অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখশ চৌধুরী।

          রাজধানীর হাতিরঝিলের সড়ক ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সেতু সচিব মো. আবদুর রউফ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান, বিআরটিএ চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলমসহ অনেকে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত