ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব

৩ বাহিনীর প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক
৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৪৫
অনলাইন ডেস্ক
৩ বাহিনীর প্রধান, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের ডিজি নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি

তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার (এনএসআই) মহাপরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এ প্রস্তাবের ওপর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা হয়।


এর আগে বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব নিয়ে একটি ধারণাপত্র তাঁরা রাজনৈতিক দলগুলোকে দিয়েছেন।


বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কেবল প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে ঐকমত্য কমিশন আরও কিছু নিয়োগে রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে।


তিন বাহিনীর প্রধান ও দুই গোয়েন্দাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতার বিষয়টির পাশাপাশি আরও ৯টি নিয়োগের ক্ষমতা সরাসরি রাষ্ট্রপতির হাতে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ঐকমত্য কমিশন। অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, তথ্য কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, আইন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও সদস্য।


ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ বলেন, এসব প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোর বিবেচনার জন্য দেওয়া হয়েছে। যদি এসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়, তাহলে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তা কার্যকর করতে হবে। রাজনৈতিক দলের মধ্যে সব আলোচনা শেষ করতে চায় বলে বৃহস্পতিবার ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন।

মন্তব্য

জুলাই ডায়েরি

‘হারুনের ভাতের হোটেল’ বন্ধ হওয়ার দিন আজ

অনলাইন ডেস্ক
৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৮:২১
অনলাইন ডেস্ক
‘হারুনের ভাতের হোটেল’ বন্ধ হওয়ার দিন আজ

রাজধানীর মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে আসা বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভাত খাওয়ানোর ভিডিও করে আলোচনায় এসেছিলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তার এমন কার্যক্রমকে অনেকেই রসিকতা করে বলতেন ‘হারুনের ভাতের হোটেল’। এ নামকরণকে তিনি উপভোগ করতেন বলেও একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।


কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর 'ভাতের হোটেলের' সেই হারুনও পলাতক হয়ে পড়েন। গত বছর এই দিনে, ৩১ জুলাই সরকার পতনের আন্দোলনের উত্তাল সময়ে হারুনকে ডিবি কার্যালয় থেকে সরিয়ে দিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বর্তমানে ডিবির কর্মকর্তারা ‘হারুনের ভাতের হোটেল’ প্রসঙ্গে কথা বলতে বিব্রতবোধ করেন।


হারুনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কার্যক্রমের দীর্ঘ তালিকা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে আটকে রাখার ঘটনায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি তার কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ১৪ দলীয় জোটের রুদ্ধদ্বার বৈঠকেও আলোচনা হয়। এরপরই তাকে ডিবি থেকে সরিয়ে ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়।


জানা যায়, বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা। আলোচনায় আসেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার থাকার সময়। ২০১১ সালে সংসদ ভবন এলাকায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুককে মারধরের অভিযোগ উঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এরপরও নানা বিতর্কে জড়িয়ে আলোচনায় থাকেন তিনি।


পুলিশ সুপার হিসেবে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালন করেন হারুন। ২০১৬ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দুই দিন আগে নির্বাচন কমিশন তাঁকে গাজীপুর থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে আবারও তাঁকে সেখানে এসপি হিসেবে পদায়ন করে। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাশেমের ছেলে ও আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রাসেলের গাড়ি, চালক এবং পরদিন স্ত্রী-সন্তানকে আটক করেন তিনি। পরে গাড়ি থেকে ইয়াবা, মদ ও গুলি উদ্ধারের দাবি করেন হারুন। তবে সিসিটিভি ফুটেজে বাসা থেকে তুলে নেওয়ার প্রমাণ ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। ফলে ২০১৯ সালের নভেম্বরে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে বদলি করা হয়।


২০২১ সালে তিনি অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে ডিবি উত্তর, সাইবার ও স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের যুগ্ম কমিশনার হন এবং এক বছরের মধ্যে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান। পরবর্তীতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে ডিবির দায়িত্ব পান এবং তখন থেকেই ‘ভাতের হোটেল’ নামে ডিবির কর্মকাণ্ড নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।


ডিবিতে দায়িত্ব পালনকালে বিকৃত সুরে রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ায় হিরো আলমকে আটক করে আবারও সমালোচনায় আসেন হারুন। এ ঘটনা আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও প্রচারিত হয় এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিব্রত হন।


বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে সড়কে পিটিয়ে আহত করার পর ডিবিতে এনে ভাত খাওয়ানোর ভিডিও প্রচার করে ফের সমালোচনায় আসেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন তারকাসহ অভিযোগ নিয়ে আসা সাধারণ নাগরিকদের ভাত খাইয়ে ছবি ও ভিডিও প্রচার করা ছিল তাঁর নিত্যদিনের কাজ। এমনকি ব্লগার ও টিকটকারদের দিয়েও নিজের প্রচারণামূলক ভ্লগ বানান তিনি।


হারুনের এসব কর্মকাণ্ডে অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিব্রত হলেও তার প্রভাবের কারণে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতেন না। ডিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আলোচিত এমপি আনার হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনকারী কর্মকর্তাকেও ডিবি থেকে সরিয়ে দিতে হারুন ইন্ধন দিয়েছিলেন। ডিবিতে যাঁরা নিয়মিত তাঁর কাছে উপস্থিত হতেন না, তাঁদের তিনি অপছন্দ করতেন।


ডিবির একটি সূত্র জানায়, সরকারের বিশেষ আনুকূল্য লাভের আশায় হারুনের নির্দেশেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতাকে তুলে আনা হয়। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির না করে ‘নিরাপত্তা দেওয়ার’ কথা বলে ডিবি হেফাজতে রাখেন তিনি। পরবর্তীতে আন্দোলন প্রত্যাহারের ভিডিও ধারণ করে প্রচার করেন এবং নিজের সামাজিক মাধ্যমে ছয় সমন্বয়কের সঙ্গে ভাত খাওয়ার ছবিও প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।


এক রিট আবেদনের শুনানিতে উচ্চ আদালত বলেন, ‘জাতিকে নিয়ে মশকরা কইরেন না, যাকে ধরেন, খাবার টেবিলে বসিয়ে দেন।’ এরপরই সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে উল্লেখ করে ১৪ দলীয় জোটের নেতারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর নির্দেশেই হারুনকে ডিবির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    আগামী কয়েক দিন সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ : প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৮:১৪
    অনলাইন ডেস্ক
    আগামী কয়েক দিন সরকারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ : প্রেস সচিব
    প্রেস সচিব শফিকুল আলম। পুরোনো ছবি

    আগামী কয়েকদিন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য খুবই ক্রুশিয়াল (গুরুত্বপূর্ণ) বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।


    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি এমন মন্তব্য করেন।


    শফিকুল আলম বলেন, আগামী পাঁচ-ছয় দিন সরকারের জন্য খুবই ক্রুশিয়াল টাইম। এই সময়ের মধ্যে বোঝা যাবে, আমরা কোথায় যাচ্ছি।


    তবে নির্বাচন যথাসময়ে হবে জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা যে সময়ের কথা বলেছেন, তার মধ্যেই হবে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় অবস্থান রয়েছে।


    জনগণের অংশগ্রহণ থাকলে আগামী নির্বাচন উৎসবমুখর এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। শফিকুল আলম জানান, অভ্যুত্থানের পর ভয়ংকর অর্থনৈতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে আসাই ছিল বড় লক্ষ্য। এই সরকার সেটি অর্জন করতে পেরেছে।


    বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল রয়েছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনের আগে যে কোনো ধরনের অপরাধকে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।


    চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রমাণ পেলে যে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


    মন্তব্য

    নির্বাচন নিয়ে ড. ইউনূসের দেওয়া সময়সীমার একদিনও দেরি হবে না: প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৫৬
    অনলাইন ডেস্ক
    নির্বাচন নিয়ে ড. ইউনূসের দেওয়া সময়সীমার একদিনও দেরি হবে না: প্রেস সচিব

    নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূস যে সময় বলেছেন, তার থেকে একটি দিনও দেরি হবে না উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আমরা আশা করি এই নির্বাচনটা খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে ভালো নির্বাচন হবে।


    বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মাসউদুল হক। আর সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল। 


    শফিকুল আলম বলেন, একটা বিষয়ে নিশ্চিত থাকেন নির্বাচন দেরি হবে না। নির্বাচন প্রফেসর ইউনূস যে সময় বলেছেন, তার থেকে একটা দিনও দেরি হবে না।


    প্রেস সচিব বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) প্রথমে বলেছিলেন এপ্রিলের প্রথমে। তারপর আমরা লন্ডনে বলেছি যদি অনেকগুলো সংস্কার হয়... কাজগুলো এগিয়ে যায় সেক্ষেত্রে এটা ফেব্রুয়ারিতে হবে। আমরা সেই জায়গায় এখনো আছি। এটা একটা দিনও দেরি হবে না।


    তিনি আরও বলেন, আমরা আশা করি এই নির্বাচনটা খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে ভালো নির্বাচন হবে। প্রতি নির্বাচনে কিছু না কিছু ভায়োলেন্স হয়, আমাদের একেবারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে ভায়োলেন্সকে একেবারে জিরোতে নামিয়ে আনা।


    মন্তব্য

    ১০টির বেশি সিম রাখলে ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে: বিটিআরসি

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩১ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৪১
    অনলাইন ডেস্ক
    ১০টির বেশি সিম রাখলে ডি-রেজিস্ট্রার করতে হবে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে: বিটিআরসি

    একজন গ্রাহকের নামে ১০টির বেশি মোবাইল সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে ডি-রেজিস্টার করার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।


    সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের এ বিষয়ে সতর্ক করে বিটিআরসির বার্তায় বলা হয়েছে, “এক ব্যক্তির নামে ১০টির অধিক সিম থাকলে অতিরিক্ত সিমসমূহ ৩০ অক্টোবরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের মাধ্যমে ডি-রেজিস্টার করুন। *16001# ডায়াল করে নিবন্ধিত সিমের তথ্য জানুন।”


    বিটিআরসির নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০টি সিম রাখতে পারবেন।


    নির্ধারিত সংখ্যার বেশি সিম থাকলে তা অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে এবং সেগুলো যেকোনো সময় বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

    বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার রোধ, সাইবার অপরাধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের নিজ উদ্যোগে সিম যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত সিম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বন্ধ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সময়মতো ডি-রেজিস্ট্রেশন না করলে গ্রাহককে আইনগত জটিলতায় পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


    সিম যাচাইয়ের সহজ উপায়


    নিজ নামে কয়টি সিম চালু রয়েছে তা জানতে *16001# ডায়াল করে সহজেই যাচাই করা যাবে। ফিরতি এসএমএসে সকল সিম নম্বরের তালিকা পাঠানো হবে।


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত