ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

পোস্টে উপদেষ্টা আসিফ

‘মেয়র হতে না পেরে ইশরাক ভাই দখল করা টিভি দিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন’

অনলাইন ডেস্ক
২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪০
অনলাইন ডেস্ক
‘মেয়র হতে না পেরে ইশরাক ভাই দখল করা টিভি দিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন’

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে না পেরে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার; পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।


মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।


উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো—


‘থানায় হামলা করায় পুলিশবাদী মামলায় কেন অ্যারেস্ট করা হলো এই দায়ও আসিফ মাহমুদের। মুরাদনগরে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে জড়িত শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের ভাই শাহ জুন্নুন বুশরী। এমনকি এই ঘটনা ঘটার পর তাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা যায়। সেখানেও আমার নাম জড়ানো হলো। অথচ গত তিনমাস ধরে আমি বা আমার পরিবারের কেউ এলাকায়ই যায় না। ভিক্টিম প্রথমদিকের কোন সাক্ষাৎকারেই (আর্কাইভ আছে) আমাদের কথা বলেনি। কায়কোবাদ সাহেবের লোকেরা তাকে কনভিন্স করে একমাস পর এসব বলাচ্ছে।


এদিকে কোর্টের মারপ্যাঁচে এবং সরকারি সিদ্ধান্তে মেয়াদ শেষ হবার পরও মেয়র হতে না পেরে ইশরাক ভাইও কায়কোবাদ সাহেবের সাথে জোট বেঁধে তার দখলকৃত টিভি দিয়ে এসব প্রোপাগান্ডা ছড়ানোতে নেমেছে। সেখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যা মামলার এক আসামিকে নিয়ে এসে ভিক্টিম হিসেবে উত্থাপন করা হচ্ছে, সেলুকাস।

Asif mahmud status


এই মাফিয়া, সন্ত্রাসী এস্টাবলিশমেন্টের কাছে আমরা অসহায়। মুরাদনগরে আমি এমপি ইলেকশন করতে পারি এই এক অজানা ভয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কায়কোবাদ পরিবার। দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়িত এলাকার মানুষকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি থেকে মুক্তি দিতে চেয়েছি। এলাকা থেকে এমপি হবার কোন খায়েশ নেই আমার। নিজের সক্ষমতার মধ্যে শুধু মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি, তাও করা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না৷ মাফিয়াদের জয়জয়কারই চলুক।কিন্তু তা করতে গিয়ে একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান (যার না আছে এস্টাবলিশমেন্টের ব্যাকআপ, না আছে ফাইনানশিয়াল ব্যাকআপ) মহা ক্ষমতাশালীদের শত্রু বানিয়েছি।


মিডিয়া দখলে থাকলে কী না করা যায়? থানা ভাঙচুর করা, জুলাইয়ের হত্যার আসামিরা, মার্ডার করে উল্লাসকারীরা এখন ভিক্টিম আর আসিফ মাহমুদ ভিলেন।’


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ৬০ হাজার ট্রুপস থাকবে : প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৬:৫
    অনলাইন ডেস্ক
    নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ৬০ হাজার ট্রুপস থাকবে : প্রেস সচিব

    নির্বাচনের সময় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ৬০ হাজার সেনা সদস্য নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাদের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ব্রিফ করেন প্রেস সচিব।

    ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রায় ৬০ হাজারের মতো ট্রুপস নির্বাচনী ডিউটিতে থাকবেন। আপনারা জানেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা মাঠে ডিউটিতে রয়েছেন। তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আছে। আমরা আশা করছি নির্বাচনের সময় তাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিগুলো যেন কাজ জোরদারভাবে করতে পারে এবং নির্বাচনের সময় যেন আমাদের ইন্টেলিজেন্সের কোনো দুর্বলতা না থাকে সেজন্য বলা হয়েছে। এক্ষেত্রেও আমাদের কো-অর্ডিনেশন যেন ভালো হয়, সেটির কথাও বলা হয়েছে।

    শফিকুল আলম বলেন, ইলেকশনের আগে পুলিশের প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। পুলিশের আইজি মহোদয় বলেছেন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেড় লাখ পুলিশের ট্রেনিং হবে নির্বাচন উপলক্ষ্যে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচুর মিস ইনফরমেশন অলরেডি সার্কুলেট হয়েছে। সামনে এটা আরও বাড়তে পারে। এটাকে সামনে রেখে ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার হবে যেখানে এই মিস-ইনফরমেশনগুলোকে আমরা ডিফাইন করতে পারব। সেটি ক্রিয়েট করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। এটা নিয়ে অনেক বিশদ আলোচনা হয়েছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঝুঁকি নিয়ে আহতদের সেবা দেওয়া চিকিৎসকরা ‘জুলাই নায়ক’ : প্রধান উপদেষ্টা

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৮ জুলাই, ২০২৫ ১৩:২৩
      অনলাইন ডেস্ক
      ঝুঁকি নিয়ে আহতদের সেবা দেওয়া চিকিৎসকরা ‘জুলাই নায়ক’ : প্রধান উপদেষ্টা

      চিকিৎসকদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আপনারা শুধু চিকিৎসক নন, এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নায়ক। এই দুঃসময়ে আপনারা যে সেবা দিয়েছেন, যা আমরা কোনোদিন ভুলবো না।’


      সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আহত জুলাই যোদ্ধাদের সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে জুলাই স্মরণ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে এক ভিডিও বার্তায় একথা বলেন। 


      শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতির জন্য এটি গভীর বেদনাদায়ক। আমি এই ঘটনায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। যারা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা আমাদের আরেকবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের অবদান, তাদের পেশার মাহাত্ম্য। যখন চারপাশে কান্না, আতঙ্ক এবং অজানা আশঙ্কা, তখন আপনারাই আমাদের আশার আলো। এই কঠিন সময়ে যারা ক্লান্তি ভুলে আহতদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন আমি জাতির পক্ষ থেকে আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’


      যুদ্ধের সময় আক্রান্ত ও আহতদের চিকিৎসা বন্ধ করা যায় না উল্লেখ করে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘এটা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত। এর ব্যতিক্রম দেখেছি আমরা বাংলাদেশে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের দিনগুলোতে ফ্যাসিস্ট সরকার শুধু এ দেশের ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালিয়ে থেমে থাকেনি। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে যাতে কেউ হাসপাতালে চিকিৎসা না পায়। জুলাইয়ের আমাদের চিকিৎসকদের গল্প কোনও যুদ্ধ ক্ষেত্রের ডাক্তারদের গল্পকেও হার মানায়। রাস্তায় ছাত্রদের পিটিয়ে রক্তাক্ত করে মেডিক্যালে ঢুকেও তাদের ওপর হামলা করেছিল। ডাক্তার নার্সদের হুমকি-ধামকি দিয়ে নানারকম বাধা দেওয়া হয়েছিল। শতশত ছেলে-মেয়ে অন্ধত্ব বরণ করেছে, কারণ তারা সঠিক সময়ে চিকিৎসা পায়নি। নির্দেশ ছিল— আন্দোলনে আহত কাউকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না।’


      তিনি বলেন, ‘আপনারা আহতদের গোপনে চিকিৎসা দিয়েছেন। হাসপাতালে হাসপাতালে নিজের জীবন বিপন্ন করে জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসায় নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়েছেন। রোগীর কোনও তথ্য তারা নথিভুক্ত করে রাখেনি, কারণ এই নথির সূত্র ধরে আহতদের গ্রেফতার করা হচ্ছিল। বিনামূল্যে দিনরাত গুলিবিদ্ধ আন্দোলনকারীদের জীবন বাঁচাতে আপনারা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়েছেন। দুই চিকিৎসক বোনকে আমরা দেখেছি নিজ উদ্যোগে গ্যারেজের মধ্যে অস্থায়ী ক্লিনিক তৈরি করে চিকিৎসা দিয়েছেন। অনেকেই নিজের ঘরের মধ্যে অস্থায়ী ক্লিনিক তৈরি করে চিকিৎসা দিয়েছেন। আপনারা নিজেরা ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন, আপনাদের পরিবার ঝুঁকির মধ্যে ছিল। তবুও পাহাড়সম বাধা পার করে আপনারা মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছিলেন।’


      প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আহতদের জন্য রক্তের সংকট ছিল, প্রশাসনের রক্তচক্ষু এড়িয়ে আপনারা রক্তের ব্যবস্থা করেছেন। আহতদের পরিচয় গোপন রাখতে ব্যবস্থাপত্রে অন্য নাম, অন্য রোগ লিখে তাদের পুলিশের কাছ থেকে আড়াল করেছেন। প্রাইভেট ডাক্তাররা প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে হাসপাতালে গিয়ে গোপনে চিকিৎসা দিয়েছেন। রক্ত দেওয়ার সরঞ্জামের সরবরাহ ছিল না, আপনারা নিজেরাই এগুলো ব্যবস্থা করেছেন। এন্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ওষুধ আপনারা নিজেরাই সরবরাহ করেছেন।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        বিমান বিধ্বস্ত : মৃতের সংখ্যা কমার কারণ জানাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৭ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৮
        অনলাইন ডেস্ক
        বিমান বিধ্বস্ত : মৃতের সংখ্যা কমার কারণ জানাল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়

        রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা একজন কমেছে। নিহতের সংখ্যা ৩৫ হওয়ার কথা থাকলেও আজ রবিবার তা ৩৪ জন দেখিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে প্রশ্ন তোলায় নিহতের সংখ্যা কমার কারণ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।


        স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আগের হিসাবে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ১৫ জন দেখানো হয়েছে।


        আজ সেটি ১৪ বলা হচ্ছে।

        কারণ ব্যাখ্যা করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, সিএমএইচে ১৫ মরদেহ দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দুই দিনে ৯টি মরদেহ অভিভাবকরা শনাক্ত করে নিয়ে গেছেন। বাকি ছয়টি মরদেহ ও আংশিক মরদেহের ব্যাগ ছিল।


        শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। ডিএনএ টেস্ট করে সেখানে ছয়টির পরিবর্তে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে। যার কারণে সেই ১৫ সংখ্যা এখন ১৪ তে দাঁড়িয়েছে।

        ডিএনএ টেস্টের পর শনাক্ত পাঁচজনের মরদেহ গত ২৪ জুলাই তুরাগ থানা পুলিশ কর্তৃক দাবিদারদের নিকট হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণলায়।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে মালয়েশিয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৭ জুলাই, ২০২৫ ২১:২৭
          অনলাইন ডেস্ক
          আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে মালয়েশিয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

          আসিয়ানের সদস্যপদ লাভের জন্য মালয়েশিয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 


          রোববার (২৭ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মালয়েশিয়ার পিপলস জাস্টিস পার্টির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কন্যা নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এই সমর্থন চান।


          প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা আসিয়ানের অংশ হতে চাই এবং আমাদের আপনার সমর্থনের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ ২০২০ সালে আসিয়ানের একটি সেক্টরাল সংলাপ অংশীদার হওয়ার জন্য আবেদন করেছে।


          আসিয়ানের বর্তমান সভাপতি মালয়েশিয়া। আসিয়ানের সেক্টরাল সংলাপ অংশীদার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন মঞ্জুর করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে এবং ফলস্বরূপ, আঞ্চলিক সংস্থার পূর্ণ সদস্য হবে বলে আশা করেন প্রধান উপদেষ্টা।


          সাক্ষাৎকালের নুরুল ইজ্জাহ ঢাকার মাইলস্টোন স্কুলে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার জন্য তার শোক প্রকাশ করেন।


          প্রধান উপদেষ্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, এটি আমাদের দেশের জন্য একটি দুঃখজনক এবং দুঃখজনক ঘটনা। আমরা অনেক মানুষকে হারিয়েছি।


          তিনি নুরুল ইজ্জাহকে তার নতুন ভূমিকার জন্য অভিনন্দন জানান এবং বলেন, আপনার রাজনৈতিক দলের সহ-সভাপতি হওয়ার জন্য অভিনন্দন।


          প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত সংস্কারের কথা তুলে ধরেন।


          তিনি বলেন, আমরা একটি সংস্কার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের ছাত্ররা তাদের বুকে গুলি খেয়ে ফ্যাসিবাদী হাসিনার শাসনকে উৎখাত করেছে। এটি একটি যুব-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন হিসেবে শুরু হয়েছিল, কিন্তু সব শ্রেণির মানুষ এতে যোগ দিয়েছিল।


          ‘শিক্ষার্থীরা জুলাই বিদ্রোহের চেতনা দিয়ে দেয়াল এবং রাস্তাগুলো রং করেছিল’


          প্রধান উপদেষ্টা মালয়েশিয়ার সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করে বলেন, এশিয়া দ্রুত বৃদ্ধ হচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশে প্রচুর তরুণ রয়েছে। আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক ২৭ বছরের কম বয়সী। এখানে আপনার শিল্প স্থাপন করুন এবং বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করুন। এটি আমাদের উভয় অর্থনীতিকে সাহায্য করবে।


          বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং সিনিয়র সচিব এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদও উপস্থিত ছিলেন।


          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত