শিরোনাম
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কিনবে সরকার : বাণিজ্য সচিব
যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
রোববার (২৭ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
সচিব বলেন, বোয়িংয়ের ব্যবসাটা কিন্তু সে দেশের সরকার করে না, করে বোয়িং কোম্পানি। আমরা বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য অর্ডার দিয়েছি। যেমন ভারত দিয়েছে ১০০টি, ভিয়েতনাম দিয়েছে ১০০টি, ইন্দোনেশিয়া দিয়েছে ১০০টি।
তিনি বলেন, বোয়িং তার ক্যাপাসিটি অনুযায়ী এগুলো সরবরাহ করবে। সুতরাং এগুলো সরবরাহ করতে তারা অনেক সময় নেবে।
উল্লেখ্য, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে বর্তমানে ১৬২ সিটের ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ৪১৯ সিটের ৪টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, ৪টি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার এবং ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এয়ারক্রাফট রয়েছে।
সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে নিয়ে ‘অজানা তথ্য’ দিলেন সারজিস
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানের প্রশংসা করে কিছু ‘অজানা’ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার (২৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই!’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ফেসবুকে পোস্টে সারজিস আলম লিখেছেন, “২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গেছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদের দেখতে। যেটা সকল উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।”
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক লিখেছেন, “সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে।”
সারজিস আলম আরও লিখেছেন, “আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।”
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: দগ্ধ ২৩ জনের অবস্থা উন্নতির দিকে
জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মাইলস্টোনের ঘটনায় দগ্ধ ২৩ জনের অবস্থা উন্নতির দিকে। পর্যায়ক্রমে তাদের ছাড়পত্র দেয়া হবে। রোববার সকালে এতথ্য জানা গেছে। ৪ জন আইসিউতে ও ৯ জনের অবস্থা গুরতর।
এর আগে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক নাসির উদ্দীন বলেছেন, রোগীদের অবস্থা পর্যালোচনা করে ৩টি ভাগ করা হয়েছে। এখানে ক্রিটিক্যাল ক্যাটাগরিতে ৮ জন আছে। তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। তাদের অবস্থা ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিবর্তন হচ্ছে। তাদের বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।
সিভিয়ার ক্যাটাগরিতে আছে ১৩ জন রোগী। ইন্টারমেডিয়েট ক্যাটাগরিতে আছে ২৩। তাদের দ্রুত ভালোর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। সব মিলে মোট ৪৪ জন রোগী এখানে ভর্তি আছে।
ভ্যাপসা গরম নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ায় সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমলেও দক্ষিণাঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি বাড়তে পারে। তবে বর্ষাকাল হিসেবে সারাদেশে ভ্যাপসা গরমের দাপট থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ বলেন, বর্ষাকাল হিসেবে সারাদেশেই কমবেশি বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। মঙ্গলবার থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি কমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি বাড়তে পারে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভ্যাপসা গরমের দাপট থাকবে মাসজুড়ে।
তিনি বলেন, বর্ষাকালে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়, আবার থেমে গেলেই ভ্যাপসা গরম পড়ে। এর কারণ বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই আবহাওয়াবিদ আরো বলেন, এবার রংপুর ও সিলেট অঞ্চলে ৫০শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ ও রাজশাহী অঞ্চলেও কম বৃষ্টি। সবমিলে এখনো চলতি জুলাই মাসে স্বাভাবিকের ৩ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে সাধারণত জুলাই মাসেই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়। এই মাসে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ৫২৩ মিলিমিটার। তবে চলতি বছরের জুলাইয়ে এখন পর্যন্ত সেই পরিমাণ বৃষ্টি হয়নি বরং গড়ের তুলনায় ৩ শতাংশ কম হয়েছে। এর আগের মাস জুনেও স্বাভাবিকের তুলনায় ১৯ দশমিক ৩ শতাংশ কম বৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে মে মাসে সাধারণত গড় বৃষ্টিপাত ২৯৮ মিলিমিটার হয়ে থাকে। কিন্তু এবার মে মাসে বৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৪৮৬ মিলিমিটার, যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। রংপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী অঞ্চলে কম বৃষ্টি হলেও খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ায় টানা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরমের দাপট থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দপ্তরটি। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহের সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর রোববার সকাল ছয়টার বুলেটিনে জানায়, ঝাড়খন্ড এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে মধ্যপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
রোববার সকাল ৬টায় এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৫১টি সেন্টার এলাকায় তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড ও পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, দেশের অধিকাংশ এলাকায় কমবেশি বৃষ্টি হলেও আগের দুইদিনের তুলনায় কম বৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ নোয়াখালীর মাইজদীকোর্টে ৭৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়।
সকাল ছয়টার বুলেটিনে বলা হয়, আজ ঢাকা ও আশপাশের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে এবং বৃষ্টি হতে পারে।
ফিলিস্তিন সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফিলিস্তিন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। রোববার সকালে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
‘হাই-লেভেল ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স ফর দ্য পিসফুল সেটলমেন্ট অব দ্য কোয়েশ্চন অব প্যালেস্টাইন অ্যান্ড দ্য ইমপ্লিমেন্টেশন অব দ্য টু-স্টেট সলিউশন’ শীর্ষক সম্মেলন চলবে ২৮ ও ২৯ জুলাই। এটি মন্ত্রিপর্যায়ের অনুষ্ঠিত হবে।
ফ্রান্স এবং সৌদি আরব যৌথভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এ/আরইএস/৭৯/৮১ রেজ্যুলেশনের (ডিসেম্বর ২০২৪) আলোকে এই সম্মেলনের আয়োজন করছে।
সম্মেলনের পাশপাশি তৌহিদ হোসেন বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী এবং জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে গাজায় ক্রমবর্ধমান মানবিক ও রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, উপদেষ্টা তৌহিদ আগামী ১ আগস্ট ভোরে দেশে ফিরবেন।
শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসস’কে বলেন, উপদেষ্টা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার এবং কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্র বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশের অটল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করবেন।
তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ, নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের প্রাসঙ্গিক প্রস্তাবনার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবে।
পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তির লক্ষ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সময়সীমা নির্ধারিত রোডম্যাপ
প্রণয়নের আহ্বান জানাবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
জাতিসংঘের এই সম্মেলনকে গাজা শাসনব্যবস্থা, বাধাহীন মানবিক সহায়তা নিশ্চিতকরণ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির পক্ষে বৈশ্বিক ঐকমত্য তৈরির গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ সবসময় আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিনের পক্ষে দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে আসছে। ১৯৮৮ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর প্রথম দিকের দেশ হিসেবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশ।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য