ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত, একজনের মরদেহ ভারতের হাসপাতালে

অনলাইন ডেস্ক
২৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৩২
অনলাইন ডেস্ক
বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত, একজনের মরদেহ ভারতের হাসপাতালে

ফেনীর পরশুরামে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে একজনের মৃত্যু বাংলাদেশের হাসপাতালে হলেও আরেকজনের মরদেহ এখনও ভারতের হাসপাতালে রয়েছে।  


নিহতরা হলেন লিটন (৩২) ও মো. মিল্লাত হোসেন (২১)। গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. আফছার (৩০) নামে একজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 


বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার বাসপদুয়া সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন ঢাকা পোস্টকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত লিটন পরশুরাম পৌরসভার বাসপদুয়া এলাকার গাছি মিয়ার ছেলে। আর মিল্লাত একই এলাকার ইউছুফ মিয়ার ছেলে। আহত আফছার তাদের প্রতিবেশী মৃত এয়ার আহম্মদের ছেলে।  


রাতের এ ঘটনার বিষয়ে শুরুতে একজনের মৃত্যুর কথা জানা গেলেও পরে জানা যায় ওই ঘটনায় আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।  


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে গুথুমা বিওপির আওতাধীন ২১৬৪/৩এস পিলার অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে তারকাঁটা বাউন্ডারির কাছে যান লিটন, মিল্লাত ও আফছার। তখন তাদের লক্ষ্য করে বিএসএফের সদস্যরা গুলি ছোড়েন। এ সময় গুলিবিদ্ধ লিটনকে ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মিল্লাত ও আফছারকে উদ্ধার করে প্রথমে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিল্লাতের মৃত্যু হয়। 


এ ব্যাপারে বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, বাসপদুয়ার সেই সীমান্ত থেকে বিএসএফ বিভিন্ন চোরাচালান উদ্ধার করেছে। এসব কর্মকাণ্ডে দুই দেশের লোকজন জড়িত। বিএসএফের গুলির ঘটনার খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। সীমান্তে কোনোভাবেই গুলির ঘটনা কাম্য নয়। এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে লিখিত প্রতিবাদ জানানো হবে। 


প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মোহাম্মদপুর থানার দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজড

    ‘ওসি হয়েও আমার কমদামি ফোন, আপনি দামি ফোন নিয়ে ঘুরলে ছিনতাই হবেই’

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১৬
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘ওসি হয়েও আমার কমদামি ফোন, আপনি দামি ফোন নিয়ে ঘুরলে ছিনতাই হবেই’
    মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসান

    রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় আহমাদ ওয়াদুদ নামে একজন সাংবাদিককে চাপাতি দিয়ে আঘাত করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেয়।


    বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ তিন সড়কের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তাৎক্ষণিকভাবে মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা জানান। সেখানেও তিনি ভোগান্তির শিকার হন বলে অভিযোগ করেছেন।


    ঘটনা শুনে মোহাম্মদপুর থানার ওসি আলী ইফতেখার হাসান ভুক্তভোগীকে বলেন, আমি ওসি হয়েও এই কমদামি ফোন ব্যবহার করি, আপনি এত দামি ফোন নিয়ে ঘুরলে ছিনতাই তো হবেই!


    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি পোস্টও দিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। যদিও পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। পরেই ক্ষুব্ধ নেটিজেনরা পুলিশের ব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। যদিও এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দুই পুলিশ সদস্যকে বহিস্কার করা হয়েছে।


    ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ছিনতাইকারীরা তার মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও টাকাপয়সা নিয়ে যায় এবং চাপাতি দিয়ে সামান্য আঘাত করে। সৌভাগ্যবশত, তার স্ত্রী অক্ষত ছিলেন। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রী মোহাম্মদপুর থানায় যান। ডিউটি অফিসার এসআই জসিমের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তিনি প্রথমে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং অভিযোগ লেখার লোক নেই বলে জানান। পরে ভুক্তভোগী নিজেই অভিযোগ লিখলেও তার কোনো কপি দেওয়া হয়নি। তাকে এএসআই আনারুলের সাথে ফোনে কথা বলতে বলা হয়, যিনি ঘটনাস্থলে যেতে পারবেন।


    ভুক্তভোগী তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের অনুরোধ জানালে এসআই জসিম তা সম্ভব নয় বলে জানান এবং ছিনতাইকারীদের ঘটনাস্থলে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেন। এরপর ভুক্তভোগী ওসি ইফতেখার হাসানের কক্ষে যান। ওসি তার দামী ফোন ব্যবহার নিয়ে মন্তব্য করেন এবং এএসআই আনারুলের সাথে যোগাযোগ করে তাকে বাসস্ট্যান্ড মোড়ে অপেক্ষা করতে বলেন।


    তিনি আরও জানান, প্রায় ৪০ মিনিট পর এএসআই আনারুল ও তার দল ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ভুক্তভোগী ছিনতাইকারীদের সেখানেই বসে থাকতে দেখিয়ে দিলেও, এএসআই আনারুল তাদের ধরতে এগিয়ে যাননি। পুলিশসহ তাদের দেখে ছিনতাইকারীরা ধীরে ধীরে সরে যায়। পরে এএসআই আনারুল ভুক্তভোগীকে জানান, রাতে অভিযান চালানো হবে এবং তাদের বাসায় চলে যেতে বলেন।


    ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন নজরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যারা ভুক্তভোগীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর। এরই মধ্যে মোহাম্মদপুর থানার দুই পুলিশ সদস্যকে ক্লোজ করা হয়েছে।


    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান’ কোটায় প্লট নেন শেখ হাসিনার দপ্তরের ১৫ ড্রাইভার

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৪ জুলাই, ২০২৫ ২২:২৪
      অনলাইন ডেস্ক
      ‘রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান’ কোটায় প্লট নেন শেখ হাসিনার দপ্তরের ১৫ ড্রাইভার

      সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু নিজের পরিবারের সদস্যদের জন্যই রাজউক থেকে প্লট বরাদ্দ নেননি বরং তার কার্যালয়ে কর্মরত গাড়ির চালকদের জন্যও রাজধানীর ঝিলমিল আবাসন প্রকল্পে প্লটের ব্যবস্থা করেন এমন তথ্যও উঠে এসেছে দুদকের অভিযানে।


      বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এমন অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বলে জানায়। 


      দুদকের একটি দল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অভিযান চালিয়ে বিশেষ বিবেচনায় দেয়া কিছু প্লট বরাদ্দের নথিপত্র জব্দ করেছে।


      প্লট পাওয়া ১৫ ড্রাইভার হলেন— সাইফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, রাজন মাতবর, মাহবুব হোসেন, শাহীন, মতিউর রহমান, নুর হোসেন ব্যাপারী, বোরহান উদ্দিন, বিললা হোসেন, মিজানুর রহমান, বাচ্চু হাওলাদার, নুরুল আলম এবং নুরুন্নবী।


      ওইসব নথিতে দেখা যায়, ‘অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি’র কোটায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সচিব ও ভিআইপিদের মোট ১৫ জন চালককে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

       

      দুদকের সূত্রে মতে, বরাদ্দ অনুযায়ী দুই জন চালককে তিন কাঠা করে এবং তিন জনকে পাঁচ কাঠা করে জমি দেয়া হয়। ঝিলমিল প্রকল্পে এই বিশেষ বরাদ্দের তালিকায় আরও রয়েছেন ৪৫ জন ব্যবসায়ী, ২ জন বাংলাদেশি-ব্রিটিশ নাগরিক, সাংবাদিক, বিচারপতি ও অন্যান্য পেশার লোকজনও রয়েছে।


      তবে বরাদ্দের নথিতে উল্লেখ নেই এসব ব্যক্তিরা কীভাবে রাষ্ট্রের জন্য অসামান্য অবদান রেখেছেন বলেও জানায় দুদক।


      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জাতিসংঘের অফিস বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৪ জুলাই, ২০২৫ ২২:১১
        অনলাইন ডেস্ক
        জাতিসংঘের অফিস বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

        জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কান্ট্রি অফিস বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে না, বরং দেশের স্বার্থের পক্ষে কাজ করবে—এমনটাই জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।


        বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।


        পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনায় এই অফিস স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। এটি কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত নয়, দীর্ঘ সময় নিয়ে যাচাইবাছাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


        তিনি জানান, অফিসটি খুব শিগগিরই চালু হবে, কারণ প্রয়োজনীয় চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।


        চীনের নদীতে বাঁধ নির্মাণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোর উৎস দেশের বাইরে। এসব নদীর উজানে অবকাঠামো নির্মাণ ঠেকানো সম্ভব নয়। আমাদের লক্ষ্য থাকবে, এসব প্রকল্প যেন বাংলাদেশের ক্ষতি না করে বা ক্ষতি সীমিত থাকে।


        তিনি আরও জানান, চীনের রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেছেন যে ব্রহ্মপুত্র নদে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পানি প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।


        মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে চিকিৎসা সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর, ভারত ও চীন ছাড়া অন্যকোনো দেশ থেকে সহায়তার প্রস্তাব আসেনি এবং বর্তমানে অতিরিক্ত সহায়তার প্রয়োজনও নেই।


        ভারতের চিকিৎসক দলের সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। চিকিৎসা সহায়তা ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে।


        বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতা নিয়ে তিনি বলেন, জাল নথি এখন সহজেই শনাক্ত হয়। আগে এমন ছিল না। এখন এসব প্রতারণা কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, বাংলাদেশ থেকে কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রম না ঘটে।


        যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অপ্রকাশযোগ্য চুক্তি প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যারা দরকষাকষি করছেন, প্রশ্নটি তাদের করা উচিত। আলোচনা এখনো চলমান, মাঝপথে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।


        সাবেক রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বাগত না জানানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোনো মন্তব্য আমি করিনি। তিনি এখনো যোগ দেননি, কী দায়িত্ব পাবেন তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।


        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারকে জানাতে হবে

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৪ জুলাই, ২০২৫ ২১:৪৭
          অনলাইন ডেস্ক
          গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারকে জানাতে হবে

          কাউকে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানাতে হবে। এমন বিধান রেখে ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি) সংশোধন করছে সরকার।


          প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) তার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিআরপিসি সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


          সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এসব তথ্য জানান।


          আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন থেকে যে পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার করতে যাবেন, তাঁর যথাযথ আইডেনটিটি থাকতে হবে। নেমপ্লেট থাকতে হবে, আইডি কার্ড সঙ্গে থাকতে হবে এবং চাওয়ামাত্রই এসব দেখাতে হবে।’


          তিনি বলেন, ‘কাউকে গ্রেপ্তারের পর থানায় এনে পরিবারকে জানাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার বেশি সময় নেওয়া যাবে না। গ্রেপ্তার ব্যক্তি অসুস্থ বোধ করলে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হবে।’


          আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘কেন গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কে গ্রেপ্তার করেছে, গ্রেপ্তারের পর পরিবারের কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে—সেসব তথ্য লিখিত থাকতে হবে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃতদের তালিকা পুলিশ সদর দপ্তরে থাকতে হবে।’


          ৫৪ ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, পুলিশের সামনে অপরাধ করেছে, এমন হয়ে থাকলে সে ক্ষেত্রে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারবে। অথবা পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তাকেও গ্রেপ্তার করতে পারবে। অনলাইনে বেইল বন্ড এবং ডিজিটাল সমনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত