শিরোনাম
নির্বাচনের জন্য যে সময় বলা হয়েছে, ঠিক তখনই নির্বাচন: প্রেস সচিব
নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বার্ডের ময়নামতি অডিটোরিয়ামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট ল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা জানান।
শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। প্রধান উপদেষ্টা যে সময় বলেছেন, সে সময় নির্বাচন হবে। কোনো প্রার্থী বলতে পারবে না যে তার প্রতি অন্যায় করা হয়েছে। নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। অতীতের যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় ভালো নির্বাচন হবে।
পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, বিষয়টি নিয়ে সকল রাজনৈতিক দল ও কমিশনগুলো কথা বলছে এবং সবাই খুব আন্তরিকতার সাথেই বিষয়টি আলোচনা করছে। সব দলের আন্তরিকতার কারণে খুব দ্রুতই অনেক বিষয় ঐক্যমতে পৌঁছানো গেছে। আটটি বিষয়ক মত হয়েছে সাতটি বিষয় এখনো পর্যালোচনা চলছে।
আমরা আশা করছি জুলাই সনদ দিব সবাই স্বাক্ষর করবে। বর্ষা শেষে দেখবেন বাংলাদেশের আনাচে কানাচে নির্বাচনের হাওয়া বইছে। অনেক বছর দেশের তরুণরা ভোট দিতে পারে নাই এবার দেখবেন তারা নির্বাচনের ব্যাপারে যথেষ্ট ইন্টারেস্ট হবে ।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করছি । যেখানেই কোন ঘটনা ঘটছে আমরা কিন্তু অ্যারেস্ট করছি। কেউ কিন্তু বাদ যাচ্ছে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা আইনের সংশোধন করেছি। যেমন ধর্ষণের ক্ষেত্রেও আমরা কিছু আইনের সংশোধনী এনে দ্রুত বিচার আইনে বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি ।
গোপালগঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের ঘটনায় যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন । তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। কোন মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি। সাংবাদিকরা সব জায়গায় ভিজিট করে তথ্য নিতে পারেন ।
‘The Next Wave’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্পিকার হিসেবে ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হায়দার আলী, এসট্রো ফটোগ্রাফার জুবায়ের কাওলিন, চরকির সিইও রেদওয়ান রনি, লেখক ডেলএইচ খান, গায়ক আসিফ আকবর, সংবাদ উপস্থাপক ফারাবি হাফিজ, হোটেল ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান রিপনসহ অন্যান্য।
দেশে মানবাধিকার মিশনের কাজ কী হবে, বিজ্ঞপ্তিতে জানাল সরকার
বাংলাদেশে মানবাধিকার বিষয়ক মিশন স্থাপনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এ নিয়ে শনিবার সরকারের অবস্থান ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) একটি তিন বছরের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশে একটি মিশন চালু করা হবে। এই মিশনের উদ্দেশ্য হলো দেশে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা করা। এ ছাড়া, সরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘কয়েকটি পক্ষ জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আইডিওলজিকাল ওরিয়েন্টেশন (আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমাদের নাগরিকদের কাছে থেকে এমন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে যে, যেকোনো আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে দেশের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, ওএইচসিএইচআর এর মিশনটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও মোকাবিলার মধ্যে কেন্দ্রীভূত থাকবে, বিশেষ করে আগের সরকারের দ্বারা সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য। এই মিশনের কাজ হবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত আইন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর বাইরে কোনো সামাজিক এজেন্ডা প্রচার না করে শুধু মানবাধিকার রক্ষা ও সুরক্ষায় সহায়তা দেওয়া।
যদি কখনো মনে হয়, এই অংশীদারত্ব আর জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাহলে সরকার চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার অধিকার রাখে বলেও প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারের ৩ গুরুত্বপূর্ণ মিশনে হচ্ছে রদবদল
তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মিশনে দূত রদবদল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডে এই রদবদল করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, জেনেভাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে। আর কানাডাতে থাকা রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহানকে জেনেভায় এবং সাবেক পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিনকে কানাডার হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।
ইতোমধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডের কাছ থেকে এগ্রিমো (রাষ্ট্রদূত হিসাবে কাজ করার সম্মতিপত্র) চলে এসেছে। জসীম উদ্দিনের এগ্রিমো কানাডা থেকে দ্রুত চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত মে মাসে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়ামকে। ওই সময়ে জসীম উদ্দিনকে ওয়াশিংটনে পাঠানোর প্রস্তাব থাকলেও তাকে অন্য দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য
অপরাধ করেছেন শেখ হাসিনা, ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই ইসির
হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সুস্পষ্ট অপরাধ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মামলা করার সুযোগ আছে। তবে সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিবকে এক চিঠিতে এ বিষয় অবহিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
দুদককে চিঠিতে আরও জানানো হয়, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে অপরাধ করেছেন। হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলসহ হলফনামা যাচাই-বাছাইয়ের সময় বা পর্যায় অতিক্রান্তে উত্থাপিত হওয়ায় এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই ইসির।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সম্পদের মিথ্যা বর্ণনা দিয়েছেন মর্মে অভিযোগে তিনি দণ্ডবিধির ১৮১ ধারার অপরাধ সংঘটন করেছেন। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৯৫(১) অনুযায়ী যে ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের নিকট সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা হলফনামা প্রদান করেছেন, সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা তার ঊর্ধ্বতন কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুযোগ আছে।
এর আগে ২২ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পদের ঘোষণায় অসত্য তথ্য প্রদান করায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চিঠি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।
গত ১৮ মে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নতুন করে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে, প্লট জালিয়াতি, বিদেশে অর্থ পাচার, প্রকল্পের অর্থ লুটপাটের একাধিক অনুসন্ধান দুদকে চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতির মামলায় চার্জশিট দাখিল করলে আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গত ১০ মার্চ পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার পরিবারের সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন এবং জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দিয়েছে সংস্থাটি। যা আমলে নিয়েই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
অন্যদিকে বিগত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন বিমান বন্দরের উন্নয়ন কাজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এবং একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোকাম্মেল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল দুদক।
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনের কার্যক্রম শুরু
ঢাকায় তিন বছরের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের একটি মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) জেনেভার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় সহায়তায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এবং বাংলাদেশ সরকার চলতি সপ্তাহে একটি মিশন খোলার জন্য তিন বছরের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বলেন, এই স্মারকলিপি স্বাক্ষর মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, যা উত্তরণের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করবে।
‘এটি আমার অফিসকে আমাদের তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রদত্ত সুপারিশ বাস্তবায়নে আরও ভালোভাবে সহায়তা করতে সক্ষম করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ যে মৌলিক সংস্কারগুলো এগিয়ে নিচ্ছে তাতে আমাদের দক্ষতা এবং সহায়তার মাধ্যমে সরকার, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্যদের সঙ্গে সরাসরি মাঠে যুক্ত হতে সহায়তা করবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই চুক্তিটা আনুষ্ঠানিকভাবে বসে হয়নি। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম চুক্তি সই করেছেন এবং সেটি জেনেভায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।
তিন বছরের চুক্তি পরে নবায়ন করা সুযোগ রয়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, আপাতত তিন বছরের জন্য করা হয়েছে। পরে চাইলে চুক্তি নবায়ন করা সম্ভব।
মানবাধিকারবিষয়ক অফিস বলছে, নতুন মিশনটি বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য