ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

দেশে মানবাধিকার মিশনের কাজ কী হবে, বিজ্ঞপ্তিতে জানাল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
১৯ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১০
অনলাইন ডেস্ক
দেশে মানবাধিকার মিশনের কাজ কী হবে, বিজ্ঞপ্তিতে জানাল সরকার

বাংলাদেশে মানবাধিকার বিষয়ক মিশন স্থাপনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি। এ নিয়ে শনিবার সরকারের অবস্থান ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর) একটি তিন বছরের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশে একটি মিশন চালু করা হবে। এই মিশনের উদ্দেশ্য হলো দেশে মানবাধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা করা। এ ছাড়া, সরকারি প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও সংগঠনগুলোকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেবে। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘কয়েকটি পক্ষ জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আইডিওলজিকাল ওরিয়েন্টেশন (আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি) নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আমাদের নাগরিকদের কাছে থেকে এমন প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে যে, যেকোনো আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে দেশের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া জরুরি। এই প্রেক্ষাপটে, ওএইচসিএইচআর এর মিশনটি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধ ও মোকাবিলার মধ্যে কেন্দ্রীভূত থাকবে, বিশেষ করে আগের সরকারের দ্বারা সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য। এই মিশনের কাজ হবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত আইন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর বাইরে কোনো সামাজিক এজেন্ডা প্রচার না করে শুধু মানবাধিকার রক্ষা ও সুরক্ষায় সহায়তা দেওয়া।

যদি কখনো মনে হয়, এই অংশীদারত্ব আর জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাহলে সরকার চুক্তি থেকে বের হয়ে আসার অধিকার রাখে বলেও প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    সরকারের ৩ গুরুত্বপূর্ণ মিশনে হচ্ছে রদবদল

    অনলাইন ডেস্ক
    ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫৫
    অনলাইন ডেস্ক
    সরকারের ৩ গুরুত্বপূর্ণ মিশনে হচ্ছে রদবদল

    তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মিশনে দূত রদবদল করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডে এই রদবদল করা হচ্ছে।  

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

    জানা গেছে, জেনেভাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলামকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে। আর কানাডাতে থাকা রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহানকে জেনেভায় এবং সাবেক পররাষ্ট্র সচিব জসীম উদ্দিনকে কানাডার হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।

    ইতোমধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডের কাছ থেকে এগ্রিমো (রাষ্ট্রদূত হিসাবে কাজ করার সম্মতিপত্র) চলে এসেছে। জসীম উদ্দিনের এগ্রিমো কানাডা থেকে দ্রুত চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    গত মে মাসে পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলে দায়িত্ব দেওয়া হয় ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়ামকে। ওই সময়ে জসীম উদ্দিনকে ওয়াশিংটনে পাঠানোর প্রস্তাব থাকলেও তাকে অন্য দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      হলফনামায় মিথ্যা তথ্য

      অপরাধ করেছেন শেখ হাসিনা, ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই ইসির

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৮
      অনলাইন ডেস্ক
      অপরাধ করেছেন শেখ হাসিনা, ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই ইসির

      হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সুস্পষ্ট অপরাধ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই বলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে জানিয়েছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

      শুক্রবার (১৮ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

      তিনি জানান, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মামলা করার সুযোগ আছে। তবে সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিবকে এক চিঠিতে এ বিষয় অবহিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

      দুদককে চিঠিতে আরও জানানো হয়, ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেওয়া হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুস্পষ্টভাবে অপরাধ করেছেন। হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলসহ হলফনামা যাচাই-বাছাইয়ের সময় বা পর্যায় অতিক্রান্তে উত্থাপিত হওয়ায় এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই ইসির। 

      চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সম্পদের মিথ্যা বর্ণনা দিয়েছেন মর্মে অভিযোগে তিনি দণ্ডবিধির ১৮১ ধারার অপরাধ সংঘটন করেছেন। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৯৫(১) অনুযায়ী যে ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের নিকট সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা হলফনামা প্রদান করেছেন, সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা তার ঊর্ধ্বতন কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়েরের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার সুযোগ আছে।

      এর আগে ২২ মে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পদের ঘোষণায় অসত্য তথ্য প্রদান করায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর আওতায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চিঠি দিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন।

      গত ১৮ মে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নতুন করে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংস্থাটির উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমানকে প্রধান করে গঠিত টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করেন।

      এর আগে, প্লট জালিয়াতি, বিদেশে অর্থ পাচার, প্রকল্পের অর্থ লুটপাটের একাধিক অনুসন্ধান দুদকে চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে পূর্বাচলে প্লট জালিয়াতির মামলায় চার্জশিট দাখিল করলে আদালত শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

      গত ১০ মার্চ পূর্বাচলে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়ায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার পরিবারের সদস্য, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন এবং জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি অভিযোগপত্র বা চার্জশিট দিয়েছে সংস্থাটি। যা আমলে নিয়েই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

      অন্যদিকে বিগত ১৫ বছরে দেশের বিভিন্ন বিমান বন্দরের উন্নয়ন কাজের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ অনুসন্ধানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এবং একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মোকাম্মেল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল দুদক।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনের কার্যক্রম শুরু

      অনলাইন ডেস্ক
      ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৭:১৩
      অনলাইন ডেস্ক
      ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার মিশনের কার্যক্রম শুরু

      ঢাকায় তিন বছরের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ের একটি মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। চলতি সপ্তাহে এ নিয়ে একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন।

      শুক্রবার (১৮ জুলাই) জেনেভার জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

      সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মানবাধিকারের প্রচার ও সুরক্ষায় সহায়তায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস এবং বাংলাদেশ সরকার চলতি সপ্তাহে একটি মিশন খোলার জন্য তিন বছরের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

      dhakapost

      হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বলেন, এই স্মারকলিপি স্বাক্ষর মানবাধিকারের প্রতি অঙ্গীকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, যা উত্তরণের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করবে।

      ‘এটি আমার অফিসকে আমাদের তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে প্রদত্ত সুপারিশ বাস্তবায়নে আরও ভালোভাবে সহায়তা করতে সক্ষম করবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ যে মৌলিক সংস্কারগুলো এগিয়ে নিচ্ছে তাতে আমাদের দক্ষতা এবং সহায়তার মাধ্যমে সরকার, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্যদের সঙ্গে সরাসরি মাঠে যুক্ত হতে সহায়তা করবে।’

      এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, এই চুক্তিটা আনুষ্ঠানিকভাবে বসে হয়নি। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম চুক্তি সই করেছেন এবং সেটি জেনেভায় পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

      তিন বছরের চুক্তি পরে নবায়ন করা সুযোগ রয়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, আপাতত তিন বছরের জন্য করা হয়েছে। পরে চাইলে চুক্তি নবায়ন করা সম্ভব।

      মানবাধিকারবিষয়ক অফিস বলছে, নতুন মিশনটি বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকে প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। পাশাপাশি সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ঢাকায় স্পেসএক্স প্রতিনিধিদল, স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে আজ

        অনলাইন ডেস্ক
        ১৮ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৫৪
        অনলাইন ডেস্ক
        ঢাকায় স্পেসএক্স প্রতিনিধিদল, স্টারলিংকের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে আজ

        বিশ্বখ্যাত স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক আজ (শুক্রবার) আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিতে পারে। এরই অংশ হিসেবে স্পেসএক্স-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট লরেন ড্রেয়ারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন।

        প্রতিনিধিদলটি আজ (শুক্রবার) বিকেল ৫টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি প্রেস কনফারেন্স আয়োজন করেছে। যেখানে স্টারলিংকের সেবার ধরন, প্যাকেজ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

        সূত্র জানায়, স্টারলিংক আজই বাংলাদেশে অফিসিয়াল যাত্রা শুরুর ঘোষণা দিতে পারে। এর আগে তারা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স যেমন- স্যাটেলাইট অপারেটর লাইসেন্স ও রেডিও কমিউনিকেশন অ্যাপারেটার্স লাইসেন্স পেয়েছে, যার মেয়াদ ১০ বছর।

        বাংলাদেশে স্টারলিংকের সেবা চালু হলে দুর্গম, সীমান্তবর্তী ও ব্রডব্যান্ডবিহীন এলাকাগুলোতে উচ্চগতির স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ইতোমধ্যে জানা গেছে, স্টারলিংক তাদের গ্রাহকদের জন্য দুটি প্যাকেজ চালু করেছে—একটি মাসে ৬,০০০ টাকায়, অন্যটি ৪,২০০ টাকায়। তবে সেবা নিতে হলে এককালীন ৪২ হাজার টাকা দিয়ে সেটআপ কিট কিনতে হবে।

        অন্যদিকে, সফরসূচি অনুযায়ী স্পেসএক্সের প্রতিনিধি দল আজ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং বিকেলে উত্তরা দিয়াবাড়িতে গ্রামীণ ক্যালেডোনিয়ান কলেজ অব নার্সিং (জিসিসিএন) পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। এরপর বিকেল ৫টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি প্রেস কনফারেন্সে অংশ নেবেন।

        আর দিনের শেষে প্রতিনিধিদলটি ঢাকার হাতিরঝিলে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান পুনর্জন্ম’ ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন এবং সেখানে অনুষ্ঠিতব্য ড্রোন শো উপভোগ করবেন। সফর শেষে ১৯ জুলাই তারা বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন বলেও জানানো হয়েছে। 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত