ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পাল্টা প্রশ্ন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর না হলে পাঁচজনকে কীভাবে গ্রেপ্তার করল

অনলাইন ডেস্ক
১২ জুলাই, ২০২৫ ১৫:৮
অনলাইন ডেস্ক
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর না হলে পাঁচজনকে কীভাবে গ্রেপ্তার করল
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ফাইল ছবি

মিটফোর্ডে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো কঠোর হচ্ছে না—এমন অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর না হলে পাঁচজনকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হলো?

শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর পুরান ঢাকার মিল ব্যারাকে রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স ও ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

ভাঙারি ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাটা বড়ই দুঃখজনক। একটা সভ্য দেশে এমন একটি ঘটনা কখনোই আশা করা যায় না। এটার জন্য যারা দায়ী, তাদের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতরাতেও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগেও অস্ত্রসহ দুজনকে র‌্যাব ধরেছে। মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছেও দুজন ধরা পড়েছে।

এ ছাড়া গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতির দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে না। গতকাল কাঠমান্ডুর বিমানের ফ্লাইটে ফেরত আসার ঘটনায় যে নারী টেলিফোন করেছিল, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে যে পরামর্শ দিয়েছে তাকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। চাঁদপুরের ঘটনায়ও ইতোমধ্যে আক্রমণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অনেক সময় দু-এক জায়গায় হয়তো একটু দেরি হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। কোনো ঘটনা ঘটলে সেটা যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেটার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। এসব ঘটনায় আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাই।

 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বিমানে বোমার হুমকিতেও প্রেমিকাসহ ছেলের নেপালযাত্রা আটকাতে পারেননি মা

    অনলাইন ডেস্ক
    ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৪:৪২
    অনলাইন ডেস্ক
    বিমানে বোমার হুমকিতেও প্রেমিকাসহ ছেলের নেপালযাত্রা আটকাতে পারেননি মা

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইটে বোমা রয়েছে—অচেনা নম্বর থেকে এমন ফোনকলে তোলপাড় শুরু হয় পুরো শাহজালাল বিমানবন্দর জুড়ে। বোমা থাকার আশঙ্কায় বিজি-৩৭৩ ফ্লাইটটিতে ৩ ঘণ্টার নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিমানে কোনো বোমা পাওয়া যায়নি।

    সেই অচেনা ফোনকলের সূত্র ধরে প্রাথমিক তদন্তে নেমে মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তাররা হলেন, মা রাশেদা বেগম, তার ছেলে ইমনের স্ত্রী তাহমিনা ও বন্ধু ইমরান।

    র‍্যাব জানায়, এই ঘটনাটা সঙ্গে পারিবারিক বিষয় জড়িত। ছেলে যেন পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে কাঠমান্ডুতে না যেতে পারে সেজন্য মা ফোন দিয়ে জানান, ‘বিমানে বোমা রয়েছে’।

    তবে র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ছেলেকে পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে নেপালে যাওয়া আটকাতে ভয়ংকর এই অপরাধমূলক কাজ করলেও শেষ পর্যন্ত সফল হননি মা। কারণ বিমানে তল্লাশি করে বোমা না পাওয়ায় বিমানটি আবার নেপালের কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওয়ানা হয়। সেই বিমানে তখন ওই প্রেমিক এবং তার প্রেমিকা ছিল। তারা নিরাপদে ওই ফ্লাইটে করে নেপাল পৌঁছে যান।

    এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে র‌্যাবের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা প্রথমে এ তথ্য জানতাম না। পরে অনুসন্ধান করে যখন এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করি তখন বিষয়টি আমরা জানতে পারি। এরই মধ্যে বিমান নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্স পায় এবং সেই ফ্লাইটে করে ওই প্রেমিক-প্রেমিকা নেপালে নিরাপদে পৌঁছে যান।

    এ বিষয়ে শনিবার (১২ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান বলেন, গতকালকে ঘটনা ঘটে। সেটি হলো ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে বোমা রয়েছে এমন একটি ফোন কল করে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানানো হয়। যার ফলে ওই বিমানে যাত্রা স্থগিত করা হয় এবং তিন থেকে চার ঘণ্টা তল্লাশি করে কিছু পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় এয়ারলাইন্সের ভাবমূর্তি দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে মারাত্মক ক্ষুণ্ন হয়। ইতোপূর্বেও এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল। টেলিফোনের মাধ্যমে বোমার খবর দেওয়া হয়, পরবর্তীতে তল্লাশি করে কিছু পাওয়া যায়নি।

    তিনি বলেন, এ ঘটনার পরপরই আমরা অনুসন্ধানে নামি। সারা রাত অভিযান পরিচালনা করে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করি। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা আমাদের সহযোগিতা করেছে। এই বিষয়টি একটি দুঃখজনক ঘটনা। ঘটনার তদন্তে জানা যায়, ইমন নামে এক ব্যক্তি পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে এই ফ্লাইটে করে নেপাল যাচ্ছিলেন। বিষয়টি ইমনের মা ও তার স্ত্রী জানতে পারেন এবং তার যাত্রা বন্ধ করার জন্য প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু তারা কোনোভাবে সক্ষম হয়নি। তখন ইমনেরই আরেক বন্ধু ইমরান তাদের পরামর্শ দেন যদি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে ফোন করে জানানো হয় বিমানে বোমা আছে তাহলে যাত্রাটা স্থগিত হয়ে যেতে পারে। সে অনুযায়ী ইমনের মা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে ফোন করে বিমানে বোমা থাকার তথ্য জানান।

    র‍্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, এই বিষয়ে আমরা দেশবাসীকে জানাতে চাই, এটি একটি গর্হিত কাজ। এসব কাজে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এবং আমাদের জাতীয় এয়ারলাইন্সের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। কোনোভাবেই যেন এ ধরনের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতে গ্রহণ করা না হয়। তারপরও গ্রহণ করলে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

    এদিকে এ বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানে বোমা আছে এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্র স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ঘটনায় যে ফোন করে বোমা আছে বলেছিলেন সেই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে ফোন করার জন্য যে পরামর্শ দিয়েছিলেন সেই দুজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মিটফোর্ডে হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

      অনলাইন ডেস্ক
      ১২ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১২
      অনলাইন ডেস্ক
      মিটফোর্ডে হত্যায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

      রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি পণ্যের ব্যবসায়ী সোহাগকে (৩৯) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।।

      শনিবার (১২ জুলাই) সকালে ঢাকা জেলা পুলিশ লাইন ও রিজার্ভ ফোর্স কার্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

      স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতির দায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্লিপ্ত ভূমিকা পালন করছে না।

      তিনি বলেন, আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। কোনো ঘটনা ঘটলে সেটা যেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জানানো হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সেটার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

      অনেকে অভিযোগ করছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এখনও কঠোর হচ্ছে না। এমন অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর না হলে পাঁচজনকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হলো? গতকাল কাঠমান্ডুর বিমানের ফ্লাইটে ফেরত আসার ঘটনায় যে মহিলা টেলিফোন করেছিল, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে যে পরামর্শ দিয়েছে তাকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অনেক সময় দু-এক জায়গায় হয়তো একটু দেরি হতে পারে। তবে এসব ঘটনায় আমরা সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাই।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        হাসিনার হিসাব-নিকাশ

        শেখ হাসিনার যেসব তথ্য ফাঁস হয়েছে তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক অন্ধকার অধ্যায়

        অনলাইন ডেস্ক
        ১২ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫১
        অনলাইন ডেস্ক
        শেখ হাসিনার যেসব তথ্য ফাঁস হয়েছে তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক অন্ধকার অধ্যায়

        বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে সম্প্রতি যেসব তথ্য ফাঁস হয়েছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক অন্ধকার ও নিদর্শনময় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একসময় যিনি গণতন্ত্রের রক্ষক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির রূপকার হিসেবে প্রশংসিত ছিলেন, এখন তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসে শান্তিকালীন অন্যতম নৃশংস দমন-পীড়নের সরাসরি নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত। যাচাইকৃত অডিও রেকর্ডিং এবং ফরেনসিক বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয়েছে যে, শেখ হাসিনা নিজে ছাত্র-আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

        প্রথমে সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন দিয়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তা দ্রুতই জাতীয় অভ্যুত্থানে রূপ নেয়- যা বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থার গভীর অসঙ্গতিগুলো উন্মোচন করে দেয়। পরবর্তী দমন-পীড়ন কোনো স্থানীয় প্রশাসনের ভুল হিসাব ছিল না; বরং এটি ছিল রাষ্ট্রীয় সহিংসতার একটি সমন্বিত, উপরের দিক থেকে পরিচালিত প্রয়োগ। অনেক হিসাব অনুযায়ী, এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হন। এই স্বৈরতান্ত্রিক অধঃপতন হঠাৎ ছিল না।
        গত এক দশকে শেখ হাসিনা ধীরে ধীরে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা খর্ব করেছেন এবং নজরদারি, সেন্সরশিপ ও নির্বিচার গ্রেফতারের মাধ্যমে ভিন্নমত দমন করেছেন। ৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞ-  যা আন্দোলনের সবচেয়ে ভয়াবহ দিন বলে বিবেচিত, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ছিল বহু বছরের স্বৈরতন্ত্রের পরিণত প্রকাশ। একধরনের ‘গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট’-এর আড়ালে চলছিল এসব।

        গত বছরের এই হত্যাযজ্ঞ এখনো বাংলাদেশের তরুণদের মনে তীব্র ক্ষতের মতো বেঁচে আছে। অনেকেই তাদের বন্ধুদের প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেছেন। শুধুমাত্র ন্যায্যতা, মর্যাদা এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা দাবি করায় তাদের গুলি করা হয়েছে। এমনকি যখন এই গোপন রেকর্ডিংগুলো আন্তর্জাতিক মহলে সাড়া ফেলছে, তখনও হাসিনার দল দাবির পক্ষে অটল। তাদের ভাষায়, এসব পদক্ষেপ ‘উপযুক্ত ও সৎনিয়তে’ নেয়া হয়েছিল।

        কিন্তু প্রমাণগুলো ভিন্ন কথা বলছে:
        - সামরিক গ্রেডের অস্ত্র হাতে পুলিশ বাহিনী নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের উপর আধাঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গুলি চালায়।
        - ফরেনসিক ভয়েস-ম্যাচিংয়ে শেখ হাসিনার কণ্ঠ শনাক্ত হয়, যেখান থেকে নির্দেশ এসেছে।
        - সরকারের নজরদারি অবকাঠামো ব্যবহার করে বিরোধীদের গতিবিধি মনিটর ও দমন করা হয়েছে।

        এই ঘটনার প্রভাব শুধু বাংলাদেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি প্রতিবেশী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এক তীব্র প্রশ্ন তোলে- একটি শক্তিশালী, প্রতিষ্ঠিত সরকার যদি নিজ দেশের জনগণের ওপর এভাবে সহিংসতা চালায়, তাহলে বিশ্ব কী ভূমিকা পালন করবে?

        এই সংকটে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরও এখনো সুস্পষ্ট আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক পুনরুদ্ধার কেবল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এ দেশের জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত বর্বরতার একটি জাতীয় বিচারের মধ্য দিয়েও তা নির্ধারিত হবে।
        এই বিচার প্রতিশোধের জন্য নয়- বরং নিশ্চিত করার জন্য যে ভবিষ্যতে আর কোনো জনপ্রিয় বা উত্তারাধীকারি নেত্রী ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারেন। ঢাকা শহরে যখন ইতিহাস রচিত হচ্ছে, তখন গোটা অঞ্চলকে সতর্কভাবে তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কারণ স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের যত কথাই বলা হোক, একটি রাষ্ট্র কতটা গণতান্ত্রিক, তার প্রকৃত মাপকাঠি হলো- সাধারণ মানুষ যখন প্রতিবাদ করে, তখন সরকার তাদের প্রতি কেমন আচরণ করে। সেই পরীক্ষায় শেখ হাসিনা ভয়াবহভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।

        (দ্য স্টেটসম্যানের সম্পাদকীয় থেকে অনুদৃত)

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ছেলের পরকীয়া ঠেকাতে মা ফোন করে জানান কাঠমান্ডুগামী বিমানে বোমা

          অনলাইন ডেস্ক
          ১২ জুলাই, ২০২৫ ১২:৩৯
          অনলাইন ডেস্ক
          ছেলের পরকীয়া ঠেকাতে মা ফোন করে জানান কাঠমান্ডুগামী বিমানে বোমা

          বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইটে বোমা রয়েছে বলে অচেনা নম্বর থেকে ফোনকল করা হয়। বোমা থাকার আশঙ্কায় বিজি-৩৭৩ ফ্লাইটটিতে ৩ ঘণ্টার নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিমানে কোনো বোমা পাওয়া যায়নি।

          এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব জানায়, এই ঘটনাটির সঙ্গে পারিবারিক বিষয় জড়িত। ছেলে যেন পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে কাঠমান্ডুতে না যেতে পারে, সেজন্য মা ফোন দিয়ে জানান বিমানে বোমা রয়েছে।

          শনিবার (১২ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) একেএম শহিদুর রহমান।

          তিনি বলেন, সম্প্রতি বোমা রয়েছে এমন একটি ফোনকলের মাধ্যমে ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। পরে বিমানটি তল্লাশি করে বোমা পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আমরা তিনজনকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করেছি।

          একেএম শহিদুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, এক ব্যক্তি তার প্রেমিকাকে নিয়ে ওই ফ্লাইটে করে কাঠমান্ডু যাচ্ছিলেন। সে বিষয়টি তার স্ত্রী ও মা জানতে পারে। পরে ওই ব্যক্তির এক বন্ধুর কাছ থেকে তথ্য নিয়ে মা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে ফোন করে বিমানে বোমা রয়েছে এমন ভুয়া সংবাদ দেন, যাতে করে ছেলেকে তার প্রেমিকাকে নিয়ে কাঠমান্ডু যেতে না পারে। 

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত