ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কোনো নির্বাচনেই আর ইভিএম ব্যবহার হবে না : ইসি

অনলাইন ডেস্ক
১০ জুলাই, ২০২৫ ১৯:৫৩
অনলাইন ডেস্ক
কোনো নির্বাচনেই আর ইভিএম ব্যবহার হবে না : ইসি

আগামী জাতীয় কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি জানান, প্রবাসীদের জন্য ভোটদানে আসছে নতুন ব্যবস্থা- তারা এবার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে, যার জন্য একটি আলাদা রেজিস্ট্রেশন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই। সব নির্বাচনই ব্যালট পেপারের মাধ্যমে আয়োজন করা হবে।

সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ জানান, আসন পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আসনপ্রতি ৪ লাখ ১৮ হাজার থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার ভোটার বিবেচনায় সীমানা নির্ধারণ করা হবে। তবে ঢাকা শহরে আসন সংখ্যা কমার সম্ভাবনা কম বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

দল নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব রাজনৈতিক দলের কাগজপত্র সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ, তাদের মাঠপর্যায়ের যাচাই শিগগিরই শুরু হবে। অন্যদিকে, যাদের দাখিলকৃত তথ্য বা কাগজপত্রে ঘাটতি রয়েছে, তাদের ১৫ দিনের সময় দেওয়া হবে ঘাটতি পূরণে।

ভোটার তালিকা হালনাগাদ নিয়ে কমিশনের অবস্থান স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আইন অনুযায়ী, তপশিল ঘোষণার বাইরে যেকোনো সময় ভোটার তালিকা সংশোধন, পরিমার্জন বা হালনাগাদ করার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে। সেই অনুযায়ী কাজ চলমান রয়েছে।

সম্প্রতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে ইসির বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচন ঘিরে সব বিষয়েই দুই কমিশনের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে এবং আমরা অনেক বিষয়ে একমত অবস্থানে পৌঁছেছি।

শাপলা প্রতীক প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নাগরিক ঐক্য ও এনসিপি- উভয় দল প্রতীকটির জন্য আবেদন করলেও তা তালিকাভুক্ত করা হয়নি। আবেদন যাচাইবাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    ‘শাপলা’ প্রতীক পাচ্ছে না এনসিপি

    অনলাইন ডেস্ক
    ৯ জুলাই, ২০২৫ ২৩:১৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ‘শাপলা’ প্রতীক পাচ্ছে না এনসিপি

    নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’কে বিধিমালার তপশিলভুক্ত না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর ফলে কোনো রাজনৈতিক দল তাদের দলীয় প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ পাবে না।

    গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী তরুণদের গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সম্প্রতি দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ইসিতে আবেদন করে। তারা প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ চেয়েছে। এনসিপির আবেদনে পছন্দের প্রতীকের তালিকায় শাপলা ছাড়াও ‘কলম’ ও ‘মোবাইল ফোন’ রাখা হয়েছে।

    অন্যদিকে নাগরিক ঐক্যও দলীয় প্রতীক শাপলা চেয়েছিল। তবে তারা পেয়েছে ‘কেটলি’। এখন নাগরিক ঐক্যও কেটলির পরিবর্তে শাপলা প্রতীক দাবি করেছে। গত ২ জুলাই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে দেখা করার পর নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যখন নিবন্ধন পাই, তখন আর আমরা পছন্দ অনুযায়ী প্রতীক পাইনি। এ বিবেচনায় আমরা গত ১৭ জুন প্রতীক পরিবর্তনের জন্য আবেদন করি এবং পছন্দের ক্রমে ‘শাপল’ ও ‘দোয়েল’ চাই।’

    নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ আজ বুধবার বলেন, শাপলাকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে তফসিলভুক্ত করা হবে না মর্মে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতেও কোনো কোনো দল শাপলা প্রতীক চেয়েছিল, কিন্তু দেওয়া হয়নি। জাতীয় প্রতীক ও জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার্থে আইন আছে। তবে জাতীয় ফুল বা ফলের বিষয়ে আইন করা হয়নি। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শাপলাকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে তপশিলভুক্ত না করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার তপশিলে এখন ৬৯টি নির্বাচনী প্রতীক আছে। আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রতীকের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এবার দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মোট প্রতীক ১০০–এর বেশি করার চিন্তা করছে ইসি। 

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতীক তালিকার তপশিল সংশোধনের জন্য ইসির সিদ্ধান্ত শিগগির ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার

      অনলাইন ডেস্ক
      ৯ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩৪
      অনলাইন ডেস্ক
      ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার

      ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে ডিসেম্বরের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

      বুধবার রাতে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

      প্রেস সচিব বলেন, আগামী মাসগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও কঠোর হতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব সদস্যকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। 

      তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় ১৮-৩২ বছর বয়সী ভোটারদের আলাদা বুথ রাখা যায় কিনা সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। 

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        নির্বাচনের তারিখ আমি নিজেও জানি না: সিইসি

        অনলাইন ডেস্ক
        ৮ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩২
        অনলাইন ডেস্ক
        নির্বাচনের তারিখ আমি নিজেও জানি না: সিইসি

        ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে- এমন বক্তব্য আসে গত ১৩ জুন ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের লন্ডন বৈঠক থেকে। তার পর থেকেই দেশের রাজনীতির মাঠে কিছুটা নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। যদিও ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে- এমন চূড়ান্ত ঘোষণা অন্তর্বর্তী সরকার কিংবা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আসেনি। এরমধ্যেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানালেন, নির্বাচনের তারিখ তিনি নিজেও জানেন না।

        মঙ্গলবার (৮ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সিইসি বলেন, নির্বাচনের তারিখ নিয়ে আর কথা বলবো না। সকালে একবার বলেছি, নির্বাচনের তারিখ তো আমি নিজেও জানি না। আমি আপনাদের জানাব। দুই মাস আগে জানাব, পুরো ডিটেইলস জানিয়ে দেব।

        রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) ফল উৎসবের আয়োজন করে। তাতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিইসি।

        সিইসি আরও বলেন, কোন দিন ভোট হবে, কোন দিন নমিনেশন হবে, ডিটেইল জানিয়ে দেব। ভোটের তারিখের আগে একটু ধৈর্য ধরেন। যথাসময়ে আপনারা জানতে পারবেন আর আমাদের প্রস্তুতির বিষয়ে আপনারা জানেন।

        তিনি বলেন, আমাদের প্রশাসন গার্ডারে তাদের যে ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়েছে, এদের ভাবমূর্তি সিরিয়াসলি এফেক্টেড হয়েছে। পুলিশের ভাবমূর্তি সিরিয়াসলি এফেক্টেড হয়েছে। এই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের এটাই হচ্ছে সুযোগ। 

        এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, আমার সহকর্মীরা যারা এই ইলেকশনের সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের কাছে করজোরে আবেদন জানাব যে, আপনারা মানুষের শ্রদ্ধা অর্জনের চেষ্টা করুন। ভাবমূর্তি যেটা নষ্ট হয়েছে, সেটা থেকে আমরা-আপনারা উঠে আসুন এবং আমরা প্রমাণ করতে চাই আমরা পারি, সরকারি কর্মচারীরা পারে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারে- যদি তারা সত্যিকার অর্থে আন্তরিক হয়।

        এর আগে নির্বাচন ভবনে কানাডিয়ার রাষ্ট্রদূত অজিত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি। সেখান থেকে বের হয়ে সিইসি বলেন, আগামী নির্বাচনে অনেক বিদেশি পর্যবেক্ষক আসবে। ইইউসহ অনেকেই চিঠি দিয়ে আমাদের জানিয়েছে। তবে বিগত তিন নির্বাচন নিয়ে যেসব বিদেশি পর্যবেক্ষক ভালো সার্টিফিকেট দিয়েছেন তাদের আমরা নেবো না।

        তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি জানতে চেয়েছে কানাডার রাষ্ট্রদূত। আমরা প্রস্তুতি জানিয়েছি। ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আমরা যে কাজ শুরু করবো এসব বিষয়ে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে জানানো হয়েছে। 

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির বিধান বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

          অনলাইন ডেস্ক
          ৮ জুলাই, ২০২৫ ২০:১৩
          অনলাইন ডেস্ক
          তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির বিধান বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

          বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপ করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। ১৩৯ পৃষ্ঠার এই রায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

          তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ও এর কয়েকটি ধারার বৈধতা নিয়ে পৃথক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর রায় দেন।

          ঘোষিত রায়ে ওই দুটি (২০ ও ২১) ধারাসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত থাকা ৭ক, ৭খ, ৪৪(২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত।

          পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল। ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরোটা বাতিল করা হচ্ছে না। বরং বাকি বিধানগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আগামী জাতীয় সংসদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন আদালত।

          রায়ে আদালত বলেছেন, জাতীয় সংসদ আইন অনুসারে জনগণের মতামত নিয়ে বিধানগুলো সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করতে পারবে।

          রায়ে আদালত বলেছেন, গণভোটের বিধান বিলুপ্ত করা হয়, যেটি সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল। এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়। সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান বিলুপ্তিসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।

          আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

          পঞ্চদশ সংশোধনী আইন চ্যালেঞ্জ করে গত বছরের ১৮ আগস্ট সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত ১৯ আগস্ট রুল দেন। রুলে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত