শিরোনাম
৫ আগস্ট সাধারণ ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি
প্রতিবছর ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ দিন সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।
বুধবার (২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের স্বাক্ষরিত জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার প্রতিবছর ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' (সাধারণ ছুটিসহ) হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং উক্ত তারিখ 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালনের নিমিত্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখের ০৪.০০.০০০০.৪১৬.২৩.০০২.১৭.৬১৪ সংখ্যক পরিপত্রের 'ক' শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
রাতের ভোট নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন সাবেক সিইসি নূরুল হুদা
‘সরকার ও বিভিন্ন বাহিনীর চাপে ২০১৮ সালে প্রহসনের নির্বাচনে কিছু কিছু কেন্দ্রে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে, তখন আমি বুঝে গেলাম দিনের ভোট রাতেই হয়ে গেছে। তৎকালীন সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপে এসব সংঘটিত হয়েছে।’ সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা মঙ্গলবার আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এমন কথা বলেন।
রাষ্ট্রদ্রোহ ও জনগণের ভোট ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন করার অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় সম্প্রতি তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর দুই দফায় আট দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই-এর পরিদর্শক সৈয়দ সাজেদুর রহমান কেএম নূরল হুদাকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় ‘স্বেচ্ছায়’ জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের জন্য আবেদন করা হয়। এরপর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াদুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
জবানবন্দিতে সাবেক এই সিইসি আরও বলেন, ‘আমি তফশিল ঘোষণা করে নির্বাচন দিয়েছি। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর জানতে পারি, অনেক কেন্দ্রে ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। আমি আরও জানতে পারি, অনেক ব্যালট বাক্স রাতেই ভরে গেছে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তাদের কর্মীবাহিনী দ্বারা দায়িত্বে থাকা পুলিশ, রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের সহযোগিতায় এমন কাণ্ড ঘটেছে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এ ঘটনার জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী।’
তিনি বলেন, ‘আমি ও আমার লোকদের অন্ধকারে রেখে এমন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোটে অনিয়ম করা হয়েছে। আমি এ নিয়ে অনেক অনুতপ্ত ছিলাম। যেহেতু গেজেট প্রকাশ হয়ে গেছে, তখন আমি নির্বাচন বাতিল করতে পারি না। তখন আমার হাতে ক্ষমতাও নেই। এ বিষয়ে আমি অনেকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছি এবং মিডিয়ার সামনে বলেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসাররা নির্বাচন পরিচালনা করেন। তারা নির্বাচন কমিশনারকে অন্ধকারে রেখে এভাবে সুযোগ সৃষ্টি করে দেন। এ প্রক্রিয়ার পুরোটাই হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের মাধ্যমে। আর গোয়েন্দা সংস্থা আগেই ফিল্ড দখল করে দিনের ভোট রাতে করতে সহযোগিতা করছে।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদার ভাগিনা এসএম শাহজাদা সাজু আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করেন। এ বিষয়ে তিনি জবানবন্দিতে বলেন, ‘আমার ভাগিনা নির্বাচন করেছিল, তবে ভাগিনার নির্বাচনে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা ছিল না। কিন্তু সে যেহেতু আমার ভাগিনা, সেক্ষেত্রে কিছুটা প্রাধান্য পেয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ের সব কর্মকর্তা তৎকালীন ইসি সচিব হেলালুদ্দীনের অধীনে ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের হয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব বিস্তার করেন। অ্যাডমিন অফিসাররাই রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার থাকেন। তৎকালীন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন কোনো না কোনোভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করেছেন। আমার একার পক্ষে কিছুই করার ছিল না।’
সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, ২২ জুন নূরুল হুদাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর শুক্রবার তাকে আবারও চারদিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। অপরদিকে ২৫ জুন মগবাজার এলাকা থেকে আরেক সাবেক সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে রোববার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
বৃহস্পতিবার ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিএনডি খাল খনন প্রকল্পের আওতায় ঢাকা অংশের ৯টি খালে বিদ্যমান গ্যাস পাইপলাইন স্থানান্তর কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দেশের বিভিন্ন স্থানে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার (২ জুলাই) এক বার্তায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানিয়েছে।
তিতাস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মোট ১১ ঘণ্টা টেংরা, বাহির টেংরা, হাজীনগর, আমতলা, বড়ভাঙ্গা, কোদালদোয়া, সানাড়পাড়, নিমাইকাশারি, নামা শ্যামপুর, জিয়া সরণী, জাপানি বাজার, তিতাস গ্যাস সড়ক, ছাপড়া মসজিদ, রূপসী বাংলা হাসপাতাল, শনির আখড়া, আরএস টাওয়ার সংলগ্ন এলাকা, গোবিন্দপুর, মাতুয়াইল, মৃধাবাড়ী, কাজলা, ভাঙ্গা ব্রীজ, ডেমরা, স্টাফ কোয়ার্টার, আমুলিয়া, পাইটি, জহির স্টীল, শাহরিয়ার স্টীল, ধার্মিক পাড়া ও কাউন্সিল এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, এর আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
রাজনীতিতে যোগ দেবেন কিনা, জানালেন প্রেস সচিব
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান হাসিনা।এর তিন দিন পর ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পান সাংবাদিক শফিকুল আলম, ওই সময় যিনি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির বাংলাদেশ ব্যুরো প্রধান ছিলেন। শফিকুল আলম দুই দশক ধরে এএফপিতে কাজ করেছেন।
সরকারের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ১০ মাস হলো। এরমধ্যে নিজের অর্জন ও কাজ করতে গিয়ে নানান অভিজ্ঞতার কথা সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছেন তিনি।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২ জুলাই) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন প্রেস সচিব। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পরবর্তীতে কোনো রাজনৈতিক দলে তিনি যোগ দেবেন না, বরং সাংবাদিকতা ও লেখালেখির জীবনেই ফিরে যেতে চান।
প্রেস সচিব বলেন, “আমার কিছু বন্ধু বলেছেন আমি নাকি কোনো বড় রাজনৈতিক দলে বা সদ্য গঠিত একটি দলে যোগ দিতে যাচ্ছি। কিন্তু সোজা কথায় বলি— আমি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আসক্ত নই। একজন এমপি বা রাজনৈতিক ‘বিগ শট’ হয়ে যে ধরনের জীবনযাপন করতে হয়, তাতে আমার কোনো আগ্রহ নেই।”
তিনি আরও বলেন, ‘সিঙ্গাপুর বা ইউরোপের মতো দেশে রাজনৈতিক নেতৃত্বে ভালো আর্থিক সুবিধা থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে রাজনীতি করে ভালো থাকা মানেই দুর্নীতির পথে যাওয়া। আমি সে পথে হাঁটতে চাই না।’
প্রেস সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব শেষ হলে তিনি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির জগতে পূর্ণভাবে ফিরে আসতে চান।
তার ভাষায়, “আমার কিছু বই লেখার পরিকল্পনা আছে। আমি চাইলে সারা জীবন শুধু জুলাই বিপ্লব নিয়েই লিখে যেতে পারি। আমি জীবনে এত স্বতঃস্ফূর্ত, সাহসী ও ব্যাপক রাজনৈতিক সংগ্রাম আর দেখিনি। রবার্ট কেরো যেমন তার জীবন উৎসর্গ করেছেন লিন্ডন জনসনের ওপর লেখালেখিতে, আমিও তেমনি ‘জুলাই বিপ্লব’ নিয়ে কাজ করে যেতে পারি। যদিও কেউ কেউ ‘বিপ্লব’ শব্দটা পছন্দ করেন না।”
শফিকুল আলম লেখেন, আমার জীবনের শেষের দিকে নতুন রূপান্তরের পর কি আমি নিরাপদ থাকব? গত কয়েক মাসে আওয়ামী লীগের কিছু কর্মীর কাছ থেকে হুমকি পেয়েছি। তবে এগুলো হয়তো তাদের হতাশার বহিঃপ্রকাশ। যারা দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়েছে।
সবশেষে প্রেস সচিব বলেন, আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর। তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং যার কাছে আমরা ফিরে যাব। আমি আমার অন্তর্বর্তীকালীন জীবনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
জুলাই ঘোষণাপত্র দেবে অন্তর্বর্তী সরকার, কোনো দল বা ব্যক্তি নয় : জুলাই ঐক্য
জুলাই ঘোষণাপত্র এবং সনদ সরকারকে দিতে হবে। কোনো দল বা ব্যক্তি এখন আর জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার এখতিয়ার রাখে না বলে মন্তব্য করেছে গণঅভ্যুত্থানের ঐক্যবদ্ধ শক্তির প্ল্যাটফর্ম জুলাই ঐক্য।
মঙ্গলবার (০১ জুলাই) দুপুর ১২টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘মার্চ ফর জুলাই রিভাইভস’ কর্মসূচি শেষে এ মন্তব্য করেন সংগঠনটির নেতারা।
জুলাই ঐক্যের সংগঠক এবি জুবায়ের বলেন, ১১ মাসেও আমরা জুলাই সনদ পাইনি। কোনো একক দল জুলাই সনদ দেওয়ার এখতিয়ার নাই। এই সরকারকেই জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র দিতে হবে। সরকার যদি ব্যর্থ হয় তাহলে উচিত হবে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া। তা না হলে জুলাইয়ের ছাত্রজনতা আদায় করে নিবে। কোনো ব্যক্তি বা দল যদি জুলাই ঘোষণাপত্র দিতে চায় তাহলে ছাত্র-জনতা তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।
জুলাই ঐক্যের সংগঠক মুসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, আমরা অনেক অপেক্ষা করেছি। অবিলম্বে জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র দিতে হবে। জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। জুলাই ঘোষণাপত্র না হলে ৫০ বছর পর জুলাইয়ের এই আন্দোলনকে সন্ত্রাসী বলে ঘোষণা দেওয়া হবে। তাই সরকারকে বলব অবিলম্বে কালক্ষেপণ না করে জুলাই ঘোষণাপত্র দিন।
জুলাই ঐক্যের সংগঠক ইসরাফিল ফরাজী বলেন, ১১ মাসে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। দুজন ছাত্র উপদেষ্টা তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অবস্থায়ও গণমাধ্যমে কোনো সংস্কার হয়নি। সচিবালয় থেকে শুরু করে সরকারের কোনো জায়গায় সংস্কার হয়নি। আজ এনাআরবি থেকে শুরু করে প্রতিটি স্থানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে রেখেছে ফ্যাসিবাদের দোসররা। ৩২ সাংবাদিকের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ হয়েছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় মামলা হয়েছে। অথচ সরকার সে সকল কথিত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কেনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। হয় তাদের বিচার করুন অথবা তাদের দায়মুক্তি দিন। অন্যথায় ছাত্র-জনতাকে নিয়ে প্রতিটি সেক্টর থেকে ফ্যাসিবাদ মুক্ত করা হবে।
কর্মসূচি শেষে নতুন বাংলাদেশের বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক মুসাদ্দেক আলী ঐবনে মোহাম্মদ।
কর্মসূচি :
০১। ১ জুলাই : সকাল ১০.৪৫ মি. ফ্যাসিবাদমুক্ত গণমাধ্যম, গণহত্যাকারী ভারতীয় প্রক্সি হাসিনার বিচার, জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্রের দাবিতে ‘মার্চ ফর জুলাই রিভাইভস’ (প্রেস ক্লাব থেকে শাহবাগে পদযাত্রা)
০২। জুলাইয়ের স্পিরিট ধারণ করা সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক প্রেশার গ্রুপের জুলাই ঐক্যের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে ০২-০৯ জুলাই দেশব্যাপী অনলাইন ও সরাসরি গণসংযোগ।
০৩। ১০ জুলাই : সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিনিধি সম্মেলন।
০৪। ১১ জুলাই : শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ।
০৫। ১৫ জুলাই : রাত সাড়ে ৭টায় প্রতীকী কফিন মিছিল। (ঝিগাতলা পিলখানা গেইট- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার)
০৬। ১৬ জুলাই : শহীদদের স্মরণে সারা দেশে দোয়া ও কবর জিয়ারত।
০৭। ১৭ - ৩২ জুলাই (১ আগস্ট) : দেশব্যাপী জুলাইয়ের শপথ।
০৮। ৩৩ জুলাই (২ আগস্ট) : দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জুলাইয়ের গণশপথ (কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে)।
০৯। ৩৪ জুলাই (৩ আগস্ট) : জুলাইয়ের তথ্যচিত্র প্রকাশ।
১০। ৩৫ জুলাই (৪ অগস্ট) : জুলাইয়ের ভিডিও শেয়ার।
১১। ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) : গণঅভ্যুত্থান ও নতুন বাংলাদেশ দিবস উদযাপন।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য