শিরোনাম
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ সাংবাদিক পরিবারকে সম্মাননা দিচ্ছে তথ্য মন্ত্রণালয়
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শহীদ সাংবাদিক পরিবারকে সম্মাননা, বিশেষ অনুদান ও উপহার প্রদান করবে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এ উপলক্ষ্যে আগামী ৫ জুলাই জাতীয় জাদুঘরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে নির্মিত ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’ চলচ্চিত্রের প্রিমিয়ার শো আয়োজন করা হবে।
সারা দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও ঢাকার চারটি বিশ্ববিদ্যালয় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কিত চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও ডকুমেন্টারি দেশব্যাপী প্রদর্শন করবে।
এদিকে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করা হবে।
গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আগামী ০১ জুলাই থেকে ০৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পত্রিকায় বিশেষ ফিচার, নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন, ফটোকার্ড তৈরি ও প্রচার এবং পোস্টার, ফেস্টুন মুদ্রণ ও বিতরণ করা হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কিত প্রকাশনা উৎসব, গণ-অভ্যুত্থানের আলোকচিত্র ও গ্রাফিতিসমূহ প্রদর্শন করা হবে।
এছাড়া, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার অংশ গ্রহণে বর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র্যালি, কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।
জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
২০২৪-এর জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১ জুলাই মঙ্গলবার বেলা ১১টায় তার কার্যালয় তেজগাঁওয়ে করবী হলে জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চেক বিতরণের মাধ্যমে জুলাই স্মৃতি অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন ঘোষণা করার সদয় সম্মতি প্রকাশ করেছেন।
আগামী ১ জুলাই সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’-এর চেক বিতরণ করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
একই সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ দিনব্যাপী জুলাই স্মৃতি অনুষ্ঠানমালার উদযাপন করার আয়োজন করা হয়েছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দপ্তরের এক অফিস আদেশ এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪-এর জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শাহাদাত বরণকারী সেই সাহসী বীর সন্তানদের যারা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও জীবন উৎসর্গ করে দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের জীবন আদর্শের মর্মবাণী শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাগরিত করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা ও শহীদদেরকে চিরস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রবর্তন করেছে।
গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ৩৬ দিনব্যাপী বাংলাদেশ সরকার জুলাই স্মৃতি অনুষ্ঠানমালা উদযাপন করার আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করবে এবং একই সঙ্গে অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচারিত হবে।
অনুষ্ঠানটি কলেজে সরাসরি সম্প্রচার অথবা রেকর্ডিং করে ওই দিনের এইচএসসি পরীক্ষার শেষে বড় পর্দায়-মাল্টিমিডিয়ায় প্রদর্শন এবং কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অংশ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ সংশোধন হচ্ছে
চাকরি থেকে অপসারণের পরিবর্তে যুক্ত হচ্ছে বাধ্যতামূলক অবসর
অবশেষে সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ সংশোধন হচ্ছে। কর্মচারী সংগঠনগুলো অধ্যাদেশ বাতিলের আন্দোলন করলেও এখন তারা সংশোধনে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে। উপদেষ্টা কমিটি ও কর্মচারী নেতারা ১৯৭৯ সালে সরকারি চাকরির (বিশেষ বিধান) যেসব ধারা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ, ২০২৫ এ ঢুকেছে- তা বাদ দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশে অনানুগত্যের যে ধারা নতুন করে যুক্ত হয়েছে- তা বাদ দিতে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। চাকরি থেকে অপসারণের যে ধারা অধ্যাদেশে ঢুকেছে তা-ও বাদ দেওয়ার বিষয়ে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে। তবে বাধ্যতামূলক অবসরের ধারা যুক্ত হয়েছে।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ পর্যালোচনায় আইন উদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলকে আহ্বায়ক করে গঠন করা উপদেষ্টা কমিটি ও কর্মচারী নেতাদের মধ্যে গত ২৫ জুন অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ২৫ মে জারি করা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের ৩৭ দফা (ক) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী এমন কোনো কাজে লিপ্ত হওয়া যা অনানুগত্যের শামিল, যা অন্য কোনো কর্মচারীর মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি করে, শৃঙ্খলা বিঘ্ন করে এবং কর্তব্য সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে, তাহলে ইহা একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধারার বিষয়ে গত ২৫ জুন অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা কমিটি এবং কর্মচারী নেতাদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ধারাটি বাতিল হবে। ‘তদস্থলে যদি কোনো কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করে, আইনসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে সরকারের কোনো আদেশ, পরিপত্র এবং নির্দেশনা অমান্য করেন, সরকারি আদেশ, পরিপত্র এবং নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্ত করেন এবং এসব কাজে সরকারি কর্মচারীকে প্ররোচিত করে’- এই শব্দগুলো প্রতিস্থাপন হবে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, গত ২৫ মে জারি করা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের ৩৭ (খ) উপধারায় বলা হয়েছে- যদি কোনো কর্মচারী অন্যান্য কর্মচারীর সঙ্গে সমবেতভাবে বা এককভাবে, ছুটি ব্যতিত বা কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া নিজ কর্ম থেকে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন বা কর্তব্য সম্পাদনে ব্যর্থ হন, তাহলে ইহা একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধারাটির বিষয়ে গত ২৫ জুন উপদেষ্টা কমিটি ও কর্মচারী নেতাদের বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে ধারাটি বাতিল করে তদস্থলে- দফা (ক) এ উল্লিখিত কার্যক্রম সম্পাদনের উদ্দেশ্যে ছুটি বা যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ ছাড়া অন্যান্য কর্মচারীর সঙ্গে সমবেতভাবে নিজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন বা বিরত থাকেন শব্দগুলো প্রতিস্থাপন হবে।
সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের ৩৭ দফা(গ)-এ বলা হয়েছে, যদি কোনো কর্মচারী অন্য যেকোনো কর্মচারীকে তাহার কর্ম হইতে অনুপস্থিত থাকিতে বা বিরত থাকিতে বা তাহার কর্তব্য পালন না করার জন্য উসকানি দেন বা প্ররোচিত করেন, তাহলে ইহা একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধারার বিষয়ে গত ২৫ জুন অনুষ্ঠিত বৈঠকে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে ধারাটি বাতিল করা হবে। তদস্থলে যেকোনো কর্মচারীকে তাহার কর্মে উপস্থিত হইতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করেন শব্দগুলো প্রতিস্থাপন হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, উল্লিখিত অপরাধগুলোর যেকোনো একটি যদি কোনো কর্মচারী করেন, তাহলে ২৫ মে জারি করা সরকারি চাকরি অধ্যাদেশে তিন ধরনের শাস্তির বিধান উল্লেখ রয়েছে। যেমন- নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, চাকরি থেকে অপসারণ এবং চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। শাস্তির বিষয়ে উপদেষ্টা কমিটি এবং কর্মচারী নেতাদের বৈঠকে আগের একটি শাস্তি বাতিল করে নতুন একটি শাস্তি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। অর্থাৎ চাকরি থেকে অপসারণের পরিবর্তে বাধ্যতামূলক অবসরের ধারাটি যুক্ত হবে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, ২৫ জুন জারি করা অধ্যাদেশে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছিল না। তদন্তের ব্যবস্থা ছিল না। উপদেষ্টা কমিটি ও কর্মচারী নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুসারে কোনো কর্মচারী উল্লিখিত অপরাধ করলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি তিন দিন অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত করে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেবে। তদন্ত কমিটির কাছে অভিযুক্ত কর্মচারী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন। উল্লিখিত অপরাধ যদি কোনো কর্মজীবী নারী করে বসেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি অভিযোগ তদন্ত করবে। কমিটিতে আবশ্যিকভাবে একজন নারী সদস্য থাকবেন। ফলে নারী কর্মজীবীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ৭ দিনের মধ্যে অভিযোগ গঠন, ১৪ দিনের মধ্যে শুনানি সম্পন্ন হবে। অধ্যাদেশে ৭ দিনের মধ্যে শুনানি শেষ করার বিধান রয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে আপিলের সুযোগ আগের মতো বহাল থাকবে। তবে আরোপিত দণ্ডের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা যাবে। উচ্চ আদালতে আপিল রাষ্ট্রপতির রায়ের বিরুদ্ধে নয়, বরং যে কর্তৃপক্ষ শাস্তি দিয়েছে ওই কর্তৃপক্ষের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ থাকবে। রাষ্ট্রপতির কাছে যা করা হবে- তা হচ্ছে মূলত শাস্তি মওকুফের আবেদন করা।
দেশে করোনায় আরও দুইজনের মৃত্যু
শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) করোনায় আক্রান্ত আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে সাতজনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৫৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের।
শনিবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১৮১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। একইসঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ২২ জনের মৃত্যু হলো। এর মাধ্যমে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা (২০২০ থেকে) বেড়ে ২৯ হাজার ৫২১ জনে দাঁড়িয়েছে।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২ জনের মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেটে, অপরজন চট্টগ্রামের বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে করোনাভাইরাস মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু-দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান। ২০২২ সাল থেকে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসতে থাকে। এক পর্যায়ে এটি শূণ্যে নেমে আসে।
একদিনে আরো ২৬২ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, মৃত্যু ১
শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ২৬২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। এই সময়ে ডেঙ্গুতে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বরিশাল বিভাগে ১৪১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ২১৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮ হাজার ৩৮০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৯ হাজার ৪৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য