শিরোনাম
ডেঙ্গুতে একদিনে ৩২৯ জন হাসপাতালে, মৃত্যু ১
শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২৯ জন রোগী। এসব রোগীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩৬ জন আক্রান্ত বরিশাল বিভাগে। একইসঙ্গে এ সময়ে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৩৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৩৮, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৪৩, খুলনা বিভাগে ১৫ জন এবং রাজশাহী বিভাগে ১০ জন ও ময়মনসিংহে ২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে, একদিনে সারা দেশে ৩০১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬ হাজার ৮১৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৭ হাজার ৭৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের।
জাতীয় সংলাপে অধিকাংশ দলের ঐকমত্য
সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করতে পারবেন
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে যে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। রোববার (২২ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সংলাপে এ ঐকমত্য গঠিত হয়।
বিষয়টি নিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সাংবাদিকদের বলেন, তিনটি রাজনৈতিক দল ছাড়া বাকি সবাই মত দিয়েছে, একজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবেও এমন মেয়াদের কথা ছিল।
তিনি জানান, আলোচনায় এ নিয়েও প্রস্তাব উঠেছে যে প্রতি মেয়াদ এক বছর করা হতে পারে, যাতে করে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করা যায়। এ নিয়ে ভিন্নমত থাকায় আলোচনা এখনও চলমান। পরবর্তী বৈঠকের আগে পারস্পরিক মত বিনিময়ের জন্য দুই দিন সময় নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই আলোচনা কেবল প্রধানমন্ত্রী নিয়েই নয়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, নারীর প্রতিনিধিত্ব, সাংবিধানিক পদে নিয়োগে সাংবিধানিক কমিশনের ভূমিকা ও সরাসরি নির্বাচনের প্রশ্নসহ বিভিন্ন বিষয়ে হচ্ছে। আমরা ধাপে ধাপে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিত্তি গড়ে তুলতে চাই।
সংলাপে অংশ নেওয়া ৩৩টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে তিনটি দল ভিন্ন মত পোষণ করেছে। তবে বাকিরা প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসংক্রান্ত প্রস্তাবে ঐকমত্য পোষণ করেছে।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা দ্রুত কোনও সিদ্ধান্তে না গিয়ে সমঝোতার পথ খুঁজছি। এসব বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে সবার মতামতের ভিত্তিতে ঐকমত্যের পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। এতে করে দেশের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তিনি আরও বলেন, যদি শেষ পর্যন্ত ঐক্য না হয়, তবে যে দল বা নেতারা দ্বিমত পোষণ করেন, তাদের মতামত জনগণের কাছে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় অধিবেশনের পঞ্চম দিনের সংলাপ শুরু হয়। এতে অংশ নেয় ৩৩টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৩৩টি দল ও জোটের সঙ্গে ৪৫টি পৃথক অধিবেশন করেছে। এই সংলাপে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে উঠলেও মৌলিক কিছু প্রস্তাবে দ্বিমত ছিল। সে সমস্যা সমাধানে ২ মে থেকে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ শুরু হয়, যার উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ও কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সাবেক তিন সিইসির বিরুদ্ধে ইসিতে বিএনপির অভিযোগ, থানায় মামলা
সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বিরুদ্ধে নাসির উদ্দিন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। দলটির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খানের (মামলা ও তথ্য সংরক্ষণ সমন্বয়ক) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আবেদন নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আসেন। এসময় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের মধ্যে মিজানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাঈম হাসান ছিলেন।
২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিন বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা সাবেক তিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা রেখে থানায় মামলা দায়ের করেছে বিএনপি।
সালাহ উদ্দিন খান বলেন, বিতর্কিত এই তিন নির্বাচনকে ঘিরে বারবার অভিযোগ করার পরেও তৎকালীন সিইসি ও সংশ্লিষ্টরা কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি। আমরা আশা করি বর্তমান নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে ভাইদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। আমরা বিএনপির মহাসচিবের এ সংক্রান্ত চিঠি জমা দিয়েছি।
যেহেতু নির্বাচন ভবন আগারগাঁও এলাকায়, সেজন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করা হয়েছে বলেও জানান বিএনপির নির্বাহী কমিটির এই সদস্য।
আওয়ামী লীগ আমলে হওয়া ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সিইসি, ইসি ও সচিবদের ভূমিকা তদন্তে কমিটি গঠনে অন্তবর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগের মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলো।
জানা যায়, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হয়ে যান। সেই সংসদকে ‘বিনা ভোটের সংসদ’ আখ্যা দেয় ভোট বর্জন করা বিএনপি। কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন এ কমিশনে চার নির্বাচন কমিশনার ছিলেন- সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবু হাফিজ, সাবেক যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আব্দুল মোবারক, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাবেদ আলী এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা দায়রা জজ মো. শাহনেওয়াজ।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠে। অধিকাংশ ভোট আগের রাতে হয়ে যাওয়ার অভিযোগের মধ্যে বিরোধীরা মাত্র সাতটি আসনে জয় পায়। সে নির্বাচনের নাম হয় ‘রাতের ভোট’। কেএম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন এ কমিশনের সদস্য ছিলেন সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ কবিতা খানম ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী।
২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারিতে বিএনপি ও সমমনাদের বর্জনে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক দেখাতে শরিক ও বিরোধীদল জাতীয় পার্টির জন্য আসন ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের সঙ্গে দলের বিদ্রোহীদের। এ নির্বাচনের নাম হয় ‘ডামি’ নির্বাচন। কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন এ কমিশনে চার নির্বাচন কমিশনার ছিলেন— অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর ও আনিছুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ রাশেদা সুলতানা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান।
সবশেষ গত ১৬ জুন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে আলোচনা শেষে সরকারপ্রধানের দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে হওয়া বিতর্কিত তিন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে জড়িত সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবদের ভূমিকা তদন্তে অবিলম্বে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ডেঙ্গু আক্রান্ত ৭ হাজার ছাড়াল, বরিশালেই ৪৬ শতাংশ রোগী
গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ১৫১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৭ হাজার ৭৭ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৩ হাজার ২৮০ জনই বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা, যা মোট রোগীর ৪৬.৩৪ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালে নতুন ভর্তিদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১০, রাজশাহী বিভাগে ২ জন এবং খুলনা বিভাগে ৩ জন রয়েছেন।
একই সময়ে সারা দেশে ১১১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬ হাজার ২১৪ জন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৭ হাজার ৭৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৩০ জনের।
জাতীয় নির্বাচনের তারিখ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। নির্ধারিত সময়েই নির্বাচনের তফসিল জানানো হবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘নির্বাচনি আইন ও বিধি’ বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা ওই প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সিইসি বলেন, ‘যদি বলেন, সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি না? দেখেন একটি নির্বাচন করতে গেলে, যতই আপনি ইসিকে স্বাধীন বলেন না কেন, সরকার ছাড়া নির্বাচন করা সম্ভব না। কারণ সরকারের সহযোগীতা নিয়েই তো আমাকে নির্বাচনটা করতে হবে। আইনি সহায়তা নিতে হবে। সরকারি অফিসারদের সাহায্য নিতে হবে, প্রশাসনের সহায়তা নিতে হবে। সুতরাং সরকার এখানে মুখ্য ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া তো সম্ভব না।’
তিনি আরো বলেন, সরকারের সঙ্গে আমাদের প্রতিনিয়ত যোগাযোগ হচ্ছে বিষয়টা এমন নয়। আবার এমনও নয় যে একদমই হচ্ছে না। আপনারা নির্বাচনের তারিখ যথাসময়ে জানতে পারবেন। নির্বাচনের তফসিলও নির্ধারিত সময়ে ঘোষণা করা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা যেটিকে কর্মপরিকল্পনা বলছি, অনেকেই সেটিকে রোডম্যাপ বলে থাকেন। এটি তৈরির কাজ আসলে আমাদের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শুরু হয়েছে। এতে নির্ধারণ করা হয়েছে কোন কাজ কখন শুরু হবে এবং কখন শেষ হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোডম্যাপ তৈরি করেছেন কি না, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কি না বা নির্বাচন নিয়ে সরকার আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কিনা-এসব বিষয়ে সাংবাদিকরা সিইসির কাছে জানতে চান। জবাবে তিনি বলেন, বিষয়গুলো সময় এলে আপনারা জানতে পারবেন। আমরা রোডম্যাপ বলব না, কর্মপরিকল্পনা বলব। আমাদের অনেক ধরনের কাজ করতে হবে। সেগুলো কোনটা কোন সময় শেষ করব, কোন সময় শুরু করব সেটির পরিকল্পনাকে অনেকে রোডম্যাপ বলে। কিন্তু আমি তা না বলে কর্মপরিকল্পনা বলছি।
তিনি আরো বলেন, যে কোনো অফিসের একটি কর্মপরিকল্পনা থাকে। এতো বড় একটি নির্বাচন হবে, আমাদেরও নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা আছে। যখন দায়িত্ব নিয়েছি তখন থেকেই কর্মপরিকল্পনা করেছি।
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ বিষয়ে তিনি বলেন, ফরমালি হোক বা ইনফরমালি, সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ হতেই পারে। এর জন্য আলাদা করে পরিকল্পনা ঘোষণা বা আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই।
সিইসি বলেন, আমরা সরকারের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত আছি। সংস্কার কমিশনের সুপারিশের মধ্যে ইসি সংস্কারের বিষয়টিও আছে। এগুলো মাথায় রেখেই আমাদের কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছি। সময় হলে সব কিছুই জানানো হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য