শিরোনাম
বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ।
বুধবার ওয়াশিংটন ডিসির স্টেট ডিপার্টমেন্টে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠককালে মার্কিন উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কথা জানা।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বৈঠকে তারা রোহিঙ্গা সংকট, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান শুল্ক আলোচনা, দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ড. খলিলুর রহমান পৃথকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শু ল্কসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন।
দক্ষিণ সিটি মেয়রের মেয়াদ শেষ, শপথ নেওয়ার সুযোগ নেই : আসিফ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুনদের শপথ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বুধবার (১৮ জুন) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, আপনারা জানেন, সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আমাদের আর শপথ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যে পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু কমিশন নতুন করে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বলছে, তারা গেজেট প্রকাশ করেনি অথচ ১৫ দিন পর এসে জানিয়েছে। তখন গেজেটের কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেছে, ২০ দিন পার হয়ে গেছে। এক দিকে একটি অকার্যকর গেজেটকে আবার সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরা হয়েছে এটা আমাদের জন্য খুব বিভ্রান্তিকর।
আসিফ আরও বলেন, আপিল বিভাগ যেভাবে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে, তাতে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ গেজেটটি কার্যকর থাকলেও ২০ দিন আগেই সেটি অকার্যকর হয়ে গেছে। অন্যদিকে আমাদের যে সিটি করপোরেশন, তার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। আমি নিজে আইনজ্ঞ না, তবে আমাদের মাননীয় আইন উপদেষ্টা বিষয়টি খুব ভালোভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি একজন প্রফেসর ও আইন বিশেষজ্ঞ। আইন মন্ত্রণালয় দেখেন, তিনি বিষয়টি যেমন ব্যাখ্যা করেছেন, আমি যতটুকু বুঝেছি, তা-ই বলছি।
তিনি আরও বলেন, পরবর্তী যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে মনে হয়েছে আমরা আরও পরিপক্বভাবে বিষয়টি সামাল দিতে পারতাম। এখন দেখা যাচ্ছে, এক ধরনের অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে গেছে সিটি কর্পোরেশন। আগের মাসের তুলনায় গত মাসে নাগরিক সেবা বিঘ্নিত হয়েছে। এখন পুরোপুরি দখলদারির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কর্পোরেশনের অফিসগুলোও এক ধরনের দখলে চলে গেছে, ফলে আমরা সেবা দিতে পারছি না।
বিএনপির সঙ্গে সরকারের সম্পর্কে টানাপড়েন নেই দাবি করে তিনি বলেন, আপনারা জানেন, এখন আর আগের মতো টেনশন নেই। বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তাতে সম্পর্ক অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। এই সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থা ধরে রাখতে হলে সব পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।
ফোনে জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আবু তাহের। আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা একটি নির্দিষ্ট দলের নেতার সাথে কথা বলেছেন সে বিষয়ে বাকি সব দল বিব্রত হয়েছে। প্রতীকী প্রতিবাদ স্বরূপ দল গতকালের ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আসেনি জামায়াত।
জামায়াতের নায়েবে আমির আরো বলেন, প্রতিবাদের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ফোনে জামায়াত আমিরের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাকে আশ্বস্ত করেছেন, সরকার নিরপেক্ষ। প্রধান উপদেষ্টার এ কথার প্রেক্ষিতে জামায়াত আজকের সংলাপে অংশ নিয়েছে।
নারীদের ১০০ আসনে সরাসরি ভোটে জামায়াতের আপত্তি নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে আজ বুধবার যোগ দেন জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দল। জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আজাদ।
গতকাল মঙ্গলবার ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় আলোচনায় যোগ দেয়নি জামায়াতে ইসলামী।
অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে 'জুলাই সনদ' প্রকাশ করবো: প্রধান উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘আগামী মাসে ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে আমরা ‘জুলাই সনদ’ প্রকাশ করবো।
আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার নতুন হাইকমিশনার সুসান রাইল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এ কথা বলেন তিনি।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘অনেক বছর পর মানুষ, বিশেষ করে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাওয়া তরুণরা, একটি
ইরান-ইসরায়েল সংঘাত
তেহরান থেকে দূতাবাসকর্মী ও প্রবাসীদের সরিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ
ইসরায়েলি হামলার মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কায় তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে সরকার। ইরানের তেহরানে প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে প্রায় ১০০ প্রবাসী বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। একই সঙ্গে, কূটনীতিকসহ দূতাবাসের ৪০ জনকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের কাজ চলছে।
মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রুহুল আলম সিদ্দিকী এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আমরা তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন, যারা তেহরানে আছে। তারা হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে আছেন। তাদের এবং আমাদের দূতাবাসে যারা কাজ করছেন, তাদের জন্য এখন কাজ করছি, যাতে তারা নিরাপদে থাকতে পারেন।
তেহরানে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তেহরানে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যে ১০০ জন দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হটলাইনে যোগাযোগ করে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এই ১০০ জনের সঙ্গে দূতাবাসের ৪০ জন কর্মীকে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানান পররাষ্ট্র সচিব।
শুক্রবার স্থানীয় সময় ভোররাত ৪টার পর ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং সামরিক কমান্ডারদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের হামলা শুরু হয়। দুই দেশের হামলা পাল্টা হামলা পঞ্চম দিনে গড়িয়েছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে ইরানে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি নাগরিক এবং তাদের স্বজনদের জরুরি যোগাযোগের জন্য হটলাইন (+৯৮৯৯০৮৫৭৭৭৩৬৮, +৯৮৯১২২০৬৫৭৪৫) চালু করেছে সরকার।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য