শিরোনাম
শেষ হয়েছে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠক, ফলাফল কি?
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মধ্যে বৈঠক শেষ হয়েছে।
লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা) বৈঠকটি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টা) বৈঠক শেষ হয়। বৈঠক শেষে তারেক রহমান ডরচেস্টার হোটেল ত্যাগ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, তাদের মধ্যে একান্তে এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবেন বলেও জানিয়েছেন শফিকুল আলম।
এর আগে তারেক রহমান হোটেলের সামনে পৌঁছালে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম স্বাগত জানান।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময়-বিতর্কের মধ্যে বৈঠকটি হলো। গত বছরের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ও দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতার প্রথম সাক্ষাৎ। গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার, নির্বাচনের সময়সহ বহু অমীমাংসিত বিষয় সামনে রেখে এ বৈঠককে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচন, সংস্কার, জুলাই ঘোষণাসহ নানাবিধ কারণে সরকার ও বিএনপির দুই শীর্ষ নেতার এই বৈঠক ঘিরে সব মহলে বেশ কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বৈঠকটি দুই ঘণ্টা হবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে দেড় ঘণ্টাতে বৈঠক শেষ হয়েছে।
ড. ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক শুরু
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ওয়ান টু ওয়ান’ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ জুন) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে এ বৈঠক শুরু হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দুপুর ২টায় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যকার বৈঠক শুরু হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টার কিছু আগে হোটেল পৌঁছান তারেক রহমান। তাকে হোটেলে স্বাগত জানান অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ অন্যান্যরা।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায় বাসা থেকে রওনা হন।
জানা গেছে, ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যকার এই বৈঠক ওয়ান টু ওয়ান হবে। সেখানে দুই পক্ষের আর কারও অংশ নেওয়ার সম্ভবনা নেই।
বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের উদ্বৃতি দিয়ে সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির জানান, তারেক রহমান বাসা থেকে রওনা হওয়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপার্সন ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
শায়রুল কবির বলেন, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন তারেক রহমান।
বাড়ছে সংক্রমণ
করোনার ওমিক্রন প্রতিরোধে প্রয়োজন নতুন টিকা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের (ধরন) দু-একটি সাব-ভ্যারিয়েন্টের (উপ-ধরন) সংক্রমণ বাড়ছে। বাংলাদেশেও নতুন একটি উপধরনের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। যে সংক্রমণ প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর নতুন টিকা। বিশেষ করে যে টিকাগুলো ২০২৪-২৫ সালে উৎপাদিত হয়েছে। এমন তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, নতুন টিকাগুলো করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে বিশেষ কার্যকর। তবে নতুন টিকা না থাকলে পুরোনো টিকা নিয়েও এটি প্রতিরোধ করা যাবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা এর আগে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেননি এবং যাদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে (যেমন—হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, শ্বাসতন্ত্রের রোগ ইত্যাদি) তাদের টিকা নিতে হবে। যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদেরও টিকা নিতে হবে। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বাদের ক্ষেত্রে প্রতিবার গর্ভধারণের পর টিকা গ্রহণ করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. হালিমুর রশীদ বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, অন্তঃসত্ত্বা এবং যাদের শ্বাসতন্ত্রের রোগ রয়েছে তাদের টিকা নিতে হবে। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সব সাব-ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে নতুন টিকা বিশেষ কার্যকর, তবে পুরোনো টিকাও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের হাতে ১৭ লাখ টিকা মজুত রয়েছে। আমরা সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রদানের ব্যবস্থা করব।’
সংক্রমণ ঠেকাতে ১১ নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর বলেছেন, যাদের শরীরে করোনা রোগের লক্ষণ দেখা দেবে তাদের পরীক্ষা করাতে হবে। তবে সবার পরীক্ষা করানোর দরকার নেই বলেও জানান তিনি। গতকাল বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
করোনা পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট মজুত রয়েছে কি না—জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, বর্তমানে অধিদপ্তরের কাছে ২৮ হাজার র্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট এবং ১০ হাজার আরটিপিসিআর (রিয়েল টাইম পলিমার চেইন রিঅ্যাকশন) কিট রয়েছে। নতুন করে কিট সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিগগির সেগুলো যুক্ত হবে বলেও জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে মো. আবু জাফর বলেন, করোনাভাইরাসের কয়েকটি নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট এরই মধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার প্রতিরোধে দেশের সব স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের আইএইচআর ডেস্কগুলোয় নজরদারি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়গুলো জোরদার করতে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সময় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। যেগুলোর মধ্যে জনসাধারণের জন্য করণীয়: ১. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার ২. শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধে নিয়মিত মাস্ক পরা ৩. হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা ৪. ব্যবহৃত টিস্যু নিরাপদ স্থানে ফেলা ৫. নিয়মিত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান-পানি বা স্যানিটাইজারে হাত ধোয়া ৬. অপরিষ্কার হাতে চোখ-নাক-মুখ স্পর্শ না করা। ৭. আক্রান্তদের থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য পরামর্শ: ১. উপসর্গ থাকলে বাড়িতে বিশ্রামে থাকা ২. রোগীকে মাস্ক পরতে উৎসাহ দেওয়া ৩. সেবাদানকারীদের মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা ৪. প্রয়োজনে আইইডিসিআর (০১৪০১-১৯৬২৯৩) বা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩)-এ যোগাযোগ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, সংক্রমণ রোধে সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আরটিপিসিআর ও র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা, টিকা সরবরাহ, চিকিৎসা নির্দেশিকা, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও অক্সিজেন এবং আইসিইউ সুবিধাসহ বিশেষায়িত কভিড হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় পিপিই, কেএন-৯৫ মাস্ক, ফেস শিল্ডসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও মজুত রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞের বক্তব্য: দেশে করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সি বলেন, ‘আমাদের দেশে কভিডের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটাকে ভ্যারিয়েন্ট অব মনিটরিং হিসেবে উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ করছে। আক্রান্তদের মধ্যে যদি কারও কো-মর্বিডিটি থাকে, তাবে তারা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবেন। এখনই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের অবস্থা সৃষ্টি হয়নি।’
এক দিনে শনাক্ত আরও ১০ জন: দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ১০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এই ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জনে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের প্রত্যেকেই ঢাকা মহানগরী এলাকার বাসিন্দা। এর আগের দিন (১০ জুন) ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুজন। এতে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৮০ জনে। মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ০৫ শতাংশ। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই হার ০৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।
ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার শোক, পাশে থাকার আশ্বাস
ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
শোক বার্তায় ড. ইউনূস বলেন, ‘আহমেদাবাদে ২৪২ জন যাত্রী বহনকারী এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিমানের দুর্ঘটনার খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার আন্তরিক সহানুভূতি ও সমবেদনা।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই দুঃসময়ে আমরা ভারতের জনগণ ও সরকারের পাশে আছি। প্রয়োজনে সব ধরনের সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত। অনুগ্রহ করে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও বিবেচনায় আমার আশ্বাস গ্রহণ করুন।’
সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় হতে পারে ঝড়
দেশের ৬ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের নদীবন্দরের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এ সময় এ সব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ০১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সারা দেশের জন্য দেওয়া ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিন টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাগেরহাট, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য