ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সংজ্ঞায় পরিবর্তন, কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে সহযোগী?

অনলাইন ডেস্ক
৪ জুন, ২০২৫ ১৪:১১
অনলাইন ডেস্ক
সংজ্ঞায় পরিবর্তন, কে মুক্তিযোদ্ধা আর কে সহযোগী?

বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরাসরি যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেননি, তাঁদের মধ্যে মুজিবনগর সরকার, বীরাঙ্গনা এবং মুক্তিযুদ্ধে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া চিকিৎসক, নার্স ও চিকিৎসকদের সহায়কদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

এর বাইরে অন্যদের মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে রাখা হয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আইন সংশোধন করে গতকাল মঙ্গলবার রাতে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

বীর মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যাঁরা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে গ্রামে-গঞ্জে যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং যেসব ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সীমানা অতিক্রম করে ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হানাদার ও দখলদার পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আলশামস, তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং দালাল ও শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন, এরূপ সব বেসামরিক নাগরিক ওই সময় যাঁদের বয়স সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়সের মধ্যে; এবং সশস্ত্র বাহিনী, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), পুলিশ বাহিনী, মুক্তিবাহিনী, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ও ওই সরকারের স্বীকৃত অন্যান্য বাহিনী, নৌ কমান্ডো, কিলো ফোর্স, আনসার সদস্যরা বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

এর বাইরে হানাদার ও দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের সহযোগী কর্তৃক নির্যাতিত সব বীরাঙ্গনা এবং মুক্তিযুদ্ধকালে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী ফিল্ড হাসপাতালের সব ডাক্তার, নার্স ও চিকিৎসা সহকারীদের বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সহযোগীর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে দেশের অভ্যন্তরে বা প্রবাসে অবস্থান করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দীপিত করা এবং মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করার প্রয়াসে সংগঠকের ভূমিকা পালন, বিশ্বজনমত গঠন, কূটনৈতিক সমর্থন অর্জন এবং মনস্তাত্ত্বিক শক্তি অর্জনের প্রেক্ষাপটে যেসব বাংলাদেশের নাগরিক প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করেছেন। এই শ্রেণিতে কারা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন, তা-ও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যেসব বাংলাদেশি পেশাজীবী মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশে অবস্থানকালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশেষ অবদান রেখেছিলেন এবং যেসব বাংলাদেশি নাগরিক বিশ্বজনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, যেসব ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) অধীন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বা দূত এবং ওই সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তার, নার্স বা অন্যান্য সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন; মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের (মুজিবনগর সরকার) সঙ্গে সম্পৃক্ত সব এমএনএ বা এমপিএ; যাঁরা পরবর্তীকালে গণপরিষদের সদস্য হিসেবে গণ্য হয়েছিলেন; স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সব শিল্পী ও কলাকুশলী এবং দেশ ও দেশের বাইরে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সব বাংলাদেশি সাংবাদিক এবং স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।

আগের আইনে যত জায়গায় বঙ্গবন্ধুর নাম ছিল, অধ্যাদেশে তার সবই বাদ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানি বাহিনীর এ দেশীয় সহযোগীর তালিকা থেকে মুজাহিদ বাহিনীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বাহিনীর তালিকা থেকে মুজিব বাহিনীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

 

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা

    শেখ মুজিবসহ অন্যদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা বাতিলের বিষয়টি সঠিক নয়

    অনলাইন ডেস্ক
    ৪ জুন, ২০২৫ ১৩:২২
    অনলাইন ডেস্ক
    শেখ মুজিবসহ অন্যদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা বাতিলের বিষয়টি সঠিক নয়

    শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুজিবনগর সরকারের অন্যদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা বাতিলের বিষয়ে যা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম।

    বুধবার (৪ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

    তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুসহ মুজিবনগর সরকারের অন্যদের মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা বাতিলের বিষয়ে যা বলা হচ্ছে সেটি সঠিক নয়। 

    মুজিবনগর সরকার পুরো যুদ্ধ পরিচালনা করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

    তিনি আরও বলেন, এটা তো ঐতিহাসিক সত্য যে, এই সরকার পুরো যুদ্ধটা পরিচালনা করেছে। এটা কেমন করে ইতিহাস পরিবর্তন করা যায়? এটা একটা মিসলিডিং নিউজ হয়েছে। এটা সত্য হয়নি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

      অনলাইন ডেস্ক
      ৪ জুন, ২০২৫ ১২:৩৩
      অনলাইন ডেস্ক
      ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল

      রাজধানী ঢাকার দ্রুততম ও আধুনিক বাহন মেট্রোরেল চলাচল পবিত্র ঈদুল আজহার দিন অর্থাৎ ৭ জুন বন্ধ থাকবে।

      বুধবার (৪ জুন) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক (প্রশাসক) এ কে এম খায়রুল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

      এতে বলা হয়েছে, আগামী ০৭ জুন (শনিবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ঈদের পরের দিন অর্থাৎ ০৮ জুন সকাল ৮টা থেকে ৩০ মিনিট হেডওয়ে অনুযায়ী মেট্রো ট্রেন চলাচল করবে। ৯ জুন থেকে সরকারি ছুটির দিনের সময়সূচি অনুযায়ী মেট্রো ট্রেন যথারীতি চলাচল করবে।

      প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ঈদের দিন বৃষ্টি হবে কী না , সবশেষ যা জানাল আবহাওয়া অফিস

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুন, ২০২৫ ২১:২৮
      অনলাইন ডেস্ক
      ঈদের দিন বৃষ্টি হবে কী না , সবশেষ যা জানাল আবহাওয়া অফিস

      গত কয়েকদিন ধরে দেশে বৃষ্টি ঝরছে। আগামী পাঁচ দিন টানা বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে কোথাও অতিভারি বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। আবহাওয়া অফিসের বার্তা অনুযায়ী, ঈদের দিনও বৃষ্টি হতে পারে।

      মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

      এতে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে—এ অবস্থায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তারলাভ করতে পারে।

      বুধবার (৪ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও দেশের সব বিভাগে বৃষ্টি ঝড়বে। এ দিন সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

      আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

      এ ছাড়া শুক্রবার (৬ জুন) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

      পরদিন শনিবার (৭ জুন) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো অথবা হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

      এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ সময় তাপমাত্রা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

      এদিকে সোমবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সাতক্ষীরায় ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল টাঙ্গাইলে ২১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কক্সবাজারে ১০৯ মিলিমিটার।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহা’র প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুন, ২০২৫ ২১:১২
        অনলাইন ডেস্ক
        জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহা’র প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়

        পবিত্র ঈদুল আযহা’র প্রধান জামাত আগামী ৭ জুন সকাল সাড়ে সাতটায় ঢাকায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে প্রধান জামাত বায়তুল মুকাররম মসজিদে সকাল আটটায় অনুষ্ঠিত হবে।

        আজ এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বায়তুল মুকাররম মসজিদে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বায়তুল মুকাররমে প্রথম জামাত সকাল সাতটায় এবং দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও শেষ জামাত পর্যায়ক্রমে সকাল আটটা, নয়টা, দশটা এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

        জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত জামাত টেলিভিশনসমূহে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

        এছাড়া, ঢাকা শহরের প্রসিদ্ধ মসজিদগুলোর ঈদ জামাত ও বৃহত্তর জেলাগুলোর প্রধান জামাতের সময়সূচি ঈদের আগের দিন বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বেসরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে সর্বসাধারণকে জানানো হবে।  

        প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য
        সর্বশেষ সংবাদ
          সর্বাধিক পঠিত