ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

রাজধানীতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো পশু হাটের কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ১৮:৪৫
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো পশু হাটের কার্যক্রম

রাজধানীর কুরবানি পশুর হাটগুলো গরু-ছাগল-মহিষসহ বিভিন্ন কুরবানিযোগ্য পশুতে ভরে উঠেছে। স্বল্পপরিসরে বিক্রিও শুরু হয়েছে। তবে পুরোপুরি জমে ওঠেনি। 

মঙ্গলবার থেকে বিক্রি পুরোপুরি জমে উঠবে এমনটাই আশা করছেন হাটের ইজারাদার ও বিক্রেতারা। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইজারার নিয়ম অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে হাট শুরু হচ্ছে। এসব হাটের সার্বিক তদারকির জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। মাঠে থাকবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকার পূর্বাচল ৩০০ ফুট সড়ক নামে পরিচিত এক্সপ্রেসওয়ের পাশে মস্তুল এলাকায় অস্থায়ী কুরবানি পশুর হাট বসেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে পশু নিয়ে আসছেন বিক্রেতারা। স্থানীয় কিছু লোকজন হাটে এসেছেন গরু দেখতে। এর মধ্যে কিছু গরু বিক্রিও হয়েছে।

কুষ্টিয়া সদর থেকে ১৪টি গরু এনেছেন বারেক মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি জানান, গত বছরও এ হাটেই এসেছিলেন। এবার এক ট্রাকে ১৫টি গরু এনেছেন। তবে এখনো কোনো গরু বিক্রি হয়নি।

রাজধানীর হাজারীবাগে দেশি গরু উঠেছে অনেক। উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে মাঝারি থেকে বড় আকারের গরু। তবে লাগাতার বৃষ্টির দাপটে এখনো জমে ওঠেনি বেচাকেনা। হাটে এসেছেন অনেক ব্যাপারী। 

সরেজমিন দেখা যায়, লেদার ইনস্টিটিউট কলেজসংলগ্ন সড়ক, বেড়িবাঁধ, বউবাজার, কালুনগর, হাজারীবাগ কাঁচাবাজার, ঢাকা ট্যানারি মোড়, ম্যাটাডোর ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এলাকা ও সিকদার মেডিকেল পর্যস্ত বিস্তৃত এলাকায় গরুর অস্থায়ী শেড গড়ে উঠেছে। 

রংপুরের পীরগাছা থেকে হাজারীবাগ হাটে আসা হায়দার বলেন, ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে এই হাটে আসি। এবার ৩৭টি গরু এনেছি, দাম ৭০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা। 

ঝিনাইদহের ছন্টু ব্যাপারী বলেন, তিন বছর ধরে লালনপালন করা একটি গরু এনেছি। তিন লাখ টাকা হলে বিক্রি করব। ক্রেতা আসছে না বৃষ্টির কারণে। কেউ কেউ অল্প দাম বলে চলে যাচ্ছে।

আমুলিয়া মডেল টাউন ও সারুলিয়া হাটে স্থল ও নদীপথে প্রচুর গরু আসছে। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা বিক্রেতারা কিছুতেই দাম ছাড়তে রাজি নন। স্থানীয় ক্রেতাসাধারণ বিচ্ছিন্নভাবে ঘুরাফেরা করছেন হাটে। দেখছেন বিভিন্ন প্রজাতির গরু ও ছাগল। 

সরেজমিন দেখা যায়, এখানে নজর কাড়ছে দেশি শাহিওয়াল, ব্রাহামা, নেপালিসহ ভারতীয় বৈল জাতের বড় বড় গরু। পাশাপাশি রয়েছে ২ থেকে ৪ দাঁতওয়ালা ছোট-মাঝারি গরু। 

ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গরু-ছাগল নিয়ে ব্যাপারীরা আসছেন রাজধানীর শাহজাহানপুর পশুর হাটে। শুরু হয়েছে বেচাকেনাও। ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি। ছোট গরুতে নজর বেশি ক্রেতার। তবে বড় গরু দেখলে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। দাম জিজ্ঞাসা করছেন। 

সরেজমিন দেখা যায়, গরু-ছাগলে ভরে গেছে পুরো মাঠ। ব্যস্ত সময় পার করছেন হাসিল ঘরের লোকজন। 

রাজধানীর গাবতলী কুরবানির হাটের ছাউনিগুলো পশুতে ভরে উঠেছে। একের পর এক ট্রাকভর্তি পশু গাবতলীতে ঢুকছে। আরও নতুন শেড তৈরির কাজ চলছে। গাবতলী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে পর্যাপ্ত পশু রয়েছে এখানে। ব্যাপারীরা বৃষ্টি আর কাদাপানির মধ্যে গরু খুঁটিতে বেঁধে দাঁড়িয়ে আছেন। 

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। ২ মন ওজনের গরু ৬৫ থেকে ৭০ হাজার এবং ৪ মন ওজনের গরু ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

মিরপুর ১ নাম্বারের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন বলেন, কয়েকদিন ধরে হাট ঘুরে দেখছি। আগে দাম একটু বেশি মনে হলেও এখন কমছে। 

মুন্না অ্যাগ্রোফার্মের মালিক ইমরান এসেছেন সাভার থেকে। তিনি বলেন, হাটে ৪০টি গরু এনেছি। আরও ৬৫টি গরু আমিনবাজারের পথে। এ বছর গরুর দাম গতবারের চেয়ে একটু বেশি হবে। কারণ আমদানি কম। আর আওয়ামী লীগ সমর্থিত যেসব খামারি (ব্যবসায়ী) ছিল, ৫ আগস্টের পর তারা পালিয়েছে। ওইসব খামারের গরুর কোনো হদিস নেই।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    পরিবারসহ সাংবাদিক মুন্নী শাহার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৬:৫৮
    অনলাইন ডেস্ক
    পরিবারসহ সাংবাদিক মুন্নী শাহার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে সাংবাদিক মুন্নী সাহা ও তার পরিবারের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

    দুদক বলছে, সম্প্রতি বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয়। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই মুন্নী সাহা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিদেশ গমন সীমিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে তদন্ত চলাকালে কেউ দেশত্যাগ করতে না পারেন।

    একই আদেশে ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবারের তিনটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ এবং প্রায় ৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে এনআইডি ব্লক এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের সাবেক সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং এ বি এম তাজুল ইসলাম ও তাদের পরিবার সদস্যদের বিরুদ্ধেও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    দুদকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, তাদের সম্পদ ও লেনদেন যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

     

    মন্তব্য

    তালাবদ্ধ এনটিআরসিএ কার্যালয়, আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:৪৯
    অনলাইন ডেস্ক
    তালাবদ্ধ এনটিআরসিএ কার্যালয়, আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

    ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও আবেদনের সুযোগ না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তিন দফা আন্দোলনে স্থবির হয়ে পড়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম। এ কারণে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কার্যালয়ের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ জুন) বেলা ২টায় সরেজমিনে এনটিআরসিএর কার্যালয়ে দেখা যায়, চতুর্থ তলায় কলাপসিবল গেটটি তালা মেরে রাখা হয়েছে। ভেতরে থাকা এক কর্মচারীকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভেতরে যাওয়ার কথা বলা হলে তিনি অপেক্ষা করতে বলেন। পরে এনটিআরসিএর সচিবের অনুমতি পেয়ে এ প্রতিবেদককে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সে জন্য গেটে তালা মেরে রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে।’

    এর আগে তিন দফা দাবিতে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের বোরাক টাওয়ার অবরোধ করেন ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও আবেদনের সুযোগ না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা বোরাক টাওয়ারের সামনেই অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।

    ১৭তম নিবন্ধনের নিয়োগবঞ্চিত ফোরামের অন্যতম সংগঠম মো. ইউসুফ ইমন বলেন, ‘এক বছরের নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ করতে এনটিআরসিএ চার বছর সময় লাগিয়েছে। এর দায় এনটিআরসিএকে নিতে হবে। আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে এসেছি। তবু আমাদের আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আমরা বোরাক টাওয়ার অবরোধ করে রেখেছি।’

    ১৭তম নিবন্ধনের নিয়োগবঞ্চিতদের তিন দফা দাবি হলো :

    ১. এনটিআরসিএকে আমাদের ১৭তম ব্যাচের নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে সদিচ্ছা পোষণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বয়সের পেছনের তারিখ উল্লেখ করে একটা চিঠি পাঠাতে হবে।

    ২. ১৭তম ব্যাচের বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী ১৮তমদের রেজাল্ট এবং ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থাগিত করতে হবে।

    ৩. প্রয়োজন হলে এনটিআরসিএ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আজই ১৭তমদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে ১২শ বস্তা চাল, জানা গেল আসল সত্য

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:৪২
      অনলাইন ডেস্ক
      উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে ১২শ বস্তা চাল, জানা গেল আসল সত্য

      স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাড়িতে ১২০০ বস্তা চাল পাওয়া গেছে— সম্প্রতি এমন একটি পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে ভিডিও'র সঙ্গে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে মিলল ১২০০ বস্তা চাল। তার বাবাকে জবাব দিতে বললে তিনি ঘুষ দিয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

      মঙ্গলবার বিষয়টি খোলাসা করেছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নিজেই। তিনি বিষয়টিকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

      তার দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠনের বিভিন্ন সাইবার সেল থেকে এই গুজব ছড়ানো হয়েছে এবং কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তা প্রচার করেছেন।

      দুপুর সোয়া দুইটাই ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, চাঁদপুরের একটি ঘটনাকে তার পারিবারিক ঘটনা হিসেবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তা প্রচার করেছেন।

      আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, এই গুজবের পরিপ্রেক্ষিতে নগর ভবন অবরোধকারী জনৈক নেতার কর্মীরা তার বাবাকে উদ্দেশ্য করে চালচোর, গমচোর স্লোগান দিচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের বন্ধুরাও শুধুমাত্র প্রতিহিংসাবশত নিষিদ্ধ সংগঠনের ছড়ানো গুজব দিয়ে তার এবং তার পরিবারের মানহানি করছেন।

      আসিফ মাহমুদ তার পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অথচ জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা গঠনমূলক রাজনীতি প্রত্যাশা করেছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তরুণ নেতৃত্ব ও গঠনমূলক রাজনীতির পরিবর্তে প্রতিহিংসা এবং ব্যক্তি আক্রমণের রাজনীতি বেছে নিচ্ছে।

      তিনি স্পষ্ট করে জানান, আলোচিত ঘটনাটি চাঁদপুরের শাহরাস্তির।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ৩৬ জেলার ৪,৫৫১ জুলাই যোদ্ধা পাচ্ছেন স্বাস্থ্য কার্ড

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:২৭
        অনলাইন ডেস্ক
        ৩৬ জেলার ৪,৫৫১ জুলাই যোদ্ধা পাচ্ছেন স্বাস্থ্য কার্ড

        সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ৩৬ জেলার আহত ৪ হাজার ৫৫১ জন জুলাই যোদ্ধাকে এ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। বাকি জেলার আহতরাও পর্যায়ক্রমে এ কার্ড পাবেন।

        স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জুলাই যোদ্ধাদের জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণের কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলার প্রস্তুতকৃত স্বাস্থ্য কার্ডগুলো সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ।

        গত রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনকে একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি মনোনয়ন দিয়ে তার নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও স্বাক্ষরসহ তথ্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পাঠাতে হবে। এরপর সেই প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাস্থ্য কার্ডগুলো বুঝে নিয়ে স্ব স্ব জেলায় আহত যোদ্ধাদের সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দিতে হবে।

        দেশের ৩৬ জেলায় স্বাস্থ্য কার্ড যারা পাচ্ছেন  এদের মধ্যে কিশোগঞ্জের ১১২ জন, নরসিংদীর ৪৩০ জন, কুমিল্লার ১০৮ জন, চট্টগ্রামের ১৬৮ জন, ফেনীর ১০৬ জন, বরিশালের ৮২ জন, ঢাকার ৩৭৭ জন, দিনাজপুরের ৬০ জন, সিলেটের ৮৬ জন, টাঙ্গাইলের ২৫৫ জন, সিরাজগঞ্জের ১৪৩ জন, গাইবান্ধার ৩৯ জন, বগুড়ার ২৯৬ জন, লক্ষ্মীপুরের ১৬৬ জন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার ১৭ জন, নীলফামারীর ৩৪ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ২২১ জন, কুড়িগ্রামের ১৫ জন, গাজীপুরের ৩৭৫ জন, নোয়াখালীর ১০১ জন, ঝিনাইদহের ২৭ জন, নাটোরের ৪ জন, নারায়ণগঞ্জের ১০০ জন, কুষ্টিয়ার ৪৩২ জন, পিরোজপুরের ১৩ জন, জয়পুরহাটের ৬  জন, ময়মনসিংহের ১৭৯ জন, রংপুরের ১১২ জন, ভোলার ৭৬ জন, চাঁদপুরের ১১৮ জন, যশোরের ১৩ জন, নওগাঁয়ের ৫ জন,মাদারীপুরের ৮১ জন এবং বরগুনার ৯৫ জন।

        স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ জানায়, স্বাস্থ্য কার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে বা বিশেষ ছাড়ে গ্রহণ করতে পারবেন তারা। স্বাস্থ্য কার্ডের সেবা মূলত রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

        এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের সারাদেশে সকল সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক  ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধা নরসিংদী ইউনাইটেড কলেজের শিক্ষার্থী ইফাত হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমুর হাতে স্বাস্থ্য কার্ড তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা।

        স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বাসসকে বলেন, ‘এই হেলথ কার্ড থাকার অর্থ হলো এক বছর পরে হোক, দু’বছর পরে হোক যে কোনো সময় দেশের যে কোনো সরকারি হাসপাতালে কার্ডধারীরা চিকিৎসা পাবেন। এই কার্ড সবসময়ই থাকবে।’

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত