ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

তালাবদ্ধ এনটিআরসিএ কার্যালয়, আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

অনলাইন ডেস্ক
৩ জুন, ২০২৫ ১৫:৪৯
অনলাইন ডেস্ক
তালাবদ্ধ এনটিআরসিএ কার্যালয়, আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও আবেদনের সুযোগ না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীদের তিন দফা আন্দোলনে স্থবির হয়ে পড়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কার্যক্রম। এ কারণে কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কার্যালয়ের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) বেলা ২টায় সরেজমিনে এনটিআরসিএর কার্যালয়ে দেখা যায়, চতুর্থ তলায় কলাপসিবল গেটটি তালা মেরে রাখা হয়েছে। ভেতরে থাকা এক কর্মচারীকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ভেতরে যাওয়ার কথা বলা হলে তিনি অপেক্ষা করতে বলেন। পরে এনটিআরসিএর সচিবের অনুমতি পেয়ে এ প্রতিবেদককে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনটিআরসিএর সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সে জন্য গেটে তালা মেরে রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা চেয়ে ডিএমপি কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়েছে।’

এর আগে তিন দফা দাবিতে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের বোরাক টাওয়ার অবরোধ করেন ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েও আবেদনের সুযোগ না পাওয়া চাকরিপ্রার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা বোরাক টাওয়ারের সামনেই অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।

১৭তম নিবন্ধনের নিয়োগবঞ্চিত ফোরামের অন্যতম সংগঠম মো. ইউসুফ ইমন বলেন, ‘এক বছরের নিবন্ধন পরীক্ষা শেষ করতে এনটিআরসিএ চার বছর সময় লাগিয়েছে। এর দায় এনটিআরসিএকে নিতে হবে। আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে এসেছি। তবু আমাদের আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমাদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আমরা বোরাক টাওয়ার অবরোধ করে রেখেছি।’

১৭তম নিবন্ধনের নিয়োগবঞ্চিতদের তিন দফা দাবি হলো :

১. এনটিআরসিএকে আমাদের ১৭তম ব্যাচের নিয়োগ সুপারিশের লক্ষ্যে সদিচ্ছা পোষণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বয়সের পেছনের তারিখ উল্লেখ করে একটা চিঠি পাঠাতে হবে।

২. ১৭তম ব্যাচের বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী ১৮তমদের রেজাল্ট এবং ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম স্থাগিত করতে হবে।

৩. প্রয়োজন হলে এনটিআরসিএ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আজই ১৭তমদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে ১২শ বস্তা চাল, জানা গেল আসল সত্য

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:৪২
    অনলাইন ডেস্ক
    উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে ১২শ বস্তা চাল, জানা গেল আসল সত্য

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বাড়িতে ১২০০ বস্তা চাল পাওয়া গেছে— সম্প্রতি এমন একটি পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে ভিডিও'র সঙ্গে ক্যাপশনে উল্লেখ করা হয়, উপদেষ্টা আসিফের বাড়িতে মিলল ১২০০ বস্তা চাল। তার বাবাকে জবাব দিতে বললে তিনি ঘুষ দিয়ে পুলিশকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

    মঙ্গলবার বিষয়টি খোলাসা করেছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ নিজেই। তিনি বিষয়টিকে গুজব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    তার দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠনের বিভিন্ন সাইবার সেল থেকে এই গুজব ছড়ানো হয়েছে এবং কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তা প্রচার করেছেন।

    দুপুর সোয়া দুইটাই ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, চাঁদপুরের একটি ঘটনাকে তার পারিবারিক ঘটনা হিসেবে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কোনো প্রকার যাচাই ছাড়াই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা তা প্রচার করেছেন।

    আসিফ মাহমুদ উল্লেখ করেন, এই গুজবের পরিপ্রেক্ষিতে নগর ভবন অবরোধকারী জনৈক নেতার কর্মীরা তার বাবাকে উদ্দেশ্য করে চালচোর, গমচোর স্লোগান দিচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের বন্ধুরাও শুধুমাত্র প্রতিহিংসাবশত নিষিদ্ধ সংগঠনের ছড়ানো গুজব দিয়ে তার এবং তার পরিবারের মানহানি করছেন।

    আসিফ মাহমুদ তার পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, অথচ জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা গঠনমূলক রাজনীতি প্রত্যাশা করেছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তরুণ নেতৃত্ব ও গঠনমূলক রাজনীতির পরিবর্তে প্রতিহিংসা এবং ব্যক্তি আক্রমণের রাজনীতি বেছে নিচ্ছে।

    তিনি স্পষ্ট করে জানান, আলোচিত ঘটনাটি চাঁদপুরের শাহরাস্তির।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ৩৬ জেলার ৪,৫৫১ জুলাই যোদ্ধা পাচ্ছেন স্বাস্থ্য কার্ড

      অনলাইন ডেস্ক
      ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:২৭
      অনলাইন ডেস্ক
      ৩৬ জেলার ৪,৫৫১ জুলাই যোদ্ধা পাচ্ছেন স্বাস্থ্য কার্ড

      সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে ৩৬ জেলার আহত ৪ হাজার ৫৫১ জন জুলাই যোদ্ধাকে এ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। বাকি জেলার আহতরাও পর্যায়ক্রমে এ কার্ড পাবেন।

      স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জুলাই যোদ্ধাদের জরুরি ভিত্তিতে স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণের কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলার প্রস্তুতকৃত স্বাস্থ্য কার্ডগুলো সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জনদের কাছে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ।

      গত রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনকে একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি মনোনয়ন দিয়ে তার নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও স্বাক্ষরসহ তথ্য স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পাঠাতে হবে। এরপর সেই প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাস্থ্য কার্ডগুলো বুঝে নিয়ে স্ব স্ব জেলায় আহত যোদ্ধাদের সুবিধাজনক স্থানে পৌঁছে দিতে হবে।

      দেশের ৩৬ জেলায় স্বাস্থ্য কার্ড যারা পাচ্ছেন  এদের মধ্যে কিশোগঞ্জের ১১২ জন, নরসিংদীর ৪৩০ জন, কুমিল্লার ১০৮ জন, চট্টগ্রামের ১৬৮ জন, ফেনীর ১০৬ জন, বরিশালের ৮২ জন, ঢাকার ৩৭৭ জন, দিনাজপুরের ৬০ জন, সিলেটের ৮৬ জন, টাঙ্গাইলের ২৫৫ জন, সিরাজগঞ্জের ১৪৩ জন, গাইবান্ধার ৩৯ জন, বগুড়ার ২৯৬ জন, লক্ষ্মীপুরের ১৬৬ জন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার ১৭ জন, নীলফামারীর ৩৪ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ২২১ জন, কুড়িগ্রামের ১৫ জন, গাজীপুরের ৩৭৫ জন, নোয়াখালীর ১০১ জন, ঝিনাইদহের ২৭ জন, নাটোরের ৪ জন, নারায়ণগঞ্জের ১০০ জন, কুষ্টিয়ার ৪৩২ জন, পিরোজপুরের ১৩ জন, জয়পুরহাটের ৬  জন, ময়মনসিংহের ১৭৯ জন, রংপুরের ১১২ জন, ভোলার ৭৬ জন, চাঁদপুরের ১১৮ জন, যশোরের ১৩ জন, নওগাঁয়ের ৫ জন,মাদারীপুরের ৮১ জন এবং বরগুনার ৯৫ জন।

      স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ জানায়, স্বাস্থ্য কার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা বিনামূল্যে বা বিশেষ ছাড়ে গ্রহণ করতে পারবেন তারা। স্বাস্থ্য কার্ডের সেবা মূলত রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার একটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।

      এর আগে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের সারাদেশে সকল সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হেলথকার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের  প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক  ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধা নরসিংদী ইউনাইটেড কলেজের শিক্ষার্থী ইফাত হোসেন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইমুর হাতে স্বাস্থ্য কার্ড তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা।

      স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বাসসকে বলেন, ‘এই হেলথ কার্ড থাকার অর্থ হলো এক বছর পরে হোক, দু’বছর পরে হোক যে কোনো সময় দেশের যে কোনো সরকারি হাসপাতালে কার্ডধারীরা চিকিৎসা পাবেন। এই কার্ড সবসময়ই থাকবে।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

        ঈদযাত্রায় ডাকাতি এড়াতে স্টপেজ থেকেই তোলা হবে যাত্রীদের ছবি

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুন, ২০২৫ ১৫:১২
        অনলাইন ডেস্ক
        ঈদযাত্রায় ডাকাতি এড়াতে স্টপেজ থেকেই তোলা হবে যাত্রীদের ছবি

        ঈদযাত্রায় ডাকাতি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পরিবহনে যাত্রী উঠানো প্রতিটি স্টপেজ থেকেই যাত্রীদের ছবি তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

        মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অফিস কক্ষের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। 

        উপদেষ্টা বলেন, আমরা এবং বাস মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা বসেছিলাম। গতবার নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা করতে পেরেছি। এটা আপনারও (সাংবাদিক) প্রচার করেছেন। আমরা আশা করছি এবারে ঈদযাত্রাও নির্বিঘ্ন হবে। গতবার তারা যাওয়ার সময় সরকার নির্ধারিত ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু ফেরার পথে অল্প কিছু জায়গায় নির্ধারিত ভাড়া নেয়নি। এবার যেন আসা এবং যাওয়ার পথে সরকার নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হয় সেজন্যই আমরা বসেছিলাম। মালিকপক্ষ সম্মত হয়েছে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া হবে না। 

        তিনি বলেন, আমরা অনেক সময় দেখেছি ঈদের মৌসুমে যেসব ড্রাইভার দক্ষ না তাদেরকেও বাস চালাতে দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা তাদের অনুরোধ করেছি অদক্ষ ড্রাইভাররা কোনোভাবেই যেন বাস চালাতে না পারে। তাদেরকে বাস চালাতে দিলে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। 

        স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অনেক সময় যাত্রীর ছদ্মবেশে অনেক ডাকাত বাসে উঠে পড়ে। এ সমস্যা এড়াতে দূরপাল্লার সব পরিবহনে যাত্রীদের ছবি নেওয়া হবে। বাসের প্রথম স্টপেজ থেকে শেষ স্টপেজ পর্যন্ত যারা উঠবে সবার ছবি নিতে হবে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরেন আমিন বাজারে যাত্রী উঠানো বন্ধ হবে। সেখানেই সব যাত্রীর ছবি তুলে দরজা বন্ধ করে দিতে হবে। কিছু বাস আছে সাভারেও যাত্রী উঠায়। তাদেরকে সাভার থেকেও ছবি তুলতে হবে। প্রতিটি বাসে তিনজন করে লোক থাকে। যদি আমার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা থাকে তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করবে। 

        মন্তব্য

        ১ জুলাই থেকে বিশেষ সুবিধা পাবেন চাকরিরত ও পেনশনভোগীরা

        অনলাইন ডেস্ক
        ৩ জুন, ২০২৫ ১৪:৪৩
        অনলাইন ডেস্ক
        ১ জুলাই থেকে বিশেষ সুবিধা পাবেন চাকরিরত ও পেনশনভোগীরা

        আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি-বেসামরিক, স্বশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ বাহিনীতে চাকরিরতদের বিশেষ সুবিধা হিসেবে ন্যূনতম এক হাজার টাকা ও পেনশন ভোগীদের ন্যূনতম ৫০০ টাকা দেবে সরকার।

        মঙ্গলবার (৩ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগ প্রবিধি-৩ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দিলরুবা শাহীনা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ১৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় বেতনস্কেলের আওতাভুক্ত সরকারি-বেসামরিক, স্বশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও পুলিশ বাহিনীতে নিয়োজিত কর্মচারী এবং পুনঃস্থাপনকৃত পেনশনাররাসহ পেনশনভোগী ব্যক্তিদের জন্য ১ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে বেতনগ্রেড ভেদে (গ্রেড ১ এবং তদূর্ধ্ব থেকে গ্রেড ৯ পর্যন্ত) ১০ শতাংশ এবং (গ্রেড ১০ থেকে গ্রেড ২০ পর্যন্ত) ১৫ শতাংশ হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রদান করা হলো। এ ‘বিশেষ সুবিধা’ চাকরিরতদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১০০০ টাকা এবং পেনশন ভোগীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫০০ টাকা হারে প্রদেয় হবে।

        এ বিশেষ সুবিধা নিম্নরূপভাবে কার্যকর হবে–

        (ক) ০১ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে প্রতিবছর ০১ জুলাই তারিখে প্রাপ্য মূল বেতনের ওপর গ্রেড ১ ও তদূর্ধ্ব থেকে গ্রেড ৯ এর অন্তর্ভুক্ত চাকরিরত কর্মচারীরা ১০ শতাংশ হারে এবং গ্রেড ১০ থেকে গ্রেড ২০ এর অন্তর্ভুক্ত চাকরিরত কর্মচারীরা ১৫ শতাংশ হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন।

        (খ) অবসর-উত্তর ছুটিতে (পিআরএল) থাকা কর্মচারীরা পিআরএল গমনের পূর্বকালীন সর্বশেষ প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে উপর্যুক্ত (ক) অনুচ্ছেদে বর্ণিত গ্রেডভিত্তিক হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন।

        (গ) পেনশন পুনঃস্থাপনকৃত কর্মচারীরাসহ সরকার থেকে পেনশন গ্রহণকারী কর্মচারীরা পেনশনের বিদ্যমান অংশের ওপর উপর্যুক্ত (ক) অনুচ্ছেদে বর্ণিত গ্রেডভিত্তিক হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন।

        (ঘ) যেসব অবসর গ্রহণকারী কর্মচারী তাদের গ্রস পেনশনের ১০০ শতাংশ অর্থাৎ সম্পূর্ণ অংশ সমর্পণ করে এককালীন আনুতোষিক উত্তোলন করেছেন এবং এখনো পেনশন পুনঃস্থাপনের জন্য উপযুক্ত হননি, তাদের ক্ষেত্রে এ ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রযোজ্য হবে না।

        (ঙ) জাতীয় বেতনস্কেলে নির্ধারিত কোনো গ্রেডে সরকারি কর্মচারী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অব্যবহিত পূর্বে সর্বশেষ আহরিত তার মূল বেতনের ভিত্তিতে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে। তবে শর্ত থাকে যে এরূপ চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত ব্যক্তি পেনশনভোগী হলে পেনশনের বিদ্যমান অংশ অথবা চুক্তিভিত্তিক নিয়োজিত হওয়ার অব্যবহিত পূর্বের সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ভিত্তিতে যেকোনো এক ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

        (চ) সাময়িক বরখাস্তকৃত কর্মচারীরা সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার তারিখের অব্যবহিত পূর্বের মূল বেতনের ৫০ শতাংশ (অর্ধেক) এর ওপর উপর্যুক্ত (ক) অনুচ্ছেদে বর্ণিত গ্রেডভিত্তিক হারে ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন; এবং

        (ছ) বিনা বেতনে ছুটিতে (লিভ উইদাউট পে) থাকাকালীন কর্মচারীরা এ ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রাপ্য হবেন না।

        প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারের রাজস্ব বাজেট থেকে প্রদত্ত অনুদানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্যান্য স্বশাসিত সংস্থা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মচারীদের ক্ষেত্রে যারা জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ এর আওতাভুক্ত, এ ‘বিশেষ সুবিধা’ প্রদান বাবদ প্রয়োজনীয় ব্যয় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বাজেট থেকে মেটাতে হবে।

        অর্থ বিভাগের আদেশ নং ০৭.০০.০০০০.১৬১,৯৯.০১০,২৩-১৩২, তারিখ: ১৮/০৭/২০২৩ বাতিল করা হলো বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।

        প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো এবং ১ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে এটি কার্যকর হবে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত