ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে

বাড়ছে সিগারেটের দাম

অনলাইন ডেস্ক
২ জুন, ২০২৫ ১৭:১৭
অনলাইন ডেস্ক
বাড়ছে সিগারেটের দাম

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাক বীজ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি আরোপ ও কিছু কাঁচামাল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক বাড়ানো প্রস্তাব করায় সিগারেট, জর্দা ও গুলের দাম বাড়ছে।

সোমবার (০২ জুন) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ উপস্থাপিত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব তথ্য উঠে আসে। জাতির সামনে তিনি ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, সিগারেট, জর্দা, গুল ইত্যাদি জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে উচ্চহারে শুল্ক আরোপিত আছে। অন্যদিকে তামাক বীজ আমদানিতে প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি ০%, যা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিবেচনায় তামাক চাষকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে আগের এইচএস কোড বিভাজন করে তামাক বীজের জন্য নতুন এইচএস কোড সৃজন করা হবে, যা আমদানিতে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি আরোপ করা যায়।

আরেক প্রস্তাবে বলা হয়, তামাকজাতীয় পণ্যের শুল্ক ফাঁকি সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। প্রতিবেদনে সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত উপকরণ বা কাঁচামাল বাণিজ্যিকভাবে আমদানি নিরুৎসাহিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক-কর হার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের তিনগুণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ওই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সিগারেট উৎপাদনের মূল্য কাঁচামাল পেপার আমদানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সেক্ষেত্রে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য পেপার আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা যেতে পারে। একই সঙ্গে অন্য একটি কাঁচামাল অ্যাসিটেট টো এবং অ্যাসিটেট ফিল্টার রড আমদানির ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সম্পূরক শুল্ক আরোপিত নেই।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থান করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। এটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রথম বাজেট। প্রস্তাবিত বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬২%। এই ঘাটতি পূরণে সরকার বৈদেশিক ঋণ, ব্যাংক ঋণ এবং সঞ্চয়পত্রের ওপর নির্ভর করবে।

প্রসঙ্গত, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম ২০০৭-০৮ ও ২০০৮-০৯ অর্থবছরের বাজেট টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে ঘোষণা করেছিলেন।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুন, ২০২৫ ১৫:১৫
    অনলাইন ডেস্ক
    উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন

    প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে অনুমোদন হয়েছে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট।

    সোমবার (২ জুন) এ অনুমোদন দেয়া হয়।

    বৈঠকসূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় শেষ হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক। অনুমোদন হয়েছে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকার বাজেট।

    বাজেট বক্তব্য রেকর্ড করতে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনে যাচ্ছেন জানিয়ে সূত্র জানায়, বিকেল ৩টা থেকে পূর্ব-রেকর্ডকৃত বাজেট ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে।

    এছাড়া ব্যাপক প্রচার নিশ্চিত করার জন্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এবং রেডিও স্টেশনগুলোকে বিটিভি থেকে ফিড নিয়ে বাজেট ভাষণটি একই সময়ে সম্প্রচার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    এদিকে প্রথম দফায় আলোচনা শেষে যেসব মতানৈক্য ছিল সেগুলো দূর করতে আজ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা শুরু করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় দ্বিতীয় দফার সংলাপ শুরু করবেন।

    সংবিধান, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর গঠিত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের জমা দেওয়া সুপারিশ পর্যালোচনা এবং চূড়ান্ত করার জন্য ঐকমত্য কমিশন গঠিত হয়েছিল।

    ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত আলোচনার প্রথম ধাপে ৩৩টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল।

    মন্তব্য

    এক নজরে

    ১৯৭২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত অনুমোদিত বাংলাদেশের ৫৩টি জাতীয় বাজেট

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুন, ২০২৫ ১৫:৪
    অনলাইন ডেস্ক
    ১৯৭২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত অনুমোদিত বাংলাদেশের ৫৩টি জাতীয় বাজেট

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আগামীকাল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। এটি হবে দেশের ৫৪তম বাজেট এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম বাজেট।

    স্বাধীনতা-পরবর্তী সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ ১৯৭২ সালে দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এই বাজেট হবে বর্তমান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের প্রথম বাজেট। তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    নিচে ক্রমানুসারে বাংলাদেশের ৫৩টি জাতীয় বাজেট এক নজরে তুলে ধরা হলো। এখানে বাজেটের পরিমাণ ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বরাদ্দ উল্লেখ করা হয়েছে।

    অর্থবছর- উপস্থাপক- মোট বাজেট- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি):

    ১৯৭২-৭৩- তাজউদ্দিন আহমেদ- ৭৮৬ কোটি টাকা - ৫০১ কোটি টাকা।

    ১৯৭৩-৭৪- তাজউদ্দিন আহমেদ- ৯৯৫ কোটি টাকা - ৫২৫ কোটি টাকা।

    ১৯৭৪-৭৫- তাজউদ্দিন আহমেদ- ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকা - ৫২৫ কোটি টাকা।

    ১৯৭৫-৭৬- ড. আজিজুর রহমান মল্লিক- ১ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা - ৯৫০ কোটি টাকা।

    ১৯৭৬-৭৭- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান- ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা - ১ হাজার ২২২ কোটি টাকা।

    ১৯৭৭-৭৮- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান- ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা - ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা।

    ১৯৭৮-৭৯- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান- ২ হাজার ৪৯৯ কোটি টাকা - ১ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা।

    ১৯৭৯-৮০- ড. এম এন হুদা- ৩ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা - ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা।

    ১৯৮০-৮১ এম সাইফুর রহমান- ৪ হাজার ১০৮ কোটি টাকা - ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    ১৯৮১-৮২- এম সাইফুর রহমান- ৪ হাজার ৬৭৭ কোটি- ৩ হাজার ১৫ কোটি টাকা।

    ১৯৮২-৮৩- এ এম এ মুহিত- ৪ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা - ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    ১৯৮৩-৮৪- এ এম এ মুহিত- ৫ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা - ৩ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা।

    ১৯৮৪-৮৫- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৬ হাজার ৬৯৯ কোটি টাকা - ৩ হাজার ৮৯৬ কোটি টাকা।

    ১৯৮৫-৮৬- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৭ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা - ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা।

    ১৯৮৬-৮৭- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৮ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা - ৪ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা।

    ১৯৮৭-৮৮- এম সাইয়েদুজ্জামান- ৮ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা - ৫ হাজার ৪৬ কোটি টাকা।

    ১৯৮৮-৮৯- মেজর জেনারেল মুনিম- ১০ হাজার ৫৬৫ কোটি টাকা - ৫ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা।

    ১৯৮৯-৯০- ড. ওয়াহিদুল হক- ১২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা - ৫ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা।

    ১৯৯০-৯১- মেজর জেনারেল মুনিম- ১২ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা - ৫ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা।

    ১৯৯১-৯২- এম সাইফুর রহমান- ১৫ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা - ৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    ১৯৯২-৯৩- এম সাইফুর রহমান- ১৭ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা - ৯ হাজার ৫৭ কোটি টাকা।

    ১৯৯৩-৯৪- এম সাইফুর রহমান- ১৯ হাজার ৫০ কোটি টাকা - ৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

    ১৯৯৪-৯৫- এম সাইফুর রহমান- ২০ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা - ১১ হাজার কোটি টাকা।

    ১৯৯৫-৯৬- এম সাইফুর রহমান- ২৩ হাজার ১৭০ কোটি টাকা- ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা।

    ১৯৯৬-৯৭- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ২৪ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা - ১২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    ১৯৯৭-৯৮- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ২৭ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা - ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

    ১৯৯৮-৯৯- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ২৯ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা - ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

    ১৯৯৯-২০০০- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ৩৪ হাজার ২৫২ কোটি টাকা - ১২ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা।

    ২০০০-০১- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ৩৮ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা- ১৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    ২০০১-০২- শাহ এ এম এস কিবরিয়া - ৪২ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা - ১৯ হাজার কোটি টাকা।

    ২০০২-০৩- এম সাইফুর রহমান- ৪৪ হাজার ৮৫৪ কোটি টাকা- ১৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা।

    ২০০৩-০৪- এম সাইফুর রহমান- ৫১ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা- ২০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

    ২০০৪-০৫- এম সাইফুর রহমান- ৫৭ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা- ২২ হাজার কোটি টাকা।

    ২০০৫-০৬- এম সাইফুর রহমান- ৬১ হাজার ৫৮ কোটি টাকা- ২৩ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা।

    ২০০৬-০৭- এম সাইফুর রহমান- ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা- ২৬ হাজার কোটি টাকা।

    ২০০৭-০৮- মির্জা আজিজুল ইসলাম- ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা- ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

    ২০০৮-০৯- মির্জা আজিজুল ইসলাম- ৯৯ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা- ২৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

    ২০০৯-১০- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ১৩ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা- ২৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    ২০১০-১১- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৩২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা- ৩৫ হাজার ১৩০ কোটি টাকা।

    ২০১১-১২- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৬১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা- ৪১ হাজার ৮০ কোটি টাকা।

    ২০১২-১৩- এ এম এ মুহিত- ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা- ৫২ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা।

    ২০১৩-১৪- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা- ৬০ হাজার কোটি টাকা।

    ২০১৪-১৫- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা- ৭৫ হাজার কোটি টাকা।

    ২০১৫-১৬- এ এম এ মুহিত- ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা- ৯৩ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।

    ২০১৬-১৭- এ এম এ মুহিত- ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা- ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

    ২০১৭-১৮- এ এম এ মুহিত- ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকা- ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা।

    ২০১৮-১৯- এ এম এ মুহিত- ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা- ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

    ২০১৯-২০- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা- ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

    ২০২০-২১- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা- ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।

    ২০২১-২২- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা- ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।

    ২০২২-২৩- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা- ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

    ২০২৩-২৪- আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা- ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।

    ২০২৪-২৫- এ এইচ মাহমুদ আলী- ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা- ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা।

    এ এম এ মুহিত ও এম সাইফুর রহমান বিভিন্ন মেয়াদে সর্বোচ্চ ১২টি করে বাজেট পেশ করেছেন। 

    মন্তব্য

    আজ থেকে নতুন টাকা পাওয়া যাবে যে ১১ ব্যাংকে

    অনলাইন ডেস্ক
    ২ জুন, ২০২৫ ১৩:৮
    অনলাইন ডেস্ক
    আজ থেকে নতুন টাকা পাওয়া যাবে যে ১১ ব্যাংকে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরযুক্ত নতুন সিরিজের ১ হাজার, ৫০ ও ২০ টাকার ব্যাংক নোট আজ থেকে বাজারে আসছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মোট ১১টি ব্যাংকের মাধ্যমে এই নতুন টাকা বিতরণ করা হবে। এসব ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখা থেকে গ্রাহকরা নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবেন।

    যেসব ব্যাংকে নতুন টাকা বিনিময় করা যাবে সেগুলো হলো— সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক।

    রেওয়াজ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ঈদ উৎসবের আগে বাজারে নতুন নোট ছাড়ে, যাতে মানুষ স্বচ্ছ, আকর্ষণীয় ও ঝকঝকে টাকা দিয়ে উপহার লেনদেন করতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন গতকাল বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরাসরি গ্রাহক হচ্ছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। তাই কয়েকটি ব্যাংকে সীমিত পরিমাণে নতুন নোট সরবরাহ করা হয়েছে। এসব নোট সোমবার বা তার পরদিন থেকেই গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করবে।  

    প্রথম ধাপে ২০, ৫০ এবং ১০০০ টাকার নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে। ধাপে ধাপে আরও নতুন নোট ছাপানো হবে এবং সরবরাহের পরিমাণ বাড়ানো হবে বলে জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।  

    মন্তব্য

    আগামীকাল বিকাল ৩টায় জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘোষণা

    অনলাইন ডেস্ক
    ১ জুন, ২০২৫ ১৯:৫৭
    অনলাইন ডেস্ক
    আগামীকাল বিকাল ৩টায় জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের সময় ঘোষণা

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আগামীকাল সোমবার জাতির সামনে উপস্থাপন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এদিন দুপুর ৩টার দিকে বাজেট বক্তব্য সরাসরি সম্প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি)।

    রোববার (০১ জুন) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, বাজেট বক্তব্যটি বিটিভি থেকে ফিড নিয়ে দেশের অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলোকে একই সময়ে প্রচারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত ২৯ মে সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, ২ জুন বিকেল ৪টায় ধারণ করা বাজেট বক্তৃতা বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচার হবে।

    তিন দিনের মাথায় নতুন একটি সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, আগামীকাল সোমবার (০২ জুন) বিকেল ৩টায় অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জাতির উদ্দেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করতে পারেন। এটি হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় বাজেট। এই বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য ধরা হতে পারে। আর এনবিআর বহির্ভূত উৎস থেকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে ১৯ হাজার কোটি টাকা। পাশাপাশি, করবহির্ভূত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হতে পারে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার নির্ধারণ করা হতে পারে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হতে পারে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হতে পারে এক লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য
      সর্বশেষ সংবাদ
        সর্বাধিক পঠিত