ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ

অনলাইন ডেস্ক
৩০ মে, ২০২৫ ১৩:৭
অনলাইন ডেস্ক
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী আজ।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাঁকে হত্যা করে।

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। তাই তাকে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশের সমন্বয়ে সার্ক প্রতিষ্ঠায় স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন জিয়াউর রহমান। শহীদ জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদ ভিত্তিক এক কালজয়ী দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন।

প্রতি বছর দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী হিসেবে পালন করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ্। শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে টানা ৮ দিনের কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। গত ২৬ মে থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি চলবে ২ জুন পর্যন্ত।

এরমধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, পোস্টার ও বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, কালো ব্যাজ ধারণ, কালো পতাকা উত্তোলন, জিয়ার কবরে ফুল দেওয়া ও ফাতেহা পাঠ, দরিদ্রদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্রসামগ্রী বিতরণ। কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে আলোচনা সভা করেছে বিএনপি। এতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতা ও বিশিষ্টজন বক্তব্য রাখেন।

দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দুপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করা হবে। দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা এই সময় এসব আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও সারা দেশে বিএনপি ও দলটির অঙ্গ সংগঠন শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি পালন করছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া খাল খনন কর্মসূচি, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। তার সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেম ছিল অতুলনীয়।

দেশকে যখন তিনি সামনের দিকে নিয়ে চলতে শুরু করেন সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে শুরু হয় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র। ১৯৮১ সালের ২৯ মে তিনি এক সরকারি সফরে চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার লাশ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়।

তিন দিন পর ওই লাশ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়, লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ শেরেবাংলা নগরে তার জানাজায় শরিক হন। ঢাকায় শহীদ জিয়াউর রহমানের নামাজে জানাজায় লোকসমাগম ও লাখ লাখ লোকের শোকাহত উপস্থিতি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

জিয়াউর রহমান বিবিসি’র জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালিদের অন্যতম। জিয়াউর রহমান তার রাষ্ট্রনায়কত্ব এবং দৃষ্টিভঙ্গির জন্য দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা দ্বারা সম্মানিত  হয়েছিলেন। সৈনিক ও রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে শহীদ জিয়াউর রহমানকে সমাহিত করা হয়। যা বর্তমানে ‘জিয়া উদ্যান’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

(বাসস)

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশকে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান: প্রেস সচিব

    অনলাইন ডেস্ক
    ৩০ মে, ২০২৫ ১৩:০
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশকে ১৩ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে জাপান: প্রেস সচিব
    ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শিগেরু ইশিবা ছবি: সংগৃহীত

    বাংলাদেশকে ১০৬ কোটি ডলার বা প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দিচ্ছে জাপান। বাজেট সহায়তা, রেলপথের উন্নয়ন ও অনুদান হিসেবে এই সহায়তা দেবে জাপান।

    শুক্রবার (৩০ মে) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয় হয়, বাংলাদেশকে ১ দশমিক ০৬৩ বিলিয়ন ডলায় বাজেট সহায়তা দিবে জাপান। আজকের ডলার রেট অনুযায়ী যা টাকায় দাঁড়ায় ১২ হাজার ৯৫৮ কোটি ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

    আরও বলা হয়, মোট ৪১৮ মিলিয়ন ডলার জাপান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার জন্য উন্নয়ন নীতি ঋণ হিসেবে দেবে। টোকিও জয়দেবপুর-ঈশ্বরদীকে ডুয়েল-গেজ ডাবল রেলপথে উন্নীত করার জন্য ৬৪১ মিলিয়ন ডলার এবং বৃত্তির জন্য অনুদান হিসেবে আরও ৪.২ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে।

    এদিকে জাপান সফররত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার (৩০ মে) টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার কার্যালয়ে তাদের বেঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকের জন্য সকালে অধ্যাপক ইউনূস প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌঁছালে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। উভয় দেশের মধ্যে চলমান সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পাবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছে।

    বৈঠকে উভয় নেতা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করেন এবং জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি মেনে চলার মাধ্যমে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহযোগিতা জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেন। উভয় পক্ষ নিয়মভিত্তিক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার এবং গণতন্ত্রের প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।

    ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও শিগেরু ইশিবা আন্তরিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক আগ্রহের বিষয়গুলো নিয়ে গভীর আলোচনা করেন।

    এর আগে চার দিনের সফরে নিক্কেই ফোরাম ফর এশিয়ায় যোগ দিতে এবং জাপানের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করতে ২৮ মে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৫ মিনিটে টোকিও পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা।

    মন্তব্য

    শিগগিরই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ মে, ২০২৫ ২০:৪৪
    অনলাইন ডেস্ক
    শিগগিরই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার

    শিগগিরই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে বলে প্রত্যাশা করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

    তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত দেখতে পাব-এই হোক শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার। এই লক্ষ্যে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলার জন্য আমি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

    বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রতি বছর এই দিনটি আমাদের পরিবারে আসে এক বেদনাবিধূর স্মৃতি নিয়ে। এই দিনে শুধু আমাদের পরিবার নয়, বরং সমগ্র দেশের মানুষ হয়ে পড়েছিল বেদনার্ত ও অভিভাবকহীন। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সাথে জড়িয়ে থাকা এক অবিচ্ছেদ্য নাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’

    চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করে তিনি এ দেশের সাথে তার নাম অবিচ্ছেদ্য করেছিলেন। সেই চট্টগ্রামেই এক সফল, সৎ, দূরদর্শী ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের জীবন কোরবানি করেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘এ দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বনির্ভরতা ও উন্নয়ন এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদ সৃষ্টির অনন্য রূপকার শহীদ জিয়া। যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তিনি শাহাদাতবরণ করেছেন-সেই গণতন্ত্রের নিরবিচ্ছিন্ন যাত্রা আজো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রতি পদে পদে।’

    বিএনপির চেয়ারপারসন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মনে রাখবেন, সবার জন্য গণতন্ত্র ও উন্নয়নের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধানের যে রাজনীতি শহীদ জিয়া রেখে গেছেন তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।’

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান, সমঝোতা সই

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৯ মে, ২০২৫ ১৪:৪৪
      অনলাইন ডেস্ক
      বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান, সমঝোতা সই

      জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় এ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

      আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) জাপানের তোশি কাইকান কনফারেন্স হলে আয়োজিত 'বাংলাদেশ মানবসম্পদ বিষয়ক সেমিনার' অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার জাপানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সব ধরনের চেষ্টা করবে।

      তিনি বলেন, 'আজকের দিনটি আমার জন্য সবচেয়ে আনন্দদায়ক ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

      এটি শুধু কাজের সুযোগ নয়, বাংলাদেশিদের জন্য জাপানকে জানার দ্বার উন্মোচন করবে।'

      অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা দুইটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন—

      প্রথমটি বাংলাদেশের শ্রমবাজার প্রতিষ্ঠান বিএমইটি ও জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ কাইকোম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস) এর মধ্যে, আর দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (যেখানে জাপানে ৬৫টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান সদস্য হিসেবে রয়েছে) ও জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি (জেবিবিবিআরএ) এর মধ্যে।

      প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'এই সমাবেশের উদ্দেশ্য হলো দ্বার উন্মোচন করা। বাংলাদেশ ১৮০ মিলিয়ন মানুষের দেশ, অর্ধেকের বয়স ২৭ বছরের নিচে। সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য সেই দরজা খোলা।'

      শিজুওকার ওয়ার্কপ্লেস এনভায়রনমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট কোঅপারেটিভের প্রতিনিধি পরিচালক মিৎসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশিদের প্রতি আগ্রহী এবং এটি অব্যাহত থাকবে।

      তিনি বলেন, 'বাংলাদেশিরা বড় সম্ভাবনা রাখে। তাদের প্রতিভা বিকাশ করানো আমাদের দায়িত্ব।'

      এনবিসিসির চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা বলেন, প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনুস জাপানে এসে নারীদের জন্য মাইক্রোক্রেডিটের গল্প বলেছিলেন। গত তিনদশক ধরে তারা মানসম্মত শ্রমিকের জন্য কাজ করছে।

      তিনি বলেন, 'আমাদের ফেডারেশন বাংলাদেশের তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা দুই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।'

      তিনি যোগ করেন, 'আগামী পাঁচ বছরে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।'

      ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওতানাবে জানান, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত স্কুলে বছরে ১৫০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নেয়, যা ৩০০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তিগত শিক্ষা নিয়ে তারা জাপানের কর্মবাজারে প্রবেশ করবে।

      জিটকোর চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভাষা শিক্ষকের সংখ্যা এখনও কম।

      জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রাজ্যমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, 'জাপানে জনসংখ্যা কমছে, তাই বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রয়োজন বাড়ছে।'

      তিনি বলেন, 'এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও সম্ভাবনাময়।'

      জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট ১১ মিলিয়ন ছাড়াতে পারে, যা বাংলাদেশি দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ তৈরি করবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন : আপিল বিভাগ

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৯ মে, ২০২৫ ১৩:২৫
        অনলাইন ডেস্ক
        ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন : আপিল বিভাগ

        বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ দেওয়া হবে কি না, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

        বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

        এর আগে, বুধবার (২৮ মে) ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট জারির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শোনার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত। একইসঙ্গে ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির কথাও বলা হয়।

        প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

        মঙ্গলবার (২৭ মে) ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।

        গত ২৬ মে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা এ আবেদন করেন।

        তার আগে ২২ মে ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, রিট আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

        সেদিন আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাদের সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান ও অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলন।

        গত ২১ মে ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়। 

        গত ১৪ মে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে বিএনপির বৈদেশিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও চাওয়া হয় রিটে।

        হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনকারীর আইনজীবী কাজী আকবর আলী।

        ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচন হয়। বিএনপির ইশরাক হোসেনকে পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র হন। গত ২৭ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২০২০ সালের নির্বাচনে ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি পেয়ে গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় সাংবিধানিক সংস্থাটি। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির নতুন মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন ইসি।

        এদিকে, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন সংস্থাটির কর্মচারীদের একটি অংশ। মূল ফটক আটকানোর পাশাপাশি সব বিভাগের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য
          সর্বশেষ সংবাদ
            সর্বাধিক পঠিত