ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

শিগগিরই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার

অনলাইন ডেস্ক
২৯ মে, ২০২৫ ২০:৪৪
অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে, প্রত্যাশা খালেদা জিয়ার

শিগগিরই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হবে বলে প্রত্যাশা করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠিত দেখতে পাব-এই হোক শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার। এই লক্ষ্যে সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে চলার জন্য আমি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘প্রতি বছর এই দিনটি আমাদের পরিবারে আসে এক বেদনাবিধূর স্মৃতি নিয়ে। এই দিনে শুধু আমাদের পরিবার নয়, বরং সমগ্র দেশের মানুষ হয়ে পড়েছিল বেদনার্ত ও অভিভাবকহীন। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের সাথে জড়িয়ে থাকা এক অবিচ্ছেদ্য নাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।’

চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে খালেদা জিয়া বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করে তিনি এ দেশের সাথে তার নাম অবিচ্ছেদ্য করেছিলেন। সেই চট্টগ্রামেই এক সফল, সৎ, দূরদর্শী ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের জীবন কোরবানি করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘এ দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বনির্ভরতা ও উন্নয়ন এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদ সৃষ্টির অনন্য রূপকার শহীদ জিয়া। যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তিনি শাহাদাতবরণ করেছেন-সেই গণতন্ত্রের নিরবিচ্ছিন্ন যাত্রা আজো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রতি পদে পদে।’

বিএনপির চেয়ারপারসন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘মনে রাখবেন, সবার জন্য গণতন্ত্র ও উন্নয়নের মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধানের যে রাজনীতি শহীদ জিয়া রেখে গেছেন তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান, সমঝোতা সই

    অনলাইন ডেস্ক
    ২৯ মে, ২০২৫ ১৪:৪৪
    অনলাইন ডেস্ক
    বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নেবে জাপান, সমঝোতা সই

    জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশটির ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় এ কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) জাপানের তোশি কাইকান কনফারেন্স হলে আয়োজিত 'বাংলাদেশ মানবসম্পদ বিষয়ক সেমিনার' অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস বলেন, বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার জাপানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সব ধরনের চেষ্টা করবে।

    তিনি বলেন, 'আজকের দিনটি আমার জন্য সবচেয়ে আনন্দদায়ক ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

    এটি শুধু কাজের সুযোগ নয়, বাংলাদেশিদের জন্য জাপানকে জানার দ্বার উন্মোচন করবে।'

    অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা দুইটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন—

    প্রথমটি বাংলাদেশের শ্রমবাজার প্রতিষ্ঠান বিএমইটি ও জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ কাইকোম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস) এর মধ্যে, আর দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (যেখানে জাপানে ৬৫টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান সদস্য হিসেবে রয়েছে) ও জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি (জেবিবিবিআরএ) এর মধ্যে।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'এই সমাবেশের উদ্দেশ্য হলো দ্বার উন্মোচন করা। বাংলাদেশ ১৮০ মিলিয়ন মানুষের দেশ, অর্ধেকের বয়স ২৭ বছরের নিচে। সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য সেই দরজা খোলা।'

    শিজুওকার ওয়ার্কপ্লেস এনভায়রনমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট কোঅপারেটিভের প্রতিনিধি পরিচালক মিৎসুরু মাতসুশিতা বলেন, অনেক জাপানি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশিদের প্রতি আগ্রহী এবং এটি অব্যাহত থাকবে।

    তিনি বলেন, 'বাংলাদেশিরা বড় সম্ভাবনা রাখে। তাদের প্রতিভা বিকাশ করানো আমাদের দায়িত্ব।'

    এনবিসিসির চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা বলেন, প্রায় ১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনুস জাপানে এসে নারীদের জন্য মাইক্রোক্রেডিটের গল্প বলেছিলেন। গত তিনদশক ধরে তারা মানসম্মত শ্রমিকের জন্য কাজ করছে।

    তিনি বলেন, 'আমাদের ফেডারেশন বাংলাদেশের তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের দিকে তাকিয়ে আছে। তারা দুই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।'

    তিনি যোগ করেন, 'আগামী পাঁচ বছরে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।'

    ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওতানাবে জানান, বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত স্কুলে বছরে ১৫০০ শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নেয়, যা ৩০০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রযুক্তিগত শিক্ষা নিয়ে তারা জাপানের কর্মবাজারে প্রবেশ করবে।

    জিটকোর চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভাষা শিক্ষকের সংখ্যা এখনও কম।

    জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রাজ্যমন্ত্রী নিকি হিরোবুমি বলেন, 'জাপানে জনসংখ্যা কমছে, তাই বাংলাদেশি শ্রমিকের প্রয়োজন বাড়ছে।'

    তিনি বলেন, 'এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও সম্ভাবনাময়।'

    জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট ১১ মিলিয়ন ছাড়াতে পারে, যা বাংলাদেশি দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ তৈরি করবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন : আপিল বিভাগ

      অনলাইন ডেস্ক
      ২৯ মে, ২০২৫ ১৩:২৫
      অনলাইন ডেস্ক
      ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন : আপিল বিভাগ

      বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ দেওয়া হবে কি না, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

      বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এই পর্যবেক্ষণ দেন।

      এর আগে, বুধবার (২৮ মে) ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট জারির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শোনার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন আদালত। একইসঙ্গে ইশরাককে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির কথাও বলা হয়।

      প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন।

      মঙ্গলবার (২৭ মে) ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত।

      গত ২৬ মে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা এ আবেদন করেন।

      তার আগে ২২ মে ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিট সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, রিট আবেদনটি শুনানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

      সেদিন আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাদের সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার এ কে এম এহসানুর রহমান ও অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান মিলন।

      গত ২১ মে ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষ হয়। 

      গত ১৪ মে ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। সেই সঙ্গে বিএনপির বৈদেশিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করা ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও চাওয়া হয় রিটে।

      হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা মো. মামুনুর রশিদ। আবেদনকারীর আইনজীবী কাজী আকবর আলী।

      ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচন হয়। বিএনপির ইশরাক হোসেনকে পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র হন। গত ২৭ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২০২০ সালের নির্বাচনে ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম। ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি পেয়ে গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় সাংবিধানিক সংস্থাটি। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে ডিএসসিসির নতুন মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন ইসি।

      এদিকে, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন সংস্থাটির কর্মচারীদের একটি অংশ। মূল ফটক আটকানোর পাশাপাশি সব বিভাগের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সচিবালয়ে সপ্তাহে দুই দিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

        অনলাইন ডেস্ক
        ২৯ মে, ২০২৫ ১১:৪৪
        অনলাইন ডেস্ক
        সচিবালয়ে সপ্তাহে দুই দিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

        সপ্তাহে দুদিন সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন না।

        বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব (সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা) মো. জসিম উদ্দীনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। 

        প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আগে সচিবালয়ে সপ্তাহে একদিন (সোমবার) দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ ছিল। এখন থেকে সপ্তাহে দুইদিন (সোমবার ও বৃহস্পতিবার) দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না।

        এর আগে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত ২৭ মে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সব ধরনের দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে  দিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র, থেমে থেমে ঝরছে বৃষ্টি

          অনলাইন ডেস্ক
          ২৯ মে, ২০২৫ ১১:৪০
          অনলাইন ডেস্ক
          লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র, থেমে থেমে ঝরছে বৃষ্টি

          উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় কুয়াকাটা-কলাপাড়ায় টানা দুদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও মাঝারি, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরফলে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে পর্যটন কেন্দ্রটি। 

          বুধবার ২৯ মে সকাল থেকে বৃষ্টি ও বাতাস বইতে শুরু করে আজও অব্যাহত আছে, সঙ্গে আকাশে ঘন মেঘের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

          লঘুচাপের কারণে সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে নদ-নদীগুলোর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে পানিউন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়া সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহআলম জানিয়েছেন। এতে করে উপকূলের ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ এলাকার মানুষজনের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।

          এদিকে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর, বেড়েছে বাতাসের চাপও।

          আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। এজন্য পায়রাসহ দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়। একই সঙ্গে মাছধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত