শিরোনাম
সচিবালয়ে সপ্তাহে দুই দিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
সপ্তাহে দুদিন সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন না।
বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব (সচিবালয় নিরাপত্তা শাখা) মো. জসিম উদ্দীনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, আগে সচিবালয়ে সপ্তাহে একদিন (সোমবার) দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ ছিল। এখন থেকে সপ্তাহে দুইদিন (সোমবার ও বৃহস্পতিবার) দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন না।
এর আগে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত ২৭ মে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সব ধরনের দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র, থেমে থেমে ঝরছে বৃষ্টি
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে পটুয়াখালীর উপকূলীয় কুয়াকাটা-কলাপাড়ায় টানা দুদিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও মাঝারি, আবার কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরফলে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে পর্যটন কেন্দ্রটি।
বুধবার ২৯ মে সকাল থেকে বৃষ্টি ও বাতাস বইতে শুরু করে আজও অব্যাহত আছে, সঙ্গে আকাশে ঘন মেঘের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
লঘুচাপের কারণে সমুদ্রের পানির স্তর বেড়ে নদ-নদীগুলোর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে পানিউন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়া সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহআলম জানিয়েছেন। এতে করে উপকূলের ভাঙনকবলিত বেড়িবাঁধ এলাকার মানুষজনের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।
এদিকে উত্তাল হয়ে উঠেছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর, বেড়েছে বাতাসের চাপও।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে। এজন্য পায়রাসহ দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়। একই সঙ্গে মাছধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যেকোনো পরিস্থিতিতে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে আগামী বছরের জুনের মধ্যে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম সামনে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
বুধবার (২৮ মে) জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের (জেবিপিএফএল) সভাপতি তারো আসো টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন।
বিস্তারিত আসছে...
দেখা গেছে পবিত্র জিলহজের চাঁদ, ঈদুল আজহা ৭ জুন
বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ৭ জুন (জিলহজ মাসের ১০ তারিখ) পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হবে।
বুধবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি জানিয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। এর ফলে ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২৯ মে থেকেই জিলহজ মাস শুরু হতে যাচ্ছে।
ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ ও হিজরি ১৪৪৬ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পর্যালোচনার জন্য আজ (বুধবার) সন্ধ্যা ৬টায় বৈঠকে বসে চাঁদ দেখা কমিটি। সভায় সভাপতিত্ব করন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

সাধারণত সৌদি আরবে ঈদ উদ্যাপনের একদিন পরই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে উদ্যাপন করা হয়। মঙ্গলবার চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবে এবার ৬ জুন ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।
এদিকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। এই ছুটি আগামী ৫ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন শেষ হবে। অর্থাৎ টানা ১০ দিনের ছুটিতে থাকবে সরকারি অফিস আদালত।
উপদেষ্টা পরিষদের আলোচ্যসূচিতে দেখা গেছে, ঈদুল আজহার পর ১১ ও ১২ জুন অর্থাৎ বুধ ও বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। ৫ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত জনপ্রশাসনের ছুটির তালিকা অনুযায়ী ঈদের ছুটি থাকবে। মাঝখানে বুধ ও বৃহস্পতিবার দু-দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ৫ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি।
এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটি ছিল। ঈদ উপলক্ষে আগেই পাঁচ দিন টানা ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। সেখানে নির্বাহী আদেশে আরও এক দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশ্য এই ছুটি শুরুর দুদিন আগে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের ছুটি ছিল। পরদিন বৃহস্পতিবার ২৭ মার্চ এক দিন অফিস খোলা ছিল।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে কালোবাজারে ট্রেনের টিকিট বিক্রি, আর্থিক অনিয়ম, যাত্রী হয়রানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি টিম। এসময় টিকেট কালোবাজারিসহ নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুদক টিম।
মঙ্গলবার পরিচালিত এ অভিযানে যাত্রীসেবা ও টিকিট ব্যবস্থাপনায় নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
দুদক জানায়, সংস্থার সদস্যরা ছদ্মবেশে টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করে। এতে দেখা যায়, টিকিট পেতে অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হচ্ছে। টিকিট বুকিং সহকারীরা স্টেশনে দায়িত্বরত রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্যদের সঙ্গে যোগসাজশ করে টিকিট কালোবাজারিতে জড়িত। অভিযানে এই চক্রের কার্যকলাপের সরাসরি প্রমাণ সংগ্রহ করে দুদক টিম।
এছাড়াও, ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের বগিগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে দুদক টিম। সেখানে দেখা যায়, টিকিট ছাড়াই যাত্রীদের বগিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। তা-ও অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে। এই অনিয়মে জড়িত রেলওয়ে কর্মীদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে।
দুদক চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, অভিযানে সংগৃহীত তথ্য ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে কমিশনের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য