ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা ও আদর্শের কোনো রাজনীতি আর চলবে না: আখতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ মার্চ, ২০২৫ ১৮:৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা ও আদর্শের কোনো রাজনীতি আর চলবে না: আখতার

ডেস্ক রিপোর্ট: ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা ও আদর্শের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবে না মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে আর স্বনামে রাজনীতি করতে দেয়া হবে না। আর পুনর্বাসিত হতে দেয়া হবে না।

শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং দ্রুত বিচারের দাবিতে এনসিপির সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আখতার বলেন, ‘কোনো শান্তিপূর্ণ ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের বিদায় হয়নি। হাজারও মানুষের জীবন আর রাজপথ ভরা রক্তের মধ্য দিয়ে খুনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিদায় হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবার এ দেশের মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়েছে। সাম্য ও মানবিক মর্যাদার জন্য যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সে মুক্তিযুদ্ধের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে গণতন্ত্রের বদলে বাকশাল কায়েম করেছিল। বাংলাদেশের মানুষ যে গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘদিন যুদ্ধ করেছিল, সে গণতন্ত্রের মুখে চুনকালি দিয়ে ১৪, ১৮ ও ২৪ এর নির্বাচনের নামে কলঙ্ক উপহার দিয়ে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল ওই পতিত আওয়ামী লীগ।’

বাংলাদেশের মানুষ তাদের জীবন দিয়ে আওয়ামী লীগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিল উল্লেখ করে আখতার বলেন, ‘আমাদের ভাইয়েরা রাজপথে তাদের জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে বিদায় জানিয়েছিল। আমাদের চোখের সামনে আমাদের ভাইদের জীবন দিতে দেখেছি। তাদের রক্তের শপথ, আমাদের শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে আর স্বনামে রাজনীতি করতে দেবো না। আর পুনর্বাসিত হতে দেয়া হবে না।’

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাত মাসেও সরকার আওয়ামী লীগের বিচারের কোনো উদ্যোগ নিতে পারেনি। অবিলম্বে দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। অবিলম্বে নিবন্ধন বাতিল করতে হবে, না করলে ছাত্র-জনতা আবার রাজপথে এসে নিবন্ধন বাতিল করিয়েই ছাড়বে।’

আওয়ামী লীগে কোনো ভালো নেতৃত্ব নেই উল্লেখ করে আখতার বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা শক্তি আওয়ামী লীগকে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে তার সর্বাত্মক প্রতিরোধ করা হবে। আওয়ামী লীগের নাম, মার্কা ও আদর্শের কোনো রাজনীতি চলবে না, সে নিশ্চয়তা দিতে হবে। জুলাই চার্টারে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার কথা থাকতে হবে।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নির্বাহী আদেশে নয়, বিচার প্রক্রিয়ায় আ. লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ মার্চ, ২০২৫ ১৭:৫১
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নির্বাহী আদেশে নয়, বিচার প্রক্রিয়ায় আ. লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

    ডেস্ক রিপোর্ট: নির্বাহী আদেশে নয়, বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ চাই না। গুম-খুনের বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ চাই।

    শনিবার (২২ মার্চ) বিকেলে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আওয়ামী লীগ যে গুম-খুন করেছে তার বিচারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ চাই। সরকারকে বলতে চাই- আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে যারা নির্বাচনে আনতে চায়, তাদের কাছে প্রশ্ন ২০১৮ সালে যখন মিডনাইট ইলেকশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল তখন আপনাদের ইনক্লুসিভ ইলেকশন কোথায় ছিল। ২০২৩ সালে যখন ডামি নির্বাচন হলো তখন ইনক্লুসিভ ইলেকশন কোথায় ছিল।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে এখনও গুম-খুন হত্যাকাণ্ড, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ভারতবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ড, জুলাই গণহত্যার বিচার হয়নি। গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে নিয়ে বাংলাদেশে কোনো ইনক্লুসিভ ইলেকশন হবে না।

    সেনাবাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন আছে জানিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থেকে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে হস্তক্ষেপ ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতি মেনে নেবে না। যাদের কাজ সেনানিবাসে, তারা সেখানেই থাকুন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ইঞ্জিনের বগিতে উঠতে না দেয়ায় ট্রেনের চালকের ওপর হা’মলা

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২২ মার্চ, ২০২৫ ১৭:২৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ইঞ্জিনের বগিতে উঠতে না দেয়ায় ট্রেনের চালকের ওপর হা’মলা

      ডেস্ক রিপোর্ট: কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের সরারচর রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা এগারসিন্ধুর এক্সপ্রেস (প্রভাতি) ট্রেনের চালকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্রেনটি ৫০ মিনিট বিলম্বে গন্তব্যের উদ্দেশে সরারচর রেলস্টেশন ছেড়ে যায়।

      শনিবার (২২ মার্চ) সকালে বাজিতপুর উপজেলার সরারচর রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

      সরারচর রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এগারসিন্ধুর প্রভাতি ট্রেনটি আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ভৈরব স্টেশনে প্রবেশ করে। তখন কয়েকজন যাত্রী ইঞ্জিনের বগিতে উঠতে চান। কিন্তু চালক উঠতে দেননি। চালকের কাছ থেকে বাধা পেয়ে ওই যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে চালককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন তারা। মুঠোফোনে ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়ে বাজিতপুর উপজেলার রেলস্টেশনে থাকতে বলেন তারা।

      ট্রেনটি সরারচর রেলস্টেশনে পৌঁছায় সকাল ১০টা ১ মিনিটে। ট্রেন থামামাত্র ওই যাত্রীরা এসে চালকের ওপর চড়াও হন। মারধরে আহত হওয়ার পর চালক ট্রেন থেকে নেমে যান। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এই অবস্থায় চালক ট্রেন চালিয়ে নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। খবর পেয়ে স্টেশনে পুলিশ আসে। শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে চালক ট্রেনটি চালিয়ে কিশোরগঞ্জ যান।

      চালক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ভৈরব থেকে কয়েকজন ইঞ্জিনের বগিতে উঠতে চান। আমি তেমন কিছুই বলিনি। কেবল বলেছি, ইঞ্জিনে করে ভ্রমণ যাত্রীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তারা আমার কথা শুনবেন না। যেকোনো মূল্যে ইঞ্জিনে করেই যাবেন। শেষে আমাকে হুমকি দেন।’

      এগারোসিন্ধুর প্রভাতী ট্রেনের পরিচালক রেজাউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভৈরব থেকে একজন যাত্রী ইঞ্জিন বগিতে এসে বসলে তাকে সরে যাওয়ার কথা বললে তিনি সরে অন্য বগিতে বসে। পরে বাজিতপুর সরারচর স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়ালে চার-পাঁচজন ছেলে এসে চালকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কয়েকজন কিল ঘুষি ও বেল্ট দিয়ে চালকের ওপর আঘাত করে। আমরা তাৎক্ষণিক রেলওয়ে ওসিকে জানাই এবং ট্রেন বন্ধ করি। পরে ওসি সাহেবের কথায় ট্রেন নিয়ে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে রওনা হই।

      কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসি লিটন মিয়া বলেন, ট্রেন চালকের ওপর হামলার ঘটনার খবর পেয়ে বাজিতপুর সরারচর স্টেশনে চলে আসি। এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গে যাচ্ছেন বাবর আলী

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২২ মার্চ, ২০২৫ ১৬:৫০
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গে যাচ্ছেন বাবর আলী

        ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ অন্নপূর্ণা-১ অভিযানে নেপালে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার সন্তান, এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী বাবর আলী।

        এরআগে ২০২৪ সালে একই অভিযানে বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট ও চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে আরোহণ করেন তিনি।

        শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

        এতে জানানো হয়, নেপালের গণ্ডকী প্রদেশে অবস্থিত ২৬ হাজার ৫৪৫ ফুট উচ্চতার অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গটি বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে স্বীকৃত। পর্বত গাত্রের খাড়া ঢাল, তুষার ধসের প্রবণতা এবং অনিশ্চিত আবহাওয়া- এ তিন মিলে এই পর্বতে আরোহণ পর্বতারোহীদের কাছে সব সময়ই কঠিন বলে বিবেচিত হয়ে এসেছে। আর এই ভয়ানক পর্বতে এটিই হতে চলেছে বাংলাদেশ থেকে প্রথম অভিযান, যা আয়োজন করছে পর্বতারোহণ ক্লাব ‘ভার্টিক্যাল ড্রিমার্স’।

        বাবর সফলভাবে অন্নপূর্ণা-১ শৃঙ্গে আরোহণ করতে পারলে এটি হবে তার তৃতীয় আট হাজার মিটারের পর্বত আরোহণ। পৃথিবীতে সর্বমোট ১৪টি আট হাজার মিটার (২৬,২৪৬ ফুট) কিংবা তার অধিক উচ্চতার পর্বত রয়েছে।

        সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন অভিযানের ব্যবস্থাপক এবং ক্লাবটির বর্তমান সভাপতি ফরহান জামান। এতে আরো বক্তব্য রাখেন ভাটিক্যাল ড্রিমার্সের উপদেষ্টা শিহাব উদ্দীন, পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান ভিজুয়াল নিটওয়ারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ নুর ফয়সাল। এছাড়া দেশের পর্বতারোহণ মহলের পরিচিত মুখ ও পর্বত অনুরাগীরাও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এই অভিযানে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাবরের পাশে দাঁড়িয়েছেন ফ্লাইট এক্সপার্ট, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যাল। সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে বাবরের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

        জানা যায়, পর্বতারোহণে বাবরের পথচলা শুরু ২০১৪ সাল থেকে। ট্রেকিংয়ের জগতে তার হাতেখড়ি হয় ২০১০ সালে, পার্বত্য চট্টগ্রামের নানা পাহাড়ে পথচলার মধ্য দিয়ে। চট্টগ্রামের পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তিনি।

        এই ক্লাবের হয়েই গত এগারো বছরে হিমালয়ের নানা শিখরে অভিযান করে আসছেন তিনি। ভারতের উত্তরকাশীর নেহরু ইন্সটিটিউট অব মাউন্টেনিয়ারিং থেকে মৌলিক পর্বতারোহণ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন ২০১৭ সালে।

        ২০২২ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে হিমালয়ের অন্যতম দুর্গম ও টেকনিক্যাল চূড়া আমা দাবলাম (২২,৩৪৯ ফুট) আরোহণ করেন বাবর। ২০২৪ সালে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট (২৯,০৩১ ফুট) ও চতুর্থ সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট লোৎসে (২৭,৯৪০ ফুট) আরোহণ করেন তিনি। একই অভিযানে দুটি আট হাজার মিটার পর্বত আরোহণের কৃতিত্ব আর কোনো বাংলাদেশি পর্বতারোহীর নেই।

        সংবাদ সম্মলনে বাবর আলী বলেন, ‘এভারেস্ট-লোৎসে অভিযানের পর থেকেই বিশ্বের ১৪টি আট হাজার মিটার পর্বত আরোহণের ইচ্ছা পোষণ করছি আমি। অন্নপূর্ণা-১ অভিযান সে লক্ষ্যের দিকে আরও একটি পদক্ষেপ। ধীরে ধীরে বাকি পর্বতগুলোর চূড়া ছুঁতে চেষ্টা করব। তবে অন্নপূর্ণা-১ অভিযান নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জিং। সামিটের সঙ্গে পর্বতে প্রাণ হারানো আরোহীদের অনুপাত লক্ষ্য করলেই এই পর্বতের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা করা যায়। বেশিরভাগ পর্বতারোহীই বিশ্বের উঁচু সব পর্বতে দেশের পতাকা হাতে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখেন। আমিও এর ব্যতিক্রম নই। আমি সব সময় চ্যালেঞ্জিং আর নতুন কিছু করতে পছন্দ করি বলেই অন্নপূর্ণা-১-এর মতো শৃঙ্গ বেছে নিয়েছি।’

        সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৪ মার্চ অভিযানের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বেন বাবর। পর্বতারোহণের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও বিভিন্ন সরঞ্জাম কেনার কাজ শেষ করে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে পোখারা হয়ে তাতোপানির উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। দিন চারেকের ট্রেকে পৌঁছাবেন অন্নপূর্ণা নর্থ বেস ক্যাম্পে। মূল অভিযান শুরু হবে এখান থেকেই। বেস ক্যাম্প থেকে উপরের ক্যাম্পগুলোতে উঠানামা করে শরীরকে অতি উচ্চতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেবেন এই পর্বতারোহী। পুরো অভিযানে সময় লাগবে প্রায় ৪০ দিন।

        আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী মাসের তৃতীয় সপ্তাহ কিংবা শেষ সপ্তাহে চূড়ায় আরোহণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন অভিযানের ব্যবস্থাপক ফরহান জামান।

        বাসস

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কিছু প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে: প্রধান উপদেষ্টা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২২ মার্চ, ২০২৫ ১৫:২৮
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কিছু প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে: প্রধান উপদেষ্টা

          ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাছ থেকে পাওয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যে সব এখনই বাস্তবায়নযোগ্য, সেগুলো অন্তর্বর্তী সরকার অতিদ্রুত কার্যকরের উদ্যোগ নেবে।

          শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন হস্তান্তরকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

          তিনি বলেন, ‘সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে যে সব এখনই বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো আমরা দ্রুত বাস্তবায়ন করে ফেলতে চাই। সে জন্য আমি চাইবো সংস্কার কমিশন আশু করণীয় বা দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায় এমন সুপারিশগুলো তাড়াতাড়ি আলাদাভাবে আমাদের কাছে পেশ করুক।’

          সিনিয়র সাংবাদিক কামাল আহমেদের নেতৃত্বাধীন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের কাজকে অমূল্য উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা এ প্রতিবেদন যেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য মানুষ পড়তে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করার পরামর্শ দেন।

          দেশীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো একটি নির্দিষ্ট স্যাটেলাইট ব্যবহারে বাধ্য বলে বিদেশ থেকে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো দেখা যায় না, কমিশনের পক্ষ থেকে এমন তথ্য পাওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা এবং আগ্রহী বিদেশিরা দেখতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে সরকার।’

          কমিশন প্রধান কামাল আহমেদসহ অন্যান্য সদস্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে তাদের প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

          কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন, দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের প্রতিনিধি শামসুল হক জাহিদ, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন ওনার্স (অ্যাটকো) প্রতিনিধি মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী, নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সচিব আখতার হোসেন খান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের ট্রাস্টি ফাহিম আহমেদ, মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক সাংবাদিক জিমি আমির, ডেইলি স্টারের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা সবুজ, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর টিটু দত্ত গুপ্ত এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত