ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

মির্জা আব্বাসকে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে মেনন

নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক
মির্জা আব্বাসকে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে মেনন

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের ওপর হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে ৩ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত প্রধান মহানগর হাকিম মো. ছানাউল্লাহ কারাগারে পাঠানোর এ নির্দেশ দেন।

দুপুরে মেননকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১৫ ডিসেম্বর রমনা থানাধীন সেগুনবাগিচায় মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে নির্বাচনি প্রচারের সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামি মেননের নির্দেশনায় কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা মির্জা আব্বাসসহ তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীদের হত্যাচেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় বিএনপি নেতা ইমাম হোসেন ইমন বাদী হয়ে গত ২৮ আগস্ট শাহবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে ভারত পলায়নের পর ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেনন গ্রেফতার হন। পরদিন ২৩ আগস্ট তাকে নিউমার্কেট থানায় দায়ের করা ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়। এরপর আদাবর থানায় দায়ের করা পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় ৬ দিনের রিমান্ডে দেওয়া হয়।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    নাটকে আসছে ‘তোফাজ্জলের শেষ ভাত’

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৫:৩৪
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    নাটকে আসছে ‘তোফাজ্জলের শেষ ভাত’

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে ভাত খাইয়ে তোফাজ্জল নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে হত্যার ঘটনা এবার আসছে নাটকে। সপ্তাহখানেক আগে ঘটা এই মর্মান্তিক ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে সারাদেশ। চারদিক থেকে উঠে আসে নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ।

    তোফাজ্জলকে নারকীয় এ হত্যার আগে শেষবারের মত ভাত খেতে দেয় হত্যাকারীরা। তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। সেখানে তোফাজ্জলের সেই ভাত খাওয়ার দৃশ্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ তৈরি করে সাধারণ মানুষের। সে ঘটনা থেকেই নির্মিত হচ্ছে নাটক ‘তোফাজ্জলের শেষ ভাত’।

    জানা গেছে, নাটকটির পরিচালনা করছেন খলিলুর রহমান কচি। সেখানে তোফাজ্জলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘হা-শো’খ্যাত ইমরান। তিনি বলেন, ‘ঘটনাটা জানার পর আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। একজন নিরপরাধ মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকে ভাত খাইয়ে কীভাবে ছাত্ররূপী অমানুষরা খুন করতে পারে। মনে হয়েছে আমার পেশাগত দিক থেকে তোফাজ্জলের জন্য কিছু করা উচিত। তাই নাটকটি করেছি।

    ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে এরই মধ্যে নাটকটির শ্যুটিং সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ।

    প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে গত ১৮ সেপ্টেম্বর গণপিটুনিতে নিহত হন তোফাজ্জল হোসেন। এদিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টা থেকে তিন ঘণ্টা আটকে রেখে তাকে নির্যাতন করা হয়। প্রথমে হলের গেস্টরুমে তোফাজ্জলকে মারধর করেন কিছু ছাত্র এবং পরে তাকে খাওয়ানোর জন্য ডাইনিং রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তারা অন্য একটি গেস্টরুমে নিয়ে গিয়ে আবারও নির্যাতন করে। একপর্যায়ে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়।

    তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলি ইউনিয়নে। কয়েক বছর ধরে তোফাজ্জল মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ড. ইউনূস

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২১:১৬
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ড. ইউনূস

      মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

      মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সকালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠকে বসেন তারা।

      এর আগে, নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উত্তর প্রতিনিধি লাউঞ্জে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে যোগদানকারী বিশ্ব নেতাদের স্বাগত জানাতে সংস্থাটির মহাচিব আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন ড. ইউনূস।

      সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, মরিশাসের প্রেসিডেন্ট পৃথ্বীরাজসিংহ রূপুন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কসহ অন্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অধ্যাপক ইউনূস।

      সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেন তিনি।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ‘যাই ঘটুক’, অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থনের অঙ্গীকার করলেন সেনাপ্রধান

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৮:৫৬
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ‘যাই ঘটুক’, অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থনের অঙ্গীকার করলেন সেনাপ্রধান

        ছাত্র-জনতার তুমুল বিক্ষোভের জেরে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। সেইদিনেই সামরিক হেলিকপ্টারে ভারত পালাতে বাধ্য হন। এরপর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন তিনি। হাসিনার দেশ ছেড়ে পালানোর পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকার ইতোমধ্যে দেশের প্রধান প্রধান খাতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সরকারের প্রতি দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

        প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া প্রধান প্রধান সংস্কার কাজগুলো সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করার জন্য ‘যাই হোক না কেন’ অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান, যাতে আগামী ১৮ মাসের মধ্যে দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

        রয়টার্স বলছে, গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে জেনারেল ওয়াকার এবং তার সেনারা হাসিনার বিরুদ্ধে ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন প্রবল বিক্ষোভে তাদের পাশে দাঁড়ায় এবং এর মাধ্যমে হাসিনার ১৫ বছরের ক্ষমতায় থাকার পর অপসারণ নিশ্চিত হয়ে যায়, তিনি প্রতিবেশী ভারতে পালিয়ে যান।

        সোমবার রাজধানী ঢাকায় রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দেন জেনারেল ওয়াকার। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, নোবেল পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

        জেনারেল ওয়াকার বলেন, আমি তার (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) পাশে থাকব। যাই হোক না কেন। যাতে তিনি তার মিশন সম্পন্ন করতে পারেন।

        হাসিনার বিদায়ের কয়েক সপ্তাহ আগে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সংস্কারের পর গণতন্ত্রে উত্তরণ এক বছর থেকে দেড় বছরের মধ্যে করা উচিত। তবে এই সময়ে তিনি ধৈর্য ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

        তিনি বলেন, আপনি যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, তাহলে আমি বলব— এই সময়সীমার মধ্যেই আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করা উচিত।

        জেনারেল ওয়াকার বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এবং তিনি (সেনাপ্রধান) প্রতি সপ্তাহে বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। দেশকে স্থিতিশীল করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বলে জানিয়েছেন তিনি।

        তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত যে আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করি তবে আমাদের ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

        আমি এমন কিছু করবো না যা আমার সংস্থার ক্ষতি করে, বলেন সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, আমি একজন পেশাদার সৈনিক। আমি আমার সেনাবাহিনীকে পেশাদার রাখতে চাই।

        এ ছাড়া কোনো সেনাবাহিনীর সদস্য দোষী সাব্যস্ত হলে তার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সেনাপ্রধান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী (হাসিনা) বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোতে কাজ করার সময় কিছু সামরিক কর্মকর্তা অন্যায় কাজ করতে পারেন, বলেন জেনারেল ওয়াকার।

        রয়টার্স বলছে, দীর্ঘ মেয়াদে জেনারেল ওয়াকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে দূরে রাখতে চান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি সৈন্য রয়েছে এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম প্রধান সেনা প্রেরণকারী হচ্ছে বাংলাদেশ।

        জেনারেল ওয়াকার বলেছেন, এটি কেবল তখনই ঘটতে পারে যখন রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার কিছুটা ভারসাম্য থাকে, যেখানে সশস্ত্র বাহিনীকে সরাসরি রাষ্ট্রপতির অধীনে রাখা যায়।

        সামগ্রিকভাবে সামরিক বাহিনীকে কখনোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়। একজন সৈনিককে রাজনীতিতে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়, বলেন বাংলাদেশ সেনাপ্রধান।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          কাল থেকে চালু হচ্ছে শিল্পকারখানা

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৮:২১
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          কাল থেকে চালু হচ্ছে শিল্পকারখানা

          আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে সব শিল্পকারখানা চালু হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

          এ ব্যাপারে তিনি বলেছেন, আগামীকাল থেকে এই শিল্পকারখানা চালু হবে। কোনো ধরনের যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। এরপরও যদি বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, তাহলে কিন্তু অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে হবে।

          মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সম্প্রতি দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিক এবং মালিকপক্ষের যৌথ বিবৃতির বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

          জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমরা দীর্ঘ আলোচনার পর একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি। এই সমঝোতা স্মারকে মালিকপক্ষ ও শ্রমিকপক্ষ সবাই স্বাক্ষর করেছে। সবাইকে এটা মেনে চলতে হবে, এই অঙ্গীকার করতে হবে, এই চুক্তি থেকে আমাদের পিছু হটার কোনো কারণ বা অবকাশ নেই। কোনো বাহানা করা যাবে না।

          তিনি বলেন, আগামীকাল থেকে শিল্পকারখানা সচল দেখতে চাই। বিভিন্ন জায়গা থেকে নানা মাধ্যমে এই শিল্পটাকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু দেশ থেকে নয়, বিদেশ থেকেও হচ্ছে। এই শিল্প যদি বাইরে চলে যায়, তাহলে আমাদের কী হবে, সে বিষয় সবাইকে চিন্তা করতে হবে। পরিশেষে আমি একটাই কথা বলব, আইন আপনারা নিজেদের হাতে তুলে নেবেন না।

          তিনি আরও বলেন, আমি আগামীকাল থেকে আশা করব কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন ইন্ডাস্ট্রি এলাকায় না হয়। এটার ব্যত্যয় ঘটলে আপনারাই এজন্য দায়ী থাকবেন। কারণ আপনারা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন। সে সময় আপনারা পিছপা হতে পারবেন না। এখানে যারা উপস্থিত আছেন, সবাই যদি চেষ্টা করেন তাহলে বিশৃঙ্খলা হবে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোনোভাবেই অবনতি হবে না।

          স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনদের কাছে আবেদন করছি, আপনারা শুধু স্বাক্ষর করলে চলবে না৷ মনের ভেতর থেকে আসতে হবে যে, এই শিল্পই আমাদের বাঁচাবে। এই শিল্পই আমাদের সবকিছু দিয়ে যাচ্ছে। শুধু আপনাদের নয়, জনগণকে অনেক কিছু দিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পের ওপর দেড় কোটি নয়, পুরো বাংলাদেশের মানুষ নির্ভরশীল। এ জন্য আপনাদের নজর রাখতে হবে।

          জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আমি আবারও আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি, আগামীকাল যেন এই শিল্পটা ভালোভাবে চালু হয় সেই চেষ্টা করবেন এবং জারি রাখবেন। আজকে এখানে আপনারা যে ওয়াদা করেছেন, আশা করছি সেটি আপনারা রাখবেন। আগামীকাল থেকে এই শিল্পটা চালু হবে এবং কোনো ধরনের যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। আমি চাচ্ছি ভালোভাবে শৃঙ্খলভাবে কাজ হোক এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হোক।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত