ঢাকা, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ৬ বৈশাখ ১৪৩৩
 
শিরোনাম

কুরবানির পশু বিক্রির তিন কোটি টাকা এতিমখানায় দেবেন সেলিম ওসমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ জুন, ২০২৪ ২০:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুরবানির পশু বিক্রির তিন কোটি টাকা এতিমখানায় দেবেন সেলিম ওসমান

গত ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের (সদর-বন্দর) সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের মালিকানাধীন ফাইভ স্টার এগ্রো ফার্মের ৪শ কুরবানির পশু বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৪ কোটি টাকা। এ টাকায় নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নবীগঞ্জ এলাকায় একটি আধুনিক এতিমখানা নির্মাণ করা হয়। এবারো পশু বিক্রির ৩ কোটি টাকা দেওয়া হবে এই এতিমখানায়। এতিম শিশুদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ায় ব্যয় হবে এই টাকা।

শখের বসে প্রথমে ছাগল পালন শুরু করেছিলেন বিকেএমইএর সভাপতি ও উইসডোম অ্যাটায়ার্স গার্মেন্টসের মালিক সেলিম ওসমান। শখ থেকে এখন পেশায় পরিণত হয়েছে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ ও খুলনায় দুটি খামার রয়েছে তার। এ থেকে অর্জিত অর্থ ব্যয় করছেন নানা সমাজকল্যাণমূলক কাজে। পশু বিক্রির টাকায় এক দশকে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। বৈশ্বিক মন্দার কথা চিন্তা করে এবার কোনো মুনাফা ছাড়াই শুধু লালন-পালনের খরচ রেখে পশু বিক্রি করছেন সেলিম ওসমান।

জানা গেছে, ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুরের ফাইভ স্টার এগ্রো ফার্মে এবার কুরবানির ঈদ উপলক্ষে শাহিওয়াল, পাকড়া, ফ্রিজিয়ান, ব্রাহমা, দেশীয় গরু, ভুট্টি গরু, মহিষ, ছাগল ও গাড়লসহ ৩শ পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। লাভ ছাড়াই গরুর দাম কেজিপ্রতি নির্ধারণ করে দিয়েছেন সেলিম ওসমান। লাইভ ওয়েট অনুযায়ী ৩০০-৩৯৯ কেজি ওজনের পশুর দাম প্রতি কেজি ৪৮৫ টাকা, ৪০০-৪৯৯ কেজি পশুর দাম প্রতি কেজি ৫২৫ টাকা ও ৫০০-৬০০ কেজির বেশি ওজনের পশু প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গাড়ল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা।

সেলিম ওসমান বলেন, আমার এখানে এক লাখ থেকে শুরু করে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন জাতের গরু আছে। এই গরু থেকে এবার লাভ করার কোনো চিন্তা করছি না। শুধু কাস্টিং যেটা আছে সেই দামেই আমরা গরু বিক্রি করছি। সেভাবেই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, এটা প্রথমে শখ ছিল; এখন পেশা। পশু বিক্রির টাকা আমি ব্যক্তিগত কাজে লাগাইনি কখনো। এটা দিয়ে আমি চেষ্টা করেছি সমাজে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য। এই টাকা দিয়ে আমি বেশ কয়েকটি স্কুল নির্মাণ করতে পেরেছি। গতবার একটি এতিমখানার কাজ শুরু করেছিলাম। এবারের টাকাটাও ওই এতিমখানায় যাবে।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    খুলনা নগরীতে তিন মাস ব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৫ জুন, ২০২৪ ২০:২৩
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    খুলনা নগরীতে তিন মাস ব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে "গাছ লাগিয়ে বেশি বেশি, পরিবেশটাকে সুস্থ রাখি" স্লোগানকে সামনে রেখে ফুলকুঁড়ি আসর খুলনা মহানগরীর আয়োজনে জুন, জুলাই ও আগস্ট- ৩মাস ব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে।

    আজ ৫ জুন (বুধবার) নগরীতে শতাধিক গাছ রোপন ও শিশুদের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।

    ফুলকুঁড়ি আসরের কেন্দ্রীয় কর্মিপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী শাখা পরিচালক ইমরান জাবিরের উপস্থিতিতে ও শাখা সহকারী পরিচালক আরিফুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন, ফুলকুঁড়ি আসরের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় কর্মিপরিষদ সদস্য ও প্রাক্তন শাখা পরিচালক অহিদুজ্জামান অহিদ, জমি জমা ডট কম এর নির্বাহী পরিচালক ইয়াসিন হোসেন ইমন ও শাখা সংগঠকবৃন্দ।

    উপস্থিত অতিথিবৃন্দ পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা এবং এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন। শাখা পরিচালক ইমরান জাবির বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। প্রতিবছর একটি গাছ গড়ে প্রায় ১৩ কেজি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহন করে যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। অপরদিকে একটি দেশের মোট ভুমির ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা উচিত যেখানে বাংলাদেশে বর্তমানে বনভূমির পরিমান মাত্র ১৫.৫৮ ভাগ। তাই, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশ রক্ষায় সচেতন করে গড়ে তোলার জন্যই শিশুদের নিয়ে ফুলকুঁড়ি আসরের এই আয়োজন।

    প্রধান অতিথি প্রকৌশলী মুনতাসির মামুন বলেন "বর্তমান বিশ্বে পরিবেশ দূষণ, বন উজাড় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন আমাদের এক ক্লান্তিকালে এনে দাঁড় করিয়েছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আমাদেরকে প্রকৃতির দিকে ফিরে তাকাতে হবে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সঙ্গতি রক্ষা করতে হবে। বৃক্ষরোপণ হল সেই পথ যা আমাদের পরিবেশকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করবে।"

    বিশেষ অতিথি অহিদুজ্জামান বলেন "বর্তমানে প্রকৃতি আমাদের উপর যে নিষ্ঠুরতা দেখাচ্ছে তার জন্য মূলত আমরাই দায়ী এবং আমরাই পারি পরিবেশকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। আমাদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা স্মরণ করিয়ে দেওয়া"।

    ইয়াসিন হোসেন ইমন বলেন, "আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক আমরা প্রতিটি বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে আমাদের পৃথিবীকে আরো সবুজ এবং সুস্থ করে তুলব। বৃক্ষরোপণ একটি ছোট পদক্ষেপ হতে পারে কিন্তু এর প্রভাব বিশাল ও দীর্ঘস্থায়ী।"

    অন্যান্যরা পরিবেশ রক্ষায় আমাদের শিশুদের করণীয় শীর্ষক বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

    উল্লেখ্য, বৃক্ষ বিতরণ ও বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচী সমাপ্ত হয়।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      মোটরসাইকেল ঠিক করতে না পারায় মেকানিককে পুলিশের গুলি

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৫ জুন, ২০২৪ ১৬:৩২
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      মোটরসাইকেল ঠিক করতে না পারায় মেকানিককে পুলিশের গুলি

      যশোরের ঝিকরগাছায় ঘটেছে এক অবাক করা কান্ড! মোটরসাইকেল ঠিক করতে না পারায় এক মেকানিককে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্যের নাম রিপন হোসেন। তিনি শিওরদাহ পুলিশ ফাঁড়িতে কনস্টেবল পদে কর্মরত রয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় ঘটনাটি ঘটেছে শিওরদাহ পুলিশ ফাঁড়ি সংলগ্ন শিওরদাহ বাজারে।

      তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছেন ওই মেকানিক। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ওই পুলিশের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন। পরে নাভারণ সার্কেলের এএসপি নিশাত আল নাহিয়ান এবং ঝিকরগাছা থানার ওসি কামাল হোসেন ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

      স্থানীয়রা জানান, ঘটনার শিকার রিপন যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি শিওরদাহ গ্রামের মতিয়ার হোসেনের ছেলে। বাজারে তার তরকারির দোকান আছে। পাশাপাশি তিনি মোটরসাইকেলের ছোটখাটো মেরামতের কাজ করতেন। গুলি করার আগে রিপনকে লাঠি দিয়ে বেদম মারা হয়। লাঠির আঘাতে রিপনের কান ফেটে রক্তাক্ত হয়েছে।

      ঘটনার বর্ণনা দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও রাইফেলের নল ধরে ফেলা দোকানি তুষার বলেন, ‘আমি ওষুধ আনতে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি ওই পুলিশ লাঠি দিয়ে রিপনকে মারছে আর দোকান থেকে বের হতে বলছে। এ সময় সে হুমকি দিতে থাকে বের না হলে গুলি করবে। পরে আমি রাইফেলের বাট ধরে ফেলায় সে গুলি করলেও সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের পাথরের কুচির স্তূপে লাগে।’

      ভুক্তভোগী রিপনের বাবা মতিয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছেলেকে বিনা কারণে পুলিশ মেরেছে। সে মেকানিক না, তরকারি বিক্রি করে। তবে টুকটাক মোটরসাইকেলের কাজ জানে। ওর অপরাধ শুধু বলেছে, এই কাজ সে করতে পারবে না। এতেই সাদা লাঠি দিয়ে আমার ছেলেকে পুলিশ মেরেছে, দোকান ভাঙচুর করেছে। পাশের এক দোকানদার বন্দুক ধরে ফেলায় ওর গায়ে গুলি লাগেনি। আমি এর বিচার চাই।’

      ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিকরগাছা থানার ওসি কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের একজন পুলিশ সদস্য যশোরে ডিউটিতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তার মোটরসাইকেল নষ্ট হলে সে শিওরদাহ বাজারে গ্যারেজে যায়। সেখানে লোকজনের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি, হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে তার কাছে থাকা একটি রাইফেল থেকে অসাবধানতাবশত গুলি বের হয়ে যায়, যেটাকে আমরা মিসফায়ার বলি। পরে এটা নিয়ে খুব উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। সিনিয়র অফিসারসহ আমরা সেখানে যাই। ক্যাম্প থেকে তাকে আমরা পুলিশ লাইনে নিয়ে আসি। তার কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        আওয়ামী লীগ গাছ লাগায় আর বিএনপি তা ধ্বংস করে: প্রধানমন্ত্রী

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৫ জুন, ২০২৪ ১৪:১৩
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        আওয়ামী লীগ গাছ লাগায় আর বিএনপি তা ধ্বংস করে: প্রধানমন্ত্রী

        প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ গাছ লাগায় আর বিএনপি তা ধ্বংস করে। আমাদের বৃক্ষরোপণ এবং প্রকৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

        বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৪ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

        প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তার পরবর্তী দুই বছর এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। ২০১৩ সালে সরকার উৎখাতের আন্দোলনের নামে মানুষকে যেমন হত্যা করা...তাছাড়া বাস, ট্রাক, গাড়ি, রেল, লঞ্চ, সেগুলো আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া আর বৃক্ষ নিধন করা হয়। লক্ষ লক্ষ বৃক্ষ কেটে ফেলে দেয় জামায়াত-বিএনপি। আমরা যেখানে গাছ লাগিয়েছে সেগুলো তারা ধ্বংস করেছে। এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্যের বিষয়।

        তিনি আরও বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনের জন্য ১৯৮৪ সালে আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়। মূল দল আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেকটা সদস্য বৃক্ষরোপণ করবে। আমাদের নির্দেশ ছিল এবং সেই নির্দেশনা আমরা এখনও পালন করে যাচ্ছি।

        শেখ হাসিনা বলেন, এ দেশের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। জলবায়ু পরিবর্তনের যে বিরূপ প্রভাব, তা থেকে দেশকে আমরা মুক্ত করতে চাই। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যে পদক্ষেপগুলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিয়েছিলেন।

        তিনি বলেন, জাতির পিতা ১৯৭২ সালে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে একটা সবুজ আচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরির পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৭২ সালের ১৬ জুলাই তিনি সেখানে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করেন। বৃক্ষরোপণের জন্য মানুষকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেন। কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে যে ঝাউ বন সেটি জাতির পিতার উদ্যোগে রোপণ করা হয়। তাছাড়া আমাদের দ্বীপ অঞ্চল, বিশেষ করে চরাঞ্চলগুলোতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা এবং সেখানে প্রত্যেক প্রজাতির পশুপাখি জোড়ায় জোড়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়। সেটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শুরু করে দিয়েছিলেন।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          জায়েদ খানকে ১২ লাখে কিনলে সঙ্গে ছাগল ফ্রি!

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ৪ জুন, ২০২৪ ১৯:১৩
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          জায়েদ খানকে ১২ লাখে কিনলে সঙ্গে ছাগল ফ্রি!

          চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার দক্ষিণ পরাগলপুর গ্রামে নিরব এগ্রো ফার্মে তিন বছর ধরে লালন-পালন করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ‘জায়েদ খান’ নামের ষাঁড়টিকে।

          এটি লালন-পালন করছেন রমজান আলী বাচ্চু ও আনোয়ার হোসেন।

          লাল রঙের শাহিওয়াল জাতের ষাঁড়টি ডিগবাজি দেয় বলে নাম রাখা হয়েছে ‘জায়েদ খান’। ওজন প্রায় ৯৫০ কেজি। দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

          তবে ষাঁড়টির সঙ্গে একটি ছাগল ফ্রি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মালিক। তবে দরকষাকষির মাধ্যমে দাম কমানোর সুযোগ রয়েছে।

          রমজান আলী বাচ্চু বলেন, গম, ভুট্টা, সবুজ ঘাস ও ফলমূল খাওয়ানোর মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে ষাঁড়টি। সময়মতো খাবার না পেলে রেগে যায় ‘জায়েদ খান’। এই ষাঁড়টির খাবার ও দেখাশোনার জন্য দৈনিক প্রায় ৫০০ টাকা খরচ করতে হয়।

          উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাকিরুল ফরিদ গণমাধ্যমকে জানান, খামারি ও প্রান্তিক কৃষক মিলে এবার ৫০ হাজার ৭৩৯টি পশু প্রস্তুত করেছেন। এর মধ্যে ২২ হাজার ৪১৩টি ষাঁড় ও বলদ, ১৪ হাজার ১৫২টি গাভি, চার হাজার ৬১১টি মহিষ, ৯ হাজার ৫৬৩৫টি ছাগল ও ভেড়া রয়েছে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত