ঢাকা, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
 
শিরোনাম

১০ ফুটের কালামানিকের সঙ্গে থাকছে খাসি ফ্রি!

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ জুন, ২০২৪ ১৮:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ ফুটের কালামানিকের সঙ্গে থাকছে খাসি ফ্রি!

বিশালদেহী একটি গরুর পা থেকে মাথা পর্যন্ত গায়ের রং কুচকুচে কালো। গরুটির মালিক শখ করে তার নাম রেখেছেন ‘কালামানিক’। পাঁচ বছর বয়সী ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি লম্বায় ১০ ফুট, উচ্চতায় ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ১৩শ’ কেজি।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। ষাঁড়টি কিনলে ফ্রিতে মিলবে ‘কাঞ্চন’ নামে একটি খাসি।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল ইউনিয়নের নান্দিনা মধু গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আলী আজম তালুকদারের খামারে বেড়ে উঠেছে ষাঁড়টি।

স্থানীয়রা জানান, শখের বসে নিজ বাড়িতে গরুর খামার করেছেন ড. আলী আজম। তার খামারে বর্তমানে মোট নয়টি বিশাল আকৃতির ষাঁড় লালন-পালন করা হচ্ছে। কালামানিক ছাড়াও ৮০০ কেজি ওজনের শাহীওয়াল জাতের আকাইসুর ও ৭০০ কেজি ওজনের আরও সাতটি ষাঁড় রয়েছে। আসন্ন ঈদ উল আজহা উপলক্ষে কালামানিক, আকাইসুরসহ মোট ৮টি ষাঁড় বিক্রির জন্য কোরবানির পশুর হাটে তুলবেন তিনি। বিশালাকৃতির ষাঁড়টিকে দেখার জন্য প্রতিদিন লোকজন ভিড় জমাচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. আলী আজম তালুকদার বলেন, ‘এ ষাঁড়টিকে বিক্রির জন্য দাম চাওয়া হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। ব্যবসার জন্য খামার করা হয়নি। যদি কেউ কিনতে চান তাহলে অবশ্যই আলোচনার মাধ্যমে দাম কমানো যাবে। গরুটি কিনলে ফ্রিতে মিলবে ২২ থেকে ২৫ কেজি ওজনের একটি খাসি। শখের বসে ২০১৫ সালে এ খামারটি তৈরি করেছি। এখানে কোনো ওষুধ ছাড়াই আমার নিজস্ব গবেষণা প্রক্রিয়ায় দানাদার খাদ্যগুলো পাউডার ফর্মে এনে এরপর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে গাঁজানো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৬ থেকে ১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখি। পরে ষাঁড়গুলোকে খেতে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে দেওয়া হয় কাঁচা ঘাস এবং সাইলেস। আমার চিন্তা সাশ্রয়ী মূল্যে গবাদিপশুকে খাদ্য দেওয়া।’

এ দিকে কামারখন্দ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘উপজেলার সবচেয়ে বড় ষাঁড় কালামানিক। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে মালিক ষাঁড়টি বড় করেছেন। আশা করছি, কোরবানির প্রাণীর হাটে ষাঁড়ের মালিক ভালো দামে বিক্রি করতে পারবেন।’

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    কবর দেওয়ার সময় কেঁদে উঠল ‘মৃত’ নবজাতক

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ৩ জুন, ২০২৪ ১৩:৫০
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    কবর দেওয়ার সময় কেঁদে উঠল ‘মৃত’ নবজাতক

    রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ডেলিভারি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী ৯টার দিকে একটি কার্টনে করে বাড়িতে নেওয়া হয় নবজাতকের ‘মরদেহ’। নেওয়া হচ্ছিল কবর দেওয়ার প্রস্তুতি। এমন সময় কার্টন খুলতেই কান্না শুরু করে নবজাতক।

    শনিবার (১ জুন) চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের পূর্ব মিঠানালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    সাত মাস আগে বিয়ে হয় মো. ইউনুস আলীর ও জেসমিন আক্তারের। বিয়ের একমাস পর জেসমিন গর্ভবতী হয়। কয়েকবার যান চিকিৎসকের কাছে। মা ও সন্তান দুজনেই সুস্থ রয়েছেন বলে জানান চিকিৎসক।

    হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলে শনিবার সকালে চিকিৎসকের কাছে গেলে আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে রিপোর্টও ভালো আসে। কিন্তু বিকেলে পুনরায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে রিপোর্ট ভালো নয়, নবজাতক মারা গেছে বলে জানান মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্বরত গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. শারমীন আয়েশা।

    এরপর ডেলিভারির প্রস্তুতি নেন এবং রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে নবজাতক ভূমিষ্ঠ হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী একটি কার্টনে করে বাড়ি নিয়ে জানাজা শেষে কবরস্থ করার জন্য কার্টন খুললে নবজাতক কেঁদে ওঠে। পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শিশুটিকে। সেই নবজাতক এখনো বেঁচে আছে।

    ইউনুস আলী অভিযোগ করেন, শনিবার সকালে আমার স্ত্রীর পেটে ব্যথা উঠলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ডা. শারমীন আয়েশা চেকআপ করে বলেন, বাচ্চা সুস্থ আছে। এরপর আমার স্ত্রীর শরীরে স্যালাইন পুশ করার পর তীব্র ব্যথা শুরু হয়। বিকেলে আবার চেকআপ করে বলেন বাচ্চা বেঁচে নেই। পরে ডেলিভারির ব্যবস্থা করেন। আমাকে বাচ্চা নিয়ে যাওয়ার জন্য কার্টনের ব্যবস্থা করতে বলেন। রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ডেলিভারি হওয়ার পর রাত ৯টার দিকে কার্টনে করে বাচ্চাকে দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাই।

    এরমধ্যে কবর খোঁড়াও সম্পন্ন হয়ে যায়। বাচ্চার বয়স ৫ মাস ১৯ দিন বয়সী হওয়ায় পরিবার ও বাড়ির সবাই কার্টন খুলতে নিষেধ করে। পরে কবর দেওয়ার জন্য কার্টন খুলে দেখি বাচ্চা কান্না করছে। এরপর বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা আমার বাচ্চাকে জীবিত অবস্থায় দেখে দ্রুত চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। রাত দেড়টায় আমি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করাই। আমার বাচ্চা এখন চমেক হাসপাতালের ৬ তলায় ৩২নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তিনি আরও বলেন, তারা আমার বাচ্চাকে মৃত বলে ৫ মাস ১৯ দিন বয়সে ডেলিভারি করে। বাচ্চা এখনো অপরিপক্ব। তারা জীবিত বাচ্চাকে মৃত বলে কার্টনে করে নিয়ে যেতে বলে। বেঁচে থাকলেও বাচ্চার শারীরিক অবস্থা এখন ভালো না। এর জন্য ডাক্তার শারমীন ও মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতাল দায়ী।

    এ বিষয়ে মিঠাছরা হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসক গাইনি বিশেষজ্ঞ শারমিন আয়েশার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    যোগাযোগ করা হলে মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ রানা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, রোগীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে শনিবার রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে ডেলিভারি হয়ে যায়। ডেলিভারি হওয়ার পর বাচ্চার ১ মিনিট নড়াচড়া ছিল। ১৫ মিনিট নবজাতককে চিকিৎসকের অবজারবেশনে রাখা হয়। রোগীর স্বজনরা নবজাতককে দেখতে আসে এবং হাসপাতাল থেকে বাচ্চাটি বাড়ি নিয়ে যায়।

    সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে বাড়ি নিয়ে গেছে দাবি করে তিনি বলেন, নবজাতক মারা গেছে তাদের বলা হয়নি। তারা বাড়ি নিয়ে কেন কবর দিচ্ছে সেটাও আমরা জানি না। যদি মারা যেত আমরা ডেথ সার্টিফিকেট দেব, রেজিস্ট্রারে এন্ট্রি করব।

    এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি জানি না। সাধারণত ৫-৬ মাসের বাচ্চা ভূমিষ্ট হলে বাঁচার কথা না। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      ভোটারদের জন্য রান্না করা গরুর মাংস গেল এতিমখানায়

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ৩ জুন, ২০২৪ ১২:২৪
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ভোটারদের জন্য রান্না করা গরুর মাংস গেল এতিমখানায়

      ভোটারদের প্রভাবিত করতে গরুর মাংস রান্নার আয়োজন থেকে দুটি গরুর রান্না করা মাংস জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যানপ্রার্থী কাপ-পিরিচ প্রতীকের এসএম খালেদ হোসেন স্বপনের সমর্থক কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরে আলম ব্যাপারীর বাসার ছাদ থেকে রোববার (২ জুন) দুপুরে এই মাংস জব্দ করা হয়।

      বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুব্রত বিশ্বাস দাস।

      তিনি জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে দুই পাত্র রান্না করা মাংস জব্দ করে নিকটস্থ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া এমপির হাট নামক এলাকা থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে হুমায়ুন কবির নামের একজনকে এক হাজার টাকা জরিমানা ও তার ঘর থেকে ৫ কেজি গরুর মাংস জব্দ করা হয়। তিনিও খালেদ হোসেন স্বপনের সমর্থক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

      জানা গেছে, আগামী ৫ জুন বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ভোটারদের গরু জবাই করে খাওয়ানোর উদ্যোগ নেন কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থী খালেদ হোসেন স্বপন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেন প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যানপ্রার্থী ফরজানা বিনতে ওহাব। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সত্যতা পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানের সময় কাপ-পিরিচের সমর্থক নূরে আলম ব্যাপারী দাবি করেছিলেন তার বাবার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়ার জন্য মাংস রান্না করা হয়েছে। তবে এই দাবির প্রেক্ষিতে সঠিক কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি নূরে আলম।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট ডিগ্রি ফেরত দিলেন শহিদুল আলম

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ৩ জুন, ২০২৪ ০:৮
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট ডিগ্রি ফেরত দিলেন শহিদুল আলম

        বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব দ্য আর্টস অব লন্ডনের (ইউএএল) কাছ থেকে পাওয়া সম্মানজনক ডক্টরেট ডিগ্রি ফেরত দিয়েছেন।

        ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং এসব শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবজ্ঞার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন শহিদুল আলম।

        বিবৃতিতে এই আলোকচিত্রী বলেছেন, তিনি ২০২২ সালের ৮ জুলাই এই সম্মানজনক ডিগ্রি গ্রহণ করেন। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়টি অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। কিন্তু এই অবস্থান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ভাইস চ্যান্সেলর জেমস পুর্নওয়েলের স্থানচ্যুতি দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়েছেন।

        কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, জেমস পুর্নওয়েল মনেপ্রাণে একজন কট্টর ইহুদিবাদী।

        শহিদুল আরও বলেছেন, গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে দেখে তিনি ব্যথিত হয়েছেন।

        এছাড়া গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এ বাংলাদেশি আলোকচিত্রী।

        শহিদুল জানিয়েছেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ করেছে, তাদের আটকে দেওয়া হচ্ছে, তাদের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে এবং তাদের অবজ্ঞা করা হচ্ছে।

        আর এসব কারণে ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তিনি আর যুক্ত থাকতে পারবেন না’ এবং এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন এবং মিডিয়াকে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি তার সম্মানজনক ডক্টরেট ডিগ্রি ফেরত দেবেন।

        সূত্র: আলজাজিরা

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          সন্তান হওয়ায় খাসি নিয়ে ঢোল পিটিয়ে কবিরাজের বাড়িতে দম্পতি

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২ জুন, ২০২৪ ২০:৩৫
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          সন্তান হওয়ায় খাসি নিয়ে ঢোল পিটিয়ে কবিরাজের বাড়িতে দম্পতি

          রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের রমজান মাতব্বর পাড়ায় নাজমা কবিরাজের চিকিৎসায় এক দম্পতির জীবনে তাদের ঘরে ফুটফুটে এক ছেলেসন্তান এসেছে এমন খবর পাওয়া গেছে।

          দম্পতি রানু আক্তার ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিনখার হাট এলাকার নুরুজ্জামানের স্ত্রী। তাদের ঘরে ১৫ বছরের এক কন্যাসন্তান রয়েছে। এরপর আর কোনো সন্তান হয়নি।

          রোববার (০২ জুন) সকালে সরেজমিনে নাজমা কবিরাজের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান কোলে নিয়ে মা রানু আক্তার ঢাকঢোল পিটিয়ে একটি খাসি ও মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে কবিরাজের বাড়িতে হাজির হয়েছেন।

          এ নিয়ে গোয়ালন্দ উপজেলায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে খাসি হাতে এবং মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে নাচতে নাচতে নাজমা কবিরাজের বাড়িতে আসেন। এ সময় তাদের দেখতে শত শত মানুষের ভিড় সৃষ্টি হয়েছে।

          শিশুটির মা রানু আক্তার জানান, আমার স্বামী নুরুজ্জামান আগে ছিলেন প্রবাসে। এখন এয়ারপোর্টে চাকরি করেন। আমাদের ঘরে ১৫ বছর আগে একটি মেয়েসন্তান হয়। এরপর ১৫ বছরের মধ্যে আর কোনো সন্তান জন্ম নেয় না। এ নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। ডাক্তাররা বলেছেন- টিউব ব্লক হওয়ায় আমি আর বাচ্চা প্রসব করতে পারব না। এ কথা শুনে আমি একেবারেই ভেঙে পড়ি।

          এরপর আমার মায়ের পরামর্শে আমি নাজমা কবিরাজের কাছে যাই। তিনি পানি পড়া দেন। এরপর দুই বছরের চিকিৎসা নেই নাজমা কবিরাজের কাছ থেকে। এরপরে কোলজুড়ে আমাদের এই ছেলে শিশু জন্ম নেয়। শিশুর ৭ মাস পূর্ণ হলো। শিশুর মুখে চিনি দিতে নাজমা কবিরাজের বাড়িতে নিয়ে এসেছি।

          এ বিষয়ে কবিরাজ নাজমা জানান, আমার কাছে জিন রয়েছে। আমি জিনের দ্বারা মানুষকে সেবা দিয়ে থাকি। আমি বলেছিলাম ওই দম্পতির বাচ্চা হবে। আল্লাহ কবুল করে নিয়েছে। আমি অনেক খুশি।

          এ বিষয়ে উজানচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গুলজার হোসেন কালবেলাকে বলেন, নাজমা কবিরাজের চিকিৎসায় ১৫ বছর পর রানু বেগম নামের এক মহিলার পুত্রসন্তান জন্ম হয়েছে। তাদের জন্য দোয়া রইল।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত