শিরোনাম
তীব্র গরমে লুঙ্গি পরে অফিস করার অনুমতি চেয়ে আবেদন!
দেশে মাঝারি তাপপ্রবাহের সাথে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে পূর্বের তুলনায়। গরমে জনজীবন অতিষ্ট। গত কয়েদদিনে যার মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়ে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন মানুষ। সাধারণ মানুষ গরমের হাত থেকে বাচতে বিভিন্ন পন্থা অবম্বন করছেন। খুজছেন প্রশান্তি। তাররই ধারাবাহিকতায় এবার এক ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে। গরম থেকে বাঁচতে একজন কর্মী অফিসে লুঙ্গি পরে অফিস করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন।
গত বৃহস্পতিবার (৮ জুন) নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি বিমা কোম্পানির কর্মী লঙ্গি পরে অফিস করার আবেদনটি করেছেন। লুঙ্গি পরে অফিস করার আবেদনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিমা কোম্পানির ওই কর্মীর নাম নওশাদ আনছারী। তিনি বিমা কোম্পানি সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সৈয়দপুর শাখায় কম্পিউটার অপারেটর পদে কাজ করেন।
আবেদনপত্রে নওশাদ আনছারী লিখেছেন, সারাদেশে বইছে তীব্র দাবদাহ। সৈয়দপুরে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টিহীন অসহ্য গরম ও ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে একটানা প্যান্ট পরে কাজ করা দুরূহ হয়ে পড়েছে। এতে শরীরের নানা স্থানে চুলকানিও শুরু হয়েছে। গরমের হাত থেকে বাচতে তাই লুঙ্গি পরে অফিস করার অনুমতি চান তিনি। বিদ্যুৎ না থাকায় কম্পিউটারে কম্পোজ করতে পারেননি। তাই হাতে লিখে আবেদনটি করেছেন বলে বিশেষ দ্রষ্টব্যে উল্লেখ করেছেন কম্পিউটার অপারেটর নওশাদ আনছারী।
এখনও চিঠির উত্তর পাননি জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, অনেকেই বিষয়টি হাসি-ঠাট্টা হিসেবে নিলেও লুঙ্গি পরে অফিস করার আবেদনটি মন থেকেই তিনি করেছেন এবং এটাই বাস্তবতা। আর সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সৈয়দপুর শাখার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লুঙ্গি পরে অফিস করার বিষয়ে একটি আবেদন তারা পেয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি।
শাহরিয়ার কবিরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে অর্পিতা কবির মুমুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ জুন) রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয় বনানী থানা পুলিশ।
বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার বনানীর একটি বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় অর্পিতা কবির মুমুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রাতেই পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
শাহরিয়ার কবিরের মেয়ে অর্পিতা আত্মহত্যা করতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তিনি কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন সে বিষয়ে পুলিশ জানাতে পারেনি।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে School of Earth & Environment এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৩ উপলক্ষে School of Earth & Environment-SEE এর উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীর দুমকি নাসিমা কেরামত আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের নিয়ে School Of Earth & Environment-SEE এর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আফিয়া তাহমিন জাহিন এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফারদিন হাসানের দিকনির্দেশনা, পরিশ্রম এবং আগ্রহে সংগঠনের প্রতিটি সদস্যের অধ্যবসায় এবং নিরলস প্রচেষ্টায় একটি ফলপ্রসু ও গঠনমূলক আলোচনা সভার সফল আয়োজন হয় বলে সংগঠনটি জানিয়েছেন।
School of Earth & Environment কর্তৃপক্ষ জানান, এই আয়োজনের মূল বিষয়বস্তু ছিল যথাক্রমে-
১.পরিবেশ দূষণ সম্পর্কিত একটি ছোট গল্প উপস্থাপন। মূলত কিশোরীদের প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পর্কে অবহিত করার জন্য অভিনব কৌশল অবলম্বন করেন সংগঠনের সদস্যরা। যখন তারা জানতে পারে এধরণের আয়োজন হবে তখন তাদের পক্ষ থেকেই গল্পের মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণের ব্যাপারটা ফুটিয়ে তোলার ধারণা প্রদান করা হয়। যার নেপথ্যে ছিল পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ২১-২২ সেশনের ছাত্রীরা।
২.পরিবেশ দিবসের সূচনা, পরিবেশ দিবস কেন উৎযাপিত হয়, আমাদের জীবনে পরিবেশের তাৎপর্য সম্পর্কে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সামনে কথা বলেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের ২০-২১ এবং ২১-২২ সেশনের ছাত্রীরা। তাদের বাস্তবমুখী, তথ্য নির্ভর এবং অনুসন্ধানী আলোচনা থেকে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিবেশগত দূষণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা জন্মাবে। যা তাদের আগামী জীবনে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করে তুলবে।
৩. এ পর্যায়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার কেন ক্ষতিকর, এটি কিভাবে আমাদের পরিবেশ ধ্বংস করছে, কিভাবে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায় এ বিষয়ে কথা হয়। ছাত্রীদের মতামত গ্রহণ করা হয়। কিভাবে প্লাস্টিক পুনরায় ব্যবহার করা যায়, ব্যবহার করা প্লাস্টিক রিসাইকেল করা যায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
৪. আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন হয়। কুইজে বিজয়ী হন দশম শ্রেণির ছাত্রী নীলিমা।
৫. এ পর্যায়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। পুরস্কার বিতরণ শেষে তিনি ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, "অনেক সংগঠন আমাদের বিদ্যালয়ে আসে, কিন্তু বাচ্চাদের চিন্তায় প্রভাব ফেলতে পারে না। আপনাদের কর্মকাণ্ড বাস্তবমুখী এবং কল্যাণকর বলেই বাচ্চাদের চিন্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পেরেছে। আপনাদের এবং আপনাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।"
অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক প্রদানের মাধ্যমে। সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আফিয়া তাহমিন জাহিন।
এ বিষয়ে আফিয়া তাহমিন জাহিন বলেন, "পরিবেশ দিবস কথাটি শুনে আমরা অভ্যস্ত কিন্তু এর যাত্রা, উদ্দেশ্য এবং আমাদের করণীয় সম্পর্কে আমরা উদাসীন! প্রতিদিন অজ্ঞতাবশত আমাদের সংক্ষিপ্ত এবং ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড পরিবেশ এবং প্রকৃতিকে অসুস্থ করে তুলছে। যেদিন প্রকৃতি এই অসুস্থতার সাথে লড়াইয়ে হেরে যাবে সেদিন মানব সভ্যতার বিপর্যয় হবে"; আফিয়া তাহমিন জাহিন বলেন। অভ্যাস গড়ে তোলার আদর্শ বয়স এদের। এ বয়সে যে বিষয়গুলো তারা মানবে জীবনের কঠিন মূহুর্তেও তাদের এ অভ্যাস টিকে থাকবে। আজ যদি পরিবেশ বিষয় সম্পর্কে এদের সচেতন করা যায়, পরিবেশের প্রতি যত্নশীল করতে পারি তবে আগামীর পরিবেশ হবে সুস্থ, যেখানে আমি আপনি প্রাণ খুলে বাঁচব। আমাদের সন্তানের জন্য নিশ্চিত করা যাবে মুক্ত বায়ু, নিরাপদ জল এবং দূষণমুক্ত মাটি। তাই আমার এবং আমাদের কাজে প্রাধান্য পাই বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।"
এক ফ্যান ও এক লাইটে বিদ্যুৎ বিল ৭ হাজার টাকা
কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের রামদাস ধনিরাম সরদার পাড়া গ্রামের কাছিরন বেওয়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। একটি লাইট ও একটি ছোট ফ্যান চলে তার ঘরে। কিন্তু এক মাসে তার বিল এসেছে ৭ হাজার ২০০ টাকা। বিদ্যুতের এমন অস্বাভাবিক বিল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। বিদ্যুৎ বিলের কাগজ নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন তিনি। দুই দিন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর অফিসে গেলেও কোনো সমাধান মেলেনি।
কাছিরন বেওয়া ওই গ্রামের মৃত কাশেম আলীর স্ত্রী। সরকারের দেওয়া বিধবা ভাতা আর অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে বাড়িতে একা থাকেন।কাছিরনকে দেওয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মে মাসের বিলের কাগজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বর্তমান ইউনিট ৬০, পূর্ববর্তী ইউনিট ০ ও ৭১৬। ব্যবহৃত ইউনিট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ০। তবে গড় বিল উল্লেখ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪৬২ টাকা। নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিল পরিশোধ করলে কাছিরনকে অন্যান্য চার্জসহ সর্বমোট ৭ হাজার ২০০ টাকা দিতে বলা হয়েছে।
কাছিরন বেওয়া জানান, তিনি যে ঘরে বসবাস করেন সেখানে প্রতি মাসে ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসতো। তার ঘরে একটি লাইট ও একটি ছোট ফ্যান ছাড়া আর কিছু চলে না। তিনি কাউকে সাইড লাইনও দেনটি। কিন্তু বেশি বিল আসার কারনে গত মার্চ মাসে তিনি মিটার পরিবর্তন করেন। মার্চের পর পল্লি বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ তাকে দুই মাস বিদ্যুৎ বিল দেয়নি। কিন্তু মে মাসে অস্বাভাবিক ভাবে বিদ্যুৎ বির দেওয়া হয়েছে ৭ হাজার ২০০ টাকা। এতো টাকার বিদ্যুৎ বিল আসার কথা শুনে তার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ার উপক্রম।
কাছিরন বেওয়ার জীবন চলে মানুষের বাড়িতে কাজ করে ও সরকারি ভাতার টাকায়। একটি লাইট ও একটি ফ্যান চালিয়ে এত টাকা বিল দেওয়ার সক্ষমতা তার নেয়।
কাছিরন বেওয়া জানান, বিলের কাগজ আসার পর ভাত রানতেও পারি না। চিন্তায় চিন্তায় এর, ওর বাড়ি যাই। বিলের কাগজ নিয়ে দুইদিন অফিস গেছি। অফিসের লোকেরা কোনো কথায় শোনে না। তারা বলছে ৭ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমি গরিব মানুষ, এতো টাকা কেমন করি পরিশোধ করি।
কাছিরনের বিদ্যুৎ বিল ৭ হাজার টাকা হওয়া অস্বাভাবিক বলে স্বীকার করেছেন কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উলিপুর অফিসের ডেপুটি জোনাল ম্যানেজার (ডিজিএম) সোহানুর রহমান। বিলের কাগজে যে রিডিং উল্লেখ করা হয়েছে সেটি আমার কাছেও অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। আমি বিলিং সহকারীর কাছে জানলাম যে এটা সমস্যা হয়েছে। সংশোধন করা হবে।
বিল প্রস্তুতকারীর বরাতে ডিজিএম বলেন, পুরাতন মিটারের একটি ইউনিট ভুলবশত এই বিলে উঠে গেছে। বিলিং সহকারী আগের নষ্ট মিটারের ইউনিট এই বিলে দিয়ে থাকতে পারেন। অফিসে এলে বিষয়টি দেখে আমরা সংশোধন করে দেব।
প্রেমের টানে ভারতীয় তরুণী সিরাজগঞ্জে
নাইসা মল্লিক (২৬) নামের এক ভারতীয় তরুণী প্রেমের টানে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে এসেছেন। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এসে ঘর বেঁধেছেন ওই তরুণী। দেশ ছেড়ে আসা তরুণী উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামের জুয়েল সরকারের (২৪) সথে বিয়ে করেছেন। ভারত থেকে আসা তরুণীকে দেখতে জুয়েলের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে উৎসুক গ্রামবাসী।
জানা যায়, ফেসবুকের সূত্র ধরেই প্রায় দেড় বছর পূর্বে ভারতীয় তরুণী নাইসা মল্লিকের সাথে পরিচয় হয় জুয়েলের। তার পর একে অপরের সাথে বোঝা পড়ার মাধ্যমে গড়ে তোলেন প্রেমের সম্পর্ক। গত বুধবার (৩১ মে) উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামে আসেন ভারতীয় তরুণী নাইসা।
বালসাবাড়ী গ্রামের ইরান সরকারের ছেলে প্রেমিক জুয়েল সরকারের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিয়ে হয় তার। প্রেমিক জুয়েল সরকার বলেন, দীর্ঘ দেড় বছর সম্পর্কের পর নাইসার সঙ্গে আমার বিয়ে কথা হয়। তাই নাইসা গত বুধবার দেশ ছেড়ে আমার কাছে চলে আসে। নাইসাকে পেয়ে আমি খুবই খুশি।
ভারতীয় তরুণী নাইসা মল্লিকের বাবার নাম খয়রুল আলম মল্লিক। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার দশনগর থানার ধারসা ছোট মল্লিকপাড়ায় তাদের বাড়ি।
নাইসা মল্লিক বলেন, জুয়েলের সাথ আমার সম্পর্কের কথা আমার পরিবারকে জানালে তারা মেনে নিতে অস্বীকার করেন। তাই পরিবার ছেড়ে ভালোবাসার মানুষের কাছে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিই। তারপর পাসপোর্ট ও ভিসার মাধ্যমে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ইমিগ্রেশন শেষ করে বাংলাদেশে আসি। এখানে আসার পর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আমাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে পেরে তিনি অনেক আনন্দিত এবং অনেক সুখে আছেন বলে জানান নাইসা।
এ ব্যাপারে ছেলের বাবা ইরান সরকার বলেন, ভারতীয় তরুণীর সঙ্গে আমার ছেলে জুয়েলের ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এরপর ওই মেয়ে আমার বাড়িতে চলে আসে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এবং ছেলে-মেয়ে দুজনের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বর্তমানে তারা সুখে-শান্তিতে সংসার করছে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য