ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫ ফাল্গুন ১৪৩৩
 
শিরোনাম

বৃষ্টিপাতে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে মৌলভীবাজারবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
২২ এপ্রিল, ২০২৩ ১৮:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃষ্টিপাতে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে মৌলভীবাজারবাসী

তিমির বনিক, মৌলভীবাজারঃ একটানা তাপপ্রবাহের পর মৌলভীবাজার জেলাজুড়ে বৃষ্টি হওয়ায় মানুষের মাঝে স্বস্তি যেমন তেমনি বাঁধ ভাঙা খুশি ফিরে এসেছে। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে জেলাজুড়ে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে জেলাজুড়ে ঝড় শুরু হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তবে এতে আবহাওয়া ঠাণ্ডা হতে শুরু করে। তাপমাত্রাও কমে আসে ক্রমাগত।

গত কয়েকদিন ধরে জেলাজুড়ে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ওঠা-নামা করেছে বলে জানান শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক মো. মুজিবুর রহমান।

এদিকে তাপপ্রবাহের দিনগুলোতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকায় তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছিল। অপরদিকে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে মৌলভীবাজারের ৯৩টি চা বাগানের মধ্যে কিছু চা বাগানে কিছু কিছু গাছের পাতা জ্বলে গেছে। গত ১৯ এপ্রিল জুড়ি উপজেলার হাকালুকি হাওরে প্রখর রোদে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। দীর্ঘ তাপ প্রবাহের পর বৃষ্টির দেখা পেয়েছেন মৌলভীবাজার জেলাবাসী।

কমলগঞ্জ উপজেলার মাঝেরছড়া এলাকার লেবু ও আনারস বাগানের মালিক শাহেদ আহমদ বলেন, তাপপ্রবাহে বৃষ্টির জন্য মানুষের হাহাকার শুরু হয়েছিল। গরমে শিশু ও বয়স্কদের খুবই কষ্ট হচ্ছিল।

তিনি আরো বলেন, এর আগে দুই-এক উপজেলার হালকা বৃষ্টি হলেও অন্যান্য এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়নি। শুক্রবার দুপুর থেকে পুরো জেলাজুড়ে এই বৃষ্টি আমাদের স্বস্তি দিয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক জানান, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমাদের দেশে পড়েছে, যার ফলে এই দাবদাহ। এই অবস্থা মোকাবেলা করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে চা বাগান মালিকদের। বিশেষ করে চা বাগানে যে সমন্বিত পদ্ধতি রয়েছে তা মেনে চলতে হবে। আজ বৃষ্টি হওয়াতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। আজ ঈদের দিন সকাল থেকে তাপপ্রাবাহ না বাড়লেও স্বাভাবিক অবস্থায় চা চলমান আছে। তেমন একটা বিশেষ বদল হয়নি পরিবেশর।

প্রাসঙ্গিক
    মন্তব্য

    দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হলো দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    ২২ এপ্রিল, ২০২৩ ১২:২
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হলো দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত

    ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৯টায় প্রায় ছয় থেকে সাত লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    ঐতিহাসিক এ ঈদের জামাতে অংশ নিতে সদর উপজেলা ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের কয়েকটি জেলার মুসল্লিরা আসেন। জামাতে ইমামতি করেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম শামসুল হক কাসেমি।

    বৃহৎ এ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ছিল কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি। মাঠের আশপাশে র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যান্য সদস্যরাও তৎপর ছিলেন।

    নামাজে অংশ নেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ, পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেত-কর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সর্বস্তরের জনগণ।

    পঞ্চগড় জেলা থেকে ঈদের জামাতে আসা রাসেল ইসলাম বলেন, এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় ও দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করে খুব ভালো লাগল। জীবনে প্রথম লাখ লাখ মুসল্লির সঙ্গে নামাজ পড়তে পেরে ভালো লাগছে।

    প্রাসঙ্গিক
      মন্তব্য

      আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে

      নিজস্ব প্রতিবেদক
      ২১ এপ্রিল, ২০২৩ ২২:৪৮
      নিজস্ব প্রতিবেদক
      আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত হবে বায়তুল মোকাররমে

      শুক্রবার সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শনিবার বাংলাদেশ উদযাপিত হবে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর।

      বরাবরের মতো এবারও রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে, সকাল সাড়ে ৮টায়।

      প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমীন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, কূটনৈতিকসহ সব শ্রেণি পেশা-পেশার মানুষ এ জামাতে অংশ নেবেন।

      ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে হাই কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠ। সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

      দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে জাতীয় ঈদগাহ মাঠে জামাত অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঝোড়ো হাওয়া, শিলা বৃষ্টি, ভারী বৃষ্টিপাত যে কারণে ঈদগাহ ময়দানে পানি জমে নামাজ আদায় করার মতো পরিস্থিতি না থাকলে তখন প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে স্থানান্তর করা হবে। তবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের মধ্যে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত আদায় করা যাবে।

      এদিকে প্রতিবছরের মতো এবারও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

      প্রথম জামাত : সকাল ৭টায়

      প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন হাফেজ মুফতি মাওলানা মো. মিজানুর রহমান, সিনিয়র পেশ ইমাম বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির থাকবেন মো. ইসহাক, মুয়াজ্জিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

      দ্বিতীয় জামাত : সকাল ৮টায়

      ইমাম : হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী, পেশ ইমাম বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির থাকবেন হাফেজ মো. আব্দুল মান্নান, খাদেম বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

      তৃতীয় জামাত : সকাল ৯টায়

      ইমাম থাকবেন ড. মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী, মুফাসসির, ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মুকাব্বির: হাফেজ মো. আতাউর রহমান, সাবেক মুয়াজ্জিন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

      চতুর্থ জামাত : সকাল ১০টায়

      চতুর্থ জামাত হবে সকাল ১০টায়। এতে ইমাম হিসেবে থাকবেন হাফেজ মাওলানা মো. এহসানুল হক, পেশ ইমাম বাইতুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির থাকবেন মো. শহিদ উল্লাহ, চিফ খাদেম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

      পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত : সকাল ১০ টা ৪৫ মিনিটে

      সর্বশেষ এ জামাতে ইমাম হিসেবে থাকবেন হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহীউদ্দিন কাসেম, পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ। মুকাব্বির থাকবেন হাফেজ মো. জাহিনুল ইসলাম, খাদেম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ।

      প্রাসঙ্গিক
        মন্তব্য

        সৌদির সাথে মিল রেখে নোয়াখালীর ৫ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়

        নিজস্ব প্রতিবেদক
        ২১ এপ্রিল, ২০২৩ ১০:৩৯
        নিজস্ব প্রতিবেদক
        সৌদির সাথে মিল রেখে নোয়াখালীর ৫ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়

        নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীতে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে ৫টি মসজিদের মুসল্লিরা।

        শুক্রবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বসন্তবাগ গ্রামের মুন্সী বাড়ি জামে মসজিদ, জিরতলী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ফাজলিপুর গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ি মসজিদ ও নোয়াখালী পৌরসভা লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামের দায়রা বাড়ি কাছারি ঘর, হরিণারায়নপুর দায়রা শরীফ জামে মসজিদ ও পশ্চিম সাহাপুর মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত হয়।

        স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বসন্তবাগ গ্রামের ঈদের জামাতে ২০০-২৫০ জন মুসল্লি, নোয়াখালী পৌরসভা হরিনারায়ণ পুর ব্যান্ডার মসজিদের পূর্ব পাশে দায়রা ঘরে ২২জন মুসল্লি, পশ্চিম সাহাপুর জামে মসজিদে ১৫-২০ জন, জিরতলী ফাজিলপুর গ্রামের মসজিদে ৩০০-৪০০ জন মুসল্লি ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন।

        স্থানীয় বাসিন্দা কামাল উদ্দিন জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রেখেছি এবং সেই অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করছি। আমাদের পূর্বপুরুষরা ও একই নিয়ম মেনে রোজা রেখেছে এবং ঈদ উৎযাপন করেছে।

        এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আনোয়ারুল ইসলাম ও বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি। তারা বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানা যায় ৪টি মসজিদের মুসল্লিরা সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে।

        প্রাসঙ্গিক
          মন্তব্য

          ভুরুঙ্গামারীতে নিখোঁজের ২ দিন পর মাদরাসা শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ২০ এপ্রিল, ২০২৩ ২৩:৪৯
          নিজস্ব প্রতিবেদক
          ভুরুঙ্গামারীতে নিখোঁজের ২ দিন পর মাদরাসা শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

          কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে নিখোঁজের দুই দিন পর আবু তালেব নামের এক মাদরাসা শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

          বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের পরশুরামের কুটি তামিরুল উম্মাহ নুরানী মাদরাসার কক্ষ হতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আবু তালেব একই ইউনিয়নের ছনবান্দা খলিশাকুড়ি গ্রামের ফেরদৌস মিয়ার ছেলে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল ফজর নামাজের পর হতে আবু তালেব নিখোঁজ ছিলেন।

          নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, গত মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) রাতে সেহরি খেয়ে পার্শ্ববর্তী মসজিতে ফজরের নামাজ পড়ে আর বাড়ি ফিরেননি আবু তালেব। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদরাসার কক্ষের মেঝেতে তার মরদেহ পান স্বজনরা।

          এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোরশেদুল হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে মাদরাসা শিক্ষকের মৃত্যুটি অ-স্বাভাবিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

          প্রাসঙ্গিক
            মন্তব্য
            সর্বশেষ সংবাদ
              সর্বাধিক পঠিত