শিরোনাম
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ ৯ দিন
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম ৯ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ সময় সোনাহাট স্থলবন্দরের পণ্য আমদানি ও রপ্তানিসহ সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সোনাহাট স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি সরকার রকিব আহমেদ জুয়েল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বুধবার ১৯ এপ্রিল থেকে বৃহস্পতিবার ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ৯ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্থলবন্দরে পণ্য আমদানি রপ্তানির কাজ বন্ধ থাকবে। আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে বন্দরে পুনরায় ব্যবসায়ীক কার্যক্রম চালু হবে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মোহাম্মদ রহুল আমীন জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত সোনাহাট স্থল বন্দরে পণ্য আমদানি রপ্তানির কাজ বন্ধ থাকবে। এ ব্যাপারে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
কৃষ্ণনগর আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের আয়োজনে হিফজুল কুরআন ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
তাজুল হাসান সাদ, কালিগঞ্জঃ কৃষ্ণনগর আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের আয়োজনে হিফজুল কুরআন ও ইসলামী সংগীত প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে
আজ ২৫ রমজান ১৭ এপ্রিল সোমবার। কিষাণ মজদূর ইউনাইটেড এ্যাকাডেমি হাইস্কুল মাঠে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয় উক্ত অনুষ্ঠানে অংশ নেই শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১২০ জন প্রতিযোগি। হিফজ বিভাগে ৪৬ জন এবং ইসলামী সংগীত বিভাগে ৭৪ জন প্রতিযোগি।
এসময় কৃষ্ণনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: আফজাল হোসেন ও সদস্য আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগ থেকে প্রথম পর্যায়ে সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্ত ২১ জন প্রতিযোগিকে প্রাথমিক নির্বাচনের মাধ্যমে ২য় রাউন্ডে প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করে ৬ সদস্যর বিচারক প্যানেল।
হেফজ বিভাগের ১০ জন ও ইসলামী সংগীত বিভাগের ১১ জন প্রতিযোগী ২য় রাউন্ডে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সেখান থেকে হেফজুল কুরআন বিভাগে রহমতপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ফরহাদ রেজা ১ম, বায়নুল কুরআন ইণ্টা: হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আসিফ হাসান ২য় ও আব্দুল্লাহ ৩য় স্থান অধিকার করেন।
ইসলামী সংগীত বিভাগে জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আফসানা ১ম শ্যামনগর সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী শাহারিয়া তৌফিক ২য় এবং শহিদ স্মৃতি ড্রিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী তারিক বিন মিজান ৩য় স্থান অধিকার করেন।
অনুষ্ঠান টিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে সম্মাণনা ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোস্তফা কবিরুজ্জামান (মন্টু), সহ এলাকার আলেম ওলামা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কার বিতরণ পরবর্তিতে সকল প্রতিযোগিকে সান্তনা পুরস্কার সহ ইফতার বিতরণের মাধ্যমে সন্ধা ৬টায় অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যার মামলায় তার সাবেক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে চাঞ্চল্যকর অদিতা হত্যাকান্ডের ঘটনার ৭ মাস পর অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। গেলো বছরের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে জেলা শহরের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়নপুর এলাকায় নিজ বাসায় নির্মমভাবে খুন হন নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪)। হত্যা মামলায় তার গৃহশিক্ষক আবদুর রহিম রনির বিরুদ্ধে আদালতে ৭ মাস পর অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুধারাম মডেল থানার এস আই স্পেসল্যাব চৌধুরী প্রমোজ জেলার মুখ্য বিচারিক আদালতের জিআরও অফিসে এ অভিযোগপত্র জমা দেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মামলার তদন্তে ৩১ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ, আসামির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন, হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, ভিকটিম ও আসামির জামা কাপড়সহ অন্যন্য আলামত জমা দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
চাঞ্চল্যকর এ মামলার অভিযোগপত্রে স্কুলছাত্রী অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আবদুর রহিম রনি তাকে একা ঘরে ধর্ষণের চষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বালিশ চাপা দিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে নোয়াখালী জেলা শহরের পূর্ব লক্ষ্মীনারায়নপুর এলাকায় নিজ বাসা থেকে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতার (১৪) রক্তাক্ত নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় নিহতের মা রাজিয়া সুলতানা রুবি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরদিন এ ঘটনায় অদিতার সাবেক গৃহশিক্ষক আবদুর রহিম রনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় রনি।
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত হচ্ছে কক্সবাজার
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলো পর্যটক বরণ করতে আবার নতুন করে সাজছে। আসন্ন ঈদুল ফিতরের সময় ভ্রমণে আসা পর্যটকদের বরণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে এসব হোটেল-মোটেলে। ঈদের ছুটি পাঁচ দিন হলেও ঈদে টানা সাত দিন কক্সবাজারে পর্যটকরা ভ্রমণে আসবেন বলে আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
ইতিমধ্যে কক্সবাজারের পাঁচ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশির ভাগের রং লাগানো, ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ।
পবিত্র মাহে রমজানের শুরু থেকেই দীর্ঘতম বেলাভূমির সকাল-বিকালের চিত্রই সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোথাও পর্যটক নেই। বালুচরের পর্যটন ছাতাগুলো একদম খালি পড়ে রয়েছে। রমজান উপলক্ষে সাগরপারের শতকরা ৯০ ভাগ হোটেল-মোটেল বন্ধ রয়েছে। এসবের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পুরো রমজান মাস ছুটি কাটাচ্ছেন। রমজানের পর্যটকশূন্য অবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে সাজগোজের মাধ্যমে পর্যটক বরণের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, ‘ঈদের ছুটি পাঁচ দিন হলেও টানা সাত দিন কক্সবাজারে পর্যটক আসবেন। অনেক পর্যটক ইতিমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছেন। এবার আবাহাওয়া ভালো থাকলে প্রতিদিন গড়ে ৭০-৮০ হাজার পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
তিনি জানান, ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে ফেডারেশনভুক্ত আবাসিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে ভাড়ায় ৩০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে টানা সাত দিনের পর্যটন ব্যবসায় সাড়ে ১২ কোটি টাকার বেশি ব্যবসা হতে পারে।
হোটেল দি কক্স টুডের ব্যবস্থাপক আবু তালেব জানান, অন্যান্য বছরের মতো এবারও ঈদকে সামনে রেখে সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। পর্যটকরা আসলেই স্বচ্ছ পরিচ্ছন্ন হোটেল দেখবে।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার শেহরিন আলম জানান, ঈদের ছুটির পর্যটকের পদভারে আবারও চিরচেনা রূপে ফিরবে সমুদ্রসৈকতসহ পর্যটন এলাকা। এর জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। নিরাপত্তা জোরদার করে পর্যটকের সেবা দিতে প্রস্তুত তারাও।
বছর না ঘুরতেই সাতক্ষীরার চেহারা বদলে দিয়েছেন এসপি মনিরুজ্জামান
গত বছরের আগস্ট মাসের ২৩ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান পিপিএম। সেই হিসেবে আট মাস আগে পুলিশ সুপার হিসেবে সাতক্ষীরায় যোগদান সম্মন্ন করেন কাজী মনিরুজ্জামান।
যোগদানের পর থেকেই জনসাধারণের দোরগোড়ায় পুলিশিং সেবা পৌঁছে দিতে তার নেতৃত্বে রাত-দিন নিরলস কাজ করছে জেলা পুলিশ। তার প্রচেষ্টায় জেলা পুলিশের সর্বস্তরে এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। এসেছে স্বচ্ছতা। যার প্রমাণ মেলে চলতি বছর মে মাসের ১৫ তারিখে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতায় বিনা টাকায় ৭৬ জনকে কনস্টেবল পদে চাকরি প্রদানের মধ্য দিয়ে।
পুলিশের সাথে সাধারণ জনগনের দূরত্ব ঘুচিয়েছেন তিনি। ফলে সাধারণ মানুষও নির্দ্বিধায় তার কাছে যেতে পারেন নানান অভিযোগ ও সমস্যা নিয়ে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই পুলিশ নিয়ে মানুষের মনে যে নেতিবাচক ধারণা ছিল তা পাল্টে দিতে পেরেছেন তিনি। সাতক্ষীরাবাসীর মুখে মুখে পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামানের প্রশংসা প্রায়ই শোনা যায়।
যোগদানের পর থেকে পুলিশের রুটিন ওয়ার্কের বাইরেও জেলাবাসীর কল্যাণে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষও তাকে আপন করে নিতে দেরি করেনি।
পুলিশ সুপারের সঙ্গে যদি কোনো ধনী লোক ও গরিব লোক দেখা করতে যান, তাহলে পুলিশ সুপার সবার আগে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখেন। বৃদ্ধ লুঙ্গি পরা যে লোকটি দাঁড়িয়ে আছেন তাকে আগে দেখা করার সুযোগ দেন। শুধু তাই নয়, পুলিশ সুপার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ওই অসহায় মানুষটির সমস্যার কথা শোনেন ধৈর্য্য ধরে। এটা পুলিশ সুপারের নিত্য দিনের কাজ।
অসহায় মানুষ সব সময়ই কাছে পায় এই মানবিক পুলিশ সুপারকে। আবুল হোসেন নামক এক বৃদ্ধ বিদেশ যাওয়ার নাম করে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এক প্রতারককে দিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন। সেই টাকা উদ্ধার করে ওই বৃদ্ধকে ফেরত দেন পুলিশ সুপার।
জেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতেও নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন কর্মঠ ও নিষ্ঠাবান এই পুলিশ সুপার। তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, যোগদানের পর বিগত ৮ মাসে জেলার আটটি থানায় পুলিশ সুপারের তদারকিতে ৬৯২টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে নাশকতা মামলা ২০টি, বিস্ফোরক দ্রব্য মামলা ৩টি, অস্ত্র মামলা ১২টি, মাদকদ্রব্য মামলা ৬১৮টি এবং চোরাচালান মামলা ৩৯টি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নেও সদা তৎপর পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান। তার নির্দেশে ও তদারকিতে হওয়া বিভিন্ন অভিযানে মাদকদ্রব্যের মধ্যে ফেন্সিডিল ১৭৮ বোতল, গাঁজা ৭৬ কেজি ৮১৩ গ্রাম, ইয়াবা ট্যাবলেট ৯ হাজার ৩২৭ পিস, ট্যাফেডাল ট্যাবলেট ৯ হাজারব ৩২০ পিচ, ভারতীয় মদ ৮৪ বোতল ও দেশি মদ ৩২ লিটার উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়া চোরাচালানের সময় স্বর্ণের বার ২৪ পিস, রূপা ৪৭ কেজি ৪৫ গ্রাম, ফেন্সিডিল ৫৯৯ বোতল, পাতার বিড়ি ৬৮ প্যাকেট, ভারতীয় মদ ৩ বোতল, ভারতীয় শাড়ী ২৫ পিস, ভারতীয় ক্রিম ১৬ পিস, মোবাইল ফোন ৪টি জব্দ করা হয়েছে। তাছাড়া ডাকাতি মামলায় ২১ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপারের যোগদানের পর থেকে জেলার ট্রাফিক বিভাগও আগের চেয়ে বেশি সক্রিয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ট্রাফিক পুলিশ শহরের প্রধান প্রধান সড়কে সিমেন্টের রিং বসিয়ে রাস্তা ক্রসিং চলাচল পথ নির্ধারণ করেছে। এতে করে সড়কে আগের তুলনায় দুর্ঘটনা কম ঘটছে।
সাতক্ষীরায় পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে জেলাবাসিকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো অপশক্তি যাতে সাতক্ষীরায় মাথাচাড়া দিয়ে না উঠতে পারে সেজন্য জেলা পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া মাদক এবং চোরাচালান বন্ধে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। সবার সহযোগিতা পেলে জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য