শিরোনাম
জাপানে ফিরে যেতে জেসমিন মালিকার আকুতি
জাপানি মা নাকানো এরিকো ও বাংলাদেশি বাবা ইমরান শরীফ দম্পতির বড় মেয়ে জেসমিন মালিকা জাপান ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন, জানিয়েছেন আকুতি ।
আজ সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাছে এ আকুতি জানান।
জেসমিন মালিকা বলেন, আমি জাপান যেতে চাই। আমাকে বলা হয়েছিল যে আমরা আমেরিকায় যাব। কিন্তু আমরা আমেরিকায় যেতে পারব না। ২ বছর থেকে আমরা এখানে আছি।
তিনি বলেন, আমাকে ভুল বুঝানো হয়েছিল। এমনকি আমার মায়ের বিষয়ে আমাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল। আমি নির্ভরযোগ্য রিসার্চ করেছি। আমি সব জানতে পেরেছি। আমার স্কুল জাপানে, আমার সংস্কৃতি জাপানে, আমার বন্ধুবান্ধব জাপানে, আমার সবকিছু জাপানে। আমি এখানে কীভাবে থাকব? আমি সেখানে যেতে চাই।
এ সময় জেসমিন মালিকার সঙ্গে তার জাপানি মা এরিকো নাকানো ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।
লাশ গ্রহণ করেননি পিতা, দাফন করলেন সহপাঠীরা!
কক্সবাজারের চকরিয়ার বাসিন্দা ঢাকা বিজ্ঞান কলেজের মেধাবী ছাত্র সাঈদের লাশ তার পিতা গ্রহণ না করায় সহপাঠীদের সহযোগিতায় বাড্ডা কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। চকরিয়া থানা ও কমলাপুর থানা পুলিশের সহায়তায় সহপাঠীরা তার লাশ গ্রহণ করে শুক্রবার বাদ মাগরিব বিজ্ঞান কলেজ মাঠে জানাজার পর রাতেই বাড্ডা কবরস্থানে দাফন করা হয়। ধর্মান্তরিত হওয়ায় কৈশোরে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন সাঈদ আবদুল্লাহ (২২)। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। কক্সবাজারের চকরিয়া গ্রামার স্কুলের গণ্ডি পেরিয়ে ঢাকায় গিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। ছাত্র পড়িয়ে সেই টাকা দিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতেন। এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে অপেক্ষায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার। কিন্তু ট্রেনে কাটা পড়ে অবসান হলো তার জীবন সংগ্রামের।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে রেললাইন পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তার। রেলওয়ে থানা (ঢাকা-জিআরপি) জানায়, সাঈদ মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রেললাইন পার হচ্ছিলেন। কমলাপুর থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনে কাটা পড়ে সাঈদ ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পরে জিআরপি থানার পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায়।
চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, সাঈদের পিতা বিধু কুমার শীল ছেলের লাশ গ্রহণ করবেন না বলে লিখিত দেয়। বিষয়টি তেজগাঁও থানাকে অবগত করা হয়েছে। তেজগাঁও থানার ওসি অপুর্ব হাসান বলেন, সাঈদের লাশ তার বাবা গ্রহণ করবেন না মর্মে চকরিয়া থানার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে ঢাকা বিজ্ঞান কলেজের সহপাঠীদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কলেজছাত্রের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর অবস্থান: বিয়ে না দিলে আত্মহত্যার হুমকি
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়েও বিয়ে না করায় কলেজছাত্র প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে স্কুলছাত্রী প্রেমিকা। তাদের বিয়ে না দেওয়া হলে আত্মহত্যা করবে বলেও হুমকি দিয়েছে সে।
পাবনার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গত বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) থেকে আজ পর্যন্ত ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া প্রেমিকা কলেজছাত্র প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছে। তবে বাড়ি ছেড়ে লাপাত্তা প্রেমিক তুষার ও তার পরিবার।
অভিযুক্ত প্রেমিক হোসেন উদ্দিন খা ওরফে তুষার সাহাপুর গ্রামের তফিজ উদ্দিনের ছেলে। সে গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে সুজানগরে একটি কলেজে ভর্তির আবেদন করেছে।
প্রেমিকা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের এলাকায় আসা-যাওয়া আছে তুষারের। সেখান থেকে পরিচয়ের পরে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত ৪ বছর থেকে আমরা পাবনা শহর ও সুজানগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরতে গেছি। ‘গভীর সম্পর্কের পর আমি তাকে বিয়ের কথা বলায় সে তার পরিবারের কথা জানায়। তার পরিবার রাজি না হওয়ায় আমাকে সে নিজেই তার বাড়িতে আসতে বলে। আমি গত বৃহস্পতিবার এই বাড়িতে আসলে তার মা-বাবা তাকে বাড়ি থেকে ভয়ভীতি দিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে গেছে। এখন প্রতিশ্রুতি মতো আমাদের বিয়ে না হলে আমি আত্মহত্যা করব।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রেমিক তুষারের বাবা তফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি তাদের সম্পর্কের বিষয়ে কিছু জানি না। এখন এলাকার ব্যক্তিবর্গদের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।’
জাতীয় রুপ রেখা ২০২১ বাস্তবায়নে কাউনিয়ায় ৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপ্তি
রংপুর প্রতিনিধিঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক জাতীয় শিক্ষাক্রম রুপরেখা-২০২১ বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেণি শিক্ষকগণের বিষয় ভিত্তিক শিক্ষাক্রম বিস্তরণ বিষয়ে ৫ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় কাউনিয়া মোফাজ্জল হোসেন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ে সমাপ্ত হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (প্রশিক্ষণ উইং)এর সহকারী পরিচালক রাজীব কুমার দাশ,কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ তাহমিনা তারিন,সমাপনী অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ এনায়েত হোসেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু সাঈদ মোঃ আরিফ মাহফুজ।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার দিল আফরোজ, কাউনিয়া মোফাজ্জল হোসেন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আইয়ুব আলী, প্রশিক্ষক রঙ্গদ চন্দ্র বর্মণ আকতারুজ্জামান,স্বপনু কুমার, কৃষ্ণারানী চক্রবর্তী, মোছাঃ সাজেদা বেগম,মকবুল হোসেন প্রমূখ। বাংলা, ইংরেজি, গণিত,ইসলাম ধর্ম,শিল্প ও সংস্কৃতি, ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, জীবন ও জিবীকা, বিজ্ঞান,ডিজিটাল টেকনোলজি সহ ৮ বিষয়ে উপজেলার ৪ শ' ৩৫ জন শিক্ষক শিক্ষিকা এ প্রশিক্ষণে অংশ নেন। ৬, ৭, ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি ৫ দিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
আবারও চালু হচ্ছে ‘মিড ডে মিল’
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ধরে রাখতে সারাদেশে সাত হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আবারও ‘মিড ডে মিল’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করতে মাউশির বিদ্যালয় শাখাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে দ্রুত সময়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
মাউশি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি মাউশির মাসিক সমন্বয় সভায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আবারও মিড ডে মিল চালুর প্রস্তাব আসে। সেটি উপস্থিত সব কর্মকর্তা সম্মতি প্রদান করেন। সভায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালুর জন্য মাধ্যমিক শাখাকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশের সাত হাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু ছিল। এ কার্যক্রম সিলেট থেকে শুরু করা হয়। করোনার কারণে সেটি গত তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কার্যক্রম আবারও চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা মাঠ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে নতুন প্রস্তাবনা তৈরি করবো। সেখানো আরও বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো যায় কি না সেটিও বিবেচনা করা হবে।
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


মন্তব্য